ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • কাঁচা তেলের জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে, পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

    কাঁচা তেলের জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে, পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

    নিউজ ডেস্কঃ

    কয়েক সপ্তাহের অনিশ্চয়তার পর এক লাখ টন কাঁচা তেলবাহী একটি জাহাজ বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, ফলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) পূর্ণ উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।‘

    এমটি নাইনেমিয়া’ নামের জাহাজটি বুধবার দুপুরে বন্দরে ভিড়ে।

    ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: শরীফ হাসনাত বলেন, ‘আজ দুপুরে জাহাজটি বন্দরে এসেছে। আনলোডিং শেষ হলে আমরা পরিশোধন কার্যক্রম শুরু করে পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করব।’

    ইআরএলের কর্মকর্তারা জানান, আনলোডিং প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী ৮ বা ৯ মে’র মধ্যে রিফাইনারিটি পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফিরতে পারে।

    মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মার্চ ও এপ্রিলজুড়ে জাহাজ চলাচলের সূচি ব্যাহত হওয়ায় রিফাইনারিটির কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    নির্ধারিত জাহাজগুলো না আসায় কাঁচা তেলের মজুত দ্রুত কমে যায়, ফলে কর্তৃপক্ষকে প্রথমে উৎপাদন কমাতে এবং পরে পুরোপুরি বন্ধ করতে হয়।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কর্মকর্তারা জানান, চালানটি মূলত সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে ছাড়ার কথা ছিল। তবে সঙ্ঘাতজনিত ঝুঁকির কারণে জাহাজটি ২৪ এপ্রিল ইয়ানবু বন্দর থেকে রওনা হয়।

    বিকল্প এই রুট এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    চালানটির মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৮৪ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় এক হাজার ৮৪ কোটি টাকা), যেখানে প্রতি ব্যারেলের দাম ১২৬ দশমিক ২৮ ডলার। পাশাপাশি লজিস্টিক পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত প্রায় ৬০৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

    দেশীয় জ্বালানি বাজারের জন্য রিফাইনারিটির পুনরায় চালু হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কাঁচা তেল পরিশোধনের মাধ্যমে ডিজেল, পেট্রোলসহ বিভিন্ন জ্বালানির মাধ্যমে ইআরএল দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ করে।অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ জ্বালানি চাহিদা পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম সরাসরি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

    এম কে

  • জীবননগরে ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা, অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

    জীবননগরে ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা, অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    তাফহিমুল হোসাইনের কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নেই। তবুও নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া পরিচয়ে চিকিৎসা প্রদানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসাথে তার পরিচালিত একটি বেসরকারি চক্ষু ক্লিনিক সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলার হাসদহ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল আলম রাসেল।

    অভিযানে ‘বাইতুল মামুর চক্ষু হাসপাতাল’ নামে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে তাফহিমুল হোসাইন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, তাফহিমুল হোসাইনের কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নেই। তবুও নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তিনি চোখের ছানি অপারেশনসহ বিভিন্ন জটিল চিকিৎসা করার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। এতে না বুঝে প্রতারিত হতেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

    অভিযানের সময় তাফহিমুল হোসাইনের কাছে বৈধ সনদপত্র, প্রশিক্ষণের প্রমাণ কিংবা বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি অন্য এক নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিএমডিসি নম্বর ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করছিলেন, যা আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ।

    এসব অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে পরিচালিত ক্লিনিকটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়।

    দণ্ডপ্রাপ্ত তাফহিমুল হোসাইন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ক্লিনিকে ভুয়া চিকিৎসার অভিযোগ ছিল। অনেক রোগী ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে প্রতারিত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা। তবে এতোদিন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। সাম্প্রতিক এই অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

    অভিযানে সহযোগিতা করেন জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা: ফাহমিদা আক্তার রুনা ও জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভুয়া চিকিৎসক ও অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    এ, আর

