লেখক: Daily BD Times

  • ভূমিকম্প: টঙ্গীতে দুই শতাধিক পোশাক শ্রমিক আহত

    ভূমিকম্প: টঙ্গীতে দুই শতাধিক পোশাক শ্রমিক আহত

    ডেস্ক নিউজ

    গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক এলাকায় ফ্যাশন পালস লিমিটেড পোশাক কারখানায় ভূমিকম্প আতঙ্কে অন্তত দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে হঠাৎ ভূমিকম্প শুরু হয়। এ সময় ওই কারখানার শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    কারখানার শ্রমিকরা জানান, কারখানার নয়তলা ভবনটিতে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করছিলেন। সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটে ভূমিকম্প শুরু হলে শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে নিচে নামতে শুরু করেন। এ সময় আরমান (১৭), খোকন (১৭), শারমিন (২৪), আমেনা (৩০), জহুরা (৩২), কৃষ্ণা (৩৩), জান্নাত (১৮), রাণী (৩৫), আকাশ (১৫), কল্পনা (৩৯), সাবিনা (৩০), সীমা (৪০), রহিমাসহ (২৫) অন্তত ২০০ শ্রমিক আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত শারমিনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কারখানার কেউ গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।

    টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইশরাত জাহান এ্যানী ও ডা. তারেকুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে আহত হয়েছেন।

    টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে ওই কারখানার শ্রমিকরা আহত হয়েছেন। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

    বি/এ

  • রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    ডেস্ক নিউজ:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন আগামীকাল (২০ নভেম্বর) বেলা ১২টা থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে।

    ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গেছে, এ বছর ১৬ জানুয়ারি ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিট, ১৭ জানুয়ারি ‘এ’ (মানবিক) ইউনিট ও ২৪ জানুয়ারি ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টা থেকে ১২টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশাল অঞ্চলে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

    আরও জানা যায়, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটে আছে কলা, আইন, সামাজিক বিজ্ঞান ও চারুকলা অনুষদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট। ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটে আছে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট এবং ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটে আছে বিজ্ঞান, কৃষি, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, ফিশারিজ এবং ভেটেরিনারি এ অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদ।

    ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী তিন ইউনিটেই আবেদন করতে পারবে। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী যে ইউনিটেই আবেদন করুক না কেন সে যে শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এইচএসসি বা সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বিএফএ (প্রাক), বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এইচএসসি ভোকেশনাল এবং A লেভেল সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে।

    আবেদনের যোগ্যতা বিষয়ে বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ এবং বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত জিপিএ ৫.০০ স্কেলে নির্ধারিত হবে। জিসিই O লেভেল পরীক্ষায় ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় লেভেলে মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে Bও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড পেতে হবে। ইংরেজি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক প্রার্থীকে চূড়ান্ত আবেদন-কালে অবশ্যই ইংরেজি প্রশ্নপত্রের জন্য অতিরিক্ত ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া ইউনিট/বিভাগ/ইনস্টিটিউট কর্তৃক আরোপিত শর্তও প্রযোজ্য হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ-সাপেক্ষে আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

    আবেদন ফি নিয়ে বলা হয়েছে, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা, ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের আবেদন ফি ১,১০০ টাকা ও ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা। সকল ফি ১০% সার্ভিস চার্জসহ।

    MCQ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের এক ঘন্টাব্যাপী ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় প্রতি ইউনিটে ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতি চারটি ভুলের জন্য এক নম্বর কাটা যাবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৪০। অনলাইনে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী কোটায় (মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, খেলোয়াড় ও বিকেএসপি) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে।

    ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও প্রযোজ্য শর্ত পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://admission.ru.ac.bd থেকে জানা যাবে।
    সূত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • কেশবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেল বিরল প্রজাতির হনুমানটি

    কেশবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেল বিরল প্রজাতির হনুমানটি

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের কেশবপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে বিরল প্রজাতির ভিন্ন প্রকৃতির একমাত্র মর্দা হনুমানটি মারা গেছে। ২০ নভেম্বর  দুপুরে খাদ্যের সন্ধানে গিয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে বিদ্যুতের তারের উপর দিয়ে লাফিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ওই হনুমানটি মারা যায়। সম্প্রতি ভিন্ন প্রকৃতির ওই হনুমানটি কেশবপুরে আসে। হনুমানটি দেখতে কিছুটা বানর আকৃতির। এই হনুমানটি শহরের অফিস পাড়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাহাপাড়া এলাকায় অন্য কালোমুখ হনুমানের সঙ্গে বিচরণ করতো। হনুমানের খাদ্য সরবরাহকারী ভ্যানচালক আতিয়ার রহমান বলেন, ভিন্ন প্রকৃতির একমাত্র মর্দা হনুমানটি বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যাওয়ায় হনুমানের বংশবিস্তারে বেশ ক্ষতি হয়ে গেল।

