লেখক: Daily BD Times

  • চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

    চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ নিয়ে এই ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হলো।

    মাহবুবুর রহমান চট্টগ্রামের চন্দনাইশ দক্ষিণ বলতলী গ্রামের কবির আহামেদ ভূঁইয়ার ছেলে। তার আগে এ ঘটনায় মো. ইদ্রিস (২৭) ও মো. ইউসুফ (৩০) নামে দুজন মারা গেছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মাহবুবুর রহমানের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটে মারা যান তিনি। একই ঘটনায় দগ্ধ রিয়াজ নামে আরো একজন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোরে চট্টগ্রামে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী সৈয়দাবাদ এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের একটি গুদামে বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই গুদামের মালিক মাহাবুবুল আলমসহ ১০ জন আহত হন। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় গুদামটিও পুড়ে যায়।

    সেখানে অবৈধভাবে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভরা (রিফিল) হতো বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1305

    ডেস্ক নিউজ

     

    ‘হাতি আপনাদের মেহমান। মেহমান এসে ফসল খেয়ে ফেললেও তাদের কোনো ক্ষতি করবেন না। সরকার আপনাদের ফসলের ক্ষতিপূরণ দেবে। কেউ যেন হাতির ক্ষতি না করে।’

    চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্য হাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সরকারি ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন বন বিভাগের বাঁশখালীর জলদি রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ।

    আজ বুধবার সকালে আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চেক বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনোয়ারা বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা বাঁশখালীর জলদির রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আনোয়ারা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার। উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ অফিসার মাজহারুল ইসলাম ও মো. ফোরকান মিয়াসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    অনুষ্ঠানে ১১ জন ক্ষতিগ্রস্তকে ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। পরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আইন ও বিধিমালা–সম্পর্কিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    ক্ষতিপূরণ নিতে আসা আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর গুয়াপঞ্চক এলাকার আবু বক্কর প্রথম আলোকে বলেন, তিনি হাতির আক্রমণে আহত হন। এ জন্য এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। তাঁর এলাকায় প্রায় হাতি হানা দেয়। এক রাতে ঘর থেকে বের হয়েই হাতির সামনে পড়েন তিনি। তখন হাতির আক্রমণে আমি আহত হন।

    দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত হানা দেয় হাতি। ২০১৮ সালের সালের ১৩ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ছয় বছরে এই দুই উপজেলায় হাতির আক্রমণে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ এ বছরের ২২ মার্চ মো. আরমান জাওয়াদ নামের এক শিশু নিহত হয়।

    বন বিভাগ বলছে, হাতির আবাসস্থল ধ্বংস, চলাচলের পথ নষ্ট, বনভূমি উজাড় ও খাদ্যসংকটের কারণে হাতিরা বাধ্য হয়ে লোকালয়ে আসছে। এর আগে বন বিভাগের উদ্যোগে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে হাতির লোকালয়ে হানা দেওয়া বন্ধ হয়নি। হাতির আক্রমণে মানুষ যেমন প্রাণ হারিয়েছে, তেমনি মানুষের পাতা বৈদ্যুতিক ফাঁদেও হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

  • গাছের ডাল ভেঙে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    গাছের ডাল ভেঙে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মাথায় গাছের শুকনো ডাল পড়ে উত্তম দাস (৪২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার  দুপুর একটার দিকে পৌরসভার ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী কৈবর্ত্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    উত্তম একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢোলবাদক বিনয় বাঁশি জলদাসের বাড়ির গোপাল দাসের ছেলে। উত্তম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি মঙ্গলবার বাড়িতে এসেছিলেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্র লাল দাস জানান, উত্তম দুপুরে গোসল করার জন্য ছন্দারিয়া খালে গিয়েছিলেন। এসময় খাল পাড়ের একটি বড় শুকনো আম গাছের ডাল বাতাসে তার মাথায় পড়ে। এতে উত্তম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাজর্ষি নাগ বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয় লোকজন উত্তম নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

  • ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান

    ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান

    কৃষি ডেস্ক

    কেউ খেতে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছেন, কেউ পরিচর্যায় ব্যস্ত। আবার কোথাও তোলা হচ্ছে কাঁচা-পাকা টমেটো। চাষিরাও এসব টমেটো বাছাই করে খেতের পাশেই স্তূপ করছেন। সব মিলিয়ে যেন উৎসবের আমেজ। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নের গ্রামগুলোর বর্তমান চিত্র এটি। এই এলাকায় ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষিরা।

    অন্য বছর অক্টোবরে টমেটো চাষ শুরু হতো। কারণ, এ সময়টাতে সাধারণত বৃষ্টি হয় না। তবে এবার আগস্টেই শুরু হয়েছে টমেটো চাষ। বৃষ্টির পানিতে ক্ষতি রোধে চাষিরা রেখেছেন বিশেষ ব্যবস্থাও। পানি জমে যেন টমেটোগাছের ক্ষতি না হয় এ জন্য খেতজুড়ে কেটেছেন সেচের নালা। আর এটিই সাফল্য এনে দিয়েছে।

    উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, বৈলছড়ী, খানখানাবাদ, কাথরিয়া, শীলকূপ, চাম্বল ও পুইছুড়ি ইউনিয়নে এবার ৪১৫ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নেই চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে ‘প্রফিট আর্লি’, ‘দুর্জয়’ ও ‘বাহুবলী’ জাতের উচ্চফলনশীল টমেটো চাষ করছেন কৃষকেরা। অন্য বছরের তুলনায় ভালো ফলন আর বাজারদর বেশি থাকায় কৃষকের প্রত্যাশাও বেড়েছে।

    খেত থেকে সংগ্রহ করা টমেটো বিক্রির জন্য বাছাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি বাঁশখালীর গন্ডামারা ইউনিয়নের পাওয়ার প্ল্যান্ট এলাকায়ছবি: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সৌজন্যে

    গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, বৈলছড়ী, খানখানাবাদ, কাথরিয়া, শীলকূপ, চাম্বল ও পুইছুড়ি ইউনিয়নে এবার ৪১৫ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নেই চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে ‘প্রফিট আর্লি’, ‘দুর্জয়’ ও ‘বাহুবলী’ জাতের উচ্চফলনশীল টমেটো চাষ করছেন কৃষকেরা।

    উপজেলার যে এলাকাটিতে আগাম টমেটো চাষ হয়েছে এটি উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই আগস্টের শুরুতে বিশেষ পদ্ধতিতে টমেটো রোপণ শুরু করেন তাঁরা। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। তবে চাষিরা বৃষ্টিতে জমা পানি সেচে খেত থেকে বের করেছেন। কারণ, জমিতে পানি জমে থাকলে টমেটোর ফল ভালো হয় না। চার মাস পর এখন ফল পাচ্ছেন তাঁরা। অন্য বছর ছোট আকারে চাষাবাদ হলেও এ বছর হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে।

    উপজেলার যে এলাকাটিতে আগাম টমেটো চাষ হয়েছে এটি উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই আগস্টের শুরুতে বিশেষ পদ্ধতিতে টমেটো রোপণ শুরু করেন তাঁরা। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। তবে চাষিরা বৃষ্টিতে জমা পানি সেচে খেত থেকে বের করেছেন। কারণ, জমিতে পানি জমে থাকলে টমেটোর ফল ভালো হয় না। চার মাস পর এখন ফল পাচ্ছেন তাঁরা। অন্য বছর ছোট আকারে চাষাবাদ হলেও এ বছর হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে।সরেজমিন দেখা যায়, সারি সারি লাগানো গাছে ঝুলছে কাঁচা-পাকা টমেটো। প্রতিটি খেতের মধ্যেই নালা করেছেন চাষিরা। এ নালা যেমন বর্ষায় পানিনিষ্কাশনের কাজে আসে তেমনটি শুষ্ক মৌসুমে নালা থেকে গাছের গোড়ায় পানিও দেওয়া হয়। অনেকের খেতের টমেটো তোলা শেষ হয়েছে। তাঁরা নতুন করে আবার টমেটো চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন।সম্প্রতি গন্ডামারা ইউনিয়নের কেজি স্কুল এলাকায় কথা হয় চাষি আবদুর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি পাঁচ কানি (৪০ শতাংশে ১ কানি) জমিতে টমেটো চাষ করেছি। ফলন ভালো হওয়ায় অন্তত চার লাখ টাকা লাভ হয়েছে। আগে এ জমিতে ধান চাষ করতাম। তবে তেমন লাভ হতো না। ভবিষ্যতে এ এলাকায় টমেটো চাষ আরও বাড়বে।’

