ক্যাটাগরি লক্ষ্মীপুর

Lakshmipur district

  • সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মোট ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৫টি, সংশোধিত ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪টি প্রকল্পের। তবে বড় অঙ্কের এই অনুমোদনের আড়ালে প্রকল্পে একাধিকবার মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে চলতি অর্থবছরের দশম এবং বিএনপি সরকারের দ্বিতীয় একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। ওই সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। একনেক সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের জন্য তালিকায় ছিল মোট ১৭টি প্রকল্প। কিন্তু সভায় ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

    এছাড়া, একনেক সভায় বিভিন্ন খাতের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হলেও প্রশ্ন উঠছে ব্যয় ও বাস্তবায়ন দক্ষতা নিয়ে। বিশেষ করে সড়ক খাতের কয়েকটি প্রকল্পে একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের সড়ক উন্নয়ন এবং সেতু নির্মাণসংক্রান্ত তিনটি প্রকল্পে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। কেন এই দীর্ঘসূত্রতা— তা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, ‘নগর জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ’ প্রকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ‘পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ (৩য় সংশোধন)’ প্রকল্প। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ০৪টি প্রকল্প, (১) ‘অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাসে সহনশীল অবকাঠামো (রিভার) প্রকল্প (১ম সংশোধন)’, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ , ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন (২য় সংশোধন)’ ‘ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ’ প্রকল্প।

    সড়ক (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’, ‘বৈরাগীরপুল (বরিশাল)-টুংচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক (জেড-৮৯১০) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধন)’, ‘বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৯) বরিশাল (চর কাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধন)’, এবং ‘বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষীপাশা-দুমকি জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ এবং ‘মধুখালী হতে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

  • বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে না চট্টগ্রাম বন্দর

    ডেক্স নিউজ : চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে সংসদে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    বুধবার সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি (পিপিপিএ) অথবা সরকার কর্তৃক জারিকৃত অথবা অনুমোদনকৃত ক্ষেত্রে শুধু বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার লক্ষ্যে অপারেটর নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে দেশি এবং বিদেশি উভয় ধরনের অপারেটর বিবেচনা যোগ্য। তিনি বলেন, বর্তমানে বন্দরের আধুনিকায়ন এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অব্যাহত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি অপারেটর দ্বারা বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা করা হচ্ছে। যেমন, বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) বিদেশি অপারেটর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।এছাড়া কর্ণফুলি নদীর ডান তীরে লালদিয়া চর নামক স্থানে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য পিপিপি পদ্ধতিতে ডেনমার্কস্থ মার্কস গ্রুপের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস বিভির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

    মুক্ত

  • জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। তিনি লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে।

    শুক্রবার  দুপুরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মতিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ইতোপূর্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিলে গ্রামবাসী সালিসে মীমাংসা করেন। কিন্তু দুপুরে আবারও দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ধারালে সুলফির আঘাতে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া গুরুতর আহত হয়। এরপর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। আহত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জামালগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) জয়নাল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রামের পরিবেশ শান্ত আছে।

  • ভোলার উপকূলে অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি

    ভোলার উপকূলে অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি

    ডেস্ক নিউজ

    শীতের চিরচেনা রূপ পাল্টে যাচ্ছে ভোলার উপকূলীয় চরাঞ্চলে। এক সময় দিগন্তজোড়া জলরাশিতে হাজার হাজার অতিথি পাখির জলকেলি আর কিচিরমিচির শব্দে মুখর থাকত যে চরগুলো, সেখানে এখন যান্ত্রিক নৌযানের শব্দ আর মানুষের কোলাহল।

    বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা ভোলার উপকূলীয় বিচরণভূমিগুলো এখন পরিযায়ী পাখিদের জন্য হয়ে উঠেছে চরম অনিরাপদ। মানুষের সৃষ্ট এসব বহুমুখী সমস্যার কারণে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে কমছে এবং পাখিরা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করছে তাদের আবাসস্থল। এতে একদিকে যেমন শীতকালীন উপকূলীয় পরিবেশ তার সহজাত সৌন্দর্য হারাচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য হারাচ্ছে।

    ভোলার চর কুকরী মুকরী, ঢালচর ও মনপুরাসহ উপকূলের বিভিন্ন ডুবোচরগুলোতে হাজার হাজার অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়ে চলা, দলবেঁধে খাবার সংগ্রহের প্রতিযোগিতা আর জলকেলি ছিল শীত মৌসুমের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু বর্তমানে সেসব চরের দৃশ্যপটে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।


