ক্যাটাগরি সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮

    দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮

    ডেস্ক নিউজ :

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে, নগর পুলিশের মুখপাত্র সঞ্জয় ত্যাগী।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের ভিডিওতে ফুটেজে, দিল্লির একটি মেট্রো স্টেশনের কাছে যানজটপূর্ণ রাস্তায় একাধিক গাড়ি থেকে আগুন এবং ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।

    লাল কেল্লার কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি এবং তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সঞ্জয় ত্যাগী ।

    দিল্লির ডেপুটি ফায়ার চিফ জানিয়েছেন, কমপক্ষে ছয়টি গাড়ি এবং তিনটি অটোরিকশায় আগুন লেগেছে, তিনি আরো জানিয়েছেন, দমকল বাহিনীর সদস্যরা আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছেন।

    স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিষ্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ১১ জন আহত হয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাসিন্দা এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, আমরা একটি বড় শব্দ শুনেছি, আমাদের জানালা কেঁপে উঠেছে।

    এদিকে, বিস্ফোরণের পর দিল্লিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
    বি/ এ

  • চৌগাছায় রহস্যজনক আগুনে কৃষকের ৫ গরুর মৃত্যু

    চৌগাছায় রহস্যজনক আগুনে কৃষকের ৫ গরুর মৃত্যু

    চৌগাছা( যশোর) প্রতিনিধি:

    যশোরের চৌগাছায় কোহিনুর মল্লিক নামে এক কৃষকের ৫ টি গরু আগুনে পুড়ে মারা গেছে। তিনি উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে। কোহিনুর মল্লিক জানান রবিবার (৯-১১-২৫) গভীর রাতে গরুর ডাক চিৎকারে ঘুম ভেঙে গেলে দেখি আমার গোয়াল ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এ সময় প্রতিবেশীরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।গোয়াল ঘরে ৪ টি গাভী ৪ টি ষাঁড় ও দুটি বাছুর গরু ছিল। ১০ টি গরুই আগুনে দগ্ধ হয়ে যায়।তার মধ্যে ৫ টি গরু গোয়াল ঘরের মধ্যে মারা যায়। বাকি ৫ টি গরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। কোহিনুর মল্লিক এবং প্রত‍্যক্ষদর্শীরা বলেন, গোয়াল ঘরে আগুন লাগার কোন ক্লু খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা বলেন, কেউ শত্রুতাবশত আগুন দিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ ব হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ মর্মান্তিক ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের খুঁজে বের করতে জোর তৎপরতা চালানো হবে
    বি/এ

  • ক্ষেতলালে শীতের সবজি মিলছে বাড়তি দামে

    বিডিনিউজ ডেক্স :

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম শীতকালীন শাকসবজি। শীতের সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকলেও এর প্রভাবে অন্যান্য সবজির দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে শীতকাল, দুই এক সপ্তাহ পর কমে যাবে সবজির দাম। সোমবার (২৭ অক্টোবর) পৌর এলাকায় বটতলী হাটে ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো সবজির দাম আরও বেশি।বিক্রেতারা বলছেন, মোটামুটি দুই মাসের বেশি সময় ধরে চড়া দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। শীতের সবজির সরবরাহ শুরু হলে দাম কমতে পারে।আজকের বাজারে দাম বেশি থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকা, গাজর ও শিম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা

    এ ছাড়া করলার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা ও বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, ঝিঙে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৫০ টাকা ও লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর পেঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। এ ছাড়া, প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, ফুলকপি কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০টাকা, বাঁধাকপি প্রতি পিস (ছোট) ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচু প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ২০ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ২০ থেকে ২৫ টাকা ও আলু প্রকারভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

    বাজারে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা ও প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এদিকে, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে নেই ইলিশ মাছ। তবে চাষের রুই ও কাতলার দাম স্থিতিশীল থাকলেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে টেংরা, পাবদাসহ অন্যান্য মাছ। মুরগির বাজার আগের মতো আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়া লাল লেয়ার কেজি প্রতি ৩২০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়। গরু ও খাসির মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০-৭০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার  একশত টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা যায়।বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন,সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় মাসের খরচ কঠিন হয়ে পড়েছে। আর বিক্রেতারা বলছেন, কমতে পারে আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা দাম।