  • বরিশালে টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    বরিশালে টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ‘অতি বৃষ্টি ও জোয়ারের পানির কারণে বরিশাল বিভাগে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ছয় দিনের টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বরিশাল বিভাগের কৃষি খাতে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। অতি বৃষ্টি, দমকা হাওয়া ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল। এতে এক লক্ষাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন মুগডাল চাষিরা।বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ এপ্রিল থেকে ৩ মে বিভাগের প্রায় ১৯ লাখ ২২২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এতে এক লাখ ৮৫৯ জন কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    প্রচণ্ড বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় বোরো ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। বাতাসে নুয়ে পড়েছে ৭৫ হাজার ৬১১ হেক্টর জমির ধান। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চার হাজার ৪৬৩ জন কৃষক। একইভাবে ৭৬ হাজার ৬৮৯ হেক্টর জমির মুগডাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে বিপাকে পড়েছেন ৫৭ হাজার ৮৬৪ জন কৃষক।

    এছাড়া ৭৯০ হেক্টর জমির মরিচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন চার হাজার ৫৭৪ জন কৃষক। ১০ হাজার ৫৯৪ হেক্টর জমির চীনা বাদাম নষ্ট হয়ে ছয় হাজার ৬০৬ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। চার হাজার ৪৪৮ হেক্টর জমির সয়াবিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তিন হাজার ৩৬৬ জন কৃষক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

    গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির ক্ষেতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিন হাজার ১৯৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে ১৭ হাজার ২৩২ জন কৃষক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    এছাড়া আউশ বীজতলা, রোপা আউশ ধান, পাট, পেঁপে, কলা, পান, মিষ্টি আলু, ভুট্টা, তিল ও সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের কৃষক রফিক মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে সব শেষ হয়ে গেছে। যে আশা নিয়ে চাষ করেছিলাম, তা এখন পানিতে ভেসে গেছে।

    বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের কৃষক রিয়াজ বলেন, ধান কাটার সময়ের আগেই ক্ষেত ডুবে গেছে। এখন আধাপাকা ধান কাটতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন অনেক কমে যাবে।

    নবগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক ইউসুফ মোল্লা বলেন, ছয় দিনের বৃষ্টি আর বাতাসে বোরো ধান একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। নুয়ে পড়া ধান পরিপক্ক হওয়ার আগেই কাটতে হচ্ছে, এতে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।

    বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, ‘অতি বৃষ্টি ও জোয়ারের পানির কারণে বিভাগে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

    এদিকে কৃষি খাতের এই ব্যাপক ক্ষতির কারণে খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও প্রণোদনা না দিলে আগামী মৌসুমে চাষাবাদে আগ্রহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ,আর

  • এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ

    এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব এসে পড়েছে দেশের বাজারে। এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। যদিও বছরওয়ারি হিসাবে সামান্য কমতি দেখা গেছে, তবে মাসভিত্তিক হিসাব বলছে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয়চাপ আবারও বেড়েছে। আজ বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

    সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি এপ্রিল মাসে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ক্রেতাদের চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। এই খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে, যেখানে মার্চে তা ছিল ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। বাসাভাড়া, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধিকে এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। তখন খাদ্য খাতে হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

  • টাঙ্গাইলে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

    টাঙ্গাইলে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বুধবার সকালে ধানের জমিতে কাজ করতে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক নারীর লাশ দেখতে পান। পরে বিষয়টি দেলদুয়ার থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলার লাউহাটী ইউনিয়নের সল্পলাড়ু গ্রামে ধলেশ্বরী নদীর পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সকালে ধানের জমিতে কাজ করতে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক নারীর লাশ দেখতে পান। পরে বিষয়টি দেলদুয়ার থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

    দেলদুয়ার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম জানান, নিহত নারীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এ, আর

  • চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশরাফ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বুধবার সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এ কর্মশালা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক রহিদুল ইসলাম খান।

    কর্মশালা সঞ্চালনা করেন আশরাফ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী আশিষ কুমার চ্যার্টাজি।

    আলোচনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ , মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ, ফাউন্ডেশনের ফিল্ড ট্রেইনার নজরুল ইসলাম, জোহরা খাতুন প্রমুখ।

    কর্মশালায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মৌলিক আলোচ্য বিষয় ছিল দেশে সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ,মেধাবী, কম মেধাবী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য একই রকম শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা। কর্মশালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন লিলিয়েন্স ফনডস ও সেন্টার ফর ডিসএবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট নামে দুটি সংস্থা।

