ক্যাটাগরি সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • চুয়াডাঙ্গায় নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    চুয়াডাঙ্গায় নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    জেলা প্রতিনিধি,চুয়াডাঙ্গা

    চুয়াডাঙ্গায় নবাগত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সঙ্গে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা ৩টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

    মতবিনিময় সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্তবর্তী অপরাধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিকদের গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
    সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ জোরদার, যানজট নিরসন, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহŸান জানান। সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন. পুলিশ দিনে রাতে কাজ করে। চুয়াডাঙ্গা জেলায় দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে । নির্বাচনকালীন সময়ে সীমান্ত দিয়ে যেন অবৈধ অস্ত্র,মাদক প্রবেশ করতে না পারে,সে ব্যাপারে অঅইন শৃঙ্খলা বাহিনী সজাগর হতে হবে রয়েছে। তিনি বলেন, আইনের ব্যাপারে আমাদের শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। কোন অবস্থায় সাধারণ নাগরিকদের প্রতিবন্ধকতা করা যাবে না। যে জাতি যত আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সে জাতি তত উন্নত।

    এ সময় তিনি জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, পুলিশ পরিদর্শক আতিকুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজিব হাসান কচি, সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ,সময়ের সমীকরণের প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন,আমার দেশের চুয়াডাঙ্গ প্রতিনিধি মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার সহ প্রেসক্লাবের সদস্য ও বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে আলীকদম উপজেলায় অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাজোন ও উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানে পাহাড় কাটার দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন জোন সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলী পাড়া এলাকায় ক্যাপ্টেন মো. হিরবল উম্মা হামিমের নেতৃত্বে রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমনজুর আলম নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    এই সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(ঙ) ধারায় দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত তিনটি ছোট ট্রাক ও একটি স্কেভেটরের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিটি যানবাহনের জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আটক যানবাহনগুলো আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে যানবাহনগুলো জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    আলীকদম জোন কমান্ডার জানান, পাহাড়ের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। সেনা জোন ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছে।

    এম কে

  • রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    ‘বাজারে মুলা তোলার আগেই সব শেষ হইয়া গেল—এই যে জমি, এখন শুধু পানি আর পানি।’ গতকাল শুক্রবার সকালে জমির সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন রাজশাহীর পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামের কৃষক রাব্বানী মন্ডল। রাব্বানীর চোখের কোণে পানি, পায়ের নিচেও হাঁটুসমান পানি। একসময় যে জমি ভরে উঠেছিল মুলার গাছে, এখন সে জমি ডুবে রয়েছে বৃষ্টির পানিতে।

    নভেম্বরের শুরুতেই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিতে এখনো এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে রাজশাহীর পবা, মোহনপুর, বাগমারা, তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার ফসলের মাঠজুড়ে। টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার হাজারো কৃষক এখন বড় ক্ষতির মুখে। শাক থেকে শুরু করে ঢ্যাঁড়স, মুলা, পেঁয়াজ; এমনকি আমন ধান—সব ফসলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ৪ হাজার ২০০ জন। দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    তবে বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। কৃষকেরা বলছেন, ১৯৮৬ সালের পর এই সময়ে এমন বৃষ্টি আর কখনো দেখেননি তাঁরা। গতকাল সকালে পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক রাব্বানী মন্ডলের সঙ্গে। মুখে বিষণ্ণতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আষাঢ় মাসেও এমন বৃষ্টি হয় না, যে বৃষ্টি এবার হইছে। এখনো পানি নামেনি। ৫ বিঘা জমি পানির নিচে। চারপাশে পুকুর, পানি নামারও পথ নাই।’

    রাব্বানী আরও বলেন, ‘সরকার যদি পাশে থাকে, তাহলে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব। তা না হলে কঠিন হবে।’

    পবা উপজেলার শিয়ালবেড়, পাইকপাড়া, দাদপুর ও মুরারীপুর গ্রামের মাঠজুড়ে একই চিত্র। যেদিকে চোখ যায়, এখনো চোখে পড়ে কেবল পানি। কোথাও ধান হেলে পড়েছে, কোথাও শাকসবজি ডুবে রয়েছে পানির নিচে। পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘১২ কাঠা জমিতে শাকসবজি করেছিলাম, বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এমন সময় তো বৃষ্টি হয় না।’

