লেখক: Daily BD Times

  • ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের রাবার ড্যামের পশ্চিম পাশে রঈপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, মোটরসাইকেল আরোহী দুই দুর্বৃত্ত এ ঘটনায় জড়িত ।

    গুলিবিদ্ধ ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. রমজান আলী (৪২)। তিনি মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের এজেন্ট। পাশাপাশি বাজারে তাঁর কুলিং কর্নার রয়েছে। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন রমজান আলী। তবে মাঝপথে তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন দুজন মোটরসাইকেল আরোহী। এরপর ওই মোটরসাইকেলে থাকা একজন রমজান আলীকে অতর্কিত গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন। পরে তাঁরা পালিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে রমজান আলীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন।

    জানতে চাইলে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুল হক বলেন, ‘ওই বিকাশ ব্যবসায়ী দোকান থেকে বের হলে তাঁর পিছু নেন মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছিনতাইকারী। আমরা ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’

    বি/ এ

  • মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে শিবির নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

     

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন (১৯) নামে এক ছাত্রশিবির নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের বামনসুন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ জকি উদ্দিন মিজিবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরের সালামের ছেলে।

    সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হক সিরাজী জানান, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন সুফিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আজ খেজুরগাছে উঠতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ছাত্রশিবির মিরসরাই উত্তরের সভাপতি জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন ছাত্রশিবিরের কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। আজ বিকেলে রসের জন্য খেজুরগাছ কাটতে উঠলে নিচে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। সেখান থেকে এক ঘণ্টা পর তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    বি / এ

  • ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে: ধর্ম উপদেষ্টা

    ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে: ধর্ম উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজঃ

    ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ছাড়া রাষ্ট্র ও সমাজ টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশন জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইমাম খতিব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা রাজনীতিকে সমাজ ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করতে চাই। আমাদের রাজনীতি, সমাজ, কূটনীতি সব জায়গায় আমরা একটা ধর্মীয় আবেগ জাগ্রত করতে চাই। ধর্ম বাদ দিলে আমরা যেকোনো সময় বিপদে পড়তে পারি।

    ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গণতন্ত্র হোক, রাজতন্ত্র হোক, ধর্ম থেকে রাজনীতি, সমাজ ব্যবস্থা যদি আলাদা হয় এবং ধর্ম থেকে বিশ্লেষণ যদি আলাদা হয় তাহলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে।তিনি বলেন, দায়িত্বশীলদের অনুরোধ করব ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও খাদেমদের জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় সম্মানজনক বেতন এবং উৎসব ভাতা প্রদান করবেন। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ মুফতি শামীম মজুমদার, মহাসচিব মুফতি শরীফ উল্লাহ তারেকী ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আশেকুর রহমান প্রমুখ।

    আর আই খান

  • যে গোনাহের কারণে ভূমিকম্পে ধ্বংস হয় কোরআনে বর্ণিত সেই জাতিটি

    যে গোনাহের কারণে ভূমিকম্পে ধ্বংস হয় কোরআনে বর্ণিত সেই জাতিটি

    ডেস্ক নিউজঃ

    শহিদুল ইসলাম কবির
    ইতিহাসের পাতা এবং কোরআনের আদ্যোপান্ত বিবরণে মানবজাতির সামনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বহু জাতির উত্থান-পতনের গল্প। এসব ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সঠিক পথের প্রতি আহ্বান করা এবং অবাধ্যতার পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করা। এমনই একটি জাতি হলো কওমে সামূদ, যাদেরকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ভয়াবহ ভূমিকম্প ও প্রচণ্ড ধ্বনির মাধ্যমে ধ্বংস করেছিলেন। কওমে সামূদ ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী একটি জাতি। পাহাড় কেটে তারা ঘরবাড়ি নির্মাণ করত, উন্নত নির্মাণশৈলী ও স্থাপত্যের জন্য তারা প্রসিদ্ধ ছিল। আল্লাহ তাদের কাছে হযরত সালেহ আ:-কে নবী হিসেবে প্রেরণ করেন। তিনি তাদেরকে আল্লাহর একত্ববাদে ডেকে আনলেন, অন্যায়-অবিচার পরিহার করতে বললেন এবং আল্লাহর নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানালেন। কিন্তু এই জাতির অধিকাংশ মানুষ নবীর ডাকে সাড়া না দিয়ে উল্টো তাকে মিথ্যাবাদী বলে অপবাদ দেয়।

    আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য একটি স্পষ্ট নিদর্শন প্রদান করা হয়—মিরাকল উষ্ট্রী। এটিকে কষ্ট দেয়া বা হত্যা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু বিদ্রোহী সম্প্রদায় নবীর সতর্কতা অমান্য করে ওই উষ্ট্রীকে হত্যা করে। এটাই ছিল তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নাজিল হওয়ার কারণ।

    পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে, তাদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ ভূমিকম্প (আর-রজফাহ) এবং আকাশবিদারী প্রচণ্ড ধ্বনি (আস-সাইহাহ)। মুহূর্তের মধ্যেই তারা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তাদের বিলাসী জনপদ এক ভয়াল নিস্তব্ধতায় পরিণত হয়। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে এ ঘটনার বিস্তারিত উঠে এসেছে—