    ছবিতে একটি টমেটৌ ক্ষেত

    একই এলাকার আরেক চাষি আজগর আলী ৮ কানি জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। জানতে চাইলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। চার মাস আগে এসব টমেটো চাষ করা হয়। এ এলাকার জমিতে লবণাক্ততা রয়েছে। এখানে এত টমেটো ফলন হবে ধারণা করতে পারিনি।’

    উপজেলার চরপাড়া এলাকায় গিয়ে কথা হয় দশম শ্রেণির ছাত্র সিফাতুল ইসলামের সঙ্গে। সে বাবার সঙ্গে টমেটো চাষ করেছে। জানতে চাইলে সে বলে, ‘আমরা এক কানি জমিতে টমেটো চাষ করেছি। এতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিক্রি করে পেয়েছি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।’

    জানতে চাইলে বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘বাঁশখালী উপকূলে টমেটো চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন চাষিরা। গ্রামের পর গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে টমেটো চাষ হচ্ছে । প্রতিবছরই চাষাবাদের পরিমাণ বাড়ছে। আমরা নিয়মিত চাষিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি।’

  • পটিয়া পৌরসভায় ময়লার বেড়িবাঁধ!

    পটিয়া পৌরসভায় ময়লার বেড়িবাঁধ!

    ডেস্ক নিউজ:

    ৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।

    জানা গেছে, চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা পটিয়া প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৯ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মাথায় প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদা পেলেও ৩৫ বছরে এখানকার জন্য একটি স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা ডাম্পিং স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে ৪ বর্গমাইল এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দাকে প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও অন্যান্য বর্জ্য নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বাহুলী এলাকার একটি খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে হাজার টন বর্জ্য। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন কয়েক শ টন ময়লা এনে সেখানে ফেলা হয়। এলাকায় পৌঁছালে তীব্র দুর্গন্ধে দাঁড়ানো দায় হয়ে পড়ে। চারদিকে উড়ছে অসংখ্য মশা-মাছি। এতে রোগজীবাণুর দ্রুত বিস্তার ঘটছে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বৃষ্টির পানিতে ময়লার স্তূপ ভেঙে আবর্জনা নেমে আসে মহাসড়কে। এতে পথচারীসহ বাস ও ট্রেনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ছাড়া খোলা জায়গায় আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলায় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া আশপাশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।

    এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক অরজিত কুমার দাশ বলেন, ‘১৪ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ শ্রমিক নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত। কিন্তু আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

    পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নেজামুল হক বলেন, ‘ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মামলা জটিলতার কারণে কাজ আটকে আছে।’

    পটিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘একটি ডাম্পিং স্টেশন পটিয়া পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু করতে পারব।’

    বি/এ

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করল বিএসএফ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করল বিএসএফ

    ডেস্ক নিউজ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাখেরআলী সীমান্তে তসির আলী (২৮) নামের এক বাংলাদেশি যুবককে হত্যা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

    বুধবার ভোররাতে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাখেরআলী সীমান্তের ওপারে বাহুড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালিয়ে ওই যুবককে হত্যা করে বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, ঘটনাস্থলেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়। পরে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ভারতের জঙ্গিপুর থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    নিহত তসির আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী পশ্চিমপাড়ার ইব্রাহিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তসির আলী গরু চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, তসির আলী তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিল। ওপারে নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে সেটি নিশ্চিত নই। ঘটনাটি বিএসএফকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।

    বি/এ

  • নোয়াখালীর পরিষ্কার বাজার আসলেই কি পরিষ্কার, কেন এমন নাম

    নোয়াখালীর পরিষ্কার বাজার আসলেই কি পরিষ্কার, কেন এমন নাম

    চারপাশে সবুজে ঘেরা গ্রাম। গ্রামের চারদিক থেকে চারটি পাকা সড়ক এসে মিলেছে এক জায়গায়, একটি বাজারে। সেই বাজারটির নাম পরিষ্কার বাজার। নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের উত্তর চরজব্বর গ্রামের এই বাজারের নাম শুনলেই যে কারওই মনে কৌতূহল জাগতে পারে, বাজারটি আসলেই কি পরিষ্কার? কেনই–বা বাজারের এমন নাম হলো?