    উপজেলা বন কর্মকর্তা সমিরন বিশ্বাস বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় হনুমান দলের সঙ্গে ভিন্ন প্রকৃতির ওই হনুমানটি ঘোরাঘুরি করার সময় বৃহ¯পতিবার দুপুরে বিদ্যুৎ পৃষ্টে মারা যায়। খবর পেয়ে ওই হনুমানটি উদ্ধার করে উপজেলা প্রাণি সম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এনে দেখানোর পর মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে।

     

    উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, মৃত অবস্থায় বিরল প্রজাতির ওই হনুমানটিকে বন বিভাগের কর্মীরা প্রাণি সম্পদ দপ্তরে নিয়ে আসেন।

    আর আই খান

  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা মসজিদ আল হারামে

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা মসজিদ আল হারামে

    ইসলামী ডেস্ক:

    ফুল ফোটার মতই ছাতাগুলোতে ভাঁজ খুলে যায় এবং বন্ধও হয়ে যায়। এ ভাঁজ খোলা ও বন্ধ হওয়ার যথাযথভাবে হয় এবং একটির সঙ্গে আরেকটির সংঘর্ষের ঘটনা এড়িয়ে তা করা হয়।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা তৈরি করছে সৌদি আরব। আগামী বছর মসজিদ আল হারামে স্থাপন করা হবে ওই ছাতা। হাজিদের আরামের জন্য স্থাপন করা হবে ঐ ছাতা। ছাতাটির আয়তন হবে দৈর্ঘ্যে ৫৩ মিটার আর প্রস্থে ৫৩ মিটার। গ্রীষ্মের তাপদাহ থেকে ওই ছাতা পবিত্র হজ পালন করতে আসা লাখো হজযাত্রীকে রক্ষা করবে।

    মসজিদ আল হারামের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আল-আহমাদী বলেন, ‘ছাতাগুলো মসজিদের আঙিনা ও ছাদে স্থাপন করা হবে।’ মসজিদের ভেতরের অংশ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকায় ছাতার বাইরের অংশ ঠান্ডা হবে বলে জানান তিনি।

    জানা যায়, প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ২০১৪ সালে মদীনায় মসজিদে নববীর অনুরূপ মক্কায় মসজিদে হারাম আঙিনায় ৩শ’ ছাতা নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। ক’ বছর ধরে মসজিদের পরিবর্ধনের কাজ চলছিল।

    মুসুল্লিরা হারামের বাইরে তপ্ত গরমে সালাত আদায় করে থাকেন। তাই হারামের এলাকা সম্প্রসারণসহ মসজিদের আঙিনায় ৩শ’র বেশি ছাতা নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। ছাতাগুলো স্হাপন সম্পন্ন হলে মসজিদ চত্বরের ২ লাখ ৭৫ হাজার বর্গমিটার উন্মুক্ত জায়গা ছাতার আওতায় আসবে। এর আগে হাজীদের সুবিধার্থে মসজিদে নববীতে প্রায় আড়াইশ ছাতা স্হাপন করা হয়েছিল।

    ছাতা ভাঁজ হওয়া বা বন্ধ করার স্বয়ংক্রিয় নীরব কর্মসূচির ফলে দৈনন্দিন তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়। প্রতিদিন ভোরে ঈষৎ আলো বিশিষ্ট ছাদ তৈরি করার জন্যে খুলে দেয়া হয় এবং তা’সন্ধ্যায় অর্থাৎ সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে বন্ধ করা হয়।

    গ্রীষ্মে উন্মুক্ত ছাতাগুলো দিনের বেলায় ছায়া দেয় এবং রাত্রীকালীন সময়ে বন্ধ করা হলে পাথেরের মেঝে কর্তৃক সেগুলোকে বাড়তি তাপ শুঁষে নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়।

    শীতে এই প্রক্রিয়ার উল্টোটা চলে। যখন তাপমাত্রা তুলনামূলক নিচে নেমে যায়, তখন উষ্ণতার জন্যে শীতকালীন সূর্যের আলো যাতে দিনের বেলায় উন্মুক্ত দেখা যায় সেজন্যে ছাতা বন্ধ রাখা হয়। মসজিদ পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এর ফলে হারাম চত্বরের তাপমাত্রাও নিচে নেমে যায় মসজিদে হারামের চত্বরে এ ছাতার ফলে হাজী ও মুসল্লিদের আরো অধিকতর সুবিধা হবে।
    বি/এ

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ৬ লাখ আবেদন

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ৬ লাখ আবেদন

     