    একই এলাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক ১ বিঘা জমিতে বি৮৭ জাতের ধান চাষ করেছিলেন। ধান কাটার আগেই নভেম্বরে অসময়ের বৃষ্টিতে জমিতে পানি উঠেছে, বাতাসে ধানের গাছ হেলে পড়েছে। মাঠে দেখা গেল, কৃষকেরা কাদামাটি মাড়িয়ে হেলে পড়া ধান কেটে নিচ্ছেন। সেখানে তাঁর ছেলে সোহানুর রহমান বলেন, ‘অর্ধেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে। শ্রমিক খরচও বেশি হবে। মনে হচ্ছে খরচের টাকাও উঠবে না। তিন দিন পর বৃষ্টি হইলে এই সর্বনাশ হতো না।’

    পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ মান্নান বলেন, নভেম্বরের শুরুতেই যে বৃষ্টি হয়েছে, সেটি মূলত নিম্নচাপের কারণে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি যেন জমি শুকিয়ে দ্রুত নতুন ফসল লাগাতে পারেন।’

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রণোদনা এলে তা বিতরণ করা হবে।

    বি/এ

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে। ঘুষের কারণে নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পায় না। আমরা মাদকমুক্ত ও ন্যায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব।

    তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রে ভিন্ন ধর্মের মানুষ আমানত। ইসলামী রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমান সুযোগ পাবেন।

    সম্প্রতি লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাকসাম এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চুরি করব না, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন করা হবে। পুরো সিস্টেম ঢেলে সাজাব। অনেকে ভুল ফতোয়া দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

    পূর্ব লাকসাম মৈশান বাড়ি ইউনিট জামায়াত ইসলামীর আমির মু. জাকির হোসেন আজমের সভাপতিত্বে ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমির আলম আদম সফিউল্লাহর পরিচালনায় উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা শহিদ উল্যাহ।

    এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড আমির মু. আব্দুল জলিল, মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী, মাওলানা বিল্লাল হোসেন মালেকী, অধ্যাপক জাকির হোসেন, পূর্ব লাকসাম কালীবাড়ি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুপন সাহা, লাকসাম কেন্দ্রীয় মহাশশ্মানের সভাপতি দীপংকর সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মো. জামাল উদ্দিন ছিদ্দিকী ও সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন ছিদ্দিকী।

    এআর/এনই

  • ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বহু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট নৌকার পক্ষে পড়েছে, যা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাকে ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ‎

    গত শনিবার ‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার মেঘনায় গণমিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপজেলার রাধানগর থেকে শুরু হয়ে গণমিছিলটি উপজেলার বাস কাউন্টার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মানিকারচর লাল মিয়া সরকার লতিফ মুন্সী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণমিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

    এ সময় তিনি বলেন, মেঘনায় দীর্ঘদিন পর এলাম। এর আগে এখান থেকে আমি নির্বাচন করেছি। আমি ও এমকে আনোয়ার সাহেব মিলে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেন, যেসব এসপি-ডিসি এসব কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বিগত নির্বাচনগুলোতে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং ধানের শীর্ষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

    সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এমএম মিজানুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা শিরিন, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সরকার, সাবেক যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    এআর/নিই

  • মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বছরে একবার বোরো ধানের চাষ হয়। গবাদি পশু পালনে গেরস্ত থেকে খামারি সবাইকে ধানের খড়, কুঁড়া ও ভুসির উপর নির্ভর করতে হয়। বছরে একবার বোরো ধানের চাষাবাদ হওয়ায় বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেখা দেয় খাদ্য সংকট।

    অনেক সময় খামারিরা এক এলাকায় থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে গোখাদ্য সংগ্রহ করেন। বেশি দামে কিনে আনেন ধানের খড় ও কুঁড়া। ফলে বিপাকে পড়ে অনেক খামারি গরু-ছাগল কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    হাসানাবাদ ইউনিয়নের খামারি মো. পারবেজ চোধুরী বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু ছিল। খাদ্যের সংকটের কারণে অনেকগুলো গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি। এখন খামারে মাত্র সাতটি ষাঁড় গরু আছে।

    খিলা ইউনিয়ন দাড়াচৌঁ গ্রামের গরু খামারি রফিকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি গরুর ফার্ম করব বলে নতুন ঘর নির্মাণ করেছি। কয়েকটি ষাঁড় গরুও কিনেছি। খাদ্যের সংকটের কারণে খামারটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গ্রামের মানুষ যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সাধারণত ধানের খড়, খৈল, কুঁড়া, ভুসি খাওয়ায়। আমাদের এলাকায় বছরে একবার বোরো ধানের আবাদ হয়। ফলে গরু খাবারের সংকটে পড়েন অনেকে। ফিড ও খৈলের দাম বেশি হওয়ায় খামার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানুষ বছরে একবার বন্যার কবলে পড়েন। ফলে অনেক খামারি খাদ্যের সংকটে পড়ে। উঁচু জমিতে ঘাস চাষ ও খাস জমি দেখে একটি গোচরণ ভূমি তৈরি করলে খাদ্য সংকট কমে যেতে পারে।

