ক্যাটাগরি রাঙ্গামাটি

Rangamati district

  • নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ ও দুই যুবক আটকের ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের সঙ্গে (এসআই) চোরাকারবারির ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষির দুটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার পর অডিও দুটি ফাঁস হয়। পরে রাতেই অভিযুক্ত এসআই মো. আবু হানিফকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছড়িয়ে পড়া অডিও আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি পিকআপ থেকে ১৮ বস্তা বডি স্প্রে, শ্যাম্পু, অলিভ অয়েলসহ বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করে। এ সময় পিকআপের চালক নাজিরপুরের শিংপুর এলাকার মো. নাছিম (২৩) ও তাঁর সহকারী সেইচাহানি গ্রামের মনির হোসেনকে (২১) আটক করা হয়। পরে ওই দুই যুবক ও মূল হোতা উপজেলার রাজনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনসহ (৩৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফ ও চোরাকারবারি জসিম উদ্দিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি পুলিশ সুপার স্যার দেখছেন। এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। চোরাই পণ্যের মালিক জসিম মিয়াকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ এসব ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন ওসি।

    এআর/এনআর

  • জেলা ছাত্রদল কমিটি বাতিলের দাবিতে উত্তাল রাঙামাটি

    জেলা ছাত্রদল কমিটি বাতিলের দাবিতে উত্তাল রাঙামাটি

    ডেস্ক নিউজ:

    রাঙ্গামাটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নবঘোষিত জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের একাংশ। তারা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে কমিটিতে পদ দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন।

    শনিবার রাতে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাকর্মীদের একাংশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। তারা অভিযোগ করেন, কমিটিতে বিবাহিত, অছাত্র এবং রাঙ্গামাটি শহরের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজস্থলী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ককে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সকালে শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাঠালতলী বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, টাকার বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ‘টাকা লাগলে টাকা নে, নতুন করে কমিটি

    দে’-এমন স্লোগান দেন। তাদের অবরোধের কারণে জেলা বিএনপির কার্যালয় সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    বিক্ষোভে ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি নূর তালুকদার মুন্না, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শাকুর জাভেদ, যুগ্ম সম্পাদক মোখতার আহমেদ ও পারভেজ হোসেন সুমন, এবং প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদকে উপস্থিত দেখা গেছে।

    সহসভাপতি নূর তালুকদার মুন্না বলেন, যাকে রাজস্থলী থেকে এনে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে, তিনি রাঙ্গামাটি শহরের নেতাকর্মীদেরই চেনেন না। তাকে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    যুগ্ম সম্পাদক পারভেজ হোসেন সুমন বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, টাকা ও আইফোনের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই কমিটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে হলে নিয়মিত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে।

    এ বিষয়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি অলি আহাদ বলেন, “ছাত্রদল একটি বড় সংগঠন। এখানে সবারই ত্যাগ আছে, কিন্তু সবাইকে একসঙ্গে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন -এটি স্বাভাবিক। তবে সবাইকে সংগঠনের শৃঙ্খলা মেনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।

    জানা যায়, ২০১৮ সালের মে মাসে ফারুক আহমেদ সাব্বিরকে সভাপতি ও আলী আকবর সুমনকে সাধারণ সম্পাদক করে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

    বি/ এ

  • নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোন (১৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট)।বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নানিয়ারচর জোন কার্যালয়ে এই ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহ

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোন (১৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট)।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নানিয়ারচর জোন কার্যালয়ে এই ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহমান।

    নানিয়ারচর জোন কমান্ডার এ সময় উপজেলার বুড়িঘাট ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি মো: রফিকুল ইসলামের হাতে ক্রিকেট ব্যাট, থাই প্যাড, হেলমেট, ক্রিকেট বল, ব্যাটিং গ্লাভস ও কিট ব্যাগসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেন।

    এ বিষয়ে নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মশিউর রহমান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা এবং সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতেই এসব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    এ সময় নানিয়ারচর জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ,আর

  • সখীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

    সখীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

    বিডিনিউজ ডেক্স :  (বাসাইল-সখীপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের (হরিণ) প্রতীকের ৩টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও দুটি অফিসে তালা ঝুঁলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন হরিণ প্রতীকের এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু।
    হরিণ প্রতীকের এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু অভিযোগ করেন, এ আসনের সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের হরিণ প্রতীকের তিনটি নির্বাচনী অফিস বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা ভাঙচুর করে। ভাঙচুর চালানো নির্বাচনী অফিসগুলো হচ্ছে- রাঙ্গামাটি কেন্দ্রের সলঙ্গা অফিস, ইলিমজান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সোনাতলা মোড় অফিস ও দেওয়ানপুর কেন্দ্রের দেওয়ানপুর অফিস। এছাড়া বহেড়াতৈল ইউনিয়নের বহেড়াতৈল ও কালিয়া ইউনিয়নের বাসারচালা অফিস দুটিতে তালা ঝুঁলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহমেদ আযম খানের কর্মী-সমর্থকরা শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে ৩টি নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে দুটি নির্বাচনী অফিসে তালা ঝুঁলিয়ে দেয়। একই সঙ্গে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের কর্মী-সমর্থকদের পিটিয়ে আহত করে। একই আসনের শোলাপ্রতিমা ও কালিয়া এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর হরিণ প্রতীকের দুটি বিলবোর্ডও ভাঙচুর করা হয়।

    হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও তালা ঝুঁলানোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকরা পরাজয়ের ভয়ে এসব অপকর্ম করছে। হিংসা-প্রতিহিংসা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। নির্বাচনের পরিবেশ যেন শান্তিপূর্ণ থাকে এবং জনগণ যেন স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে- সেটি নিশ্চিত করা সবারই দায়িত্ব। নিজের কর্মী-সমর্থকদের ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান তিনি।বিষয়ে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহমেদ আযম খান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর নির্বাচনে ভোটের দেউলিয়াত্বে ভুগছেন। তাই নানা ধরণের কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি ঘোলা করার চেষ্টা করছেন। বাসাইল-সখীপুরের মানুষ এগুলো বুঝে এবং তারা বুঝে-শুনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন।
    এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশে গঠিত ইলেকশন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি রয়েছে। তাদের কাছে অভিযোগ করা হয়ে থাকলে তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া ওই অনুসন্ধান বা তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিচারের আওতায় এনে দোষীদের সাজার ব্যবস্থা করতে পারে।

    M

  • রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি স্কুলে বিজির শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

    রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি স্কুলে বিজির শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

    ডেস্ক নিউজ

    পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে দুর্গম প্রংজাং পাড়ার একটি প্রাইমারি স্কুলে বেঞ্চ, চেয়ার ও টেবিলসহ শিক্ষাসামগ্রী দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিজিবির রুমা ব্যাটালিয়নের (৯ বিজিবি) অধীনস্থ রাইক্ষ্যংপুকুরপাড়া লগ বেস ক্যাম্প কমান্ডার বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নের প্রংজাং পাড়ার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

  • রাঙ্গামাটিতে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৬

    রাঙ্গামাটিতে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৬

    ডেস্ক নিউজ

    রাঙ্গামাটিতে অবৈধভাবে নদী পথে বাংলাদেশে প্রবেশের দায়ে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ ছয়জনকে আটক করেছে বিজিবি। দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন— সুরেশ চাকমা (৩৯) ও অরংখান চাকমা (৩০)। তাদের দুজনের বাড়ি ভারতের লুংলে জেলার দিমাগরী থানার ত্রিপুরাঘাটে। তবে তাদের সহায়তাকারী চার বাংলাদেশি নাগরিকের নাম জানা যায়নি।

    শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির বরকলে তাদেরকে আটক করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি বরকলের ৪৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাসুদ আল ফেরদৌস। তিনি ঢাকা মেইলকে জানান, বিকেলে সাড়ে পাঁচটার দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের টিপরাঘাট থেকে দুজন ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্তের ছোট হরিণা দিয়ে অনুপ্রবেশ করে। পরে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকের সহযোগিতায় একটি স্পীড বোট ভাড়া করেন তারা। স্পীড বোট ৮০০ টাকায় ভাড়া করে নদী পথে রাঙামাটির দিকে আসছিল।

  • বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিগারেট ও মিনি ট্রাক জব্দ

    বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিগারেট ও মিনি ট্রাক জব্দ

    ডেস্ক নিউজ

    রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন খেদারমারা ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেটসহ একটি মিনি ট্রাক জব্দ করেছে ২৭ বিজিবি (মারিশ্যা জোন)।

    শনিবার (২১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদের নির্দেশনায় ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের সহকারী পরিচালক (এডি) মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে টহল দলটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১৪৫ কার্টন (১,৪৫০ প্যাকেট) ভারতীয় সিগারেট এবং ঢাকা মেট্রো-ন-১৫৯৩৮২ নাম্বারের একটি মিনি ট্রাক পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ করা হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকচালক সিগারেট ফেলে পালিয়ে যায়।

    বিজিবি জানায়, আটককৃত সিগারেট ও ট্রাকের আনুমানিক মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা

    জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, “মারিশ্যা জোন সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চোরাচালান রোধে সর্বদা সচেষ্ট। চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    হরতালের কারণে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের পর কোটাবিরোধী ঐক্য জোট তাদের ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ২টার পর জোট এই ঘোষণা দেয়।

    সংগঠনের অন্যতম নেতা নুরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। আমাদের ছয় দফা দাবির বিষয়ে জেলা পরিষদ শনিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমরা আশা করছি। তাই দুপুর ২টা থেকে হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছি।

    জানা গেছে, হরতালকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামীকালের (শুক্রবার) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো একই পরীক্ষা স্থগিত হলো। এর আগে ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

    বুধবার দুপুরে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হরতালের সমর্থনে শহরের বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন।

    কাজল তালুকদার বলেন, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে আসা-যাওয়া ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা নীতিমালা অনুসরণ করার পরিবর্তে জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা মেনে নিয়োগ দিতে চাইছে, যা তারা ‘চরম বৈষম্য’ বলে দাবি করেন। পরীক্ষা স্থগিতের পর আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানায় সংগঠনটি।
  • ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গাড়ি দিয়ে পালানোর সাহস বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার হারিয়ে ফেলেছিল। এজন্য তারা আকাশপথে পালিয়েছে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিকেও এই অপকর্মে ব্যবহারের অপচেষ্টা করেছিল। দেশের সবকিছু তারা ধ্বংস করেছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও দেশ এখনো ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়া হবে না।’ ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে জানিয়ে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা: শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের উন্নয়ন করেছিল। রাস্তাঘাট তৈরি করেছিল রডের বদলে বাঁশ দিয়ে। বাংলাদেশের টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেমকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর কুখ্যাত প্রধানমন্ত্রী বলেছিল রঙ দিয়ে শুয়েছিল। তারা রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতায় এসেছিল রক্তাক্ত হাতেই বিদায় নিয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে কোরআনের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম থেকে ইসলামের বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ।’

    ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে মন্তব্য করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ঐক্য আমাদেরকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।’

    ‘প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে,’ হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ গরীব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের রক্তে গড়া। বনেদিদের বাংলাদেশ আর থাকবে না। অনেক দল থেকে আসন সমঝোতার অফার দেয়া হয়েছিল। আমরা বাংলাদেশের অধিকার মালিকানা কায়েম করতে চাই। ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। পুঁজিবাদি অর্থব্যবস্থার কবর রচনা করে আল্লাহর আইনের ব্যবস্থা রচনা করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এবার ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার মাটিতে জেগে উঠেছে। সকল চক্রান্ত, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে জনতার বিজয় হবে।’

    বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, “দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে।”

    তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘ব্রিটিশ এই দেশ থেকে চলে গেলেও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেও বৈষম্য দূর হয়নি। সেই থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যারা শাসক ছিল তারা বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। তাই ৫ আগস্টের আন্দোলনে হাজার হাজার জীবনের বিনিময়েও মানুষ মুক্তি পায়নি। আগামীতে আবারো চাঁদাবাজ, জালেমদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে বৈষম্য থাকবে না। কেউ দশ তলায় কেউ নিচতলায় থাকবে সেটা আর হবে না।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা ইসলামের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে থাকতে চাই। ইসলামকে বিজয় করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম আগামীতে ক্ষমতায় যাবে ইনশাআল্লাহ। যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র দেশের মানুষ মানবে না। হুমকি-ধমকি চলবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।’

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আসুন আমরা ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে চট্টগ্রামকে ইসলামের ঘাঁটি বানাই। চট্টগ্রামের মাটি ইসলামের ঘাঁটি। ৮ দলের এই শক্তি ক্ষমতায় গেলে আপনারাই দেশ শাসন করবেন। কারো দাদার শক্তিতে এ দেশ আর চলবে না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদশ এমন পর্যায়ে দাঁড়াবে বিদেশীরা এখানে পড়ালেখা করতে আসবে, আমাদের দেশে কাজ করতে আসবে। আসুন আমরা সবাই মিলে সেই দেশ গড়ি।’

    ৮ দলের প্রধানদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

    সমাবেশে ৮ দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্সি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আলাউল্লাহ আমিন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আল্লামা মুফতি মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আলী উসমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, খেলাফত মজসিলের যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসানুল্লাহ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, ইসলামী

    আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আববার, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোতালেব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু মুজাফফর মোহাম্মদ আনাছ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন।

    আরো বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমির মুহাম্মদ আলাউদ্দীন সিকদার, দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোবায়ের মাহমুদ প্রমুখ।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা আমির মাওলানা আবদুস সালাম আজাদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি আল মুহাম্মদ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা রিদোয়ানুল ওয়াহেদ, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রব্বানী, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: এ কে এম ফজলুল হক, ডা: ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা মুহাম্মদ ইসহাক, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি নুর উদ্দিন, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক ও অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান প্রমুখ।

