লেখক: Daily BD Times

  • আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

    আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের এবারের আসরের ফেভারিট ছিল আর্জেন্টিনাই। মরক্কোও কম যায়নি। তারাও সেমিফাইনালে লড়াই করে ফাইনালে উঠেছে। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়েও দাপট দেখালো আফ্রিকার দেশটি। ১৮ বছর পর ফাইনালে উঠেও শিরোপা ছোঁয়া হলো না মেসিদের উত্তরসূরীদের। ২-০ গোলে জিতে অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি জিতলো মরক্কো।

    চিলির সান্তিয়াগোয় আর্জেন্টিনা হেরেছে ইয়াসির জাবিরির জোড়া গোলে। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে তো বটেই, যেকোনো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে মরক্কোর এটা প্রথম শিরোপা। দ্বিতীয় আফ্রিকান দেশ হিসেবে শিরোপা জিতল দেশটি। মহাদেশটির প্রথম দল হিসেবে ২০০৯ সালে এই শিরোপা জিতেছিল ঘানা।

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১২ মিনিটেই লিড নিয়ে নেয় মরক্কো। জাবিরির গোল ঠেকাতে সামনে এগিয়ে গিয়ে ফাউল করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক সান্তিনো বারবি। রিভিউ দেখে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে হলুদ কার্ড দেন রেফারি, মরক্কো পায় ফ্রি কিক। ১২ মিনিটে সেই ফ্রি কিক থেকেই দলকে এগিয়ে দেন জাবিরি।

    এরপর প্রথমার্ধের ২৯তম মিনিটে ফের এগিয়ে যায় মরক্কানরা। ডি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে ২৯ মিনিটে মাম্মার তুলে দেওয়া বলে ভলি শটে জাল খুঁজে নেন জাবিরি।

    ফাইনালের ২টিসহ টুর্নামেন্টে জাবিরি মোট গোল করেছেন ৫টি, যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। তবে গোন্ডেন বুট জেতা হয়নি। তার সমান ৫টি করে গোল করেছেন কলম্বিয়ার নেইসার ভিল্লারিয়াল, ফ্রান্সের লুকাস মিকাল ও যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্জামিন ক্রেমাসকিও। মেসির ইন্টার মায়ামি সতীর্থ ক্রেমাসকি ২টি অ্যাসিস্ট করায় পুরস্কারটি তার ঝুলিতেই গেছে। গোল্ডেন বল পেয়েছেন মরক্কোর ওথমান মাম্মা।

  • শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    স্টাফ রিপোর্টার

    বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাথায় কালো কাপড় বেঁধে শাহবাগে অবস্থান করে মৌন মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। জেলা সদর ও উপজেলা সদরে শিক্ষকরাও এই কর্মসূচি পালন করবেন।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

    বক্তারা জানান, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির ৩ দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফেরত যাবেন না তারা।

    এর আগে রোববার (১৯ অক্টোবর) অষ্টম দিনের কর্মসূচি হিসেবে শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকদের ভুখা মিছিল কর্মসূচিটি পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়লে শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়।

    এদিন সকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়ায় সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। কিন্তু সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    বাড়ি ভাড়া ২০ শতাংশ, মেডিকেল ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা ও উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

  • আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    • ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে থেকে চালাচ্ছেন পরিষদের কার্যক্রম। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিক সেবাসহ পরিষদের কাগজপত্র গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে কোনো রকমে চলছে পরিষদের কার্যক্রম। অন্যদিকে কাগজে-কলমে গ্রাম আদালত পরিচালনা হলেও বাস্তবে পরিষদ থাকে বন্ধ। জনগণের সেবায় পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক হলেও দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে অদৃশ্যভাবে চালানো হচ্ছে পরিষদ। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। চিত্রটি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য, গ্রাম আদালত পরিচালনার রুম তালাবদ্ধ। দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানকালে পরিষদের রুমগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। এসময় শুধু অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের রুম খোলা পাওয়া যায়।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান যাদু মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে গেলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম অদৃশ্য স্থান থেকে পরিচালনা করছেন। তিনি এক বছর ধরে পরিষদে আসেন না। তবে পরিষদের কাগজপত্র একজন গ্রাম পুলিশকে দিয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নেয়া হয়।গ্রাম আদালত পরিচালনা নেই বললে চলে। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ নাগরিক সেবার কাগজপত্রে জনগণকে বুড়িরহাটে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে হয়। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়াসহ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে পরিষদের এলেও পাঁচ থেকে দশ মিনিটের বেশি থাকেন না বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা, আইনশৃঙ্খলা সভাসহ অন্যান্য সভায় রয়েছেন প্রায় ৮ মাস ধরে অনুপস্থিত। তবু তিনি রয়েছেন বহালতবিয়তে।ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকাবাসী একরামুল জানান, চেয়ারম্যান অনেক দিন ধরে অফিসে আসে না। ফলে জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। জনগণ যেখান থেকে সেবা পাওয়ার কথা, সেখান থেকে পাচ্ছে ভোগান্তি। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন এসে যখন দেখছেন পরিষদে চেয়ারম্যান নেই, তখন তাদের বুড়িরহাটে চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।গ্রাম পুলিশ আব্দুল ওহাবকে কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি কাগজপত্র চেয়ারম্যান সাহেবে যেখানে থাকে, সেখানে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসি। আমাকে সচিব কাগজ দেন, আমি স্বাক্ষর নিয়ে আসি।হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোর্শেদুল হক বলেন, আমরা জনগণকে সেবা দিচ্ছি। প্রথমে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে তিনি তা স্বীকার করেন। অফিসের সব রুমে তালাবদ্ধ, কেউ কি অফিসে আসেন না, জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, সচিব ম্যাডাম কিছুক্ষণ আগে চলে গেছেন। গ্রাম আদালতের সব মামলা মীমাংসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাই আজ গ্রাম আদালত বসেনি। নাগরিক সনদে স্বাক্ষর নেয়া রয়েছে, জনগণ এলে দেয়া হয়। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবার জন্য চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান না আসায় ট্রেড লাইসেন্সসহ নাগরিক সেবায় একটু হলেও ভোগান্তি হচ্ছে।ইউপি সচিব আনোয়ারা বেগম জানান, চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে আসেন। জনগণের অতি প্রয়োজন হলে বুড়িরহাটে তার নিজস্ব অফিসে পাঠানো হয়। নাগরিক সেবা দেয়া হচ্ছে। আমি অফিস থেকে কিছুক্ষণ আগে বাড়ি এসেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, নাগরিক সেবা বঞ্চিত হচ্ছে, ভোগান্তি হচ্ছে এ রকম অভিযোগ আমাকে এখন পর্যন্ত কেউ দেয়নি। উপজেলা পরিষদের সভায় তিনি প্রতিনিধি পাঠান। ওই চেয়ারম্যানের সাথে এখন পর্যন্ত আমার দেখা হয়েছে বলে মনে পড়ে না। অফিস সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্যদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কেন অফিস বন্ধ থাকে, কেন তিনি উপস্থিত থাকছেন না, এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

  • বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সভাস্থল চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে সারজিস আলম বগুড়ায় এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও জেলা পুলিশ।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়া শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু পরেই বিকাল সাড়ে ৪টায় পুলিশি পাহারায় সারজিস আলম পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ।

    বগুড়া জেলা এনসিপি নেতা সৈকত হাসান বলেন, সারজিস আলম বগুড়া জেলার কার্যালয় উদ্বোধন শেষে জেলা পরিষদ হলরুমে সমন্বয় সভায় অংশ নিয়েছিলেন। সভা চলাকালীন সময়ে জেলা পরিষদ চত্বরে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। অপর একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলে।

    জেলা পরিষদ থেকে যাওয়ার পূর্বে সারজিস আলম গণমাধ্যমকর্মীদের আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশের ভূমিকা আরো দায়িত্বশীল হওয়ার দরকার ছিল। রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমরা যাদেরকে অন্তবর্তী সরকারে বসিয়েছি তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নমনীয়ভাবে দেশ চালাচ্ছে এতে জুলাই স্পিড থেকে অনেক দূরে।তিনি বলেন বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির জানান, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে অতিদ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত আসামি চন্দন কুমার পালের পক্ষে করা আবেদন শুনানি না করায় তা নামঞ্জুরক্রমে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

    এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দায়রা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তাকে সহায়তা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার রুবী ও কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।

    জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন পালের জামিন ইস্যুতে বিচারক ও পিপির অপসারণসহ ৮ দফা দাবিতে এদিন সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং হতাহত পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

    এসময় জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাহামুদুল হাসান রাকিব, এনসিপি নেতা রাশেদুল হাসান দেওয়ান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহনূর রহমান সায়েম, মোর্শেদ জিতুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পাল সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ৬ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে এবং সর্বশেষ আরো একটি মামলায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর জেলা দায়রা আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে পরদিন জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। আজ ২০ অক্টোবর ছিল সেই মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ।

    আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের মুক্তির খবর জানাজানি হলে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। গুঞ্জন ওঠে, তিনি জামিনে মুক্তির পর দেশত্যাগ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন-পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের পর গত ৬ অক্টোবর সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা আদালত, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান গেটে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন।

    • পরবর্তী সময় ওই দিন বিকেলে চন্দন কুমার পালের দেশত্যাগের আশঙ্কায় তার পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি বিশেষ আবেদন করেন। সেই বিষয়ে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে চন্দন কুমার পালের পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
  • সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

    সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

    নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ২৯ বছর পর অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দিয়েছে আদালত।

    সোমবার ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন। সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরীর আইনজীবী আবিদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এদিন চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলায় তার মায়ের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

    এ বিষয়ে সালমান শাহর বাবা কমর উদ্দিনের অভিযোগ এবং ঘটনায় জড়িত রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের জবানবন্দি সংযুক্ত করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্য রমনা মডেল থানা পুলিশকে আদেশ দিয়েছেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলা করেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

    ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে রায় দেন। যা প্রত্যাখ্যান করেন সালমান শাহর বাবা এবং পরবর্তীতে রিভিশন মামলা করেন।

    ২০০৩ সালে সেই রিভিশন মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক ‘অপমৃত্যু’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

    এরপর ছেলের মৃত্যুর বিচারপ্রার্থী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মারা গেলে মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি সিএমএম আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। তখন মামলাটি তদন্তের ভার পড়ে পিবিআইয়ের ওপর।

    ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করলে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

    মামলার নিষ্পত্তি আদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১২ জুন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবারও রিভিশন মামলা দায়ের করে বাদীপক্ষ। ওই রিভিশন মামলায় বলা হয়, একাধিক ব্যক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে হত্যাকে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। সুপরিকল্পিত হত্যাকে ‘আত্মহত্যা’ ও ‘অপমৃত্যু’ বলা হচ্ছে। তাই সত্য প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

  • জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ আহমেদকে হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ছাত্রীর নাম বর্ষা আক্তার। তাকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন জুবায়েদ।

    রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটের বর্ষাকে তার নিজ বাসা রাজধানীর বংশালে নূর বক্স রোডে রৌশান ভিলা থেকে আটক করা হয়। এছাড়া বাড়ির বাকি সদস্যদেরও কড়া নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।

    নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হওয়া জুবায়েদের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছেন, হত্যায় সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অতি দ্রুত খুনিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    বিডি নিউজ ডেস্ক :

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন

  • চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

    চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

     

    চৌগাছা  প্রতিনিধি:

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার মাশিলা সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ নয় বাংলাদেশিকে পুশব্যাক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ভারতের বয়রা বিএসএফ ও বাংলাদেশের মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

    পুশব্যাক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ফুড়িয়াখালি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক খান (৪৭), তার স্ত্রী খাজিদা আক্তার (৩৫) ও ছেলে মাস্টার আব্দুল্লাহ খান (৮), সিলেট সদর উপজেলার ইয়াসমিন খাতুন (৩০), গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার রাজিয়া বেগম (৩০), ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কাজল লিপি (৪৫), দিনাজপুরের বিরল উপজেলার লিটন খান (২৪), বোচাগঞ্জ উপজেলার সুনিল টুডু (২৬) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (২২)।

    ৪৯ মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফরিদ উদ্দিন বলেন, ভারতের বহেরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ বিকেলে নয়জন বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করে। পরে তাদের চৌগাছা থানা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

    পুশব্যাক হওয়া আব্দুর রাজ্জাক খান জানান, তারা কেউ ভারতের গোয়ায়, কেউ হরিয়ানায় ও কেউ উত্তরখণ্ডে কাজ করতেন। সেখান থেকে বিএসএফ তাদের আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ধ্যায় নয়জন বাংলাদেশিকে পুশব্যাকের মাধ্যমে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মালিহা পাইক (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    আজ  সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত মালিহা পাইক কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামের বায়জিদ পাইকের মেয়ে।

    কোটালীপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, শিশু মালিহা বাড়ির সামনের উঠানে খেলছিল। এ সময় সবার অজান্তে  বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে মালিহাকে অনেক খোঁজা-খুঁজির পর পুকুর থেকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মালিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরিবারের অবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।