ক্যাটাগরি সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • কুয়েত, কাতার ও লেবানন : ইরান যুদ্ধে দুর্বিষহ জীবন বাংলাদেশি শ্রমিকদের

    কুয়েত, কাতার ও লেবানন : ইরান যুদ্ধে দুর্বিষহ জীবন বাংলাদেশি শ্রমিকদের

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    প্রবাসের যে শহরগুলো একদিন ছিল রুটি-রুজির নিশ্চিন্ত আশ্রয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সেগুলো আজ রূপ নিয়েছে ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে। কুয়েত, কাতার কিংবা লেবানন—মানচিত্রভেদে নাম বদলালেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের দুর্দশার চিত্র সবখানে একই। মাথার ওপর যুদ্ধের ড্রোন আর মিসাইলের গর্জন, পায়ের নিচে অনিশ্চিত কর্মসংস্থানের মাটিÑদুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছেন আমাদের রেমিট্যান্সযোদ্ধারা।

    ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের ফলে কাতার ও কুয়েতে কঠোর বিধিনিষেধ আর অর্থনৈতিক স্থবিরতায় কাজ হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত শ্রমিক। অন্যদিকে লেবাননে ইসরাইলি হামলার লেলিহান শিখা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে আশ্রয়হীন প্রবাসীদের। আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়া আর পাসপোর্ট জটিলতায় দেশে ফেরার পথও আজ রুদ্ধ তাদের। প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে দেশছাড়া এই মানুষগুলো এখন অনিশ্চয়তায় দিন পার করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদেশের মাটিতে ঘাম ঝরানো এই মানুষগুলোর জীবনের নিরাপত্তা দেবে কে?

    কাতার : নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক ধস

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান কাতারে। প্রতিদিন আকাশে সন্দেহভাজন ড্রোন প্রতিরোধের ঘটনা এবং সমুদ্রবন্দর এলাকায় জাহাজে হামলার খবর সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরো ঘোলাটে করে তুলেছে। রাজধানীর মুশরিব ভিআইপি এলাকা, যেখানে একাধিক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি রয়েছে, সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে কাতার কর্তৃপক্ষ ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণ নিষিদ্ধ করাসহ নাগরিকদের অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

    কাতার প্রবাসী রিফাত আলম হিরো  জানান, সরকারি বিধিনিষেধের কারণে জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন বাংলাদেশি শ্রমিকরা। বিশেষ করে যারা ফ্রি ভিসায় এসে কাজের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন, তারা এখন কাজ ও আয় হারিয়ে দিশাহারা।

    তিনি বলেন, অনেকের কাজ নেই, আয় নেই। ঘর ভাড়া আর খাবারের খরচ চালানো খুব কঠিন হয়ে গেছে। দেশে ফিরতেও পারছেন না। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া, অথচ আয় শূন্যের কোঠায়।

    সংকট আরো বেড়েছে যাতায়াত ব্যবস্থায়। বর্তমানে শুধু কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট চালু থাকায় টিকিটের দাম সাধারণ প্রবাসীর নাগালের বাইরে চলে গেছে। এর ওপর যুক্ত হয়েছে পাসপোর্ট জটিলতা। প্রবাসীদের অভিযোগ, পাসপোর্ট নবায়নের জন্য জমা দিয়েও তারা তা সময়মতো ফেরত পাচ্ছেন না; ফলে জরুরি প্রয়োজনেও দেশে ফেরা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সংকটকালে পর্যাপ্ত সতর্কতা বা কার্যকর সহায়তা না পাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

    অন্যদিকে দোহার পুরোনো সমুদ্রবন্দরে একটি পর্যটকবাহী ক্রুজ জাহাজ আটকা পড়ে থাকায় সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সীমিত পরিসরে খুললেও স্বাভাবিক পরিবেশ এখনো ফিরে আসেনি।