    এআর/নিই

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারে প্রতিটি স্টেশন এলাকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফুট ওভারব্রিজ। কিন্তু অধিকাংশ ফুট ওভারব্রিজই ফাঁকা পড়ে আছে। পথচারীরা ওই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছে দেশের লাইফ লাইন-খ্যাত ব্যস্ততম মহাসড়কটি।

    শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিতসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মহাসড়কে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করছে না। মৃত্যুঝুঁকি জেনেও মহাসড়কের মাঝ দিয়েই এক পাশ থেকে অন্য পাশে যান পথচারীরা। এতে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। কেউ বা চিরতরে হচ্ছেন পঙ্গু।

    পথচারীদের ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিচু বিভাজনের ওপর কোথাও এক থেকে দুইশ মিটারজুড়ে লোহার গ্রিল দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে যাতায়াতের পথ নিশ্চিত করে। আর অসচেতন পথচারী দিন-রাত ওই ভাঙা গ্রিল দিয়েই মহাসড়ক পারাপার হন।

    কুমিল্লা সড়ক বিভাগ বলছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৫ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায় ৫৪টি ফুট ওভারব্রিজ রয়েছে। প্রতিটি ব্রিজ নির্মাণে সরকারের কোটি কোটি খরচ হয়েছে। কিন্তু মানুষ সেসব ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে চলাচল করছে মহাসড়কে।

    হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, গত ৯ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৬৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন ২৮৪ জন। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ৫০৯ জন। রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেছে অনেকের।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাসস্টেশনে রয়েছে একটি ফুট ওভারব্রিজ। কোটি টাকা ব্যয়ে ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু এই ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে একজনকেও পারাপার হতে দেখা যায়নি। ফুট ওভারব্রিজটি মাত্র ১০০ ফুটের মধ্যে নিচু বিভাজন ও বিভাজনের কাটা অংশ থাকায় সব বয়সের নারী-পুরুষ ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন।

    চান্দিনা-বাগুর বাসস্টেশনটি জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। চান্দিনা-দেবিদ্বার, বরুড়া উপজেলার এবং বুড়িচং উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ওই স্টেশনটি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। স্টেশনে থাকা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ উভয় পাশে অন্তত ২০০ মিটার লোহার উঁচু গ্রিল স্থাপন করে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে ফেলে স্থানীয়রা। আর ওই ভাঙা অংশেই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজার হাজার পথচারী। ফলে ওই স্টেশনটিতে যানজট নিত্যসঙ্গী। এ ছাড়া মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, কুটুম্বপুর, গোবিন্দপুর, নিমসার অংশের ফুট ওভারব্রিজগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না।

    গত ১৯ নভেম্বর মহাসড়কের কুটুম্বপুর স্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও নিচ দিয়ে পারাপারের সময় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় ডাম্প ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। মাধাইয়া বাসস্ট্যান্ড ও চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অথচ পাশেই ফুট ওভারব্রিজ।

    জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে সড়ক পারাপার করা এসব মানুষের কেউ অসুস্থতার অজুহাতে, কেউ সময় বাঁচাতে, কেউ আবার অভ্যাস থেকেই দ্রুতগতির গাড়ির সামনেই সড়ক পার হতে দেখা গেছে।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, মহাসড়কে রাস্তা পারাপারে মানুষের সচেতন হতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই। পুলিশের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, আমরা সেটাকে ব্যবহার করে মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে পারাপারে উদ্বুদ্ধ করছি। কিন্তু পথ যারা ব্যবহার করেন, প্রত্যেককে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা ফুট ওভারব্রিজ তৈরি করে দিয়েছি। সড়কে চলাচলকারী সবার উচিত নিজ দায়িত্বে এটাকে ব্যবহার করা। মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে সচেতন করতে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মহাসড়কের মাঝখানে লোহার রড দিয়ে ঘেরাও করে দিই, মানুষ সেসব রড ভেঙে রাস্তার মাঝ দিয়ে চলাচল করে। আমরা আমাদের পক্ষে যেটা করণীয় সেটা করে যাচ্ছি, মানুষকে সচেতন হতে হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    এআর/এনই

  • মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কুমিল্লা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে। আর সে লক্ষ্যে আমাদের প্রতি মানুষের যে আস্থা, যে ভালোবাসা তা চোখে পড়ার মতো।

    গত রোববার বিকেলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা সমাজকে মাদকমুক্ত সমাজে পরিণত করতে চাই। মানুষ মনে করছেন সমাজ থেকে যদি মাদক নির্মূল করতে হয় তাহলে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প কেউ নেই। আগামী দিনে নৈতিক শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালাতে হলে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার বিকল্প নেই।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে আসছে জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনে ২০০ আসনের বেশি পেয়ে ক্ষমতায় আসবে। আজকে পথে প্রান্তরে যেখানেই আমরা যাই সেখানেই মানুষ দল বেঁধে ছুটে আসেন। যে জায়গাগুলোতে আমরা চিন্তাও করতাম না, সেসব জায়গাগুলোতে আজকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসছেন। আমাদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    ছাত্রশিবিরের সাবেক এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যেভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাদের স্বাগত জানাচ্ছেন, তা আমাদের অনেক বড় প্রাপ্তি। তারা মনে করছেন আগামী দিনে সমাজকে পরিবর্তন করতে গেলে দাঁড়িপাল্লার কোন বিকল্প নেই। মানুষের এই যে আবেগ-অনুভূতি তাতে মনে হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী এখন কোনো একক সংগঠন নয়, পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখা মানুষের সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

    মোবারক বলেন, আজকে এই দেশের ইতিহাসে ইসলামী দলগুলো একই জায়গায়, একই বাক্সে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশে একটি নজির স্থাপন হয়েছে। বিভিন্ন লক্ষণ ও বিভিন্ন অবস্থান থেকে মানুষ এখন ধরে নিয়েছে ইসলামের নব সূর্যোদয় হয়ে গেছে।

    নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাঈন উদ্দিন সাঈদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের নির্বাচনী পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর সরকার, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মিজানুর রহমান আতিকী।

    এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল আলম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আনিছুর রহমানসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এআর/নিই
  • ক্লান্ত হয়ে আকাশ থেকে পড়ল হিমালয়ান শকুন

    ক্লান্ত হয়ে আকাশ থেকে পড়ল হিমালয়ান শকুন

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি পরিযায়ী হিমালয়ান শকুনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর কাঞ্চনা এলাকা থেকে পাখিটি উদ্ধার করা হয়।

    পাখিটির ডান পায়ের থাবার অংশ নেই এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় দীর্ঘ উড়ানের ক্লান্তিতে নিচে পড়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে উত্তর কাঞ্চনা এলাকার একটি মাদ্রাসার সামনে শকুনটি হঠাৎ আকাশ থেকে নিচে পড়ে যায়। পরে মাদ্রাসার ছাত্ররা বন বিভাগকে খবর দিলে কর্মকর্তারা রাতে গিয়ে শকুনটিকে উদ্ধার করে।

    বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিকূল পরিবেশ ও খাদ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশে শকুন বিলুপ্তপ্রায়। উদ্ধার হওয়া শকুনটি পরিযায়ী প্রজাতির ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ নামে পরিচিত। এটি শীত এলে ভারত, নেপাল, ভুটান ও তিব্বতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে দক্ষিণে নেমে আসে। দীর্ঘ পরিযায়নের ক্লান্তিতে শীতকালে এ প্রজাতির শকুন প্রায়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্বল অবস্থায় আটকা পড়ে।

    আইইউসিএনের শকুন সংরক্ষণ প্রকল্পের গবেষক সীমান্ত দীপু জানান, প্রতি বছর শীতকালে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন বাংলাদেশে আসে এবং উড়তে না পেরে অনেক সময় আটকা পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত বন বিভাগ বা আইইউসিএনকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    মাদার্শা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসেন বলেন, প্রায় সাত কেজি ওজনের উদ্ধার হওয়া শকুনটির ডান পা ছিল না। দীর্ঘ পথ উড়ার পর খাবার না পেয়ে শকুনটি ক্লান্ত হয়ে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। আমরা শকুনটিকে খাবার দিয়েছি, এখন মোটামুটি সুস্থ। তবে উড়তে পারার মতো শক্তি নেই। শকুনটিকে কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বন্য প্রাণী হাসপাতালে পাঠানো হ

    য়েছে। সেখানেই পরিচর্যার পর পাখিটিকে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

    উদ্ধার হওয়া হিমালয়ান গ্রিফন শকুন প্রজাতিটির আইইউসিএনের লাল তালিকায় রাখা হয়েছে ‘প্রায়-বিপদগ্রস্ত’ ক্যাটাগরিতে। এর মানে হলো, এই প্রাণীর প্রজাতি অদূর ভবিষ্যতে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

  • কর্ণফুলীতে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    কর্ণফুলীতে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে অস্ত্র ও কার্তুজসহ রাশেদ নুর প্রকাশ রাশু (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর চারটার দিকে বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত যুবক একই এলাকার রাজ্জাক নুর প্রকাশ রজ্জক নুরের ছেলে। এসময় তার কাছ থেকে দেশীয় তৈরি ১টি এলজি এবং ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ।
    বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে থানায়। পুলিশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে’।