  • বিএনপি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে সরে গেছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

    বিএনপি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে সরে গেছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ডেস্ক নিউজ :

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন,বিএনপি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে সরে গেছে। ৫ আগস্ট পরর্বতী সময়ে দলটি নিজেদের আদর্শ থেকে সরে গেছে। যারা বিএনপির এ পরিবেশে থাকতে অস্বস্তিবোধ করছেন আমরা আপনাদেরকে ওয়েলকাম জানাচ্ছি। আমরা আপনাদের নমিনেশন দেব। আমরা কুমিল্লার ১১টি আসনে সৎ যোগ্য প্রার্থী দেব। আমরা প্রথম ধাপের প্রার্থী নভেম্বরের ৩য় সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করব। আমরা এ প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে এনসিপির সাংগঠনিক নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করব।

    তিনি আরও বলেন, আমরা একটি প্রতিনিধিত্ব মূলক, ভারতীয় আধিপত্য বিরোধী এবং ফ্যাসিবাদ মুক্ত সংসদ চাচ্ছি। যে সংসদ হবে বাংলাদেশপন্থি সংসদ।

    রোববার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে এনসিপির কুমিল্লা মহনগর, কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিণ জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা চাই আগামী সংসদ নির্বাচনে যারা বাংলাদেশপন্থি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে যারা বিশ্বাস করে, যারা ভারতীয় আধিপত্য বিরোধীতায় বিশ্বাস করে, যারা এই গণঅভ্যুত্থান বিশ্বাস করে, সংস্কারে বিশ্বাস করে এবং যারা এই বাংলাদেশে যে জনআকাঙ্খার কারণে এ বিপ্লব হয়েছে, সেটিতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে নিয়ে আগামীর সংসদ গঠিত হোক।

    ব্যারিস্টার মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, জয়নাল আবেদীন শিশির। কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক নাভিদ নওরোজ শাহ, কেন্দ্রীয় সদস্য হাফসা জাহান, সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ কুমিল্লা মহানগর এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
    বি/এ

  • আজ কলি হয়ে আছি, একদিন ফুটবই: নাহিদ ইসলাম

    আজ কলি হয়ে আছি, একদিন ফুটবই: নাহিদ ইসলাম

    ডেস্ক নিউজ :

    আমরা আজ কলি হয়ে আছি। ইনশাল্লাহ, যদি আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকেন, আমরা একদিন ফুটবই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    রোববার (৯ নভেম্বর) রাতে এনসিপির পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য এনসিপি অনেক লড়াই করে একটা সুন্দর প্রতীক জয় করে নিয়ে এসেছে, সেটি হচ্ছে শাপলাকলি। এটি আমাদের আপামর গ্রাম বাংলার প্রতিচ্ছবি, আমাদের নদীময় সভ্যতার প্রতীক শাপলাকলি শুভ্রতার প্রতীক।

    তিনি বলেন, আপনি হয়ত কখনো ভাবেননি যে, রাজনীতিতে আসবেন। রাজনীতি আপনার কাছে হয়ত একটা ভয়ের বিষয় ছিল। হয়ত অনেক দূরের একটা বিষয়। আপনি মনে করেন যে, রাজনীতি টাকাওয়ালাদের বিষয়। যাদের অনেক লোকবল আছে, রাজনীতি তাদের জন্য। কিন্তু এই রাজনীতি আপনার জীবন ধারা পরিবর্তন করে দেয়, কীভাবে তা পরিচালিত হবে? সরকার কীভাবে পরিচালিত হবে? একটা রাষ্ট্র কোন দিকে এগোবে। ফলে রাজনীতিকে যে ঘৃণা করা, রাজনীতি থেকে দূরে থাকা, এই জায়গা থেকে আমরা এবার সরে আসতে চাচ্ছি।

    এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, আমরা দেখেছি গণ-অভ্যুত্থানে রাজনীতিবিদরা এসে কিন্তু লড়াইটা করেনি। রাজনীতিবিদদের সঙ্গেও সাধারণ মানুষেরা এসেছেন। ফলে আপনার কাছে যদি দেশ বদলের অঙ্গীকার থাকে সেই ধরনের পরিকল্পনা থাকে আপনি এবার আসুন। রাজনীতিকে জয় করুন। রাজনীতিকে নিজের করে নিন। রাজনীতিকে আমরা আর চাই না। যে রাজনীতি কেবল সেই টাকাওয়ালা লুটেরা ব্যবসায়ীদের কাছে থাকবে না, চাঁদাবাজদের হাতে থাকবে না, রাজনীতি হবে সাধারণ মানুষের, সাধারণ জনগণের।

    তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোট নিয়ে জনপ্রতিনিধিরা সংসদ ভবনে আসে। আমরা এই সংসদ ভবনকে দখলমুক্ত করেছিলাম ৫ আগস্টে। যেই সংসদ ভবন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। জনগণের প্রতিনিধিরা এখানে ছিল না। এই সংসদ ভবনকে ব্যবহার করে আমাদের সংবিধানকে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। আমাদের রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। এই সবকিছু থেকে মুক্ত করতেই কিন্তু আমরা ৫ আগস্ট সংসদ ভবনে এসেছিলাম। সামনেই নির্বাচন হবে। আমরা ৫ আগস্টের পরে পুরা সময়টা ধরে নানা কমিশন ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছি।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের কোথায় কী সমস্যা সেই সমস্যাগুলোকে আইডেন্টিফাই করা হয়েছে। একটা ঐকমত্যের জায়গায় এসেছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করবে এই সংসদের উপরে। এই সংসদ একটি সংস্কার পরিষদ সভা হবে। যেখানে আমরা যে পরিবর্তনের কথাগুলো বলেছি সেই পরিবর্তন গুলা বাস্তবায়িত হবে। ফলে এবারের সংসদ বাংলাদেশের ইতিহাসের যে কোনো সংসদের থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
    বি/এ

  • বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০) নামে এক ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন।

    রোববার বিকালে গৌরীপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবিদ ময়মনসিংহ নগরীর কৃষ্টপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি জেলা উত্তর ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন। তার বাবা দক্ষিণ জেলা উলামা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
    বিজ্ঞাপন

    জানা যায়, সন্ধ্যায় গৌরীপুর সরকারি কলেজ হোস্টেল মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশের আয়োজন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেন।

    ইকবাল হোসেনের সমর্থকদের অভিযোগ, সমাবেশ শেষে শহরে ফেরার পথে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থী আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলকর্মী আবিদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সিএনজিযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পর রাতে ইঞ্জিনিয়ার ইকবালের পক্ষে গৌরীপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম তালুকদার, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল হক প্রমুখ।

    তাদের দাবি, মনোনয়নবঞ্চিত হিরণপন্থিরা পরিকল্পিতভাবে ইকবাল সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হিরণ সমর্থকদের ধাওয়ায় মাটিতে পড়ে আবিদ গুরুতর আহত হন।

    এদিন বিকালে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার ইকবালপন্থিরা গৌরীপুর সরকারি কলেজের হোস্টেল মাঠে এবং আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণপন্থিরা শহরের মধ্যবাজার ধানমহাল এলাকায় আলাদা সমাবেশের আয়োজন করে। বিকাল ৪টা থেকে দুপক্ষের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন, যার পরই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

    গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় আবিদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    বিএ

  • ১১ নভেম্বর পল্টনে ৮ দলের যৌথ সমাবেশ

    ১১ নভেম্বর পল্টনে ৮ দলের যৌথ সমাবেশ

    ডেস্ক নিউজ:

    জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে তার ভিত্তিতে গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীতে জনসভা করবে জামায়াতে ইসলামীসহ আট দল। আগামীকাল দুপুর ২টায় পল্টন মোড়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

    এর আগে, পাঁচ দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেয় আন্দোলনরত আট দল। তখন, দাবি না মানলে ১১ নভেম্বর ঢাকায় সমাবেশেরও ঘোষণা দেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। সে অনুযায়ী, আগামীকাল সমাবেশ করবে দলগুলো।

    সূত্র জানায়, ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে জনসভায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন বক্তব্য দেবেন।

    জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের প্রস্তুতি সভা

    আট দলের জনসভা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকাল রোববার প্রস্তুতি বৈঠক করেছে জামায়াতে ইসলামী। বৈঠকে জনসভা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি তা সফল করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয় বলে জানা যায়।

    দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আবদুর রহমান মুসা, মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আবদুস সবুর ফকির ও অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