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সোয়া ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপে ছয় বিভাগের আবেদন চলছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত এতে আবেদন করেছেন ছয় লাখ চাকরিপ্রার্থী।স্কুল সাপ্লাই

     

    এদিকে, অনলাইনে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর)। এরপর আর আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র।

     

     

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ১০ হাজার ২১৯টি পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শূন্য এসব পদের বিপরীতে গত ৮ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত এসব পদে সফলভাবে আবেদন ও ফি জমা দিয়েছেন প্রায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার প্রার্থী।

     

    আগামীকাল শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত তাদের ফি পরিশোধের সময় থাকবে। আবেদনের আরও একদিন সময় থাকায় এবং অনেকে ফি জমা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকায় আবেদনকারীর এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

     

    জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা এসএম মাহবুব আলম বলেন, ৫ লাখ ৭৬ হাজারের মতো প্রার্থী আবেদন করে ফি জমা দিয়েছেন। অনেকে এমন আছেন, যারা আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো ফি জমা দেননি। সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে আরও প্রায় এক লাখ আবেদন বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মোট আবেদন পৌনে ৭ লাখ অথবা সাড়ে ৭ লাখ হতে পারে।

     

    গত ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথম ধাপের বিভাগগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। এরপর ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ দুই বিভাগে শূন্যপদ রয়েছে ৪ হাজার ১৬৬টি।

  • গণতান্ত্রিক মহাসড়কে চলা শুরু: অ্যাটর্নি জেনারেল

    গণতান্ত্রিক মহাসড়কে চলা শুরু: অ্যাটর্নি জেনারেল

    ডেস্ক নিউজ:

    নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের ঐতিহাসিক রায়ের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক মহাসড়কে চলা শুরু বলে উল্লেখ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়ের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজ অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আগামী দিনে নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে। দিনের ভোট রাতে হবে না, মৃত মানুষ এসে ভোট দিয়ে যাবে না। এ রকম একটি গণতান্ত্রিক মহাসড়কে চলা শুরু বলে আমরা মনে করি।’

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ত্রুটিপূর্ণ বলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়টি আজ বাতিল করা হয়েছে। আগের রায়টি লিখার ক্ষেত্রে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ও তার সহযোগী যারা ছিলেন, তারা দণ্ডবিধির ২১৯ ধারায় অপরাধ করেছেন বলে আমরা শুনানিতে বলেছি।

    নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের নির্বাচন থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে বাতিল ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে রায় দেন।

    আপিল বেঞ্চের অপর ছয় বিচারপতি হলেন— বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

    বহুল আলোচিত এই আপিলে বিএনপির পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

    পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে আপিল শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূইয়া।

    রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।

    ২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনে করা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে, তা বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। এরপর ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

    তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক ও এক ব্যক্তি আবেদন করেন।

    সে রিভিউ আবেদন থেকে আপিল শুনানির জন্য গত ২৭ আগস্ট লিভ মঞ্জুর করে ২১ অক্টোবর আপিল শুনানির দিন ধার্য করেন। পরবর্তী ১০ দিন এই আপিল শুনানি শেষে রায়ের দিন ধার্য করেন সর্বোচ্চ আদালত।
    সুত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • নির্বাচিত সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে

    নির্বাচিত সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মনে করি, আমাদের বিপ্লব গত বছর শেষ হয়ে গেছে, তাহলে ভুল করছি। এটি চলমান আছে। এ বিপ্লব ততদিন চলমান থাকবে, যতদিন না জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়ন হবে।’

    বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেট ভবনে ‘বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের সফলতা ও ব্যর্থতা : ৭ নভেম্বর থেকে ৫ আগস্ট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সময়মতো হতে হবে। ভোট সময়মতো না হলে যে অস্থিরতা তৈরি হবে, সেটাকে দিল্লি কাজে লাগাবে। এজন্য নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হতে হবে।

    ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে শঙ্কা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, শুদ্ধি অভিযান না চালানোয় প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দৃশ্যমান। আওয়ামী দোসরদের তৎপরতার কারণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট শঙ্কা আছে। এর একটি বড় কারণ হলো, জুলাই বিপ্লবকে অনেকেই বিপ্লব বলতে চাই না। এমনকি বর্তমান সরকারও বিপ্লবকে বিপ্লব বলতে দ্বিধাবোধ করে। তা না হলে তারা বিপ্লবী সরকার ঘোষণা করত। এ সরকার বিপ্লবকে ধারণ করতে পারেনি বলেই শুদ্ধি অভিযান চালাতে পারেনি।

