Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /customers/4/a/c/dailybdtimes.com/httpd.www/wp-includes/post-template.php on line 284

শেখ হাসিনা পরিবারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে শীর্ষ ঋণ খেলাপিরা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ব্যাংকিং খাতে শীর্ষ ২৫ ঋণখেলাপির বকেয়ার পরিমাণ ১০ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত হিসাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে কমিটির পক্ষ থেকে ওই খেলাপিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠকে কমিটির সদস্য নাজমুল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, ফরহাদ হোসেন ও আখতার জাহান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রতিটি শীর্ষ ঋণখেলাপির সঙ্গে শেখ হাসিনার ব্যাংক ডাকাত পরিবারের সদস্যদের সরাসরি যোগসাজশ রয়েছে। ব্যাংকিং সেক্টরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেখ রেহানা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ইশারা ছাড়া ব্যাংকে কোনো লোন পাশ হয়না, চার পায়না।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ মূল্যায়ন করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৪৫ দিনের মধ্যে একটি বাস্তবভিত্তিক রিপোর্ট দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। খেলাপি ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, আদায়ের উপায়, ঋণখেলাপি বন্ধে আইনের কী সংস্কার প্রয়োজন, উচ্চ আদালতের করণীয় ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শীর্ষ ঋণখেলাপিদের সঙ্গে শেখ হাসিনার ব্যাংক ডাকাত পরিবারের সদস্যদের প্রত্যক্ষ্ সংশ্লিষ্টতা থাকায় নিয়ম মেনে বৈঠক হলেও এসব বৈঠকের কোনো কার্যকর ফল হয়না। সূত্রটির মতে, ব্যাংকিং সেক্টরে শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং হাসিনা পরিবারের সদস্যদের প্রভাব কমানো না গেলে ঋণ খেলাপিদের দৌরাত্ম বন্ধ করা কখনোই সম্ভব হবেনা।

বৈঠকে জানানো হয়, কার্যকর ও সুষ্ঠু শেয়ারবাজার গড়ে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম সংযোজন এবং সুপারভিশন ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার ফলে শেয়ারবাজারের বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে নতুন জনবল নিয়োগ প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে থাকায় নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাচ্ছে না। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া বৈঠকে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নামে-বেনামে নানা ধরনের সার্ভিস চার্জ আদায়, ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত সুদ হার, সুপ্ত চার্জ আদায়সহ গ্রাহকদের নানা ধরনের অভিযোগ খতিয়ে দেখে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি বাজারে চালসহ অন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রণালয়কে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Go Top
%d bloggers like this: