ক্যাটাগরি ফেনী

Feni district

  • ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে শাহাদাত, দিদার, ফয়সাল

    ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে শাহাদাত, দিদার, ফয়সাল

    ডেস্ক নিউজঃ

    ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সভাপতি ও এটিএন নিউজ জেলা প্রতিনিধি দিদারুল আলম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ জেলা প্রতিনিধি আজিজ আল ফয়সাল প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    রোববার সন্ধ্যায় ইউনিটির নির্বাচনি তপশিল অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশে সবকটি পদে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খাঁন শাহাদাত-দিদারের নেতৃত্বাধীন ১৯ সদস্যবিশিষ্ট প্যানেলের প্রত্যেককে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

    কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি দৈনিক স্টার লাইন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেশ টিভি জেলা প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ নিলয় ও জি টিভির জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন ফরায়েজী, কোষাধ্যক্ষ দেশ রূপান্তর ও ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি মো. শফি উল্লাহ রিপন, দপ্তর সম্পাদক সাপ্তাহিক নীহারিকা নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক আমার সংবাদ জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমার কাগজ জেলা প্রতিনিধি মো. আলাউদ্দিন, ক্রীড়া সম্পাদক সাপ্তাহিক ফেনীর প্রত্যয় বার্তা সম্পাদক তানজিদ উদ্দিন শুভ ও প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক ভোরের দর্পন প্রতিনিধি হাবীব উল্যাহ মিয়াজী।

    এ ছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্যগণ হলেন, সাপ্তাহিক ফেনীর আলো সম্পাদক শুকদেব নাথ তপন, দৈনিক ফেনী সম্পাদক আরিফুল আমিন রিজভী, দৈনিক নয়াপয়গাম সম্পাদক এনামুল হক পাটোয়ারী, দৈনিক যুগান্তর জেলা প্রতিনিধি যতন মজুমদার, দৈনিক ফেনীর সময় নির্বাহী সম্পাদক আলী হায়দার মানিক, দৈনিক ইনকিলাব জেলা প্রতিনিধি মো. ওমর ফারুক ও দৈনিক বণিক বার্তা জেলা প্রতিনিধি নুর উল্যাহ কায়সার।

    এম কে

     

  • ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ডেস্ক নিউজঃ

    ফেনীর সোনাগাজীতে রূপালী ব্যাংকের একই পরিবারের তিন গ্রাহকের হিসাব থেকে তাঁদের অজান্তে ১৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই টাকা ভিন্ন কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখা থেকে এই টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনার দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহককে টাকা ফেরত দিতে পারেনি। ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা ব্যাংকের ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার গ্রাহক আবুল বশরের হিসাব থেকে ৩৩ হাজার টাকা, তাঁর বড় ছেলে মনসুর আলমের হিসাব থেকে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ও ছোট ছেলে ইফতেখার আলমের হিসাব থেকে ৯৫ হাজার টাকা ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকের কয়েকটি শাখার বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর (ট্রান্সফার) করা হয়।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক আবুল বশর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার চার ছেলে মালয়েশিয়াপ্রবাসী। আমার একটি ও আমার দুই ছেলের আরও দুটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানোর ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকতে পারে। ব্যাংক ম্যানেজার আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন, লুট হওয়া ছয় লাখ টাকা ফেরত আনা হয়েছে, যা আদৌ সত্য নয়। আমাকে বিগত এক মাস টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে হয়রানি করা হচ্ছে।’রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) দিদারুল আলম বলেন, ‘তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রান্সফার হওয়া টাকাগুলো অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রান্সফার করা হয়েছে। অ্যাপসের লেনদেন হেড অফিস সরাসরি তদারকি করে। এই লেনদেনে আমি বা আমার শাখার কারও দায় নেই। বিষয়টি তদন্তের পর্যায়ে আছে। আমরা থানা-পুলিশকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকেরা সোনাগাজী মডেল থানায় গতকাল রাতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান। তবে আজ বুধবার দুপুরে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তাঁরা কোনো জিডি পাননি। তবে প্রতিবেদকের হাতে থাকা জিডির কপিতে সোনাগাজী মডেল থানার ডিউটি অফিসার পদুমুত্তর বড়ুয়ার স্বাক্ষর রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বলেন, রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। তাঁকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম কে

  • বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে দাগনভূঞার জায়লস্কর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গন ও আশপাশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। শুক্রবার সকালে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক ও ৮নং জায়লষ্কর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এমদাদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবুল মেম্বার, কামরুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন কিরন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহেদ, জেলা ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম শরিফ, ইউনিয়ন যুবদল সম্মেলন কমিটির সদ্য সাবেক সদস্য মো: হাসান, অনিক, মামুন, এমাম, জুয়েল, অন্তর, খুরশিদ,হান্নানসহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ।এমদাদ হোসেন মিলন বলেন, ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন এর নির্দেশনায় বিপ্লব দিবসে আমাদের এই কার্যক্রম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এটি করেছি।তাছাড়া এখন দাগনভূঞায় ডেঙ্গু উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত রাখতে এটি ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর সোনাগাজীতে এক শিশুর হাতে বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধমে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির সৌদিপ্রবাসী মামা তাঁর ফেসবুক আইডিতে বন্দুক হাতে ভাগনের ছবি পোস্ট করেন। তিনি ক্যাপশনে লেখেন—‘এটা আমার বড় বাগিনা (ভাগনে), ওর হাতে…এ বয়সে খেলনার পিস্তল থাকার কথা, আর অথচ ওর হাতে এখন অরজিনিয়াল পিস্তল’।

    সামাজিক মাধ্যমে বন্দুক হাতে শিশুর ছবি প্রকাশ হলে শুরু হয় তোলপাড়। কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুকের ওই পোস্ট আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে ছবি ও স্ক্রিনশট রেখে দেন।

    ঘটনা জানতে শিশুর বাবাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান তার নানার বাড়ি থাকতে কে বা কারা তার হাতে বন্দুক দিয়ে ছবি ধারণ করলেও সেটি জানা ছিল না। তার মামা পোস্ট করার পর বিষয়টি জানতে পারি। আমার শ্যালকের কাছে ফোন করলেও সে ধরেনি।’

    শিশুটির বাবা আরও বলেন, ‘আমার সন্তানের হাতে বন্দুক তুলে দিয়ে সেটি ফেসবুকে প্রচার করে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির মধ্যে ফেলেছে।’

  • বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    ফেনীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিকে ঘিরে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে কমিটি ঘোষণার এক দিনের মাথায় সংবাদ সম্মেলন করেন কমিটিতে স্থান পাওয়া একাংশের নেতারা।

    এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটিতে যুগ্ম সদস্য সচিব পদ পাওয়া আবদুল কাইয়ুম সোহাগ। এসময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের, ফজলে এলাহী সায়েমসহ অন্যরা।সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাইয়ুম সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাবনা ও সাংগঠনিক বিধি উপেক্ষা করে জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গঠনে তৃণমূলের মতামত নেওয়া হয়নি। আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা অনেককে বাদ দিয়ে নতুন মুখ দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এমনকি চাঁদা ও ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকা দুই ব্যক্তিকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে, যা জুলাই চেতনার পরিপন্থী। বিষয়টি কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জানালেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হোক।আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও ৫ আগস্ট পরবর্তী এনসিপির কার্যক্রমে অগ্রভাগে থাকা সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল আজিজ ও সক্রিয় সদস্য তাহমিদুল ইসলামকে কমিটিতে না রাখায় আমরা ক্ষুব্ধ। এনসিপির কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হলে প্রকৃত আন্দোলনকারীদের জায়গা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে আহ্বায়ক করা হয় জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্য সচিব করা হয়।

    এম কে

  • মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে  ফেনীর ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ফেনীর ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    খেলায় জেলার ছয়টি উপজেলার দল অংশ নিচ্ছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বেলুন উড়িয়ে ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম। উদ্বোধনী খেলা ফেনী সদর ও ফুলগাজী উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

    ‎আয়োজক সূত্রে জানায়, টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে এক লাখ টাকা। রানার্স-আপ দল পাবেন ৫০ হাজার টাকা। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল পাবে ২০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্টের ক গ্রুপে রয়েছে পরশুরাম, সদর ও ফুলগাজী উপজেলা, আর খ গ্রুপে আছে ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা। টুর্নামেন্টের প্রতিটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথমে লীগ পর্ব খেলবে। লীগ পর্ব শেষ করে সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৫ অক্টোবর ফাইনাল খেলার মাধ্যমে টুর্নামেন্টটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতি ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচন করা হবে এবং দুই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা গোলকিপারকে যথাক্রমে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হবে।