    কুয়েত ও লেবানন : আতঙ্কের জনপদ

    কুয়েত থেকে জাহিদ হাসান অভি নামের এক বাংলাদেশি  জানান, সেখানে যুদ্ধ আতঙ্কে জনজীবন থমকে গেছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো স্থবির হয়ে পড়ায় প্রবাসীরা চাকরির স্থায়িত্ব নিয়ে চরম শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। বহু পর্যটক কুয়েতে এসে আটকা পড়েছেন; কারণ কোনো বিমান চলাচল করছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় স্থবিরতা নেমে এসেছে সর্বত্র।

    অন্যদিকে লেবানন পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে; ১২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইসরাইলি বর্ডার এরিয়া, দাহিয়ে ও বৈরুতের বিভিন্ন স্থানে তীব্র হামলা চলছে।

    লেবানন প্রবাসী আলমগীর  জানান, বর্তমানে ৫০০-৬০০ বাংলাদেশি বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ৭০ শতাংশই অবৈধ হওয়ায় সেখান থেকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার হার খুবই কম। বর্তমানে হুন্ডি বা বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন হচ্ছে। নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। কাজ হারিয়েছেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ।

    সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই বহুমুখী সংকটে নিরাপত্তা শঙ্কা, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানবিক দুর্ভোগের সবচেয়ে ভারী বোঝাটি বইতে হচ্ছে প্রবাসী শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীকে। নিজ ভূমিতে ফেরার আকুতি আর প্রবাসে টিকে থাকার লড়াইয়ে তারা আজ বড়ই একা।

    জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ২০২৬-এর ডেটামতে, কাতারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে চার লাখ বাংলাদেশি রয়েছেন। এটি দেশটির মোট জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য অংশ। ২০২৫ সালের তথ্যমতে, কাতারে বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের প্রবাহে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গেছে এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল প্রায় ১৬ হাজার ৮৭৭ মিলিয়ন টাকা (বিডিটি)। নির্মাণ, সেবা ও ড্রাইভিং খাতে কর্মরত এসব বাংলাদেশি কাতারের আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

    কুয়েতে বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী অবস্থান করছেন। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে জনশক্তি রপ্তানি ছিল মোট অভিবাসনের প্রায় চার শতাংশ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২০ হাজার ৬৪৪ মিলিয়ন টাকা (বিডিটি)। এখানকার সরকারি ক্লিনিং সেক্টর, ড্রাইভিং ও কৃষি খাতে বাংলাদেশিদের একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে, যা গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম বড় উৎস হিসেবে বিবেচিত।

    লেবাননে বর্তমানে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন, যাদের এক বড় অংশ নারী গৃহকর্মী এবং পুরুষ কৃষি ও গ্যারেজ মেকানিক। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, লেবাননের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি অত্যন্ত মানবেতর ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন, যাদের অনেকেই দক্ষিণ লেবাননের হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় কর্মরত। অর্থনৈতিক মন্দা এবং বর্তমান অস্থিতিশীলতার কারণে লেবানন থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  • আজ রাতে ইরান সভ্যতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে, ফের ট্রাম্পের হুমকি

    আজ রাতে ইরান সভ্যতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে, ফের ট্রাম্পের হুমকি

    ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সময়সীমা শেষ হয়ে আসছে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দিয়ে লিখেছেন, ‘আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে, যা আর কখনো ফিরে আসবে না।’

    ট্রাম্প বলেন, আমি এটা চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এমনটাই হবে। তবে এখন যেহেতু সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক শাসনব্যস্থার পরিবর্তন দেখেছি, যেখানে ভিন্ন, আরো বুদ্ধিমান এবং কম উগ্র চিন্তাধারার মানুষেররা প্রাধান্য পাচ্ছে, হয়তো ভালো কিছু ঘটতে পারে।