    এসব জানতে সম্প্রতি গিয়েছিলাম সুবর্ণচরের চরজব্বর এলাকায়। সেখানে পরিষ্কার বাজার ঘুরে রাস্তা-দোকানপাট বেশ পরিচ্ছন্নই দেখা গেছে। কিন্তু এমন নামকরণের পেছনে কেবল বাজারের পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতাই নয়, আছে আরও এক কাহিনি। বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর মুখে শোনা সে গল্প বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। আজ থেকে অর্ধশতাব্দীর বেশি বছর আগের কথা। আক্তারুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি ছিলেন এই এলাকার বাসিন্দা। ব্যক্তিজীবনে লেনদেন থেকে সবকিছুতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেন। যাঁকে, যে কথা দিতেন, সেটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করতেন। গ্রামবাসীর কথায় ‘ওয়াদার বরখেলাপ’ তিনি কখনোই করতেন না। পোশাক–পরিচ্ছদেও তিনি সব সময় থাকতেন পরিচ্ছন্ন। এসব কারণে গ্রামের সবাই ‘পরিষ্কার’ নামে ডাকতেন।

    সত্তরের দশকে আক্তারুজ্জামান তাঁর বাড়ির পাশের সড়কের মোড়ে একটি মুদিপণ্যের দোকান নিয়ে বসা শুরু করেন। তাঁর দোকান ঘিরেই গভীর রাত অবধি চলত আশপাশের এলাকার মানুষজনের আড্ডা। পরে সেখানে আরও কয়েকটি দোকান হয়। পরে দোকানগুলো ঘিরে সেখানে হাট মেলান আক্তারুজ্জামান ওরফে পরিষ্কার। প্রতি রোববার ও বৃহস্পতিবার হাট বসতো। গ্রামের লোকজন তাঁর নাম অনুসারে বাজারের নাম দেন পরিষ্কার বাজার। এর পর থেকে ওই বাজারটি সবার কাছে পরিষ্কার বাজার নামে পরিচিতি পায়। বর্তমানে সরকারিভাবেও এই এলাকার নাম পরিষ্কার বাজার।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজের নামে বাজার প্রতিষ্ঠার পর ব্যক্তি জীবনের মতো বাজার পরিচালনাসহ সবকিছুতেই স্বচ্ছতা বজায় রাখতেন আক্তারুজ্জামান। বাজারটিকেও সব সময় পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে তিনিসহ সব ব্যবসায়ী সজাগ থাকতেন। প্রায় দুই দশক আগে ৮০ বছর বয়সে আক্তারুজ্জামানের মৃত্যু হয়। এরপর তাঁর দেখানো পথে এখনো চলছে পরিষ্কার বাজার।

  • থানার পুকুরে মিলল ৫ আগস্ট লুট হওয়া রাইফেল

    থানার পুকুরে মিলল ৫ আগস্ট লুট হওয়া রাইফেল

    নোয়াখালীর চাটখিল থানার পুকুর থেকে লুট হওয়া একটি চায়নিজ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ৫ আগস্ট চাটখিল থানায় হামলা-অগ্নিসংযোগ করে ওই রাইফেল লুট করা হয়। তবে আগ্নেয়াস্ত্রটি কে বা কারা থানার পুকুরে ফেলে গেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।

    চাটখিল থানা-সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে থানার পুকুরে লুট হওয়া একটি চায়নিজ রাইফেল রয়েছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে থনার দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নেমে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাইফেলটি উদ্ধার করেন। তবে রাইফেলে কোনো গুলি ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ৫ আগস্ট থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সময় লুট করে নেওয়া ওই অস্ত্র দুর্বৃত্তদের কেউ থানার পুকুরে ফেলে গেছে।

    ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন চাটখিল থানা থেকে আটটি এবং খিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে তিনটি অস্ত্র ও বিপুলসংখ্যক গুলি লুট হয়। এর মধ্যে থানার তিনটি চায়নিজ রাইফেল রয়েছে। লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে এ পর্যন্ত একটি চায়নিজ রাইফেল এবং চায়নিজ রাইফেলের ৩১২টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। লুট হওয়া বাকি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে থানা-পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী  বলেন, ৫ আগস্ট থানা থেকে লুট হওয়া একটি চায়নিজ রাইফেল আজ বিকেলে থানার পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। তবে রাইফেলের ভেতর কোনো গুলি ছিল না। ওসি জানান, এ নিয়ে থানা থেকে লুট হওয়া ১১টি অস্ত্রের মধ্যে একটি উদ্ধার হলো। এর আগে উদ্ধার হয়েছিল চায়নিজ রাইফেলের ৩১২টি গুলি।

  • মিলনের ধোঁয়া ওঠা পিঠা মায়ের কথা মনে করায়

    মিলনের ধোঁয়া ওঠা পিঠা মায়ের কথা মনে করায়

    নোয়াখালী শহরে কর্মসূত্রে অনেকেই পরিবার ছাড়া একা থাকেন। কালেভদ্রে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পান তাঁরা। স্বজনদের সঙ্গ-সংস্পর্শের পাশাপাশি বাড়ির খাবারদাবারের স্বাদ থেকেও বঞ্চিত হতে হয় তাঁদের। এ ধরনের মানুষজনের অনেকেই মো. মিলনের কাছে আসেন পিঠা খেতে। গরম ধোঁয়া ওঠা পিঠা খেতে খেতে তাঁদের মায়ের কথা মনে পড়ে কি না, জানা যায় না। তবে মিলনের পিঠার স্বাদ যে কাউকে স্মৃতিকাতর করতেই পারে।

    রাত তখন ১০টার মতো বাজে। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে পথঘাট। শহরের রাস্তায় লোকজন কমে এসেছে। তবে কলেজ রোডের কাশেম উকিল মোড়ে মো. মিলনের পিঠা বিক্রির ভ্যানগাড়ি ঘিরে অনেক মানুষের জটলা। কাছে যেতেই দেখা গেল, সারি সারি পাতিলে গরম ভাপা পিঠা, আর খোলায় চিতই পিঠা তৈরি হচ্ছে। গুড়, নারকেল, ভর্তা আর কাসুন্দির ঘ্রাণে ভরে আছে জায়গাটা। চুলা থেকে নামতেই গরম পিঠা হাতে তুলে নিচ্ছেন সামনে দাঁড়ানো লোকজন। এত রাতেও ভিড় বাড়ছিল। বিক্রেতা মিলন সেদিনকার মতো দোকান বন্ধ করতে চাইছিলেন। পরদিন একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে পিঠা সরবরাহের বায়না নিয়েছেন, তাই দোকান বন্ধ করতে হবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা।

    নোয়াখালী জেলার মাইজদীর লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী মিলন কখনো শহরের রাস্তার ধারে, কখনো শাখা সড়কের ব্যস্ততম মোড়ে, কখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে কিংবা কারও কোনো অনুষ্ঠানে পিঠা বিক্রি করেন। পিঠা বিক্রি করেই চলে সংসার। চলছে সন্তানদের পড়ালেখা। দুই ছেলে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে এখন কলেজে। দূরদূরান্ত থেকেও অনেক আসেন তাঁর হাতে বানানো নানা ধরনের পিঠা খেতে।

    আট বছর ধরে পিঠা বিক্রি করছেন বলে জানালেন মিলন। ভাপা পিঠা, স্পেশাল ভাপা পিঠা, ঝাল চিতই, মিষ্টি চিতই, ডিম চিতই, রস চিতই, দুধ চিতই, হাঁস ও সাদা রুটি, মিষ্টি পুলি, নারকেল পুলি, পাটিসাপটা, ছাইয়া পিঠা, পানতোয়া পিঠা বিক্রি করেন তিনি। ঝাল চিতই, ডিম চিতই, ভাপা পিঠা ছাড়া বাকি পিঠাগুলো অর্ডার পেলে তৈরি করে সরবরাহ করেন। শহরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, বাসাবাড়িতে প্রায় সময় তাঁর পিঠা সরবরাহের অর্ডার থাকে।