    স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, চর কুকরী মুকরী, চর শাহজালাল, চর শাজাহান, চর পিয়াল, আইলউদ্দিন চর, চরনিজাম, দমার চর, ডেগরারচরসহ মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী প্রায় অর্ধশত নতুন চর একসময় পাখিদের 
    নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র ছিল। তীব্র শীত থেকে বাঁচতে এবং খাবারের সন্ধানে সুদূর সাইবেরিয়া বা হিমালয় অঞ্চল থেকে আসা এসব অতিথিদের কলতানে মুখর থাকত সাগরকূলের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। তবে মানুষের বসতি স্থাপন, কৃষি আবাদ বৃদ্ধি, পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত ঘোরাঘুরি এবং চরাঞ্চলগুলোকে গোচারণভূমি হিসেবে ব্যবহারের ফলে সেই মুখর পরিবেশ এখন স্তব্ধপ্রায়।
    চর কুকরী মুকরির নারিকেল বাগানের বাসিন্দা নিয়ামুল মাঝি ও তাড়ুয়ার ব্যবসায়ী মিজান খানসহ স্থানীয়রা জানান, দিনরাত যান্ত্রিক নৌযানের শব্দদূষণ এবং মানুষের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে পাখিরা এখন আর আগের মতো এসব চরে ভিড়ছে না।

    সম্প্রতি বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের রিসার্চ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ড. সায়াম ইউ. চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গত ১১ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা আট দিন উপকূলীয় এলাকায় পাখি শুমারি পরিচালনা করেছেন। এই দলটির সদস্যরা ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও পটুয়াখালীর প্রায় ৫৩টি চরে পাখি গণনার কাজ করেন।

    ড. সায়ামের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এবারের জরিপে উপকূলীয় মেঘনা মোহনার ৫৩টি স্থানে ৬৩ প্রজাতির মোট ৪৭ হাজার ১৫৭টি জলপাখির অস্তিত্ব রেকর্ড করা হয়েছে। এবারের শুমারিতে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ইউরেশিয়ান উইজিয়ন প্রজাতির পাখি, যার সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ১২টি। এছাড়া ব্ল্যাক-টেইলড গডউইট ৪ হাজার ৪৩৪টি এবং লেসার স্যান্ড প্লোভার ৩ হাজার ৯৬২টি শনাক্ত করা হয়েছে।

    এই জরিপে আরও দেখা গেছে, ভোলার মনপুরার কাছে চর আতাউর, ভাসান চরের কাছে জৈজ্জার চর এবং আন্ডার চরে জলপাখির সর্বাধিক ঘনত্ব বজায় ছিল। এর মধ্যে চর আতাউরে ৬ হাজার ৪৭৯টি, জৈজ্জার চরে ৫ হাজার ৮১৪টি এবং আন্ডার চরে ৪ হাজার ৯৮৭টি পাখি রেকর্ড করা হয়েছে। শুমারি দলটি বর্তমানে ঢাকায় ফিরে সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করছে এবং শীঘ্রই পাখি কমে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান ও প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

    পাখি শুমারি দলের সদস্য ও বিশিষ্ট পর্বতারোহী এম এ মুহিত উপকূলের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এক সময় ভোলার উপকূলীয় অঞ্চলে বার-হেডেড গুজ বা রাজহাঁস জাতীয় পাখি হাজারেরও বেশি দেখা যেত, অথচ এ বছর সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ২০ থেকে ২৫টিতে। একইভাবে খয়রা চখাচখি ও গাঙচষা পাখির সংখ্যাও আগে হাজারের ঘরে থাকলেও এখন তা মাত্র শতকের ঘরে ঠেকেছে। সংখ্যায় কমে যাওয়া পাখিদের তালিকার মধ্যে আরও রয়েছে উত্তরে খুন্তেহাঁস, লেনজা হাঁস, ইউরেশিয়ান টিল, গ্যাডওয়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির সৈকত পাখি। এমনকি হাড়গিলা নামের পরিযায়ী পাখি যা আগে শত শত দেখা যেত, এ বছর শুমারি চলাকালে সেটির একটিরও দেখা মেলেনি। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান পাখিদের বসবাসের উপযোগীতা হারাচ্ছে।

    বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব, স্কোপ ফাউন্ডেশন এবং বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই শুমারিতে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান শুমারি দলের সদস্য নাজিম উদ্দিন প্রিন্স। তিনি বলেন, ভোলার পার্শ্ববর্তী চরগুলোতে পাখির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ার পেছনে পাখি শিকারিদের উপদ্রব যেমন দায়ী, তেমনি নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে তরমুজ চাষ। এই কৃষিকাজের ফলে পাখিদের বিচরণভূমি সংকুচিত হয়ে পড়ছে।
    শুমারি দলের আরেক সদস্য মো. ফয়সাল জানান, তাদের এই কার্যক্রম মূলত জলচর ও পরিযায়ী পাখি কেন্দ্রিক ছিল এবং প্রতিবছরই তারা আবাসস্থল নষ্ট হওয়া ও পাখি শিকারের মতো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করছেন।

    শুমারি দলের সঙ্গে পুরো সময় চরের অভয়াশ্রমগুলো পর্যবেক্ষণ করেছেন বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ফা-তু-জো খালেক মিলা। তিনি বলেন, পরিযায়ী পাখিদের আশ্রয়ের জন্য জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত কাদাজলের চরগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু এসব এলাকায় মানুষের আনাগোনা ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় পাখিরা ভীত হয়ে এলাকা ছাড়ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় অতি গুরুত্বপূর্ণ এই চরগুলোতে মানুষের অবাধ যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ ও সীমাবদ্ধ করার জন্য বন অধিদফতরের পক্ষ থেকে শীঘ্রই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২  আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়ার পক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এতে দিনব্যাপী ৫ শতাধিক মেডিসিন, শিশু, চর্ম ও যৌন, চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

    শনিবার  সকালে সদর উপজেলার রসুলগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়েছে।

    চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন ভুঁইয়া।

    রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, জামায়াত ইসলাম মানবিক সেবায় নিয়োজিত একটি আদর্শ ইসলামী সংগঠন। আমাদের ভিশনের শুরুর লাইনটি হলো মানবতার সেবা। মানবতার সেবা, দেশ পরিচালনায় যোগ্যতা অর্জন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এই তিনটি কথা নিয়েই জামায়াত ইসলামীর ভিশন। এরমধ্যে শুরুটাই হলো মানবতার সেবা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল রাসেল, আলিফ মীম হাসপাতালের চেয়ারম্যান আমির হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জেলা কমিটির সহ সেক্রেটারি আবুল বাশার, চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলী আহমেদ, রসুলগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামছুল আলম রিটু প্রমুখ।

  • কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    ডেস্ক নিউজঃ

    নোয়াখালীর একটি কবরস্থান থেকে নতুন ৫টি রাইফেল ও একটি এলজি উদ্ধার করেছে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল অভিযান চালায় চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় একটি কবরস্থান থেকে কাগজে মোড়ানো ৬টি প্যাকেটে উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটে ৫টি রাইফেল ও ১টি এলজি ছিল।
    চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। অস্ত্রগুলো জব্দ দেখানো হয়েছে। এই অস্ত্র কার তা জানা যায়নি। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।গত ১ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরের পশ্চিম চন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি ওয়ার্কসপে অস্ত্র তৈরির সন্ধান মিলে। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি পিস্তল ও অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

  • ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরে ওয়ার্কশপ ব্যবসার আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করার ঘটনায় নুর উদ্দিন জিকু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন গহীন অঞ্চল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, গ্রেফতার জিকু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নে জগদীশপুর গ্রামের আব্দুল গোফরানের ছেলে ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের নোহা অটো ট্রেডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক।

    জেলা পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটোর নেতৃত্বে রাঙ্গমাটির চন্দ্রঘোনা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিকারক নুরউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামি ছিল। ১ ডিসেম্বর দুপুরে তার ওয়ার্কশপ থেকে ১টি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ওয়ার্কশপের আড়ালে তিনি সেখানে অস্ত্র তৈরি করতো। ওইদিন তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তবে তিনি পালিয়ে থাকায় তখন তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ৬ দিন পর ৭ ডিসেম্বর সকালে গোয়েন্দা তথ্যেরভিত্তিতে নোয়াখালীর জগদীশপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের বাড়ির কবরস্থান থেকে ৫টি দেশীয় ১ নলা বন্দুক ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রগুলো তার ওয়ার্কশপে প্রস্তুতকৃত। অস্ত্রগুলো নতুন ছিল।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ওয়ার্কশপের আড়ালে নুরউদ্দিন আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করতো। তার দোকান ও বাড়ির কবরস্থান থেকে অস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে রাঙ্গামাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

  • মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরে হোটলে মুরগি-মাছসহ তরকারি রান্নায় জমিয়ে রাখা গরুর চর্বি ব্যবহার করায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। হোটেলে পচা ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগেরও সত্যতা মিলেছে।

    বুধবার  বিকেলে বিসমিল্লাহ হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।এদিকে একই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে একতা ফার্মেসি নামে এক দোকানিকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী ও জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালের সামনে বিসমিল্লাহ্ হোটেলে গরুর জমানো চর্বির তেল দিয়ে মাছ, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন তরকারি রান্নায় ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও হোটেল থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটিসহ ফ্রিজ থেকে বাসি মাছ ও মাংস জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় পচা ও বাসি খাবারসব বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে।নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা এ হোটেলে খাবার খায়। কিন্তু হোটেলটির পরিবেশ নোংরা, ফ্রিজে বাসি খাবার সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাছাড়া গরুর চর্বির জমানো তেল দিয়ে রান্না করা হয়। এছাড়া একটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে। দুই দোকানিকে জরিমানাসহ ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

  • সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    ডেস্ক নিউজঃ

    লক্ষ্মীপুরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) গড়ে ওঠেনি আশানুরূপ শিল্প-কারখানা। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পরও বিভিন্ন সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্লট বরাদ্দ নিলেও অর্ধেক প্রতিষ্ঠানই উৎপাদনে যেতে পারেনি। অথচ মেঘনাপাড়ের এ জনপদে সস্তা শ্রম, দেশের ২১ জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যাপক কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়। বিসিকে পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বদলে যাবে এ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান, এমনটাই আশা স্থানীয়দের।এদিকে বিসিক এলাকায় গ্যাস-পানি সংকট, ভেতরের অংশে সড়ক খানাখন্দে ভরপুর, অপরিকল্পিত ড্রেনেজে ব্যবস্থা, লোডশেডিং, বাতিহীন ল্যাম্পপোস্ট ও নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকা উদ্যোক্তাদের সমস্যার অন্যতম কারণ। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কার্যকর সুফল আসছে না বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর শহরে বাঞ্ছানগর এলাকায় ১৬ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে শিল্পায়নের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধান ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সাল থেকে প্লট বরাদ্দ হয়। এরমধ্যে তিন স্তরে ৫৪টি শিল্প ইউনিটের জন্য ৯৯টি প্লট বরাদ্দ হয়। বর্তমানে ৩০টি ইউনিট চালু রয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে বিসিকের দিকে একটু এগুলেই দেখা যায় বেশ কয়েকটি বড় গর্তে পানি জমে আছে। ভেতরে রাস্তা, ড্রেনেজ সমস্যা প্রকট। সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত; মালামাল পরিবহনে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানসহ যানবাহন চলছে হেলেদুলে। ধুলাবালিতে একাকার। ড্রেনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে মশা-মাছির দাপট চলছে। বর্ষা এবং সামান্য বৃষ্টি হলে ভেতরে হাঁটু পানি জমে থাকে। ভেতরে ২০-২৫টি প্লট খালি রয়েছে। সেখানে আশপাশের লোকজন গরু-ছাগল চরায়। এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এখানে উল্লেখযোগ্য অয়েল মিল, বেকারি, চকলেট তৈরি, সয়াবিন প্রক্রিয়াকরণ, অটোরাইস মিল ও মবিল রিপ্যাকিং মিল রয়েছে।

    পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার নারী শ্রমিক ফাতেমা বেগম জানান, বিসিকে তিনি প্রতিদিন হেঁটে আসেন। মাঝেমধ্যে রিকশা নিলেও ভেতরে আসতে চান না রিকশাচালক। একটু বৃষ্টি হলে হাঁটুপানি মাড়িয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তরুণ উদ্যোক্তা জানান, এখানে পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে। তবে সহজে আশানুরূপ ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় না। অনেক সময় শ্রমিকের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় লোকসানের কারণে ফ্যাক্টরি বন্ধ রেখেছেন।

  • লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে বিএনপি নেতা হোসেন আহমেদ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের নবীগঞ্জ বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জামায়াতে যোগ দেন।

    হোসেন আহমেদ চররুহিতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ওমর ফারুক, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ  স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    জামায়াত নেতা ওমর ফারুক বলেন, ‘হোসেন আহমেদ অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।’

    নতুন সদস্য হোসেন আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতনের পরও আমি বিএনপি করতাম। পরে বুঝেছি, বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আদর্শের কোনো সম্পর্ক নেই। একজন মুসলিম হিসিবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য  জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

    সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক ১৮/২৫