    তিনি আরো বলেন, কে জানে? আমরা আজ রাতেই জানতে পারব—বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটি। ৪৭ বছরের অবৈধ জুলুম, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবসান ঘটবে। মহান ইরানি জনগণের প্রতি ঈশ্বরের আশীর্বাদ থাকুক!গত রোববার ইরানকে উদ্দেশ করে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, মঙ্গলবার হবে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’, ‘সেতু দিবস’। সময়সীমা হিসেবে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা’ (যুক্তরাষ্ট্রের সময়)। বাংলাদেশ সময় তা বুধবার সকাল ৬টা।

    পরদিন সোমবার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তেহরান হরমুজ প্রণালি খুলতে কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘এক রাতেই’ নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আর সেই রাতটি হতে পারে মঙ্গলবার রাত।

  • শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল ও ছাউনি ভেঙে ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার পথচারী, যাত্রীসহ স্থানীয় সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন পাথারিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আঙ্গুর মিয়া।

    অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন,পাথারিয়া এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল মমিন তার বাড়ির সামনের পূর্বদিকে বড় মার্কেটে যাতায়াতের রাস্তার জন্য পাথারিয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার পথচারী ও শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল যাত্রী ছাউনি গত ডিসেম্বর থেকে দখলে নিয়েছেন। ছাউনি দখলের পর পর্যায়ক্রমে ছাউনি  ভেঙে তার ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী ও যাত্রীরা। এই ঘটনায় পাথারিয়া বাজারের অনেকেই বাধা আপত্তি দিলেও তার তোয়াক্কা করেননি আব্দুল মমিন। ফলে রোদ-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়া এবং গাড়ীতে উঠার জন্য অপেক্ষা করা যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের বসার জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন পথচারী, যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা।

    এই অবস্থায় ঘটনাস্থল সরজমিন পরিদর্শন করে যাত্রী ছাউনি পুনরুদ্ধার করে সেটি জনগণের জন্য পুনরায় স্থাপনের অনুরোধ জানান অভিযোগকারী আঙ্গুর মিয়া।

    স্থানীয় পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য নুর মিয়া বলেন, ‘পাথারিয়া বাসস্ট্যান্ডে সরকারী যাত্রী ছাউনি ছিল। সেখানে এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী, দুরপথের যাত্রী বসে সেখানে বসতেন। কিন্তু মমিন মিয়া সেটি দখল করে ভেঙ্গে শেষ করে দিয়েছেন।

    গাজীনগর গ্রামের জিয়াউদ্দিন তুহিন বলেন, ‘পাথারিয়া বাজারের একমাত্র যাত্রী ছাউনি বাজারের যাত্রী, পথচারী ও সুরমা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখলমুক্ত করে পুনরায় নির্মান করা জরুরী।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল মমিন। তিনি বলেন, ‘যাত্রী ছাউনি ভাঙার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যাত্রী ছাউনি সরকারীভাবে স্থাপন করা হলেও জায়গাটি আমার নিজের। কে বা কারা ছাউনিটি ভেঙেছে তা আমি জানি না। দীর্ঘদিন ধরে এটি পরিত্যক্ত ছিল।’

    এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ/আর

  • হামলা ও নিষেধাজ্ঞা বন্ধের শর্তসহ ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব

    হামলা ও নিষেধাজ্ঞা বন্ধের শর্তসহ ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন হামলার সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।

    দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানো হয়েছে।

    প্রস্তাবে ইরান তাদের ওপর ভবিষ্যতে কোনো হামলা না করার নিশ্চয়তা, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক অভিযান বন্ধ এবং সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এর বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা বলেছে তেহরান।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার ফি আদায় করবে ইরান, যা ওমানের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হবে। প্রাপ্ত অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব, তবে যথেষ্ট নয়।’

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হবে বলে সাম্প্রতিক সময়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

    হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ৮টার পর নতুন হামলা চালানো হতে পারে, যা ইরানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হবে।’

