ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • চৌগাছায় সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত

    চৌগাছায় সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের চৌগাছায় সাধন কুমার মজুমদার (৫৫) নামে এক শিক্ষক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের গরীবপুর গ্রামের মৃত ওপেন্দ্রনাথ মজুমদারের ছেলে এবং বালিয়া গৌরসুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাধন কুমারের সমর কুমার ও অমল কুমার নামে দুটি ছেলে রয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার বেলা দুইটার দিকে স্কুল থেকে ভ্যান যোগে বাড়ি ফিরছিলেন সাধন কুমার। তিনি চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়কের পলুয়া গ্রামের বাদল মন্ডলের বাড়ির সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি চালবোঝাই ট্রাক ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাধন কুমার নিহত হন। চৌগাছা থানার পুলিশ ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করেছে। ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছেন।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকের চালককে আটকের চেষ্টা চলছে।

    আর খান

  • চৌগাছায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার সময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুর আক্তার।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক তাসমিন জাহান, চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রুহুল আমীন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোর্শেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ, চৌগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, ছাত্রনেতা রিতম, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, এসএম মোমিনুর রহমান, অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল আলম লিটু প্রমুখ। সভায় বিগত এক মাসের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করা হয় । আলোচনায় শহরে চুরি বেড়ে যাওয়া, উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো, হাইড্রোলিক হর্ন বাজানো, শহরের যানজট, কপোতক্ষ নদের পাড় কেটে নেওয়া এবং সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক চোরাচালান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
    বি/এ

  • চৌগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত

    চৌগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছায় সাধন কুমার মজুমদার (৫৫) নামে এক শিক্ষক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

    তিনি উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের গরীবপুর গ্রামের মৃত ওপেন্দ্রনাথ মজুমদারের ছেলে এবং বালিয়া গৌরসুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান বুধবার বেলা দুইটার দিকে স্কুল থেকে ভ্যান যোগে বাড়ি ফিরছিলেন সাধন কুমার। তিনি চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়কের পলুয়া গ্রামের বাদল মন্ডলের বাড়ির সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি চালবোঝাই ট্রাক ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাধন কুমার নিহত হন। চৌগাছা থানার পুলিশ ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করেছে। ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছেন।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকের চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। পারিবারিক সুত্রে জানাযায় সাধন কুমারের সমর কুমার ও অমল কুমার নামে দুটি ছেলে রয়েছে।
    বি/এ

  • দাঁড়িপাল্লা টাঙানো নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৩

    দাঁড়িপাল্লা টাঙানো নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৩

    ডেস্ক নিউজঃ

    চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি স্থানে বিলবোর্ড ও প্রতীক টাঙানো নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে নিয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    এতে মহিলা ইউপি সদস্যসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহতরা হলেন, আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম কনক, সদস্য সাজাহান ও আলিম, কুমারী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজেল হোসেন, ১ নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য রোকসানা খাতুন ও তার স্বামী রাশিদুল ইসলাম। জামায়াত পক্ষের আহতরা হলেন হারুনের ছেলে মুরাদ আলী, মাহাতাবের ছেলে আরিফ, পলাশের ছেলে লাল্টু, সাদেক আলীর ছেলে ওল্টু এবং তার মেয়ে ফাতেমা খাতুন।এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন বলেন, জামায়াত পরিচয়ে যুবলীগ কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৬জন নেতাকর্মী আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।

    অপরদিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমির শফিউল আলম বকুল বলেন, দাঁড়িপাল্লা টাঙাতে গেলে বিএনপির মহিলা ইউপি সদস্য ও তার স্বামী বাধা দেন। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের বাড়িতে হামলা করে। এতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের দর্শনা থানার মদনা-পারকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামে বিলবোর্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকালে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে দুপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। আহতরা হচ্ছেন জামায়াত সমর্থক খাজা এবং বিএনপি সমর্থক আজিজুল ইসলাম।

    এ বিষয়ে দর্শনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সুলতান মাহমুদ বলেন, বিলবোর্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। দুইজন আহত হওয়ার কথা শুনেছি। এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে

    এম কে

  • পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের নতুন পদক্ষেপ

    পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের নতুন পদক্ষেপ

    ডেস্ক নিউজ:

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে বৈঠকে বসবে জাতীয় বেতন কমিশন।

    জাতীয় বেতন কমিশনের সভাপতি জাকির আহমেদ খান এতে সভাপতিত্ব করবেন। পে কমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বর্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিদ্যমান বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় বেতন কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে ১ থেকে ১৫ অক্টোবর সাধারণ নাগরিক, সরকারি চাকরিজীবী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং অ্যাসোসিয়েশন বা সমিতি এই চার শ্রেণিতে প্রশ্নমালার মাধ্যমে কমিশন অনলাইনে সর্বসাধারণের মতামত সংগ্রহ করেছে।

    গত ২৭ জুলাই গঠন করা হয় জাতীয় বেতন কমিশন। যারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে চায় আগামী ডিসেম্বরে।

    এদিকে পে কমিশনের জন্য আলাদা কমিশন কাজ করছে জানিয়ে সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনটি রিপোর্ট পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করে তারপরই কমিশন দিতে হবে। বর্তমান সরকার একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করবে, আর পরবর্তী সরকার সেটি বাস্তবায়ন করবে।
    বি/এ

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল: উন্মোচিত হবে নতুন দিগন্ত

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল: উন্মোচিত হবে নতুন দিগন্ত

    ডেস্ক:

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় দেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি মেডিকেল ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

    আমীর খসরু বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরত এসেছে, এটা কিভাবে গঠন হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। গ্রহণযোগ্য অনেকগুলো নির্বাচন এই ব্যবস্থায় হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, অনির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ কতটা পেছাতে পারে সেটা মানুষ দেখেছে। জনগণের রায় নিয়ে কাজ করতে যতটা সহজ হয়, সেটা অনির্বাচিত সরকারের দ্বারা হয় না।

  • যুবলীগের সভাপতি এখন ইয়াবা ব্যবসায়ী

    যুবলীগের সভাপতি এখন ইয়াবা ব্যবসায়ী

    ডেস্ক নিউজঃ

    বগুড়ার শাজাহানপুরে ৬৫ পিস ইয়াবাসহ গোহাইল ইউনিয়ন যুবলীগের ওয়ার্ড সভাপতি মিরাজুল ইসলাম মিরাজ (৪০) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি গোহাইল সর্দারপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মিরাজুলকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মিরাজ ওই এলাকার মাদক কারবারি।শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত চলছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    এম কে

  • আবারো বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২০৯৫২০ টাকা

    আবারো বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২০৯৫২০ টাকা

    ডেস্ক নিউজ,

    স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    টানা দু’ দফা কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে দু’ হাজার ৬১২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দর

    স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

    প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ
    প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ |সংগৃহীত

    টানা দু’ দফা কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে দু’ হাজার ৬১২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    page-top-ad

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ তিন টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরো জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ছয় শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে, সবশেষ গত ১৮ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে এক হাজার ৩৬৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ ৬ হাজার ৯০৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

    এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৯৭ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৬৯ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪০ হাজার ৭৬১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ১৯ নভেম্বর থেকে।

    এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭৯ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৫৪ বার, আর কমেছে মাত্র ২৫ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

    স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে চার হাজার ২৪৬ টাকায়।

    এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি চার হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি তিন হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে দু’ হাজার ৬০১ টাকায়।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত নয়বার সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে বেড়েছে ছয়বার, আর কমেছে মাত্র তিনবার। আর গত বছর সমন্বয় করা হয়েছিল তিনবার।

    এ/ আর ১৯ নভেম্বর

  • ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    ৬ষ্ঠ নিয়োগ সুপারিশে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা ও কারিগরি জটিলতার কারণে যোগদান করতে পারেননি কিছু সংখ্যক প্রার্থী। এই প্রার্থীদের একটি অংশ দ্রুত অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছিলেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে এনটিআরসিএ। বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই এদের প্রতিস্থাপন করা হবে।

    সূত্র জানায়, ভুল চাহিদায় ৪০০টির বেশি আবেদন জমা পড়লেও প্রতিস্থাপনের জন্য ৩২০টি আবেদন চূড়ান্ত বাছাই করা হয়েছে। এই প্রার্থীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই প্রতিস্থাপন করা হবে।