    এদিকে, আগামীকালের জনসভাকে সামনে রেখে গতকাল বিকালে পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সভায় দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র মেরামতের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।
    তিনি আরো বলেন, গত ৬ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, আমাদের দাবির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রধান উপদেষ্টা কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন। কিন্তু আমাদের হতাশ হতে হয়েছে। তাই আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি মাঠে প্রতিফলিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
    বি/এ

  • পেঁয়াজের কেজিতে কমলো ২০ টাকা

    পেঁয়াজের কেজিতে কমলো ২০ টাকা

    ডেস্ক নিউজ:

    বাজারে সিন্ডিকেট চক্র কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর পর গতকাল কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আগের কয়েকদিন এলাকাভেদে সর্বোচ্চ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দাম কমেছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের কয়েকদিন বাজার ঊর্ধ্বমুখি থাকার পর ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির গুজব ছড়ানোর পর শনিবার থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

    রোববার বিকালে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে এমন খবরে দাম পড়ে গেছে। বেশ কয়েকদিন ঊর্ধ্বমুখি থাকার পর রোববার আড়ত থেকেই কমে কিনেছি; তাই আমরাও ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি করছি। গতকাল কারওয়ানবাজারে ১০০ থেকে ১১০টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে স্থনীয় বাজারে দাম কমার প্রভাব এখনো পড়তে দেখা যায়নি। দু-এক দিনের মধ্যে দাম আরো কমতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা। শান্তিনগর, নয়াবাজার, হাতিরপুল ও পলাশীসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারেও আগের কয়েকদিনের তুলনায় গতকাল কমে বেচাকেনার খবর পারওয়া গেছে।

    এদিকে রোববার বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না কমলে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কোনো সংকট নেই-যথেষ্ট মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। ফলে আগামী চার পাঁচ দিনের মধ্যে বাজার স্বাভাবিক না হলে আমরা আমদানির অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেব।

    তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ২ হাজার ৮০০ টি আবেদন পড়েছে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে বাজারের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে না আসলে আমদানি অনুমোদন ইস্যু করা হবে।

    এ সময় হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, একাধিক কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। মৌসুমের শেষ, হঠাৎ করে ভারী বৃষ্টি, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সময় শুকিয়ে যাওয়ার পরে ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ। হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, আমরা বাজারের নজর রাখছি। দেশে যথেষ্ট পেঁয়াজের মজুত রয়েছে।

    পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি মজুতদার বা সিন্ডিকেটের কারণে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আমার কাছে মজুমদারি বা সিন্ডিকেটের খবর নেই। সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। আশা করি দ্রুত সংকট কেটে যাবে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য পেঁয়াজ মজুত করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে।

    পেঁয়াজ আমদানির জন্য যত আবেদন পড়েছে, তার ১০ শতাংশ যদি অনুমোদন দেওয়া হয় তাহলে বাজারে পেঁয়াজে সয়লাব হয়ে যাবে। কৃষক ক্ষতির মুখে পড়বেন। এজন্য আমরা সামগ্রিক বিবেচনায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

    এ প্রসঙ্গে রোববার রাতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (মনিটরিং ও বাস্তবায়ন) ড. মোঃ জামাল উদ্দীন বলেন, এ মুহূর্তে দেশে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। এখনো কৃষকের হাতে ৩ লাখ মেট্রিকটন পেঁয়াজ রয়েছে। বাজারেও সরবরাহও স্বাভাবিক। কিন্তু অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে আমদানির পায়তারা করছে। এরই মধ্যে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে, ২/৩দিনের মধ্যে আরো কমে আসবে।

    ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে ড. জামাল বলেন, তারা আমদানিকারকদের দ্বারা মোটিভেটেড হয়ে এ ধরনের সুপারিশ করে থাকতে পারে। বাস্তবে দেশে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। পেঁয়াজ আমদানির আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) না দেওয়ায় তারা কৃষি সচিবের বিরুদ্ধে রিট করেও আদালত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পায়নি। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আইপি নেয়র চেষ্টা করা হচ্ছে।