    বি/ এ

  • বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্ত্রীকে উদ্ধার করা স্বামীরই একই কারণে মৃত্যু

    বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্ত্রীকে উদ্ধার করা স্বামীরই একই কারণে মৃত্যু

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসায় ডিস লাইন মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইসমাইল হোসেন (৩২) নামের এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে।  তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।  এর কিছুক্ষণ আগে একইভাবে তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তার আহত হন।

    সোমবার (৪ মে) রাত ৮টার দিকে পৌর এলাকার সেনেরখীল মোল্লা কোনায় এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আবদুল হক নামে তাদের এক প্রতিবেশী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসমাইল তার স্ত্রী রাবেয়া ও সন্তানদের নিয়ে সেনেরখীল গ্রামের মোল্লা কোনায় আবুল হাশেমের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সোমবার সন্ধ্যায় রাবেয়া ডিস লাইন মেরামত করছিলেন। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চিৎকার করতে থাকেন। তাৎক্ষণিক ইসমাইল তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

    এর কিছুক্ষণ পর ইসমাইল ওই ডিস লাইনটি মেরামতের কাজ শুরু করেন। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে  জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

    চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বায়েজিদ হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

    এ ,আর

  • পানিতে তলিয়ে গেছে ধান, ঋণে জর্জরিত হাওরের কৃষকেরা

    পানিতে তলিয়ে গেছে ধান, ঋণে জর্জরিত হাওরের কৃষকেরা

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    সোমবার দুপুরে রোদ উঠতেই হাওরপারের গ্রামগুলো কিছুটা চাঙা হয়ে ওঠে। গ্রামীণ পাকা–কাঁচা সড়ক, উঁচু ফাঁকা জায়গা যেখানে সুযোগ মিলেছে, সেখানেই রোদে ধান শুকানোর ধুম পড়ে যায়। কেউ সড়কের ওপর, কেউ পলিথিন বা চটের চাটাইয়ে, আবার কেউ খলায় ধান মেলে দিয়েছেন। তবে ধান শুকাতে দিলেও কারও মনে স্বস্তি নেই।

    কৃষকেরা জানান, পানিতে তলিয়ে যাওয়া খেত থেকে যা ধান তোলা গেছে, তা খুবই সামান্য। তোলা ধানের অনেকটাই সময়মতো শুকাতে না পারায় নষ্ট হয়ে গেছে। ধানের দিকে তাকালেই তাঁদের বুক কষ্টে ভরে ওঠে। যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ মণ ধান পাওয়ার কথা, সেখানে এখন খলায় আছে মাত্র ১০–২০ মণ। অনেকেই ধান দিয়ে শোধ করার শর্তে আগাম ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলেন। এখন সেই ঋণের বোঝা আরও ভারী হয়ে উঠেছে। এতে ঋণ শোধ তো দূরের কথা, বছরের খোরাকিও জুটবে না।

    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের অন্তেহরি গ্রামের চিত্র সবচেয়ে বেশি খারাপ। পাকা ধানের খেত পানির নিচে, কেটে আনা ধানও রোদ না থাকায় শুকানো যায়নি। অনেক ধান পচে গেছে, কোথাও আবার অঙ্কুর গজিয়েছে। গতকাল বিকেলে অন্তেহরি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জুমাপুর সড়ক থেকে অন্তেহরি বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ধান ও খড় বিছানো। গ্রামে ফাঁকা জায়গা বলতে কিছু নেই—সবখানেই ভেজা ধান ও খড় শুকানো হচ্ছে। কোথাও যন্ত্রে ধান মাড়াই চলছে। হাওরের দিকে নারী–পুরুষ ছড়িয়ে কাজ করছেন। ধান শুকাতে ব্যস্ত সবাই।

    একটি খলার পাশে দাঁড়িয়ে সুমি রানি দাস বলছিলেন, ‘খলায় এ সময় চাইরবায় (চারপাশে) ধানর গিলা (স্তূপ) থাকে। এখন ধানই নাই।’ তাঁর সঙ্গে থাকা তপন দাস বলেন, ‘খলায় এখন ২০-২৫ মণ ধান আছে। এবার ধান অইছিল খেতে। ২০-২২ মণ ধান অইলোনে কিয়ারও (১ কিয়ার=৩০ শতাংশ)। ২২ কিয়ার করছিলাম। যদি দিন দেয়, তাইলে সাত কিয়ার তোলা যাইব। বড় খলা করছিলাম, ৭০ মণ ধান আটে। ৪০০ থাকি সাড়ে ৪০০ মণ ধান পাওয়ার কথা। ১০০ মণ পাইমু কি না সন্দেহ আছে।’