    ‘অতঃপর তাদেরকে ভূমিকম্প গ্রাস করল; ফলে তারা তাদের ঘরে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।’ (সূরা আল আ’রাফ, আয়াত : ৭৮)

    ‘ভয়াবহ শব্দ তাদেরকে গ্রাস করল; তারা তাদের ঘরে মুখ থুবড়ে পড়ে রইল।’ (সূরা হুদ, আয়াত : ৬৭)

    কওমে সামূদের এই পরিণতি মানবইতিহাসে সতর্কবার্তা হিসেবে চিরস্মরণীয়। উন্নয়ন, শক্তি কিংবা সম্পদ কাউকে রক্ষা করতে পারে না, যদি ন্যায়-নীতি, সত্য এবং আল্লাহর নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে যায়।আজকের পৃথিবীতেও ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানুষ যত শক্তিশালীই হোক, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছার কাছে সে সর্বদাই অসহায়। কওমে সামূদের ঘটনা তাই শুধু একটি ঐতিহাসিক দলিল নয়; বরং মানুষের জন্য নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা।

    সাম্প্রতিক সময়ে ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে ৪টি ভূমিকম্পের ঘটনা আমাদেরকে সতর্ক করিয়ে দিয়েছে। তাই আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে মহান আল্লাহর হুকুম-আহকাম মেনে চলতে হবে এবং রাসূলে কারীম সা:-এর দেখানো পথে বাকি জীবন পরিচালনা করতে আবারো অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। অতীতের গুনাহের থেকে পরিত্রাণ পেতে অধিক পরিমাণে তাওবা ইস্তেগফার পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

    লেখক : সম্পাদক, মাসিক মদীনার পয়গাম

  • হামাসের পাঁচ শীর্ষ সদস্যকে হত্যা ইসরাইলের

    হামাসের পাঁচ শীর্ষ সদস্যকে হত্যা ইসরাইলের

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় শনিবার গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য হামাসকে দায়ী করেছে। কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, হামাসের হামলার জবাবে ইসরাইলি বাহিনী তাদের পাঁচজন ‘শীর্ষ সদস্যকে’ হত্যা করেছে।

    এক্সে প্রকাশিত পোস্টে জানানো হয়েছে, গাজায় যেসব এলাকা থেকে ইসরাইলি সেনারা পিছু হটে ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত নিরাপত্তা সীমার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে, হামাসের হামলাটি ঘটেছে সেই অঞ্চলের মধ্যেই। ইসরাইল দাবি করছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুসারে এসব এলাকা শান্ত থাকার কথা ছিল, কিন্তু হামাসের আক্রমণ পরিস্থিতিকে আবারও অস্থির করে তুলেছে। ইসরাইলের বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ হামাস আবারও যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে, ইসরাইলের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে একজন সন্ত্রাসী পাঠিয়ে আইডিএফ সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইসরাইল পাঁচজন শীর্ষ হামাস সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।”

    নেতানিয়াহুর কার্যালয় আরো দাবি করে, ইসরাইল এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি মেনে চলেছে, তবে হামাস তা করেনি। তারা মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানায় যেন হামাসকে যুদ্ধবিরতির শর্ত মানতে বাধ্য করা হয়।

    আর আই খান

  • ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮

    ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮

    ডেস্ক নিউজ:

     

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৮ জন মারা গেছেন। একই সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭৮ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মারা যাওয়া ৮ জনের মধ্যে সিটি করপোরেশনের বাইরে ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২ জন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ১ জন করে রয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৮১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭ জন রয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১১১ জন ডেঙ্গুরোগী। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৪২ জন।

    ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

    বি / এ

  • হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ফের দিল্লিকে চিঠি ঢাকার

    হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ফের দিল্লিকে চিঠি ঢাকার

    বিডি টাইমসঃ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ফের ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। রোববার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দিল্লির বাংলাদেশ মিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে এর আগেও চিঠি দিয়েছিল সরকার। সে বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, হাসিনাকে ফেরাতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, সেই চিঠির জবাব এখনো আসেনি। তবে এখন তো পরিস্থিতি ভিন্ন রকম। এখন শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের চুক্তিও আছে। তাকে ফেরত আনতে অফিসিয়ালি আবার চিঠি দিলাম।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল ভারতে পালিয়ে যান। তাদের বিরুদ্ধে জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পরপরই শেখ হাসিনা ও কামালকে হস্তান্তরের জন্য দিল্লির প্রতি আহ্বান জানায় ঢাকা।

    এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা ভারতের অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।

    আর আই খান

  • লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হবে : ইসি সচিব

    লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হবে : ইসি সচিব

    বিডি টাইমসঃ

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ- এই তিন জোনে ভাগ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ের সাথে সাক্ষাৎ শেষে ইসি সচিব সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    আখতার আহমেদ বলেন, কমনওয়েলথ মহাসচিব আমাদের কাছে দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। তাদের জানিয়েছি, সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ- এই তিন জোনে ভাগ করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।ইসি সচিব বলেন, বৈঠককালে কমনওয়েলথ মহাসচিব জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশকে যেকোনো ধরনের প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতা দিতে কমনওয়েলথ প্রস্তুত রয়েছে।