    এর আগে বিষয়ে এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, ভুল চাহিদায় যারা সুপারিশ পেয়েছেন তাদের আবেদন জমা পড়েছে। তাদেরকে কীভাবে প্রতিস্থাপন করা যায় সে বিষয়ে এনটিআরসিএ কাজ করে যাচ্ছে।

    অপরদিকে প্রার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তারা ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা, প্যাটার্নজনিত সমস্যা, নন-এমপিও পদে বা বিষয়ভিত্তিক অসামঞ্জস্যের কারণে যোগদান করতে পারেননি। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভুগছেন।

    এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া এক স্মারকলিপিতে তারা বলেছিলেন হয়, ৬ষ্ঠ নিয়োগ সপারিশ বিজ্ঞপ্তি-সুপারিশকৃত বিষয়ে কোনো শূন্যপদ নেই বা ২০২৬-২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে পদশূন্য হবে, আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো বা আমাদের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে পারিনি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে যেখানে প্যাটার্ন জনিত সমস্যার কারণে যোগদান করতে পারিনি, কেউ আবার নন এমপিও পদে, আবার কেউ জেনারেল থেকে টেকনিক্যাল এ সপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।প্রার্থীদের অন্যান্য দাবিগুলো ছিলো: ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিস্থাপনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের নভেম্বরের মধ্যেই প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নতুন যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হবে সেসব প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদগুলো যথপোযুক্ত যাচাই বাছাই করে নির্ভুল পদে সুপারিশ করার অনুরোধ করছি। আমাদের নিজ উপজেলায়-জেলায় প্রতিস্থাপন করার অনুরোধ করছি।
    বি/এ

  • আজ মীর নিসার আলী তিতুমীরের মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ মীর নিসার আলী তিতুমীরের মৃত্যুবার্ষিকী

    ডেস্ক নিউজ:

    বিপ্লবী ও বিদ্রোহী মীর নাসির আলী বেশি পরিচিত শহীদ তিতুমীর হিসেবে। তিনি শুধু ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধেই লড়াই করেননি, তিনি বাংলার জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন তার বাঁশের কেল্লা থেকে। ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মীর নিসার আলী তিতুমীরের নাম উজ্জল হয়ে আছে। আজ এই বিপ্লবীর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি সর্বপ্রথম ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াই করে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। মীর নিসার আলী তিতুমীর ১৭৮২ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বারাসত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ মীর হাসান আলী এবং মা আবিদা রোকেয়া খাতুন।গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণের পর তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করেন। কোরান ও হাদিস বিষয়ে অল্প বয়সেই তিনি পাণ্ডিত্য লাভ করেন।পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে মক্কায় অবস্থানকালে তিতুমীর মুক্তি সংগ্রামের পথপ্রদর্শক সৈয়দ আহমদ শহীদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি সমাজ সংস্কারে আত্মনিয়োগ করেন।

    তিতুমীর জীবন শুরু করেছিলেন একজন সমাজ ও ধর্মীয় সংস্কারক হিসাবে। তখন মুসলমান সমাজে যেসব বিদআত (এমন রীতি যা ইসলামসম্মত নয়) এবং শিরক্ (আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উপাস্য হিসেবে সাব্যস্ত করা বা তার উপাসনা করা) ঢুকে গিয়েছিলো, সেগুলোকে দূর করার উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি তার কাজ শুরু করেছিলেন।

    কিন্তু এই ধর্মীয় এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট পরে একটা অর্থনৈতিক এবং ব্রিটিশ বিরোধী প্রেক্ষাপটে পরিণত হয়েছিলো।

    তিতুমীর হিন্দু ও মুসলমান কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করেন এবং জমিদার ও ব্রিটিশ নীলকরদের বিরুদ্ধে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে উৎসাহিত করেন। ২৪ পরগণা ও নদীয়ার অনেক কৃষক তার ডাকে সাড়া দিয়ে তার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    কৃষকদের নিয়ে তিতুমীরের আন্দোলন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই গণ আন্দোলনে রূপ নেয়। তিতুমীরের আন্দোলন, সংগ্রাম, কর্মকাণ্ড এবং জীবনাদর্শ সব কিছুকেই আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে ঔপনিবেশিক পটভূমিতে।

    এই বাংলায় ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে পলাশী যুদ্ধে জয়ী হবার সুবাদে প্রথম রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং সেখান থেকেই ক্রমাগত সারা উপমহাদেশে তাদের রাজ্যসীমা সম্প্রসারিত হয়। আবার এই বাংলা থেকেই ইংরেজ রাজত্বের বিরুদ্ধে শুরু হয় প্রতিরোধ আন্দোলন। একাধিক এবং অসংখ্য প্রতিরোধ আন্দোলন হয়েছে বাংলায় ইংরেজ রাজত্বের বিরুদ্ধে।

    ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনগুলোর পটভূমিতে একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে তিতুমীরের সংগ্রাম।

    প্রজাদের ওপর অত্যাচারের প্রতিকার তিতুমীর করতে চেয়েছিলেন শান্তিপূর্ণভাবে ও সমঝোতার মাধ্যমে। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে বারাসাতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। কোম্পানির বিরুদ্ধে এটাই ছিলো তার প্রথম বিদ্রোহ।

    তিনি ২৪ পরগণার কিছু অংশ, নদীয়া ও ফরিদপুরের একাংশ নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করেন। এই বিদ্রোহ ‘বারাসাতের বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহে ৮৩ হাজার কৃষক সেনা তিতুমীরের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন।

    তার আন্দোলনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য, শেষ পর্যন্ত পরিণত হয়েছিলো উপনিবেশ বিরোধিতায়। এবং এই উপনিবেশ বিরোধিতা করতে গিয়ে, ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে নিজের শক্তি পরীক্ষা করতে গিয়ে, তিনি কখনও ভাবেননি যে তিনি অত্যন্ত অসচ্ছল, ক্ষুদ্র একটি শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং তার বিপরীতে আছে বিরাট, বিশাল, শক্তিধর ইংরেজ রাজশক্তি। বারাসাত বিদ্রোহের পর তিতুমীর বুঝতে পারেন ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ অনিবার্য।

    ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বারাসাতের কাছে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে সেখানে অস্ত্র জমা করেন। বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তিনি ও তার অনুসারীরা এই কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন।

    তার আন্দোলনের একটি বড় প্রতীকী তাৎপর্য ছিলো অন্যায়, এবং শাসকবর্গের অসঙ্গত শোষণের বিরুদ্ধে একটি ন্যায়সঙ্গত অবস্থান নিয়ে দাঁড়ানো এবং প্রতিবাদে জ্বলে ওঠা।

    তিতুমীরের আন্দোলনের দ্বিমাত্রিক একটা তাৎপর্য রয়েছে। তিনি শুধু উপনিবেশ বিরোধী আন্দোলন করেছেন একথা বললে তার অবদানকে কিছুটা সীমিত করা হয়, খণ্ডিত করা হয়। সমাজে অন্যায়, অবিচার, শোষণের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, আন্দোলন ও সংগঠন- সেসব ব্যাপারে তার যে অবদান ছিলো, ঐটিই সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।

    ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে পদাতিক বাহিনী, অশ্বারোহী ও বন্দুকধারী সৈন্যদের একটি বিশাল বাহিনী পাঠায় ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি তিতুমীরের সঙ্গে লড়াইয়ের লক্ষ্যে। নারিকেলবাড়িয়ায় ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে ভীষণ যুদ্ধ হয়।

    ব্রিটিশ সৈন্যরা চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে তাদের বাঁশের কেল্লা। তিতুমীর তার অনুসারীদের অভয় দিয়ে বলেন মৃত্যুকে ভয় পলে চলবে না। এই লড়াই আমাদের শেষ লড়াই নয়। আমাদের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েই এ দেশের মানুষ দেশ উদ্ধার করবে। এই লড়াইয়ের পথ ধরেই একদিন দেশ স্বাধীন হবে।

    ইংরেজদের কামানের গোলাবর্ষণে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা। তিতুমীর ও তার চল্লিশজন সঙ্গী যুদ্ধরত অবস্থায় সেই বাঁশের কেল্লাতেই প্রাণ হারান।

    তিতুমীরের এই আন্দোলন, দেশপ্রেম আর আত্মত্যাগ সব স্বাধীনতাকামীদের মনে প্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।
    বি/এ