ক্যাটাগরি বান্দরবান

Bandarban district

  • চকরিয়ায় খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে বন্য হাতি, পাকা ধান নিয়ে চিন্তায় কৃষক

    চকরিয়ায় খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে বন্য হাতি, পাকা ধান নিয়ে চিন্তায় কৃষক

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাকা ধান রক্ষায় রাত জেগে পাহারা দেন। পাহারা দিতে গিয়ে অনেক সময় বন্য হাতির আক্রমণে অনেক জায়গায় কৃষকদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। গত এক সপ্তাহ ধরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকায় খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় থেকে নেমে আসছে বন্য হাতি। এরা কখনো দলবেঁধে আবার কখনো দলছুট হয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এতে এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাকা ধান নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

    শনিবার (২ মে) বিকেল ৪টার দিকে দলছুট হয়ে ডুলহাজারা পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার লোকালয়ে ঢুকে পড়ে একটি বন্য হাতি। তবে ধানের কোনো ধরনের ক্ষতি করার আগেই হাতিটিকে তাড়াতে সক্ষম হয় এলাকাবাসী।

    স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর বোরো ধান কাটার মৌসুমে চকরিয়া উপজেলার পাহাড়িয়া, সুরাজপুর, মানিকপুর, ডুলাহাজারা, ফাঁসিয়াখালী, বরইতলী ও হারবাং ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় থেকে বন্য হাতি নেমে আসে। হাতিগুলো পাকা ধান পায়ে পিষ্ট করে ও খেয়ে নষ্ট করে। এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাকা ধান রক্ষায় রাত জেগে পাহারা দেন। পাহারা দিতে গিয়ে অনেক সময় বন্য হাতির আক্রমণে অনেক জায়গায় কৃষকদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

    আবার কৃষকরাও বন্য হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে ফসলি জমির চারদিকে কাঁটাতারে ঘেরা, বিদ্যুতায়িত করে রাখাসহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে অনেক বন্য হাতিরও মৃত্যু হয়। আবার সেই বিদ্যুতায়িত তারে আটকা পড়ে অনেক কৃষকের মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে।

    পার্শ্ববর্তী বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা ও আলীকদম উপজেলায় এক শ্রেণির অবৈধ ব্যবসায়ী বনের গাছপালা কেটে ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছেন। তারা বনবিভাগের কর্মীদের সহায়তায় অবাধে বন ধ্বংস করছেন। ফলে বন্য হাতির আবাসস্থল নষ্ট হচ্ছে। আর এ কারণেই বন্য হাতি বসবাসের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় ও খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে বলে জানান অভিজ্ঞ মহল।

    ডুলাহাজারার স্থানীয় সংবাদকর্মী মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, ডুলাহাজারার পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার লোকালয়ে আজ (শনিবার) বিকেল ৪টার দিকে দলছুট একটি বন্য হাতি ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন কৌশলে হাতিটিকে তাড়াতে সক্ষম হয়। এ সময় হাতিটি এলাকায় তেমন ক্ষয়-ক্ষতি করেনি।

    এ,আর

  • বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের প্রায় ৯৫ শতাংশ হোটেলের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ১৬-২৫ ডিসেম্বর জেলায় ব্যাপক পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা সদরের হোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

    পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা ভিড় জমান পাহাড়কন্যা খ্যাত এ অপরূপা বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন ও শীত মৌসুমে তা বাড়ে কয়েকগুণ। অদ্ভুত কারণে গত কয়েক বছর জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটক সমাগম কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে কোনো প্রকার বিধিনিষেধ না থাকায় জেলায় পর্যটকের সমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভ্রমণে এসে আবাসন নিশ্চিত করতে ১৬-২৫ ডিসেম্বরের জন্য ৯৫ শতাংশ আগাম হোটেল বুকড করে নিয়েছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ম্যানেজার আক্কাছ উদ্দিন বলেন, ‘হোটেলে ৪৫টি কক্ষ রয়েছে। এরমধ্যে আগামী ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্ষগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল হিল্টনের ম্যানেজার তপন বড়ুয়া বলেন, ‘তাদের হোটেলেও ওই দিনগুলোতে প্রায় ৮০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে।’হিলভিউ হোটেলের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘বর্তমানেও তাদের হোটেলের ৪০ শতাংশ কক্ষে পর্যটক রয়েছে। তবে ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল গার্ডেন সিটির মালিক মো. জাফর বলেন, চলতি মাসজুড়ে তাদের হোটেলে ভাল পর্যটকের সাড়া পেয়েছিলেন। মাসের আগামী দিনগুলোতেও গড়ে ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।বান্দরবান হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি ডিসেম্বরে পর্যটন খাত নতুন করে গতি পেয়েছে। তিনি আশা করছেন, আগাম বুকিংয়ের এ প্রবণতা স্থানীয় পর্যটন ও আবাসন খাতের পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাই জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে

    লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাই জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে

    ডেস্ক নিউজঃ
    লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাওয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দুঃসময়ের জাবেদ রেজা। দলের দুঃসময়ে সাধারণ মানুষের খবর বিপদ আপদে ছুটে যাওয়া যেন ভুলতে পারছে না সাধারণ মানুষ।দলের হাই কমান্ড কে সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারা বলেন জনাব সাচিং প্রু জেরির বর্তমান সময়ে হলেও প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে দলের জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে সাথে নিয়ে মাঠে কাজ করা । অন্যতাই বান্দরবানের ৩০০ নং সংসদ আসনটি হুমকির মুখে দাঁডাবে বলে মন্তব্য করেছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে যদি বান্দরবানে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম চলে এই ৩০০ নং আসন টি একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হবে ।জাবেদ রেজা গত ১৭ বছরে দেশে ভোটাধিকার সহ মানুষের মৌলিক অধিকার না থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এ অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ দেশে কোন ধরণের ভোটাধিকার সহ মানুষের মৌলিক অধিকার ছিলনা ।সুতরাং সময় এসেছে সবাই ঐক্যবদ্ধ্য হয়ে  মিলে মিশে যদি কাজ করি তাহলে এ আসনটি আমাদের হবে নিশ্চিত।
  • বান্দরবানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

    বান্দরবানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে রাতের আঁধারে ঘরে প্রবেশ করে এক বিধবা মহিলাকে শ্লীলতাহানি অভিযোগে রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গতকাল বুধবার (১০ নভেম্বর) রাতে প্রায় সাড়ে ৯টা দিকে ৩ নং আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড নাতিং ঝিরি পূর্ণবাসন পাড়া এ ঘটনা ঘটে। আটক রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা ওয়াগয় পাড়া বাসিন্দার কালা পেদা তঞ্চঙ্গ্যা ছেলে।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে ভিকটিমের স্বামী অস্বাভাবিকভাবে মারা যান। পরে নাতিং ঝিরি পূর্ণবাসন পাড়ায় শ্বাশুড়ি ও দু’সন্তানকে নিয়ে থাকেন ওই মহিলা। সেই সুযোগে রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা রাতের আঁধারে ওই বিধবা মহিলাকে শ্লীলতাহানি করতে যায়। এসময় ভিকটিমের চিৎকারের শব্দ শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে পুলিশে খবর দিয়ে রোয়াংছড়ি থানায় পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

    রোয়াংছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুভ্র মুকুল ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের দায়ে মামলা করে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    এম কে

  • বান্দরবানের রুমায় জঙ্গলে মিলল বম যুবকের লাশ

    বান্দরবানের রুমায় জঙ্গলে মিলল বম যুবকের লাশ

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ময়ূরপাড়া এলাকার জঙ্গল থেকে লালরাম সাং বম (৩৫) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে উদ্ধার করা লাশটি আজ মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে বম সোশ্যাল কাউন্সিলের (বিএমসি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে ময়ূরপাড়ার উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের জঙ্গলে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তিন থেকে চার দিন আগে তাঁকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। লাশে পচন ধরেছে।স্থানীয় বম জনগোষ্ঠীর লোকজন লাশটি লালরাম সাং বমের বলে শনাক্ত করেন। তাঁর বাড়ি রেমাক্রিপ্রাংসা ইউনিয়নের কেওক্রাডং পাহাড় পেরিয়ে মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা চুংসংপাড়ায়। চুংসংপাড়া থেকে ময়ূরপাড়ার দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। স্থানীয় লোকজন জানান, লালরাম সাং বম ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।বান্দরবানের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, লাশের মাথা ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এসব আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দ্দী বলেন, স্থানীয় লোকজনের সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় গলিত লাশটি উদ্ধার করে। শনাক্তের পর চুংসংপাড়ায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ওই এলাকায় মুঠোফোন নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। পরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি বম সোশ্যাল কাউন্সিলের নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কে বা কারা এবং কেন তাঁকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

