লেখক: Daily BD Times

  • পশ্চিমবঙ্গের ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা

    পশ্চিমবঙ্গের ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবারো স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সদ্য প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের (এডিআর) রিপোর্টে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সংখ্যক নবনির্বাচিত বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিধায়কদের (সংসদ সদস্য) সম্পত্তির পরিমাণও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এডিআরের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্লেষণ করা ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে প্রায় ৫৮ শতাংশ, অর্থাৎ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধমূলক মামলা বিচারাধীন। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১৩। সব মিলিয়ে ১৯০ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনো না কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যা মোটের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

    এডিআর জানিয়েছে, গুরুতর ফৌজদারি মামলা বলতে এমন অপরাধ বোঝানো হয়েছে, যার সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর বা তার বেশি, অথবা যেগুলো অজামিনযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, দুর্নীতি এবং সরকারি তহবিল সংক্রান্ত অপরাধ।

    রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ১৪ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রয়েছে। ৫৪ জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নারী সংক্রান্ত অপরাধে অভিযুক্ত বিধায়কের সংখ্যা ৬৩। এদের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। ২০২৬ সালের দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্লেষণ করা বিজেপির ২০৬ জন বিধায়কের মধ্যে ১৪১ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে, যা প্রায় ৬৮ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ২৫ জন, অর্থাৎ প্রায় ৩১ শতাংশের বিরুদ্ধে এমন মামলা রয়েছে।

    এডিআর আরো জানিয়েছে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী), অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সব জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধেই গুরুতর মামলা রয়েছে। তবে কংগ্রেসের দুই জয়ী বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা নেই।

    অপরাধমূলক মামলার পাশাপাশি বিধায়কদের সম্পত্তির পরিমাণও নজর কেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৯২ জনের মধ্যে ১৭৮ জন বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ এক কোটির বেশি। বর্তমানে সব বিধায়কের মোট ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ১ হাজার ৯১ কোটি টাকা। গড় সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৭ কোটি টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২ দশমিক ৫ কোটি।

    দল অনুযায়ী সম্পত্তির গড় হিসাবেও পার্থক্য দেখা গেছে। তৃণমূল বিধায়কদের গড় সম্পত্তি ৫ দশমিক ৩ কোটি টাকা, বিজেপির ক্ষেত্রে তা ২ দশমিক ৯ কোটি। অন্যদিকে কংগ্রেসের দুই বিধায়কের গড় সম্পত্তি সবচেয়ে বেশি ১৭ দশমিক ৯ কোটি টাকা।

    রিপোর্টে বিজেপি নেতা দিলিপ সাহার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ সম্পত্তির ঘোষণা করেছেন, যার পরিমাণ ৪৩ কোটিরও বেশি। এছাড়া, টিএমসির জাকির হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ ১৩৩ কোটিরও বেশি বলে অন্য রিপোর্টে উঠে এসেছে।

    পুনর্নির্বাচিত ১০২ জন বিধায়কের সম্পত্তির হিসাব বিশ্লেষণ করে এডিআর জানিয়েছে, তাদের গড় সম্পত্তি ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে যেখানে গড় সম্পত্তি ছিল ২ দশমিক ৩ কোটি টাকা, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮ কোটি টাকায়।

    নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছবি উঠে আসেনি। ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ৩৭ জন মহিলা, যা মোটের মাত্র ১৩ শতাংশ। আগের বিধানসভায় এই হার ছিল ১৪ শতাংশ।

    শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রেও নানা চিত্র উঠে এসেছে। এডিআর জানিয়েছে, ৬৩ শতাংশ বিধায়কের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা তার বেশি। ৩২ শতাংশের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মধ্যে। এছাড়া একজন বিধায়ক নিজেকে নিরক্ষর বলে ঘোষণা করেছেন।

    এডিআরের এই রিপোর্ট রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। একদিকে যেমন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বিধায়কদের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে তেমনই দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের সম্পত্তির পরিমাণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় আরো কড়াকড়ি আনা এবং অপরাধমূলক পটভূমি থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে ভোটারদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

  • ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

    ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    ভারতের বিরুদ্ধে আবারও তীব্র ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই। কেউ তোমাদের কথা শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না।’

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান।

    ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতের বিরুদ্ধে এই কঠোর বক্তব্য দেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান নৌবাহিনীর উপপ্রধান (অপারেশনস) রিয়ার অ্যাডমিরাল শাফাআত আলী এবং বিমানবাহিনীর উপপ্রধান (প্রকল্প) এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী।

    গত বছরের ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলা থেকে শুরু করে পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ এবং ১০ মে যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সামরিক উত্তেজনার যে অধ্যায় শেষ হয়, পাকিস্তান সেটিকে ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে।