    জুলাই বিপ্লবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে আমার দেশ সম্পাদক বলেন, ‘গুলি খেতে যাওয়ার সময় কেউ মন্ত্রী হতে চাইনি। আমাদের তরুণ প্রজন্ম আবু সাঈদ হতে চেয়েছে বলেই বিপ্লব সফল হয়েছে। যারা এ বিপ্লব করেছে তারাই বাংলাদেশকে সঠিক পথে আনতে পারবে। তোমরা ঐক্যবদ্ধ থাকো। তোমরা যতদিন ঐক্যবদ্ধ থাকবে বাংলাদেশ পথ হারাবে না। বাংলাদেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহা. মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, অধ্যাপক ইমেরিটাস ড. আজহারুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ প্রমুখ।

    আর আই খান

  • বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই দিতে চায় এনসিটিবি

    বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই দিতে চায় এনসিটিবি

    ডেস্ক নিউজ:

    সব ধরনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। এ লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্দিষ্ট সময়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে। পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে এনসিটিবি নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুদ্রণ ও বাঁধাই করে শিক্ষার্থীদের নিকট বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এনসিটিবি কাজ করছে। পাঠ্যপুস্তকের গুণগত মান নিশ্চিতে এনসিটিবি’র নিজস্ব পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করছে এবং প্রেস মালিকগণের সাথে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।

    এতে বলা হয়, শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে সম্প্রতি এনসিটিবির অডিটোরিয়ামে শিক্ষা উপদেষ্টা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকগণের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় সম্মানিত মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকরা কতিপয় সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেগুলো সমাধান এবং প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা হলে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ আরও গতিশীল হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাথে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকদের মতবিনিময় সভায় আলোচিত সমস্যাগুলো নিরসনের উদ্দেশ্যে গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভাগীয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তার সাথে শিক্ষা উপদেষ্টা ভার্চুয়ালি সভার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ নেন।

    সভায় বিগত মতবিনিময় সভায় আলোচিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের গৃহীত উদ্যোগ ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এরই মধ্যে সরবরাহকৃত পাঠ্যপুস্তকের বিল দ্রুত পরিশোধের বিষয়ে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকারীদেরকে আশ্বস্ত করা হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং এ উদ্যোগে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করা, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মাঠ পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক গ্রহণের ব্যবস্থা করা, মাঠ পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক প্রেরণের পূর্বে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বই গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণকে অবহিত ক

    প্রয়োজনীয় স্থানসংকুলানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকারীরাও শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। সব অংশীজনের সমন্বিত সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়ে দেশের সকল শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলেও আশ প্রকাশ করেছে এনসিটিবি।
    সুত্র: কালবেলা
    বি/এ

  • এনসিপির মনোনয়ন কিনলেন সেই রিকশাচালক

    এনসিপির মনোনয়ন কিনলেন সেই রিকশাচালক

    ডেস্ক নিউজ:

    ঢাকা-৮ আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করেছেন জুলাইয়ের আলোচিত রিকশাচালক মো. সুজন।

    বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

    পরে সাংবাদিকদের মো. সুজন বলেন, ‘যারা এতিমের টাকা মেরে, যাত্রাপালা করে সংসদে যেতে পারেন; আমি রিকশাচালক হয়ে কেন সংসদে যেতে পারব না?’

    এসময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা উপস্থিত ছিলেন।
    ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এই আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন। আর স্বতন্ত্র থেকে এ আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী।
    বি/এ

  • মুজিবনগরে  বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    মুজিবনগরে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    মেহেরপুরের মুজিবনগরে গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপির উদ্যোগে মেহেরপুর সিডিপি বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস প্রাঙ্গণে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানের সিডিপি ম্যানেজার বিপুল রেমার সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাইনাকোলজিস্ট ডা: সিনথিয়া আফরিন সিমি এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিদ ফজলে রাব্বি।হেলথ অফিসার আহসানুল হক সঞ্চালনায় ক্যাম্পেইনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিডিপির সিনিয়র এডমিন অফিসার উত্তম কুমার রায় এবং মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান (সুইট)।ক্যাম্পেইনের মূল কার্যক্রম মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা, পুষ্টিকর খাবারের উপকারিতা ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।ক্যাম্পেইনে স্বল্পমূল্যে গাইনি রোগী দেখা এবং অপুষ্ট শিশুদের জন্য ডায়েট চার্ট প্রদান করা হয়ে।এছাড়াও কমিউনিটির জন্য ৩০% ছাড়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি প্যাকেজ সরবরাহ করা হয়ে।গুডনেইবারস বাংলাদেশ জানায়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কমিউনিটির মধ্যে সুলভ সেবা, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুষ্টি জ্ঞান সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

    এম কে