    স্থানীয় লোকজন জানান, দুশ্চিন্তা শুধু ফলনহানিই নয়, ঋণ শোধ নিয়েও। অনেক কৃষক ৮০০ টাকা মণ দরে ধান দেওয়ার শর্তে আগাম টাকা নিয়েছিলেন। দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সুদ বা দাদন ছাড়া ঋণের সুযোগ নেই বললেই চলে। ফলে বাধ্য হয়েই এ ধরনের শর্তে ঋণ নিতে হয়। অন্তেহরি গ্রামের সুখেন দাস বলেন, ‘তার চেয়ে রুজি করতাম, ভালা থাকতাম। যেদিন ধান কাটার পরিকল্পনা করছি, শ্রমিক জোগার করছি। অউদিনই এক রাইতে খেতর মধ্যে কোমরসমান পানি।’ এক নারী বলেন, ‘এলাকায় সুদ ছাড়া কেউ টাকা ধার দেয় না।’

    রনি চক্রবর্তী বলেন, ‘চাইর আনাও ধান কাটা অইছে না। ঋণের জ্বালায় প্রায় জনরই বাড়িঘর ছাড়া লাগব। ১৫ বছরর মাঝে এত ক্ষতি অইছে না।’ সুমন দাস আধা পচা ধানের আঁটি মাথায় নিয়ে স্তূপ করছিলেন, আর গান গাইছিলেন। তিনি বলেন, ‘আনন্দে নায় ভাই, মনের জ্বালায় গান গাইরাম। এক লাখ টাকা ঋণ আছে। ভাবছিলাম ২০০ মণ ধান পাইমু। ১০০ মণে ঋণ দিমু। ১০০ মণ থাকব। এখন ধান, খেড় সব গেছে।…এখন গরু বাঁচব, না মানুষ বাঁচব।’

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজারের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন আজ মঙ্গলবার বলেন, জেলার হাওরাঞ্চলে ৩ হাজার ৬৩৮ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়েছে। কাউয়াদীঘি হাওরে ৪০০ হেক্টরের মতো হতে পারে। হাওরে পানি সামান্য বাড়ছে। এক দফা কৃষকের ক্ষতি হয়ে গেছে।

    এ, আর

  • কোরবানির ঈদের আগে ব্যস্ত লবণ কারখানা

    কোরবানির ঈদের আগে ব্যস্ত লবণ কারখানা

    পশুর চামড়া সংরক্ষণে লবণের প্রয়োজন হয়। তাই কোরবানির ঈদের আগে এর চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। চাহিদা মেটাতে কর্মব্যস্ততা বাড়ে লবণ তৈরির কারখানায়। প্রতিবছরের মতো এবারও এর ব্যতিক্রম নেই। ট্রলার থেকে লবণ নামাতে এবং সেই লবণ পরিষ্কার করে গন্তব্যে পৌঁছাতে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকেরা। চট্টগ্রাম নগরের আনু মাঝির ঘাট এলাকায় লবণ তৈরির ব্যস্ততায় লবণ চাষীরা।

  • কক্সবাজার থেকে খুলনায় ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

    কক্সবাজার থেকে খুলনায় ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    কক্সবাজার থেকে সংগ্রহ করা ইয়াবা খুলনায় নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। তাঁর নাম আশিকুল ইসলাম। তিনি খুলনা জেলা পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

    আজ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু এলাকার শহীদ বশরুজ্জামান গোলচত্বরের সামনে থেকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা–পুলিশ। আশিকুল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে।

    বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান  বলেন, গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে আশিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    জানতে চাইলে খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) আনিসুজ্জামান আজ বিকেলে  বলেন, ‘ইয়াবাসহ এক পুলিশ সদস্য চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জেনেছি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কনস্টেবল আশিকুল ছুটিতে ছিলেন নাকি দায়িত্বরত থাকাকালে চট্টগ্রাম এসেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    এ, আর