    এদিনের সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই আহমেদ শরিফ চৌধুরী দেশবাসীকে ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তির শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছে এবং বহু-মাত্রিক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে শত্রুকে পরাজিত করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আজ আমরা কী হয়েছিল তা নিয়ে খুব বেশি কথা বলব না। বরং ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সময় নিয়ে বেশি আলোচনা করব’।

    তিনি আরও বলেন, এই সংঘাতের ‘কৌশলগত পরিণতি’ তুলে ধরা হবে।

    আইএসপিআর প্রধান বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর ১০টি কৌশলগত পরিণতি রয়েছে। এর প্রথমটি হলো— পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসেবে উপস্থাপনের ভারতীয় বয়ান ‘সমাধিস্থ’ হয়েছে। তার ভাষায়, কোনও প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে ভারতে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পেহেলগাম ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও পাকিস্তানের তোলা প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও মেলেনি।

    তিনি প্রশ্ন করেন, ‘(পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার) প্রমাণ কোথায়?’। এরপর তিনি বলেন, ‘কেউ এটা বিশ্বাস করে না। সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই। কেউ তাদের কথা শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না’। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কৌশলগত পরিণতি হলো— পুরো অঞ্চলে পাকিস্তানের ‘নিরাপত্তা স্থিতিশীলতার প্রধান শক্তি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা দূত হলো পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের বর্তমান নেতৃত্ব।’

    তৃতীয় কৌশলগত পরিণতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, ‘ভারতীয় সামরিক নেতৃত্বের রাজনীতিকরণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সামরিকীকরণ’ ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘ওদের সামরিক বাহিনী আগে পেশাদার ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখন তা রাজনীতিকরণ হয়েছে।’

    আইএসপিআর প্রধান আরও বলেন, ভারতীয় রাজনীতিকদের বক্তব্য দেখে মনে হয় তারা ‘যুদ্ধবাজ’। তার মতে, সামরিক বাহিনীর রাজনীতিকরণ এবং রাজনীতির সামরিকীকরণ ‘বিপজ্জনক’।

    তিনি দাবি করেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ সমস্যার মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘু ও কাশ্মীরিদের দমন-পীড়ন। তার ভাষায়, ‘এটি এক ধরনের ভ্রান্ত শ্রেষ্ঠত্ববোধ ও অহংকার থেকে আসে’। তিনি বলেন, ভারত নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতে চায় না। তাই তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে যে— দেশটি ভারতে সন্ত্রাসবাদে জড়িত।

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় যে সেখানে জনসংখ্যার চিত্র বদলে দেয়া হবে’। তিনি আবারও অভিযোগ করেন, ভারত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে। এমনকি নিজেদের দেশেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর অন্যদের দোষারোপ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে ভারত কীভাবে এসব ভণ্ডামিপূর্ণ কাজ করে। পঞ্চম কৌশলগত পরিণতি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভারতীয় গণমাধ্যমের আসল চেহারা এবং তাদের তথ্যযুদ্ধের ব্যর্থতা’ প্রকাশ পেয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের বিভিন্ন পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে গিয়েছিল। এরপর অক্টোবর মাসে পাকিস্তান প্রতিবেশী আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালায়। এর পর ঘটনাগুলো কমে আসে বলে দাবি করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে ভারতের ভূমিকা রয়েছে এবং আফগানিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হকে শিক্ষা পাওয়ার পর ভারত কাকে ফোন করেছিল, দেখেছেন? আফগান তালেবান সরকারের তথাকথিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে।’

  • চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর শহরে রাস্তার দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ারের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

    অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে রাস্তার পাশে স্থাপিত অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে দেয়া হয় এবং দখলদারদের সতর্ক করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ ফারুক উদ্দিন চৌধুরী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত মিয়া প্রমুখ।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার বলেন, ‘আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারি আইন অমান্য করে কেউ সরকারি জায়গা দখল করলে পরবর্তীতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

    এ,আর

  • পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

    পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন। তিনি ফিতা কেটে ও ধান-চাল মাপার মাধ্যমে এই সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৪০০ কৃষকের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে এক হাজার ২০০ টন ধান এবং উপজেলার একটি অটোরাইসমিলসহ নয়টি হাসকিং মিল থেকে ৪৯ টাকা কেজি দরে দুই হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেসমিন আক্তার জানান, বর্তমানে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সারাদেশের ন্যায় এ উপজেলায় অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে মানসম্মত ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ধান এবং চাল সংগ্রহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিনে তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘এ বছর মৌসুমের শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে সারাদেশের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং হাওর এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।’ দলীয় নেতাকর্মীদেরকে কৃষকদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ,আর

  • নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ ও দুই যুবক আটকের ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের সঙ্গে (এসআই) চোরাকারবারির ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষির দুটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার পর অডিও দুটি ফাঁস হয়। পরে রাতেই অভিযুক্ত এসআই মো. আবু হানিফকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছড়িয়ে পড়া অডিও আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি পিকআপ থেকে ১৮ বস্তা বডি স্প্রে, শ্যাম্পু, অলিভ অয়েলসহ বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করে। এ সময় পিকআপের চালক নাজিরপুরের শিংপুর এলাকার মো. নাছিম (২৩) ও তাঁর সহকারী সেইচাহানি গ্রামের মনির হোসেনকে (২১) আটক করা হয়। পরে ওই দুই যুবক ও মূল হোতা উপজেলার রাজনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনসহ (৩৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফ ও চোরাকারবারি জসিম উদ্দিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি পুলিশ সুপার স্যার দেখছেন। এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। চোরাই পণ্যের মালিক জসিম মিয়াকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ এসব ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন ওসি।

    এআর/এনআর

  • যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের সদস্যরা।

    ঠিকানা বিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা এসব শিশু খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা জানান, এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে শিশুরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

    পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরো ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান।

    এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।

    এ,আর

  • সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    গাইডলাইন অনুযায়ী, সরকারি জমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ‘কন্ট্র্যাক্টিং অথরিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, জমির মালিক সংস্থা হিসেবে থাকবে বেজা। চট্টগ্রামের মীরসরাই ও ফেনী অঞ্চলে গড়ে ওঠা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এ লক্ষ্যে বেজা ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বেজার নির্বাহী বোর্ডের সচিব ও সরকারের যুগ্ম সচিব ড. জুলিয়া মঈন এবং বিপিডিবির সচিব আফরোজা সুলতানা।

    বেজা বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে বেজার মালিকানাধীন প্রায় ৪১২ একর জমিতে এই বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সরকারি অব্যবহৃত জমিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটিকে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ‘গাইডলাইনস ফর ডেভেলপমেন্ট অব রিনিউএবল এনার্জি প্রজেক্টস ইউজিং ল্যান্ড ওনড বাই গভর্নমেন্ট এজেন্সিজ আন্ডার পিপিপি মডালিটি, ২০২৬’-এর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। গত ৭ এপ্রিল নতুন এ গাইডলাইন অনুমোদন দেয় সরকার।

    এর আগে, ২০২৫ সালের ৬ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। পরে চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ফেনীর সোনাগাজীতে বেজার জমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্পটিকে নতুন গাইডলাইনের আওতায় একটি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    গাইডলাইন অনুযায়ী, সরকারি জমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ‘কন্ট্র্যাক্টিং অথরিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, জমির মালিক সংস্থা হিসেবে থাকবে বেজা।

    বেজার মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। একইসাথে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সরকারি জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

    সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, প্রকল্পটির সম্ভাবনা, বিনিয়োগ আগ্রহ ও অংশীদারত্বের সুযোগ নিয়ে দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে শিগগিরই একটি ‘মার্কেট সাউন্ডিং’ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এ প্রকল্পে ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমসহ আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বেজা, বিপিডিবি ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    এ,আর
  • ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো ইমি জামিনে মুক্ত

    ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো ইমি জামিনে মুক্ত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে কারাগারে যাওয়ার ৬০ দিন পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি এবং পরবর্তীতে ঢাকসুর ভিপি প্রার্থী তাসনিম আফরোজ ইমি।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকাল ৩টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটক থেকে তিনি বের হন। এর আগে জেল গেটে তার বাবা-মা ও শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে নিতে অপেক্ষায় ছিলেন।

    ইমি জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় তিনি জামিন পান। আইনি জটিলতার কারণে সাতদিন পর মুক্ত হন তিনি।

    চলতি বছরের ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইমিসহ কয়েকজন। রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ ঢাবি শিক্ষার্থীদের একটি দল তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী রিকশাসহ ইমি ও আরেকজনকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে। পরদিন রোববার আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

    এআর/এনআর
  • ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বাংলাদেশকে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আহ্বান-ভারতের

    ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বাংলাদেশকে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আহ্বান-ভারতের

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ বা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক লোক পাঠানোর আশঙ্কা নিয়ে শীর্ষ পর্যায় থেকে যেসব মন্তব্য এসেছে, সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এসব মন্তব্য দেখা উচিত। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

    জয়সওয়াল জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২ হাজার ৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে অনেক আবেদন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে।’

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যদি সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক লোক ঢোকানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

  • শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক ভিডিও বার্তায় তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

    হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমরা সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সরকার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি আমরা যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করি, সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি সংকটের কারণে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা দেয় সরকার। এরপর ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ৫ এপ্রিল থেকে এক ঘণ্টা বাড়িয়ে দোকান বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।

    এআর/এনআর