ক্যাটাগরি ব্যাংক ও বীমা

  • চলতি মাসে ১৮ দিনে রেমিটেন্স এসেছে ১৯৭ কোটি টাকা

    চলতি মাসে ১৮ দিনে রেমিটেন্স এসেছে ১৯৭ কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্ক : চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৮ দিনেই প্রবাসী আয়ের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। এ সময়ে দেশে এসেছে প্রায় ১৯৭ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই হিসাবে দৈনিক গড় প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৯৩ লাখ ডলার।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরছে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    তিনি বলেন, চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৬৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২০ শতাংশ।

    এর আগে গত মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

    গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

    এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

    আর আই খান

  • রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে

    রাষ্ট্রীয় সম্পদ বলতে আমরা সচরাচর যেটা বুঝি তা হলো সরকার কর্তৃক সরাসরি নিয়ন্ত্রিত এবং মালিকানাধীন সম্পদ। যেমন বিভিন্ন সরকারি অফিস, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ, নদী, খাল, জলাশয়, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, কোর্ট-কাচারীসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং তাদের স্থাপনাসমূহ।

    একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ কর নেয়া হয়, যা তাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। সেই করের অর্থ দেশের উন্নয়নের জন্যই সরকার বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ প্রদান করেন। কিন্তু সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার ফলে উন্নয়ন প্রতিনিয়তই বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বিপুল পরিমাণ অপচয় হয়।

    প্রতিটি দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন ও যথাযথ ব্যবহারের ওপর। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কেননা এটি মানুষের কাছে আমানত স্বরূপ। প্রতিটি নাগরিকের এ আমানত রক্ষা করা উচিৎ। রাষ্ট্রীয় সম্পদের ভিতর সবথেকে বেশি অপচয় হয় বিদ্যুৎ। লোডশেডিংয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে বিদ্যুতের অপচয়। বিশেষ করে অতিমাত্রায় বিদ্যুতের অপচয় লক্ষ্য করা যায় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে। যেখানে অযথা লাইট, ফ্যান, এসিসহ বিভিন্ন ভারী বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যবহার হয়ে থাকে।

    বর্তমানে দেখা যায় বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিভিন্ন আলোকসজ্জা করা হয়, যেটা অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ অপচয়ের জন্য দায়ী। তাছাড়া অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগের কারণে প্রতিবছর সরকার কোটিকোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। বিদ্যুতের পরেই আসে গ্যাসের অপচয়।  শহর এলকার একশ্রেণির মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় চুলা জ্বালিয়ে রাখে, এতে করে গ্যাসের অনেক বড়ো একটি অংশ অপচয় হয়ে যায়।

    রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রাষ্ট্র যেমন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়, তেমনি নাগরিক হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রাষ্ট্রের সম্পদের সুরক্ষা করা। সরকারের একার পক্ষে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় সম্পদ ব্যবহারে প্রত্যেকের সচেতন হতে হবে। সবাইকে পাওয়ার সেভিং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার, দিনের বেলায় লাইট, ফ্যান কিংবা এসি কম ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অধিক জ্বালানি গ্যাস ব্যবহার করা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যাবহারে সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে সবার দায়িত্ব পালন করতে হবে। আর তাহলেই জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে।

    বি/এ

  • ঘোড়াঘাটে ব্যাংক ম্যানেজারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

    ঘোড়াঘাটে ব্যাংক ম্যানেজারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং অভিযুক্ত ব্যবস্থাপকের দ্রুত অপসারণসহ প্রশাসনিক শাস্তির দাবিতে আজ বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার সচেতন নাগরিক ও সর্বস্তরের সাংবাদিকদের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি ঘোড়াঘাট পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক শাখা থেকে জনৈক সেবাগ্রহীতার কাছে একটি ভুল লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি সম্পর্কে সত্যতা যাচাই এবং তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ব্যাংক ব্যবস্থাপক মনোয়ার হোসেনের সাথে সাক্ষাৎ করতে যান।

    তবে তিনি সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা না করে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। উপস্থিত সংবাদকর্মীরা অভিযোগ করেন যে, ব্যবস্থাপক মনোয়ার হোসেন তাদের সাথে চরম কুরুচিপূর্ণ ও অপেশাদার আচরণ করেছেন যা পেশাগত মর্যাদাহানির শামিল।উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

    বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে, উক্ত ব্যবস্থাপক শুধু সাংবাদিকদের সাথেই নয়, বরং ব্যাংকে আসা সাধারণ মানুষের সাথেও প্রায়ই দুর্ব্যবহার করেন। তার এই একগুঁয়েমি ও অপেশাদার মনোভাবে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাংকের সেবার মান প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।মানববন্ধন চলাকালীন বিক্ষুব্ধ বক্তারা অবিলম্বে উক্ত ব্যাংক ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

    তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সম্মানজনক সমাধান এবং অভিযুক্তের অপসারণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ছাড়াও এলাকার সচেতন নাগরিক এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ব্যবস্থাপকের অপসারণ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

    এম কে

  • স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা  শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    বিডটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।

    বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।

    মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।

    পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।

    গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।

    ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।

    দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

    এআর/নিই

  • ৫ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত; দায়িত্বে প্রশাসক

    ৫ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত; দায়িত্বে প্রশাসক

    অর্থনীতি ডেস্কঃ

    একীভূত হতে যাওয়া পাঁচ বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে এসব ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়। ওই ব্যাংকগুলো হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

    আজই ওই সব ব্যাংকের দায়িত্ব বুঝে নেবেন বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসকেরা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আজ সকালে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, এখন থেকে এসব ব্যাংক চলবে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশের আওতায়। প্রশাসক হিসেবে কোন ব্যাংকে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং তাঁদের কাজ কী হবে, তা ঠিক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রশাসকেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ধাপে প্রত্যেক আমানতকারীকে আমানত সুরক্ষা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হবে।

    এদিকে এসব বিষয়ে কথা বলতে আজ সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। সংকটে ওই পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে একটি ব্যাংক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ওই পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার। আর আমানতকারীদের ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়া হবে।

    একীভূত হতে যাওয়া পাঁচ ব্যাংকে ৭৫ লাখ আমানতকারীর বর্তমান জমা আছে ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঋণ রয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা বা ৭৬ শতাংশ এখন খেলাপি।

    সারা দেশে এসব ব্যাংকের ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা,

    ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ রয়েছে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ ঋণ খেলাপি ইউনিয়ন ব্যাংকের। পর্যায়ক্রমে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামীর ৯৭ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামীর ৯৫ শতাংশ, সোশ্যাল ইসলামীর ৬২ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং এক্সিম ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪৮ দশমিক ২০ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসক হিসেবে এক্সিম ব্যাংকের দায়িত্ব পাচ্ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শওকাতুল আলম। সোশ্যাল ইসলামীতে নির্বাহী পরিচালক সালাহ উদ্দিন এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে দায়িত্ব পাচ্ছেন আরেক নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান দিদার। আর গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে পরিচালক মো. মোকসুদুজ্জামান এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে আরেক পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাসেমকে।

    বি/এ

  • আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    রোপন ও মাড়াই মৌসুমে আখ চাষ বৃদ্ধি এবং গুণগত মানসম্পন্ন আখ সরবরাহের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আখ চাষীদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর কৃষি বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৩০ জুলাই) কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বর্ক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড.আব্দুল আলীম খান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান (ট্যাকনিক্যাল সার্ভিস) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস ও প্রধান ইক্ষু ক্রয় সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখ চাষী শামীম হাসান, আজিজুল হক ডাবলু, আবজালুর রহমান ধীরু, আব্দুল বারী, মোর্শেদুর রহমান, লিংকন ও সোহেল রানা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আব্দুল আলীম খান বলেন,“কারখানা চালু রাখতে হলে আখের প্রয়োজন হবে। আখ চাষ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চাষীদের যে যৌক্তিক দাবী আছে তা আমরা পুরণ করার চেষ্টা করবো। আমরা এখন পর্যন্ত ভাল মানের আখের বীজ উৎপাদন করতে পারছিনা। বীজের মান ভাল অবস্থায় আনার চেষ্টা চলছে। কেরুর উৎপাদিত পণ্য যদি আমারা সামনে আনতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়া বন্দোবস্তের মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

    এছাড়া সম্মেলনে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভুঁইয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান ও (বীজ পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসেন এবং খামার ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা এবং সকল সাব জোন প্রধানগণসহ প্রায় দেড় শতাধিক চাষী উপস্থিত ছিলেন।

    বিডি/বিএ

     

  • সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেছনে রেখে পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, পাকিস্তান শুধু ভারতের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে ব্যর্থই হয়নি, যদি তাদের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভাষণ। তিনি চার দিনের অভিযানে নয়টি ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ধ্বংস এবং পাকিস্তানের আটটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানায় সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রায় ২৭ মিনিট দীর্ঘ ওই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় ও বিস্ময়কর।’ তাঁর এই বক্তব্যে কার্যত সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া মোদির ভাষণের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তবে মোদির এই ভাষণের তাৎপর্য অনেক। ভাষণটি পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে দেওয়া হয়। এটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থাসহ ঘাঁটিটি ধ্বংস করেছে। ভারত এসব দাবি সরাসরি উড়িয়ে দেয়।

    নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুর এখন পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট ‘লক্ষ্মণরেখা (চূড়ান্তসীমা)’ টেনে দিয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ভোরে তিনি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান এবং ইউনিফর্মে থাকা বিমানবাহিনীর সেনাদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেনারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন।

    সেনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেন। এ সময় পেছনে দৃশ্যমান ছিল এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আর তাঁর মাথায় ছিল ‘ত্রিশূল’ চিহ্ন–সংবলিত দেশটির বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের টুপি।

    সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন বুঝে গেছে, ভারতের দিকে দৃষ্টি দেওয়া মানেই তাদের নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।’

    উল্লেখ্য, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি। এখানে রাফাল ও মিগ-২৯ স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) ভবন ও ডাক বিভাগের সাবেক প্রধান কার্যালয়কে পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত উল্লেখ করে তা সচিবালয়ের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তার প্রতিবাদ করেছেন বিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি এই প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    সম্প্রতি বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ও ডাক বিভাগের (ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকা) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আতিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ‘জিপিও ভবন পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত’ দাবি করে তা সচিবালয়ের এক্সটেনশন হিসেবে সচিবালয়ের মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্তি ও হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    এ প্রস্তাবে উল্লিখিত তথ্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, জিপিও কম্পাউন্ড সরকারঘোষিত একটি কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। এখানে ডাক বিভাগের ১৪টি অপারেশনাল অফিস সক্রিয়ভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখান থেকে ডাকসেবা গ্রহণ করছে। ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার এই কেন্দ্র কখনোই পরিত্যক্ত ছিল না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ডাক ভবনে স্থানান্তরিত হলেও অন্যান্য অপারেশনাল অফিস আগের মতো জিপিও কম্পাউন্ডেই চলমান।

    ডাক বিভাগের মতামত ছাড়াই এ ধরনের চিঠি দেওয়া এবং তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করায় নিন্দা জানিয়ে বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, জিপিও ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি ডাক বিভাগের প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাণের জায়গা, তাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ভবন কেড়ে নেওয়ার যেকোনো উদ্যোগকে তারা সরাসরি দেশের ডাকসেবার ওপর আঘাত হিসেবেই বিবেচনা করে।

  • আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    রোপন ও মাড়াই মৌসুমে আখ চাষ বৃদ্ধি এবং গুণগত মানসম্পন্ন আখ সরবরাহের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আখ চাষীদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর কৃষি বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৩০ জুলাই) কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বর্ক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড.আব্দুল আলীম খান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান (ট্যাকনিক্যাল সার্ভিস) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস ও প্রধান ইক্ষু ক্রয় সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখ চাষী শামীম হাসান, আজিজুল হক ডাবলু, আবজালুর রহমান ধীরু, আব্দুল বারী, মোর্শেদুর রহমান, লিংকন ও সোহেল রানা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আব্দুল আলীম খান বলেন,“কারখানা চালু রাখতে হলে আখের প্রয়োজন হবে। আখ চাষ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চাষীদের যে যৌক্তিক দাবী আছে তা আমরা পুরণ করার চেষ্টা করবো। আমরা এখন পর্যন্ত ভাল মানের আখের বীজ উৎপাদন করতে পারছিনা। বীজের মান ভাল অবস্থায় আনার চেষ্টা চলছে। কেরুর উৎপাদিত পণ্য যদি আমারা সামনে আনতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়া বন্দোবস্তের মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

    এছাড়া সম্মেলনে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভুঁইয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান ও (বীজ পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসেন এবং খামার ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা এবং সকল সাব জোন প্রধানগণসহ প্রায় দেড় শতাধিক চাষী উপস্থিত ছিলেন।

    বিডি/বিএ

     

  • জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) ভবন ও ডাক বিভাগের সাবেক প্রধান কার্যালয়কে পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত উল্লেখ করে তা সচিবালয়ের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তার প্রতিবাদ করেছেন বিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি এই প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    সম্প্রতি বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ও ডাক বিভাগের (ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকা) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আতিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ‘জিপিও ভবন পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত’ দাবি করে তা সচিবালয়ের এক্সটেনশন হিসেবে সচিবালয়ের মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্তি ও হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    এ প্রস্তাবে উল্লিখিত তথ্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, জিপিও কম্পাউন্ড সরকারঘোষিত একটি কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। এখানে ডাক বিভাগের ১৪টি অপারেশনাল অফিস সক্রিয়ভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখান থেকে ডাকসেবা গ্রহণ করছে। ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার এই কেন্দ্র কখনোই পরিত্যক্ত ছিল না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ডাক ভবনে স্থানান্তরিত হলেও অন্যান্য অপারেশনাল অফিস আগের মতো জিপিও কম্পাউন্ডেই চলমান।

    ডাক বিভাগের মতামত ছাড়াই এ ধরনের চিঠি দেওয়া এবং তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করায় নিন্দা জানিয়ে বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, জিপিও ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি ডাক বিভাগের প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাণের জায়গা, তাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ভবন কেড়ে নেওয়ার যেকোনো উদ্যোগকে তারা সরাসরি দেশের ডাকসেবার ওপর আঘাত হিসেবেই বিবেচনা করে।