Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /customers/4/a/c/dailybdtimes.com/httpd.www/wp-includes/post-template.php on line 284 Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /customers/4/a/c/dailybdtimes.com/httpd.www/wp-includes/post-template.php on line 284 Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /customers/4/a/c/dailybdtimes.com/httpd.www/wp-includes/post-template.php on line 284 Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /customers/4/a/c/dailybdtimes.com/httpd.www/wp-includes/post-template.php on line 284

ট্রাম্পের অভিযোগের জবাব দিলেন ওবামা

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের সমালোচনার জবাব দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বৃহস্পতিবার আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন গ্রহণ করে ট্রাম্প তীব্র সমালোচনা করেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ডেমোক্রেট দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের। তিনি আইসিস সৃষ্টির জন্য তাদের দায়ী করেন। বলেন, আমেরিকাকে অনিরাপদ করে তুলেছেন তারা। যুক্তরাষ্ট্র অপরাধে ভরে গেছে, মর্যাদার ক্ষয় হয়েছে ইত্যাদি অভিযোগ আনেন তিনি। বলেন, এসব সমস্যা শুধু তিনিই ঠিক করতে পারেন।

তার এসব মন্তব্যের জবাবে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানরা অযথাই ভীতি ছড়াচ্ছে। তারা মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। আমেরিকার মানুষ বাস্তবতার নিরিখে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার রাখেন। রিপাবলিকানদের জাতীয় সম্মেলনের ওপর প্রথম মন্তব্য করতে গিয়ে ওবামা বলেন, ওই সম্মেলন দেখার মতো সময় ছিল না তার হাতে। তবে তার বিরুদ্ধে অপরাধ ও অভিবাসন নিয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাতে তিনি বিরক্তি  প্রকাশ করেছেন।

ওবামা বলেন, রিপাবলিকানরা দুটি সত্য কথা বলেননি। তা হলো আমার শাসনকালে সহিংস অপরাধ গত তিন চার দশকের মধ্যে কমেছে। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন সে সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে এখন সহিংসতার হার কম। এমনকি আমি যখন ক্ষমতায় আসি তখনকার চেয়েও এ হার এখন কম। উল্লেখ্য, অভিবাসী ইস্যুতে মার্কিনিদের অনুভূতিতে নাড়া দেয়ার চেষ্টা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে ওবামা বলেন, রোনাল্ড রিগ্যান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তার চেয়ে এখন অবৈধ অভিবাসীর হার দুই-তৃতীয়াংশ কম। এমন কি ১৯৮০’র দশক, ১৯৯০’র দশক অথবা জর্জ বুশ যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তার তুলনায় এখন খুব কম মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত পাড়ি দিচ্ছে অবৈধ উপায়ে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রিপাবলিকানদের জাতীয় সম্মেলন শেষ হয়। এদিন ওবামা প্রশাসন ও হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়।

তবে ওই সম্মেলন নানা কারণে এবার আলোচনায় এসেছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প সেখানে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বর্তমান ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার ২০০৮ সালের বক্তব্য থেকে কপি করা। মিশেলের দেয়া বক্তব্যের কয়েকটি বাক্য হুবহু তাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে মিডিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বক্তব্য লেখক ক্ষমা চান। স্বীকার করেন কপি করার কথা। আরো আলোচনায় আসে রিপাবলিকান দল থেকে মনোনয়ন চেয়ে পরাজিত প্রার্থী টেক্সাসের সিনেটর টিড ক্রুজ। তিনি সম্মেলনে বক্তব্য দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দেননি। তিনি আগে পরে বলেছেন, নিউ ইয়র্কের ধনকুবের ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পরিবারকে অপমানিত করেছেন। তার স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। প্রাইমারি ও ককাস নির্বাচনের সময়ে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। সেই ক্ষোভ জাতীয় সম্মেলনে প্রকাশ করলেন টেড ক্রুজ। তবে শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্পও এর জবাব দিয়েছেন। বলেছেন, টেড ক্রুজের সমর্থন তিনি গ্রহণ করবেন না। যদি ক্রুজ সমর্থন দিতেনও তিনি তা মানতেন না। তিনি বলেন, আমি তার সমর্থন চাই না। টেড আপনি বাসায়ই অবস্থান করুন। বিশ্রাম নিন। আনন্দ করুন।

টেড ক্রুজকে আরো ঘায়েল করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিকে হত্যার সঙ্গে যুক্ত টেড ক্রুজের পিতা লি হারভে ওসওয়াল্ড।

Leave a Reply

Go Top
%d bloggers like this: