লেখক: Daily BD Times

  • বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের প্রায় ৯৫ শতাংশ হোটেলের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ১৬-২৫ ডিসেম্বর জেলায় ব্যাপক পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা সদরের হোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

    পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা ভিড় জমান পাহাড়কন্যা খ্যাত এ অপরূপা বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন ও শীত মৌসুমে তা বাড়ে কয়েকগুণ। অদ্ভুত কারণে গত কয়েক বছর জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটক সমাগম কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে কোনো প্রকার বিধিনিষেধ না থাকায় জেলায় পর্যটকের সমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভ্রমণে এসে আবাসন নিশ্চিত করতে ১৬-২৫ ডিসেম্বরের জন্য ৯৫ শতাংশ আগাম হোটেল বুকড করে নিয়েছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ম্যানেজার আক্কাছ উদ্দিন বলেন, ‘হোটেলে ৪৫টি কক্ষ রয়েছে। এরমধ্যে আগামী ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্ষগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল হিল্টনের ম্যানেজার তপন বড়ুয়া বলেন, ‘তাদের হোটেলেও ওই দিনগুলোতে প্রায় ৮০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে।’হিলভিউ হোটেলের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘বর্তমানেও তাদের হোটেলের ৪০ শতাংশ কক্ষে পর্যটক রয়েছে। তবে ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল গার্ডেন সিটির মালিক মো. জাফর বলেন, চলতি মাসজুড়ে তাদের হোটেলে ভাল পর্যটকের সাড়া পেয়েছিলেন। মাসের আগামী দিনগুলোতেও গড়ে ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।বান্দরবান হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি ডিসেম্বরে পর্যটন খাত নতুন করে গতি পেয়েছে। তিনি আশা করছেন, আগাম বুকিংয়ের এ প্রবণতা স্থানীয় পর্যটন ও আবাসন খাতের পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • টেকনাফে সুখবর পেলেন মহিলাদল নেত্রী

    টেকনাফে সুখবর পেলেন মহিলাদল নেত্রী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের টেকনাফে এক মহিলাদল নেত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া ‎মরজিনা আক্তার সিদ্দিকী কক্সবাজার জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

    ‎সম্প্রতি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    ‎এ বিষয়ে মর্জিনা আক্তার সিদ্দিকী বলেন, ২০২৪ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ আমলে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করি, তখন দল থেকে আমাকে বহিষ্কার করে। সে সময় থেকেই দলের কার্যক্রমের বাহিরে ছিলাম। তবে বেশ কিছুদিন দিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। একপর্যায়ে আমি ঢাকায় গিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুল স্বীকার করলে দল ক্ষমা করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করেছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি বেশ খুশি। এখন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করে যাব।

    এআর/নিই

  • চকরিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ

    চকরিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুকের বাড়িতে গিয়েছেন একই আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ফারুকের পিতা নুরুল কবিরে (৭০) মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানাতে তার চকরিয়ার হারবাংস্থ বাড়িতে যান তিনি।

    গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে সালাহউদ্দিন আহমদ এবং তার স্ত্রী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সাংসদ এডভোকেট হাসিনা আহমেদ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের বাড়িতে উপস্থিত হন।

    এর আগে এদিন তিনি কক্সবাজারের চকরিয়ার খুটাখালী, ডুলাহাজারা ও ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ধানের শীষের পক্ষে নিজ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগে করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

    উল্লেখ্য, সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে আব্দুল্লাহ আল ফারুকের পিতা নুরুল কবির মৃত্যুবরণ করেন। একই দিন বাদে মাগরিব হারবাং উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

    এআর/নিই

  • নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    প্রধান উপদেষ্টাকে মিডা

    নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো বন্দরকেন্দ্রিক টাউনশিপে রূপান্তরের পরিকল্পনা।

    প্রকল্প সম্পন্ন হবে তিন ধাপে, ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সালের মধ্যে।

    প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের।

    বিডিটাইম ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের মহেশখালী-মাতারবাড়ীকে সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো উন্নত আধুনিক বন্দরকেন্দ্রিক টাউনশিপে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মিডা) নামে আলাদা একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত মিডা মহেশখালী-মাতারবাড়ীর সমন্বিত উন্নয়ন নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী) মিডার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মহেশখালী- মাতারবাড়ী প্রকল্পের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন দেন। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠক আরও উপস্থিত ছিলেন মিডার সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক ও মো. সারোয়ার আলম এবং প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না।

    আশিক চৌধুরী তাঁর প্রেজেন্টেশনে মিডার চার মাসের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি তিন ধাপে সম্পন্ন হবে—প্রথম ধাপ ২০২৫ থেকে ২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০ থেকে ২০৪৫ এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪৫ থেকে ২০৫৫ পর্যন্ত। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৫ লাখ লোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে এবং জিডিপিতে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যুক্ত হবে বলে জানান তিনি।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, আমাদের একটা ব্লু ইকোনমি গড়ে তোলার ভিশন নিয়ে কাজ করতে হবে। ওই এলাকা শুধু একটা ফ্যাসিলেটিং জোন হিসেবে না, বরং সেখানে একটা নতুন শহরের জন্ম হবে। সেখান থেকে আমাদের আন্তর্জাতিকভাবে কানেক্টিভিটি তৈরি হবে। সমুদ্রই হবে বিশ্বের পথে আমাদের মহাসড়ক।’

    গভীর সমুদ্র নিয়ে গবেষণার ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। মহেশখালী অঞ্চলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলার ওপরেও জোর দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে বিশ্বে যাঁরা বিশেষজ্ঞ আছেন, প্রয়োজনে তাঁদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা সমুদ্র জগতে কখনো প্রবেশ করিনি। ওটা নিয়ে চিন্তাও করিনি। এ বিষয়ে গবেষণা, ফাইন্ডিংস নেই। এ সম্পর্কিত কী কী গবেষণা রয়েছে, অন্য দেশের গবেষণাপত্র, যেটা আমাদের সাথেও মিলবে ভালো, সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে এবং নিজস্বভাবে গবেষণা করতে হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান দরকার। একাডেমিয়া গড়ে তুলতে হবে, ওশান ইকোনমি নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।’

    এর পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে ইকো ট্যুরিজম পার্ক করার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সেখানের বনভূমি এখন কী অবস্থায় আছে, ভবিষ্যতে আমরা বনভূমিগুলোকে কী অবস্থায় দেখতে চাই, সেই পরিকল্পনাও করতে হবে।’

    সম্প্রতি আশিক চৌধুরী রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাতারবাড়ী ও মহেশখালীকে নিয়ে মিডার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এটাকে টাউনশিপ হিসেবে দেখতে চাই। পৃথিবীর সবচেয়ে সাকসেসফুল ডিপ সি পোর্টসহ টাউনশিপ হচ্ছে সিঙ্গাপুর। আরেকটা পোর্টের কথা প্রায়ই উঠে আসে, সেটা হচ্ছে সাংহাই। মনে করেন, আমরা বাংলাদেশের একটা সিঙ্গাপুর করতে চাই বা বাংলাদেশের ভেতরে একটা সাংহাই পোর্ট করতে চাই।’

    মিডার চেয়ারম্যান বলেন, ‘৩০ বছর পরে আমরা এই মহেশখালী-মাতারবাড়ী এলাকাটাকে সিঙ্গাপুর বা সাংহাইয়ের মতো করে দেখতে চাই। এটা কোনো নৌযানের শহর না, এটা একটা স্যাটেলাইট শহর না। এটা হবে শহরতলি, চট্টগ্রামের মতো আরেকটা সম্প্রসারিত শহর; যেটা সংস্কারকৃত এবং নতুন ধরনের।’

    চারটি পিলারের ওপর ভিত্তি করে প্রকল্প পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে বলে জানান আশিক চৌধুরী। পিলারগুলো হলো—গভীর সমুদ্রবন্দর ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা; সুবিধা প্রদান কেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং সামুদ্রিক মাছ ধরার কেন্দ্র। এ প্রকল্প ৩টি ধাপে ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত কাজ করবে বলে জানান তিনি।

    আশিক চৌধুরী বলেন, ‘তিনটা পিরিয়ডে এই প্রকল্পকে ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত সাজাতে পারেন। প্রথম পাঁচ বছরকে আমরা বলছি বিকাশকাল; এই সময়ে ফাউন্ডেশনের কাজ, সড়ক সংযোগের কাজ করা হবে। এরপরের সময়টা হচ্ছে পরিবেশ উন্নয়নকাল; সেখানে আমরা বন্দর উন্নয়নের কাজগুলো শেষ করব। সঙ্গে সঙ্গে কিছু শিল্পকারখানা দাঁড়িয়ে যাবে। এটা ২০৪৩-৪৪ সাল পর্যন্ত হবে বলে আমরা আশা করছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা শেষ ১০ বছর একটি পর্যটনের কথা চিন্তা করতে পারি।’

    আশিক চৌধুরী উল্লেখ করেন, মাতারবাড়ী-মহেশখালী অঞ্চলকে এমন বহুমাত্রিক প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে কয়েকটি প্রতিযোগিতামূলক কারণে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খসড়া (ড্রাফট); বিদ্যুৎ, জ্বালানি, উৎপাদন ও ভারী শিল্প এবং সামুদ্রিক ও মৎস্যশিল্পের জন্য সমন্বিত একটি পরিবেশ গড়ে তোলার উপযোগী নিকটবর্তী ভূমি।

    আশিক চৌধুরী বলেন, এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। জাইকার এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে এ প্রকল্পে ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ হতে পারে। সূত্রঃ দৈনিক আজকের পত্রিকা

    এআর/নিই

  • কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা

    কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গু রোগে মোট আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে মোট মৃত্যুর ৯০ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়। কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠেছে।

    প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি বছর কক্সবাজার জেলায় ৭ হাজার ৭১৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭২০ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। আক্রান্তের হার ৭৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যেখানে ১০ জন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় বাংলাদেশি। ফলে মৃত্যু হারে রোহিঙ্গার হার ৯০ দশমিক ৯০ শতাংশ।

    কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদুল হক জানান, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফিল্ড হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার শহর, রোহিঙ্গা শিবির ও আশপাশের এলাকায় এডিস মশার প্রজনন ঠেকাতে ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক পণ্য, নালা-নর্দমা, খাল-বিল পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ঘনবসতি, বর্জ্য, জমে থাকা আবর্জনা এবং বিভিন্ন নালায় পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বাড়াতে সাহায্য করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উষ্ণ তাপমাত্রা মশা এবং অন্যান্য রোগ বহনকারী জীবের প্রজনন ও বেঁচে থাকার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যা মশার উপদ্রব বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার উভয়ই বেশি। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই

  • কুতুবদিয়ায় জেলা পরিষদের জায়গায় আ.লীগ নেতার দোকান

    কুতুবদিয়ায় জেলা পরিষদের জায়গায় আ.লীগ নেতার দোকান

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বিন্দাপাড়া কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় জেলা পরিষদের কোটি টাকা মূল্যের জায়গা জবরদখল করে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে কুতবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ এবং তার ছেলে আজিজুল হক সাগরের বিরুদ্ধে।

    আ. লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ সরকারি সম্পত্তি জবর দখল করেন তারা। পরে ওই জায়গায় দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দেন। এ কারণে গত ১৮ বছর ধরে ওই সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় করতে পারেননি কক্সবাজার জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ।

    ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ জায়গা জবরদখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও উল্টো জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

    কক্সবাজার জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং মৌজার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বি.এস ৮ নম্বর খতিয়ানের বি.এস ৭১১০,৭২১১,৭২১২ এবং ৭২১৪ দাগাদিতে কক্সবাজার জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ৩ একর ৮০ শতক জায়গা রয়েছে। সম্পূর্ণ জায়গা থেকে কিছু অংশ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দিয়ে সরকারি কোষাগারে রাজস্ব জমা দেওয়া হয়েছে।

    অধিকাংশ জায়গা গত ১৮ বছর দখলে রেখেছেন কুতুবদিয়া উপজেলা আ. লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ। বর্তমানে ওই জায়গা দেখাশোনা করছেন তার ছেলে আজিজুল হক সাগর।

    সরজমিনে দেখা যায়, কুতুবদিয়া উপজেলা থেকে চার কিলোমিটার দূরে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বিন্দাপাড়া কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সড়কের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জায়গায় টিনসেটের ছয়টি পাকা দেয়ালের দোকান নির্মাণ করেছেন। দোকানগুলো মোটা অংকের সেলামী নিয়ে ভাড়া দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করেন আহমদ উল্লাহর ছেলে আজিজুল হক সাগর। এছাড়া জবরদখলকৃত জায়গার পেছনে রয়েছে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড় একটি পুকুর। ওই পুকুরটিও তাদের দখল করে রেখেছেন তারা।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি জায়গা ক্ষমতার জোরে জবর দখল করে রেখেছেন উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ এবং তার ছেলে আজিজুল হক সাগর। আ. লীগ সরকার পতনের পর পুকুরটি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও তাদের ক্ষমতার প্রভাবে ইজারাদার ওই পুকুরে মাছ চাষ করতে পারছেন না। ইজারাদারকেও তারা মারধরের হুমকি প্রদান করেন।

    কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মারুফ যুগান্তরকে বলেন, জেলা পরিষদের এ জায়গা জবরদখল মুক্ত করতে আমরা ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ে জেলা প্রশাসন ও কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ জায়গা উচ্ছেদপূর্বক জবরদখল মুক্ত করা হবে।

    এআর/নিই
  • ‘হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন খুশি হবো’- জুলাই শহীদ ওয়াসিমের পিতা

    ‘হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন খুশি হবো’- জুলাই শহীদ ওয়াসিমের পিতা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবার।

    ‎শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলম সরকারের প্রতি এই রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি জানান, যেদিন রায় কার্যকর হবে সেদিন আনন্দিত হবেন। ‎ ‎শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা বলেন, ‘আমি সকাল থেকে এই রায়ের অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে ট্রাইব্যুনাল কাঙ্ক্ষিত রায় দিয়েছে। সকল নাগরিকের মতো আমিও আনন্দিত ও সন্তুষ্ট।’

    ‎তিনি আরও বলেন, ‘আমি ওই দিনই খুশি হবো যেদিন এ রায় কার্যকর হবে। আমার ছেলে রাস্তায় নেমেছিল বৈষম্য দূর করতে। সুতরাং এ রায়ে কার্যকর করে বৈষম্য দূর করে।’ তিনি চিহ্নিত সকল খুনি, হামলাকারী এবং যারা নির্দেশ দিয়েছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

    তিনি বলেন, ‘শহীদ ওয়াসিমের আত্মা শান্তি পেতে হলে এ বিচারের রায় কার্যকর নিশ্চিত করতে হবে। রায় দিয়ে আমরা কি করবো, রায় যদি রায়ের জায়গায় আদালতে পড়ে থাকে তাহলে হবে না।’

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগীদের হামলায় নিহত হন ওয়াসিম। শহীদ ওয়াসিম আকরাম পেকুয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা এলাকার শফিউল আলম ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন।

    এআর/নিই
  • মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই দুটি ট্রলারসহ আটক ২২

    মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই দুটি ট্রলারসহ আটক ২২

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই ২টি ট্রলারসহ ২২ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী। বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন অংশ থেকে তাদের আটক করা হয়।

    গত বুধবার সন্ধ্যায় এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নৌবাহিনী।

    নৌবাহিনী জানায়, পাচারকারী চক্র ইঞ্জিনচালিত ট্রলারযোগে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারের সিমেন্ট পাচার করছে এমন তথ্য পায় নৌবাহিনী। যার প্রেক্ষিতে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন ও তার আশপাশের এলাকায় টহল জোরদার করে। এ সময় নৌবাহিনী টহলে নিয়োজিত জাহাজ প্রত্যাশা সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৩৬ দশমিক ৫ মাইল পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিনচালিত দুটি ট্রলার দেখতে পায়। দ্রুত নৌবাহিনীর জাহাজ ট্রলার দুটিকে সংকেত দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ধাওয়া দিয়ে ট্রলার দুটিকে থামানো হয়।

    খাজা গরিব-ই-নেওয়াজ-৬ এবং মা-বাবার দোয়া-১০ নামক ট্রলার দুটি তল্লাশি করে ১ হাজার ৫০০ বস্তা বাংলাদেশি সিমেন্ট জব্দ করা হয়। আর চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ২২ জনকে আটক করা হয়। জব্দকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/নিই

  • রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    ‘বাজারে মুলা তোলার আগেই সব শেষ হইয়া গেল—এই যে জমি, এখন শুধু পানি আর পানি।’ গতকাল শুক্রবার সকালে জমির সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন রাজশাহীর পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামের কৃষক রাব্বানী মন্ডল। রাব্বানীর চোখের কোণে পানি, পায়ের নিচেও হাঁটুসমান পানি। একসময় যে জমি ভরে উঠেছিল মুলার গাছে, এখন সে জমি ডুবে রয়েছে বৃষ্টির পানিতে।

    নভেম্বরের শুরুতেই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিতে এখনো এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে রাজশাহীর পবা, মোহনপুর, বাগমারা, তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার ফসলের মাঠজুড়ে। টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার হাজারো কৃষক এখন বড় ক্ষতির মুখে। শাক থেকে শুরু করে ঢ্যাঁড়স, মুলা, পেঁয়াজ; এমনকি আমন ধান—সব ফসলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ৪ হাজার ২০০ জন। দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    তবে বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। কৃষকেরা বলছেন, ১৯৮৬ সালের পর এই সময়ে এমন বৃষ্টি আর কখনো দেখেননি তাঁরা। গতকাল সকালে পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক রাব্বানী মন্ডলের সঙ্গে। মুখে বিষণ্ণতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আষাঢ় মাসেও এমন বৃষ্টি হয় না, যে বৃষ্টি এবার হইছে। এখনো পানি নামেনি। ৫ বিঘা জমি পানির নিচে। চারপাশে পুকুর, পানি নামারও পথ নাই।’

    রাব্বানী আরও বলেন, ‘সরকার যদি পাশে থাকে, তাহলে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব। তা না হলে কঠিন হবে।’

    পবা উপজেলার শিয়ালবেড়, পাইকপাড়া, দাদপুর ও মুরারীপুর গ্রামের মাঠজুড়ে একই চিত্র। যেদিকে চোখ যায়, এখনো চোখে পড়ে কেবল পানি। কোথাও ধান হেলে পড়েছে, কোথাও শাকসবজি ডুবে রয়েছে পানির নিচে। পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘১২ কাঠা জমিতে শাকসবজি করেছিলাম, বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এমন সময় তো বৃষ্টি হয় না।’

    একই এলাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক ১ বিঘা জমিতে বি৮৭ জাতের ধান চাষ করেছিলেন। ধান কাটার আগেই নভেম্বরে অসময়ের বৃষ্টিতে জমিতে পানি উঠেছে, বাতাসে ধানের গাছ হেলে পড়েছে। মাঠে দেখা গেল, কৃষকেরা কাদামাটি মাড়িয়ে হেলে পড়া ধান কেটে নিচ্ছেন। সেখানে তাঁর ছেলে সোহানুর রহমান বলেন, ‘অর্ধেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে। শ্রমিক খরচও বেশি হবে। মনে হচ্ছে খরচের টাকাও উঠবে না। তিন দিন পর বৃষ্টি হইলে এই সর্বনাশ হতো না।’

    পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ মান্নান বলেন, নভেম্বরের শুরুতেই যে বৃষ্টি হয়েছে, সেটি মূলত নিম্নচাপের কারণে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি যেন জমি শুকিয়ে দ্রুত নতুন ফসল লাগাতে পারেন।’

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রণোদনা এলে তা বিতরণ করা হবে।

    বি/এ

  • লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাই জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে

    লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাই জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে

    ডেস্ক নিউজঃ
    লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাওয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দুঃসময়ের জাবেদ রেজা। দলের দুঃসময়ে সাধারণ মানুষের খবর বিপদ আপদে ছুটে যাওয়া যেন ভুলতে পারছে না সাধারণ মানুষ।দলের হাই কমান্ড কে সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারা বলেন জনাব সাচিং প্রু জেরির বর্তমান সময়ে হলেও প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে দলের জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে সাথে নিয়ে মাঠে কাজ করা । অন্যতাই বান্দরবানের ৩০০ নং সংসদ আসনটি হুমকির মুখে দাঁডাবে বলে মন্তব্য করেছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে যদি বান্দরবানে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম চলে এই ৩০০ নং আসন টি একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হবে ।জাবেদ রেজা গত ১৭ বছরে দেশে ভোটাধিকার সহ মানুষের মৌলিক অধিকার না থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এ অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ দেশে কোন ধরণের ভোটাধিকার সহ মানুষের মৌলিক অধিকার ছিলনা ।সুতরাং সময় এসেছে সবাই ঐক্যবদ্ধ্য হয়ে  মিলে মিশে যদি কাজ করি তাহলে এ আসনটি আমাদের হবে নিশ্চিত।