    এদিকে বাজারে হঠাৎ পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর পেঁয়াজ আমদানির জন্য সরকারকে সুপারিশ করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)। ট্যারিফ কমিশন বলছে, কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ওঠায় দ্রুত আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। পেঁয়াজ আমদানির এ সুপারিশ গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্যসচিব ও কৃষিসচিবের কাছে সংস্থাটি পাঠানোর পর রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পেঁয়াজের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ।

    এ প্রসঙ্গে রোববার কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘বাজারের কারসাজি বন্ধ না করে এ মুহূর্তে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। দেশে ভালো উৎপাদন হলেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আমদানির পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

  • মেহেরপুরে পদ্ম ফুল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের তিনজনসহ চার শিশুর মৃত্যু

    মেহেরপুরে পদ্ম ফুল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের তিনজনসহ চার শিশুর মৃত্যু

    মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের মশুরিভাজা বিলে পদ্মফুল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৩ জনসহ চার ছাত্রীর মমান্তির্ক মৃত্যু হয়েছে।

    রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা প্রথমে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। একজন নিখোঁজ থাকায় পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম গিয়ে অপরজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলো, আব্দুস সামাদের মেয়ে ফাতেমা (১৪) ও আফিয়া (১০)। এদের মধ্যে ফাতেমা মোমিনপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী এবং আফিয়া বারাদি তৃণমূল মডেল একাডেমির চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী। ইরাক প্রবাসী সাহারুল ইসলামের মেয়ে ও বারাদি তৃণমূল মডেল একাডেমির চুতর্থ শ্রেণীর ছাত্রী আলেয়া (১০), ইসাহাক আলীর মেয়ের আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী মিম (১৪)। নিহত সকলের বাড়ি রাজনগর গ্রামের মল্লিকপাড়ায়।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে চারজনই একসঙ্গে মশুরিভাজা বিলে পদ্মফুল তুলতে মশুরিভাজা বিলে যায়। দীর্ঘক্ষণ তারা ফিরে না আসায় বিকালের দিকে পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। বিলপাড়ে তাদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে যে একজনের লাশ পানিতে ভাসছে। তারপর খোঁজাখুঁজির পর আরও দুটি মরদেহ দেখতে পায়। একজনের খোঁজ না পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম সেখানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করে। মমান্তিক এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ শোকে ভারী হয়ে উঠেছে।

    মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের টিম লিডার শামিম হোসেন জানান, পদ্মফুল তুলতে গিয়ে চারজন বিলে ডুবে যায়। স্থানীয়রা ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। একজনকে খুঁজে না পেলে আমাদের খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে পৌছে বিলের একটি গর্তের মধ্যে থেকে বাকি জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    বারাদি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই রেজাউল ইসলাম বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে চারজন মশুরিভাজা বিলে পদ্মফুল তুলতে যায়। ফুল তুলতে গিয়ে তারা একটি গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্ সুমাইয়া জাহান ঝুকার্সহ প্রশাসের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত পরিবারের খোজ খবর নিয়েছেন।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতদের দাফনের জন্য মরদেহ প্রতি ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

    মেহেরপুর সদর থানার ওসি মেছবাহ উদ্দিন বলেন, নিহত চারজনের কেউ সাঁতার জানতো না। বিলে একেক যায়গায় একেক রকম গভিরতা। যেকারণে তারা বুঝতে না পেরে বিলে তলিয়ে গেছে। পরে তাদের খোঁজাখুজি করার পর স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিস তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

  • জুলাই সনদ নিয়ে সময়সীমা শেষ; এখন কি করবে সরকার

    জুলাই সনদ নিয়ে সময়সীমা শেষ; এখন কি করবে সরকার

    ডেস্ক নিউজ

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকারের দেওয়া এক সপ্তাহের সময়সীমা আজই শেষ হচ্ছে। কিন্তু দলগুলো এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সমঝোতায় আসতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামী বলছে, তারা বিএনপিকে আলোচনার আহ্বান জানালেও দলটি তাতে সাড়া দেয়নি। আর বিএনপি বলছে, আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।

    এদিকে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সমঝোতার জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উদ্যোগ নিয়েছিল; কিন্তু তা সফল হয়নি। এ কারণে জামায়াত ও এনসিপিও চায় সরকার উদ্যোগ নিক। ফলে সব মিলিয়ে সংকট নিরসনের এই বল এখন সরকারের কোর্টে। তাই গণভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অবশ্য সরকার বলছে, দলগুলো সিদ্ধান্তে আসতে না পারলে দ্রুতই সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

    সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে এখন দুটি অপশন। প্রথমত, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবার কথা বলতে পারে। দ্বিতীয়ত, কোনো আলোচনা ছাড়াই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে।

    এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সরকারের দেওয়া সময়সীমা রোববার শেষ হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কোনো সিদ্ধান্ত আসতে না পারলে দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। সেই সিদ্ধান্ত কবে নাগাদ আসতে পারে-এ প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, সময় শেষ হওয়ার পর নিশ্চয়ই উপদেষ্টারা নিজেদের মধ্যে আলোচনার জন্য আবারও বসবেন। এরপর দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এখনো আশাবাদী। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো দেশের অনেক বড় সমস্যার সমাধান করেছে। ফলে তারা একটি সিদ্ধান্তে আসবেন। যেহেতু এখনো সময় শেষ হয়নি, তাই সরকারের পক্ষ থেকে আগাম কোনো কিছু বলা ঠিক হবে না। আমরা শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তার মতে, রাজনীতিতে একদিন অনেক বেশি সময়। একদিনের মধ্যে অনেক কিছু পরিবর্তন হতে পারে। এছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলো যদি বলে, তাদের আরও দু-একদিন সময় লাগবে, তবে সরকার তা বিবেচনা করবে। তিনি আরও বলেন, দলগুলোর মধ্যে দ্বিমত থাকবেই। এরপরও আমাদের ঐকমত্যে পৌঁছে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এটা দ্রুতই হবে। কারণ, নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা থাকুক, সরকার তা চায় না। শফিকুল আলম বলেন, জুলাই সনদে সব বিষয় উঠে এসেছে। সেখানে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সুচিন্তিত মতামত দিয়েছে। মোট চার হাজার পাতার অডিও-ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছে। এই আলোচনা নির্বাচনের পরও আবার শুরু হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত ২৫টি রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। এরপর ২৮ অক্টোবর সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এতে বলা হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার একটি আদেশ জারি করবে। কিন্তু আদেশ জারির আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতার আহ্বান করা হয়। বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, দীর্ঘদিন আলোচনার পরও গণভোটের সময় এবং বিষয়বস্তু কী হবে-এসব প্রশ্নে দলগুলোর মধ্যে মতভেদ রয়েছে। এটি উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় এ ব্যাপারে জরুরি ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ে সিদ্ধান্তে আসতে হবে। সম্ভব হলে এক সপ্তাহের মধ্যে।

    সরকার ডাকলে সাড়া দেবে বিএনপি : সরকারের আহ্বানের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বৃহস্পতিবার ফোন করে আলোচনার জন্য আহ্বান জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বিএনপি মহাসচিব ওইসময়ে দলের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে আলোচনা করে জানানোর কথা বলেন। পরদিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নেতারা অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, জামায়াত তো সরকার না। ফলে রাষ্ট্রীয় কোনো বিষয়ে তারা আমাদের ডাকতে পারে না। ব্যক্তিগত বা দুই দলের কোনো দাওয়াতে ডাকতে পারে। সুতরাং এ ইস্যুতে জামায়াতের আহ্বান ‘সঠিক পন্থা’ নয়। তাই জামায়াতের আহ্বানে বিএনপি সাড়া দেবে না। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ আলোচনার পর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সনদ সই হয়েছে। ফলে ভিন্নমতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। কিন্তু সেই ঐকমত্য ভেঙে নতুন ইস্যু তোলা হয়েছে। এর মানে হলো সেই ঐক্যের প্রতি অসম্মান। তিনি বলেন, ‘কিছু রাজনৈতিক দল জোর করে নিজেদের দাবি সবার ওপর চাপিয়ে দিতে চায়। শেখ হাসিনার শাসনে আমাদের মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব চলে আসছে। তাই আমি মনে করি, যতটুকু ঐকমত্য হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হবে। যেগুলোয় ঐকমত্য হয়নি, তা নিয়ে যেতে হবে জনগণের কাছে। ঐকমত্যের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’ সূত্র বলছে, বিএনপির নীতিনির্ধারকদের অভিমত, সরকার এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশন মিলে সমস্যার সৃষ্টি করেছে। কারণ, সনদ বাস্তবায়নে কমিশনের সুপারিশের সঙ্গে দলগুলোর ঐকমত্যে স্বাক্ষরিত সনদের মিল নেই।