    বিশ্লেষকদের মতে, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

    এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রস্তাবে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদে নৌ চলাচল নিশ্চিত করার একটি প্রোটোকলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    এর আগে গত ২৪ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যান করে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি ওই প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেন।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের অবস্থান কঠোর থাকায় দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা অনিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • তুরস্কে ইসরাইলি দূতাবাসের কাছে ব্যাপক গোলাগুলি, নিহত ৩

    তুরস্কে ইসরাইলি দূতাবাসের কাছে ব্যাপক গোলাগুলি, নিহত ৩

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী ইস্তাম্বুলে অবস্থিত ইসরাইলি কনস্যুলেটের বাইরে ভয়াবহ এক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে ঘটা এই সংঘর্ষে সন্দেহভাজন তিন হামলাকারী নিহত হয়েছেন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম এবং সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

    তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলের লেভেন্ট ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত ইসরাইলি কনস্যুলেট লক্ষ্য করে হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হয়। এতে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই দ্রুত ব্যবস্থা নেয় তুর্কি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের পাল্টা গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিন হামলাকারী নিহত বা “নিউট্রালাইজড” হয়।

    তুর্কি চ্যানেল ‘হ্যাবারতুর্ক’-এর প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, কনস্যুলেট ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য এবং বিশেষ ইউনিট। পুরো এলাকাটি বর্তমানে নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢাকা রয়েছে এবং সাধারণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। আহত পুলিশ সদস্যদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ইস্তাম্বুল জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তুর্কি প্রশাসন জানিয়েছে, এটি কোনো পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা কি না তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।

  • দেশের জন্য জীবন দিতে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি প্রস্তুত: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

    দেশের জন্য জীবন দিতে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি প্রস্তুত: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের সুরক্ষায় এ পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি ইরানি নাগরিক তাদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই তথ্য জানান।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমিও ইরানের জন্য আমার জীবন উৎসর্গ করেছি, করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব।’

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ক্ষমতাধর সচিব আলী লারিজানি।

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইরানে এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২,০৭৬ জন নিহত এবং ২৬,৫০০ জন আহত হয়েছেন।

  • ইরানিদের ট্রেনে ভ্রমণ না করার সতর্কতা ইসরাইলি বাহিনীর

    ইরানিদের ট্রেনে ভ্রমণ না করার সতর্কতা ইসরাইলি বাহিনীর

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ইরানে বসবাসকারীদের আজ মঙ্গলবার ট্রেনে ভ্রমণ না করার বিষয়ে সতর্ক করে বার্তা দিয়েছে।

    সেনাবাহিনীর ফারসি ভাষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেয়া এক বার্তায় আইডিএফ ইরানের মানুষকে ‘নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে’ সারাদেশে ‘ইরান সময় রাত ৯টা পর্যন্ত’ ট্রেন ব্যবহার ও ট্রেনে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলেছে। তারা আরো জানিয়েছে, ‘ট্রেনে এবং রেললাইনের আশপাশে অবস্থান করলে জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।’

    এ সতর্কতা এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন যে ইরানের শাসকগোষ্ঠী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে (ব্রিটিশ সময় বুধবার রাত ১টা) হরমুজ প্রণালী দিয়ে মুক্ত চলাচলের অনুমতি না দিলে তিনি দেশটির বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবেন।

    রাতভর প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরো জানিয়েছে, তারা শাসকগোষ্ঠীর সাথে সংশ্লিষ্ট তেহরানের ‘অবকাঠামো লক্ষ্য করে’ ব্যাপক আকাশ হামলার একটি ধাপ সম্পন্ন করেছে এবং যাদের তারা হিজবুল্লাহর সদস্য বলে দাবি করেছে, এমন কয়েকজনকে হত্যা করেছে।

    এছাড়া আলাদাভাবে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের দিকে আসার পথে তারা প্রতিহত করেছে।

  • ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে হামলা

    ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে হামলা

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (৬ এপ্রিল) জানিয়েছে, তারা একটি ইসরাইলি মালিকানাধীন কনটেইনার জাহাজ এবং একটি মার্কিন আক্রমণাত্মক যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

    ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দিনের শুরুতে চালানো ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ৯৮তম দফার হামলার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

    আইআরজিসি কনটেইনার জাহাজটির নাম ‘এসডিএন৭’ বলে উল্লেখ করে জানায়, এটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নিখুঁতভাবে আঘাত করা হয়েছে এবং এতে আগুন ধরে যায়।

    তারা আরও জানায়, ৫ হাজারের বেশি সেনা বহনকারী মার্কিন উভচর আক্রমণ জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি (এলএইচএ-৭) লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়।

    আইআরজিসি আরও দাবি করে, তাদের বাহিনী ইসরাইলের হাইফা শহরের কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে, পাশাপাশি বেয়ার শেভার পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি ও স্থাপনাগুলোতে নির্ভুল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মধ্য ইসরাইলের পেতাহ টিকভায় ইসরাইলি বাহিনীর একটি সমাবেশস্থলেও হামলা করা হয়েছে।

    আইআরজিসির মতে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং ওই আরব দেশের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা কয়েকটি বিমান।
    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি শহরে যৌথ হামলা চালায়, যাতে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হন। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও সম্পদের ওপর ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।পাশপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।

  • সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি-জামায়াত কে কতটি পাবে?

    সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি-জামায়াত কে কতটি পাবে?

    জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিএনপির জোট ৩৬ আসন, জামায়াত জোট ১৩টি, আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একটি আসন পাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ১১তম কমিশনের সভা শেষে জানানো হয়, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে।

    ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আজকে মোট পাঁচটি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে বৈঠকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশ করা হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। এই নির্বাচনের বিস্তারিত শিডিউল পরবর্তীতে জানানো হবে।

    তিনি বলেন, জোটগতভাবে নির্বাচন করছেন ছয়জন ইন্ডিপেনডেন্ট ক্যান্ডিডেট, যারা একজোট করেছেন। বিএনপির সঙ্গে জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর এবং আন্দালিব রহমান পার্থের দল আছে। আর জামায়াতের সঙ্গে আছে এনসিপি এবং খেলাফত আন্দোলন। আর রুমিন ফারহানা জোটের হয়ে যাবেন না, এটা বলেছেন। এক্ষেত্রে বিএনপির জোট ৩৬ আসন পাবে, জামায়াত জোট ১৩, আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পাবেন একটি আসন।

    প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট হয়। শেরপুর-৩ আসনে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়া ভোট স্থগিত থাকে। এছাড়া বগুড়া-৬ আসন তারেক রহমান ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচন হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে আইনি জটিলতায় থাকায় ফল প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন।

  • অবকাঠামোতে হামলার পরিণতি কেবল মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    অবকাঠামোতে হামলার পরিণতি কেবল মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ইরানের বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যেকোনো ধরনের হামলার পরিণতি কেবল ইরান বা মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (৬ মার্চ) ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোটের সঙ্গে এক ফোনালাপে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনায় হামলার যে হুমকি দেওয়া হয়েছে, তাকে ‘যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার স্বাভাবিকীকরণ’ হিসেবে অভিহিত করেন আরাগচি।

    তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এই ধরনের উস্কানিমূলক পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি খাত এবং অর্থনীতিতে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে। এই পরিস্থিতির ফলে উদ্ভূত যেকোনো পরিণতির জন্য কেবল মার্কিন প্রশাসন এবং আগ্রাসনকারীরাই দায়ী থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপকালে আরাগচি আরও জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব বা জনস্বার্থ বিঘ্নিত হয় এমন কোনো হামলা চালানো হলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী তার ‘চূড়ান্ত ও সর্বাত্মক’ জবাব দেবে।

    মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে তা যে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের সূত্রপাত ঘটাতে পারে, তেহরান মূলত সেই আশঙ্কার দিকেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।