    মিলন জানান, ঝাল চিতইয়ের সঙ্গে মুখরোচক ভর্তা, যেমন ইলিশভর্তা, শর্ষেভর্তা, রসুনভর্তা, শিমভর্তা, ধনেভর্তা, চিংড়িভর্তা, কালিজিরাভর্তাও বিক্রি করেন তিনি। পিঠা বিক্রির টাকায় তাঁর সংসার চলে।

    একসময় মুদিপণ্যের দোকান করতেন মিলন। অনেক লোকসান গুনেছেন। ঋণের দায়ে পড়েছেন। এখন বৃদ্ধ মা ও স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পিঠা বিক্রির টাকায় তাঁর সুখের সংসার।

    মিলনের দোকানের সামনে আলাপ হয় মো. সোহেলের সঙ্গে। গরম-গরম ভাপা পিঠা খেতে খেতে তিনি বলেন, চাকরির কারণে পরিবার ছেড়ে এখানে থাকছেন। ঠিকমতো বাড়ি যাওয়া হয় না। তা ছাড়া বাড়িতে মা–ও নেই। মা মারা গেছেন কয়েক বছর আগে। শৈশবে শীতের রাতে কিংবা কুয়াশা মোড়ানো সকালে মা মাটির চুলায় ভাপা পিঠা তৈরি করতেন। মিলনের পিঠা মায়ের স্মৃতি এনে দিচ্ছে মনে।

    উৎসবের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে ভাপা পিঠা সরবরাহের অর্ডার নিয়েছেন তিনি। সে জন্য ভোরে এসে হাজির হয়েছেন। গরম-গরম পিঠা তৈরি করে সরবরাহ করছেন। কারও কম মিষ্টি পছন্দ, কারও বেশি মিষ্টি। যে যেভাবে চাইছেন, তাঁকে সেভাবেই পিঠা তৈরি করে দিচ্ছেন।

    মিলনের পিঠা খেতে ১০ বছরের নাতিকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন জয়নাল আবদিন (৬০)। দুজনে মিলে বেশ কয়েকটা ভাপা পিঠা শেষ করলেন। খেতে খেতে জয়নাল আবদিন প্রথম আলোকে বলেন, এখন শহরের জীবনে নানা ব্যস্ততা। বাচ্চাদের পড়ালেখা, সংসারের নানা কাজকর্মের চাপের কারণে বাসাবাড়িতে নারীরা আগের মতো পিঠা বানানোর সময়ও পান না। মিলনের পিঠার স্বাদ একেবারে বাসাবাড়ির মতো।

  • নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের আড়াইশ হত-দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে আইএফএসডি ফাউন্ডেশন। প্রতি বছরের মতো এবার অসহায়, শীতার্ত অসহায়, বাক-বিধবা ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুশি আয়োজকরা।

    বিকেলে পূর্ব চরবাটা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কম্বলগুলো বিতরণের করা হয়।

    আয়োজকরা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইএফএসডি ফাউন্ডেশন দেশের শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে হতদরিদ্রদের উন্নয়ন ও জীবনযাপনে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। নোয়াখালীর উপকূলবর্তী এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় মানুষের জীবনযাপন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তাই আইএফএসডি ফাউন্ডেশন শীতকালীন কার্যক্রম ‘ঊষ্ণতার হাসি’ এই সকল অসহায় দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার হাসি ফোটাতে উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— পূর্ব চরবাটা স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মো. সালেহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন— আইএফএসডি ফাউন্ডেশন সভাপতি মো. মেহেদী হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব হোসেন শুভ, সাংবাদিক মিজানুর রহমান রিয়াদ, আবদুল বারী বাবলু, মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল, আরিফুর রহমানসহ আরও অনেকে।