    ওইদিন সকাল থেকে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে মিছিলে মিছিলে জড়ো হতে থাকেন ৮ দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসী। দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূল কার্যক্রম। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    বক্তাদের বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা পাঁচদফা দাবি নিয়ে স্লোগান দেন।

  • পাহাড়ি নারীদের তৈরি পিনন-হাদির কদর দেশ পেরিয়ে বিদেশে

    পাহাড়ি নারীদের তৈরি পিনন-হাদির কদর দেশ পেরিয়ে বিদেশে

    বিডিনিউজ ডেক্স ঃ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক ‘পিনন-হাদি’ এখন কেবল সংস্কৃতির প্রতীক নয়, এটি পাহাড়ি নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম এমনকি বিদেশেও এর চাহিদা বাড়ায় ব্যবসার দ্রুত প্রসার লাভ করছে। তবে এই ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা সরকারি ঋণ ও সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে পুঁজির সংকটে ভুগছেন।

    জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন ভাষাভাষীর পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর রয়েছে। এসব জনগোষ্ঠীর রয়েছে নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। পাহাড়ি এসব জনগোষ্ঠী নারীদের প্রধান ঐতিহ্যবাহী পোশাক পিনন-হাদি। ছোট বড় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পাহাড়ের প্রধান উৎসব বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিহু উপলক্ষে পাহাড়ি নারীদের পছন্দের তালিকায় প্রথমে থাকে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের পরিচয় বহন করা এই পোশাকপাহাড়ি নারীদের ঐতিহ্যবাহী এই পরিধেয় বস্ত্রের চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। রাঙ্গামাটি শহরের বনরুপা বাজারে সপ্তাহে দুই দিন শনি ও বুধবারে জমজমাট বাজার বসে পিনন-হাদির। খুচরা ও পাইকারি দামে বিক্রি হয় নারীদের এই পোশাক। হাটের দিন ভোরে দূরদূরান্ত থেকে নানা ডিজাইনের পিনন-হাদি নিয়ে বিক্রি করতে আসেন বিক্রেতারা। চাহিদা বাড়তে থাকায় ঢাকা -চট্টগ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে বিদেশেও। ঐতিহ্যবাহী এই পোশাকের বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছে পাহাড়ি নারীরা।

    সম্প্রতি রাঙ্গামাটির বনরুপা বাজার ঘুরে দেখা যায়, নানা ডিজাইনের সারি সারি পিনন-হাদি বিক্রি করছেন নারী বিক্রেতারা। একজোড়া পিনন-হাদির দাম সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

    ক্রেতা শতাব্দী চাকমা ও পহেলী চাকমা বলেন, আমরা সকালে ঘাগড়া থেকে এসেছি। এখানে কম দামে পিনন-হাদি পাওয়া যায় তাই কিনতে আসেছি।

    বিক্রেতা তিশা চাকমা বলেন, প্রতিটি পিনন-হাদির ডিজাইন ও কাপড়ের কোয়ালিটির ওপর দাম নির্ভর করে। একটা পিনন-হাদি সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

    বিক্রেতা শ্যামলী চাকমা বলেন, পাহাড়ি নারী কারিগরের মাধ্যমে বুনন করে আমরা সপ্তাহে দুই দিন বাজারে এনে বিক্রি করি। মোটামুটি ভালো বিক্রি হয়। অনেকে পাইকারি দরে কিনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে নিয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব দেশে চাকমা কমিউনিটির লোকজন বসবাস করে।নির্মলা চাকমা বলেন, এই পিনন-হাদি বিক্রি করে আমরা আর্থিকভাবে যেমন স্বাবলম্বী হচ্ছি। অন্যদিকে আমাদের যে ঐতিহ্য সেটা টিকিয়ে রাখছি। বিজু ও বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক উৎসবে পিননের চাহিদা বেশি থাকে। তবে আমাদের ব্যবসা করতে অনেক অর্থের দরকার হয়। কিন্তু আমরা কোনো সরকারি সহযোগিতা বা কোনো ঋণ পাই না। নিজেদের জমানো টাকা আর নানাজনের থেকে ধারদেনা করে ব্যবসা চালাতে হয়।বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ইসমাইল হোসেন বলেন, এই ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য যে প্রণোদনামূলক বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে সেই প্রকল্প বন্ধ রয়েছে। যার কারণে তাদেরকে ঋণ দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে তারা চাইলে আমরা তাদেরকে ঋণের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংকে সুপারিশ করতে পারি।

    M