    জামায়াত যা বলছে : জামায়াতে ইসলামী মনে করছে, আলোচনা বা সমঝোতার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। এ ব্যাপারে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি তাদের জায়গায় অটল। আমরাও আমাদের দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছি। ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দিয়েছি। ১১ নভেম্বর জামায়াতসহ ৮ দলের বড় কর্মসূচি রয়েছে। তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের আহ্বানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা বিএনপিকে আলোচনায় বসার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে আলোচনার উদ্যোগ এখন সরকারকেই নিতে হবে। না হলে সমস্যার সমাধান হবে না।

    এনসিপি : বিদ্যমান সংকট উত্তরণে রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছিল এনসিপিসহ ৯টি দল। এজন্য বুধবার দলগুলো জরুরি বৈঠকে বসে। কিন্তু সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। নেতারা জানান, জুলাই সনদ নিয়ে যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করতে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আলোচনা জরুরি। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের পর বিভাজনের রাজনীতি তৈরি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হয় কিনা, সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এখন সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

    সরকারের ভাবনা : সরকারি সূত্র বলছে, ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ বিশ্লেষণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে প্রাথমিক একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে সরকার। সেক্ষেত্রে দলগুলোর দাবির মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে হবে। এই গণভোটে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলোর ওপর বিভিন্ন দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখ থাকবে না। তবে ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে সনদ বাস্তবায়নে ২৭০ দিনের বাধ্যবাধকতার যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেটিও তুলে দেওয়া হবে। এছাড়াও পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে গঠিত হবে সংসদের উচ্চকক্ষ। অর্থাৎ জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত উভয় পক্ষের যে দাবি রয়েছে, সেসব দাবি মানার ক্ষেত্রে সরকার ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে।

    বিশ্লেষকদের অভিমত : জানতে চাইলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমেদ শনিবার যুগান্তরকে বলেন, নাগরিক হিসাবে আমরা আশা করেছিলাম, পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল আচরণ করবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মতভিন্নতা, মতভেদ কিংবা দলীয় বিবেচনার বাইরে এসে প্রাধান্য দেবে দেশ ও মানুষের স্বার্থকে। অন্তর্বর্তী সরকারও নিরপেক্ষভাবে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু তেমন লক্ষণ আমরা দেখছি না। এ অবস্থায় আমাদের প্রত্যাশা সরকার আরও দায়িত্বশীল আচরণ করবে।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ড. একেএম শাহনওয়াজ বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিটাই এমন যে, এখানে সবাই একমত হবেন-এমন আশা করা এককথায় বোকামি। তবে কাছাকাছি আসবে-এমন প্রত্যাশা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রায় ১৫ মাস পার হয়েছে। কিন্তু সরকার জুলাই সনদসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কোনো ধরনের সমঝোতায় আসতে পারেনি। রাজনৈতিক দলগুলোকেও সমঝোতায় আনতে পারেনি। এটা তাদের বড় ব্যর্থতা। এখনো সরকার যদি নিজের মতো করে জোড়াতালি দিয়ে কিছু রাজনৈতিক দলের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, তা হবে আত্মঘাতী।

    দুই দল মুখোমুখি : সরকারের আহ্বানের পর সমঝোতা দূরের কথা, উলটো বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে প্রকাশ্যে বিরোধ বাড়ছে। দল দুটি এখন মুখোমুখি। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দুই দলই গণভোটের পক্ষে। কিন্তু বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট চায়। এছাড়াও সনদের যে বিষয়ে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, সেগুলো গণভোটের প্রস্তাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এ অবস্থায় সনদ বাস্তবায়নের আলোচনা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতে সোমবার ২৩৭টি আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। অন্যদিকে জামায়াত চায় জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট। আর গণভোটের প্রস্তাবে কোনো দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকতে পারবে না। এই দাবি বাস্তবায়নে শুক্রবার পর্যন্ত সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছিল জামায়াতের নেতৃত্বে ৮টি ইসলামি দল। বৃহস্পতিবার তারা প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১১ নভেম্বর ঢাকায় জনস্রোত নামবে।
    বি/এ