    তিনি বলেন, কমনওয়েলথ মহাসচিব আমাদের সুনির্দিষ্টভাবে বলেছেন যে কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। আমরা যদি কোনো ধরনের সহযোগিতা চাই, তারা তা করতে প্রস্তুত। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের নির্বাচন-সংক্রান্ত সহযোগিতায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    তিনি আরো জানান, মহাসচিব প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে নির্বাচনী প্রস্তুতি, অগ্রগতি এবং বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রথমবারের মতো ভোট অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন।

    আখতার আহমেদ বলেন, ৫৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম প্রবাসীদের ভোট অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে- এটা তারা প্রশংসা করেছেন। নির্বাচনের জন্য যেসব সামগ্রী প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে তাদের ধারণা দেয়া হয়েছে।

    নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ও হালনাগাদ ভোটার তালিকা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মহাসচিব। মৃত ভোটারদের বাদ দেয়ার বিষয়টি তারা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

    তথ্য বিকৃতি, অপতথ্য ও ভুয়া সংবাদ বিষয়ে কমনওয়েলথ সতর্ক থাকতে বলেছে। এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, আমরা তাদের জানিয়েছি গণমাধ্যমের মাধ্যমে আমরা নিয়মিত তথ্য জানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে এটি আরো বাড়ানো হবে।

    মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস ও আস্থা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নির্বাচন বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসি সচিব জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা পাওয়া গেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রত্যাশিত সফলতা অর্জন সম্ভব হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে বৈঠকে কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। উল্লেখ্য, কমনওয়েলথ মহাসচিব গত বৃহস্পতিবার পাঁচ দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।

    আর আই খান

  • ১৭ ডিসেম্বর শাকসু নির্বাচন

    ১৭ ডিসেম্বর শাকসু নির্বাচন

    ডেস্ক নিউজঃ

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত হলেও শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ বলছে, ওই সময় ক্যাম্পাস কার্যত শিক্ষার্থীশূন্য থাকবে।

    শিক্ষার্থীরা জানায়, ১১ ও ১২ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস মিলিয়ে পাঁচ দিনের বিরতির পরপরই শুরু হবে দীর্ঘ শীতকালীন ছুটি। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাড়ি চলে যাবে, আর এতে ভোটার উপস্থিতি নেমে আসবে ন্যূনতম পর্যায়ে।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা ১০ ডিসেম্বর ভোট আয়োজনের দাবি জানালেও নির্বাচন কমিশন তারিখ পরিবর্তন না করে ১৭ ডিসেম্বরই বহাল রাখে। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে অনেকে বয়কটের ঘোষণা দেন।

    অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার বিন সেলিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “১৭ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীশূন্য ক্যাম্পাসে নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ডামি নির্বাচন বর্জন করছি।” যৌক্তিক তারিখ ঘোষণা হলে তারা অংশ নিতে রাজি বলেও জানান তিনি।

    গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হলেও নির্বাচনের তারিখ এমন সময় দেওয়া হয়েছে যখন শিক্ষার্থীরা ছুটিতে থাকবে। আমাদের অনুরোধ সত্ত্বেও প্রথম সপ্তাহের বাইরে তারিখ দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট মহলের চাপে।”

    সি এস ই বিভাগের শিক্ষার্থী মুস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, “প্রায় তিন দশক পর এ নির্বাচনের আয়োজন হতে যাচ্ছে। অথচ ১৭ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে ১০–১৫ শতাংশ শিক্ষার্থীও থাকবে না। এ অবস্থায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।” তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়, এমন সময়ে পুনঃতফসিলের আবেদন করা হয়েছে।

    এদিকে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, মনোনয়ন বিতরণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও প্রচার, সব মিলিয়ে স্বল্প সময়ে নির্বাচন প্রস্তুতি নেওয়া অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কঠিন। তাই তার মতে ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন করাও অযৌক্তিক।

    এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ বলেন, “আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। যদি দেখা যায় ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম হবে, তবে পুনঃতফসিল বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেই শেষ সিদ্ধান্ত হবে।”

    আর আই খান

  • ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    বিডিনিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প নিয়ে সারাদেশে মানুষের আতঙ্কের মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং আগামীকাল সোমবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর সেটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে।
    রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক এক গণমাধ্যমকে বলেন, এখন যে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রয়েছে, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল নিম্নচাপে রূপ নেবে। এর প্রভাবে মাসের শেষ দিকে সারাদেশে বৃষ্টিও হতে পারে।
    সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এটি ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা আমাদের চট্টগ্রাম দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশের ওপরই প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর নিম্নচাপ হলে আরও নিশ্চিত করে বলা যাবে।
    আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করা মোস্তফা কামাল পলাশ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
    সম্ভাব্য এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ৩০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে
    M