    এম কে

  • থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের দুর্গম বুলুপাড়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) কর্তৃক নির্মিত বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী।উদ্বোধন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই, খাতা, কলম, পেনসিল, রাবারসহ শিক্ষা সহায়ক উপকরণ এবং চকলেট-বিস্কুট তুলে দেন।অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী আলীকদম ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি নৃ-গোষ্ঠী ও পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ‘অপারেশন উত্তরণ।’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যাটালিয়ন চিকিৎসাসেবা, খাদ্য ও পোশাক বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, অগ্নিকাণ্ড ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তাসহ নানা মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যা পাহাড়ে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখছে।তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা যাতে শিক্ষার আলো পায়— সেই লক্ষ্যেই বুলুপাড়ায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই বিদ্যালয়টি বুলুপাড়া এলাকার তিনটি পাড়ার প্রায় ৫০টি পরিবারের ৭০-৮০ জন শিক্ষাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষার সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা এসব শিশুর জন্য বিদ্যালয়টি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এ উদ্যোগকে ‘মহতী ও সময়োপযোগী’ উল্লেখ করে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, কারবারি ও হেডম্যানরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্যে— দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বিজিবি শুধু একটি নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নির্ভরযোগ্য অংশীদার।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিবির বিভিন্ন পদবির সদস্য, স্থানীয় কারবারি, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিমের (৫৬) বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধনে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত সুপার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাইশারী বাজার থেকে মাদ্রাসার দিকে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে ৪-৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।এই ঘটনায় গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) আহত এক শিক্ষার্থীর মা রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদ্রাসার নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রীকে সুপার নুরুল হাকিম বিভিন্ন অজুহাতে শরীরে স্পর্শ করতেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাসায় এসে অভিভাবকদের জানালে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ করা হয়, তবে সেখানে সন্তোষজনক বিচার পাওয়া যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় মানববন্ধনে যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে।বাদী রাবেয়া আক্তার বলেন, আমরা ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমার সন্তান ছেলে, তাই যৌন হয়রানির বিষয়টি সরাসরি জানি না। তবে হামলার বিচার চাই।তবে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার নুরুল হাকিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বয়স প্রায় ৬০। ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কখনো এমন অভিযোগ ওঠেনি। এই প্রতিষ্ঠানে ২৫ বছর ধরে সেবা দিয়ে তিলে তিলে এটিকে বড় করেছি। এখন একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র করছে।এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব উল ইলাহিকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির কিছু ছাত্রী হাতে মেহেদি দিয়ে আসলে সুপার তাদের হাত ধরে শাসন করতেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে যৌন হয়রানির অভিযোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন জানান, হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। হামলার বিষয়টিও আলাদাভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

    এম কে

  • আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা সীমান্তের শূন্যরেখায় মাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি আহত এবং মিয়ানমারের এক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পোয়ামুহুরী সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহত বাংলাদেশি যুবকের নাম ম্যাংসার মোরং (৩০)। তিনি আলীকদমের কুরুকপাতা ইউপির গর্জনপাড়া এলাকার শাংওয়ান মোরংয়ের ছেলে। অপরদিকে নিহত মিয়ানমারের নাগরিকের নাম মেনথ্যাং (৪০)। তিনি দেশটির নতুন পাড়া এলাকার তাংলাইয়ের ছেলে বলে জানা যায়।

    স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জুম খেত দেখতে যাওয়ার সময় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণের কবলে পড়েন তারা। এতে ঘটনাস্থলে থেকে আহত অবস্থায় বাংলাদেশি যুবক ম্যাংসার মোরং ফিরতে পারলেও ঘটনাস্থলেই নিহত হন মিয়ানমারের নাগরিক মেনথ্যাং। ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় ঘটেছে।

    কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।