ক্যাটাগরি ভোলা

Bhola district

  • লালমোহনে ভাঙারি গুদামে আগুন ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

    লালমোহনে ভাঙারি গুদামে আগুন ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

    ডেস্ক নিউজ:

    ভোলার লালমোহন উপজেলায় ভাঙারি গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে লালমোহন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কর্তারকাচারি মিয়ার হাট সড়ক সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে গুদামের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত গুদামের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রতন ও দুলাল পরিকল্পিতভাবে তার ভাঙারি গুদামে আগুন দিয়েছে। আগুনে গুদামে থাকা সব মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। এতে করে আমার প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রতন ও দুলাল বলেন, শত্রুতা থাকতেই পারে। তাই বলে কারো দোকানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো কাজ আমরা করিনি। তারা অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন।

    লালমোহন ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার খোরশেদ আলম বলেন,  প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটতে পারে।

  • ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি জামায়াত

    ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি জামায়াত

    ডেস্ক নিউজ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় নির্বাচনী জোট ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসন নিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে দিলেও সেখান থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় নির্বাচনী জোট ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসন নিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে দিলেও সেখান থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী।

    তবে ওই জোটের অন্য শরীক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন। ফলে বহুল আলোচিত এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিমের সাথে নির্বাচনী লড়াইয় করবেন একই জোটের (১০ দলীয় জোটের) দুই প্রার্থী। তারা হলে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফজলুল করিম ও এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী। 

  • ভোলায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ভোলায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ

    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করছে।

    সোমবার  দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চকবাজার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে জিন্নাগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলছিল। এ সময় স্থানীয় বিএনপির একদল নেতাকর্মীর সঙ্গে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহত জামায়াত কর্মীদের অ্যাম্বুলেন্সযোগে হাসপাতালে নেওয়ার সময় আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা কাজী হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কর্মী জামাল উদ্দিন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারণা করছিলেন। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রথমে জামাল উদ্দিনের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে খবর পেয়ে আমাদের অন্যান্য কর্মীরা পুলিশকে জানিয়ে আহতকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিএনপি নেতাকর্মীরা আবারও হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই হামলার ঘটনায় প্রশাসন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

    চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মালতিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

     

  • ভোলা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন

    ভোলা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন

    ডেস্ক নিউজঃ

    বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলটির ভোলা জেলা শাখার নায়েবে আমির মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম দুই হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে র‍্যালি করেছেন। শনিবার সকাল ১০ টায় বোরহান উদ্দিন হেলিপোর্ট ভোলা টু চরফ্যাশন মহাসড়ক থেকে এ মোটরসাইকেল শোডাউন শুরু হয়। এ সময় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাওয়া হয়। এছাড়া জামায়াতের সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। তাদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

    জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, দুপুর ১টায় দৌলতখান পৌরসভার বিভিন্ন রোড হয়ে দৌলতখান ঈদগাহ প্রাঙ্গণে গিয়ে বক্তব্যের মাধ্যমে র‌্যালিটি শেষ হয়।

    এ সময় ছাদখোলা গাড়ি থেকে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম।

    তিনি বলেন, “এই আসনের প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইশতেহার প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে বিগত সময়ের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করে বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান দেশের একটি মডেল আসন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।”

    শোভাযাত্রায় প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের বোরহানউদ্দিন উপজেলা সেক্রেটারি মাকসুদুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা অলিউল্লাহ সহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

    আর আই খান