ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • খোকসায় ডলফিন হত্যায় যুবক আটক

    খোকসায় ডলফিন হত্যায় যুবক আটক

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার খোকসায় ডলফিন হত্যা করে ফেসবুক-টিকটক করার অপরাধে এক যুবককে আটক করেছেন থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে খোকসা কলেজ রোড থেকে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে সোপর্দ করা হয়েছে।

    অভিযুক্ত যুবক খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আ. আওয়ালের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০)।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে সাদ্দাম একটি ডলফিন পদ্মা নদী থেকে ধরে হত্যা করে সেটি কাঁধে নিয়ে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে।

    ঘটনাটি কুষ্টিয়া বনবিভাগের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় বনবিভাগ কমকর্তা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে সাদ্দামের বিরুদ্ধে খোকসা থানায় মামলা করেন। থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে খোকসা কলেজ রোড থেকে সাদ্দামকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

    খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মো. মঈদুল ইসলাম জানান, বন বিভাগ খোকসা থানায় অভিযোগ করে আমবাড়িয়ার সাদ্দাম নামে একটি ছেলে পদ্মা নদী থেকে ডলফিন ধরে এনে সেটি হত্যা করে টিকটক ভিডিও করেছিল। বন বিভাগ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরে এটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছি এবং আসামিকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়েছে। ডলফিনটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আদালতে আসামির রিমান্ডের আবেদন করেছি। ডলফিন উদ্ধারের কাজে আমরা তৎপর থাকব।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি বলেন, তাদের বাড়ির পাশ দিয়েই ডলফিনটি একজন ভ্যান চালক নিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তার কাছ থেকে নিয়ে ভিডিওটি করেছেন। ভ্যানচালককে তিনি মুখ দেখলে চিনবেন। তবে ভ্যানচালকের নাম জানেন না বলে জানিয়েছে আসামি।

    বিডি/ আর/এনই/
  • মোবাইলে অশোভন বার্তা পাঠালে ২ বছরের দণ্ড ও দেড় কোটি টাকা জরিমানা

    মোবাইলে অশোভন বার্তা পাঠালে ২ বছরের দণ্ড ও দেড় কোটি টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজ:

    ফোনে অশ্লীল বা অশোভন বার্তা পাঠালে হতে পারে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং দেড় কোটি টাকা জরিমানা। এমনকি কাউকে বারবার ফোন করে বিরক্ত করলেও গুনতে হতে পারে এক লাখ টাকা জরিমানা বা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড। এসব বিধান রাখা হয়েছে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ায়।

    ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বুধবার অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করেছে। অংশীজন ও সাধারণ নাগরিকদের মতামত গ্রহণের জন্য খসড়াটি বিভাগের ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

    অধ্যাদেশের ধারা ৭০ অনুযায়ী, যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কাউকে বারবার ফোন করে বিরক্ত করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। আর ধারা ৬৯-এ বলা হয়েছে, টেলিযোগাযোগ বা বেতার যন্ত্রের মাধ্যমে অশ্লীল, ভীতিকর, অপমানজনক বা অশোভন কোনো বার্তা, ছবি বা ভিডিও পাঠালে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দেড় কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।

    এছাড়া, বেআইনিভাবে আড়ি পাতলে দুই বছরের কারাদণ্ড বা দেড় কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

    খসড়া অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা যেমন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন মেসেজিং ও ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ—সবই সরকারের অনুমোদনের আওতায় আসবে। এসব প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে নিবন্ধন নিতে হবে এবং প্রয়োজনে নিরাপত্তা সংস্থাকে তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

    এ খাতে গঠিত হবে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কমিশন’, যা হবে একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কমিশনটি লাইসেন্স প্রদান, নীতিনির্ধারণ, স্পেকট্রাম বণ্টন ও প্রযুক্তিগত মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকবে। পাঁচ সদস্যের এই কমিশনের একজন হবেন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান।

    খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, অনুমতিহীনভাবে টেলিযোগাযোগ সেবা বা বিদেশি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনে যেকোনো প্ল্যাটফর্ম স্থগিত বা বন্ধ করতে পারবে।

    অধ্যাদেশের বিষয়ে মতামত পাঠানো যাবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ই-মেইলে অথবা ডাকযোগে সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভা
    বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা ঠিকানায়।
    সুত্র: ইত্তেফাক
    বি/এ

  • ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ডেস্ক নিউজ:

     

    জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

    বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে একটি সাংগঠনিক নোটিশ প্রকাশ করেন। এতে ছাত্র ও ছাত্রী হলের সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকির জন্য কয়েকজন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়।

    নোটিশে দেখা যায়, ছাত্র হলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুগ্ম আহ্বায়ক আমির হামজা, সদস্য মোহাম্মদ আমানউল্লাহ ও রবিউল ইসলাম রিমনকে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে ছাত্রী হলের কমিটি।ছাত্রী হলের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে—যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন, সদস্য সাদ ইবনে ওয়াহিদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আদিবা হক মিলাকে। এই তালিকায় দুজন পুরুষ সদস্যের নাম থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—‘ছাত্রী হলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ছেলেদের সম্পৃক্ততা কতটা যৌক্তিক?’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা হলে রাজনৈতিক কার্যক্রম চাই না। তাছাড়া ছাত্রী হলের দায়িত্বে ছাত্রদের রাখা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের সাংগঠনিক ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার পরিপন্থি এবং প্রশাসনের পূর্বঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নুর হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়— ক্যাম্পাস এলাকায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ, প্রচার বা সংগঠন পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, লোগো ও প্রতীক রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে তুরস্ক

    বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে তুরস্ক

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

     

    বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় দেশে সরকারিভাবে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল নেই। গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের একাধিক শহরে ২৫টি সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) সেন্টার গড়ে উঠেছে, এতে সফলতাও মিলছে। তারপরও বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় অধিকাংশ ভুক্তভোগী পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চলে যান। সম্প্রতি বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ভুক্তভোগীরা যাচ্ছেন তুরস্কে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল এ চিকিৎসাসেবা নিতে প্রতি বছর বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় আইভিএফ হাসপাতাল করতে চায় তুরস্কের ওকান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আমেরিকা-জার্মানিসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়টির হাসপাতাল রয়েছে। তারা বাংলাদেশেও এ ধরনের হাসপাতাল করতে চায়। বাংলাদেশে তুরস্ক সরকারের অনুমোদিত একমাত্র মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি টার্কিশডক এটি বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের শেষের দিকে হাসপাতালটি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে কোম্পানিটির।

    টার্কিশডক সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। চালুর অন্তত প্রথম দুই বছর তুরস্কের চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের নিয়ে কাজ করবেন। টেকনোলজি ও অভিজ্ঞতা হাতেকলমে শিক্ষা দেবেন তারা। এরপর পুরোটাই চলবে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের দ্বারা।

    বাংলাদেশে বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছেন এমন দম্পতির সংখ্যার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। একই সঙ্গে ঠিক কত সংখ্যক বাংলাদেশি এ সমস্যার সমাধান পেতে দেশের বাইরে যাচ্ছেন, সেই তথ্যও জানাতে পারেননি প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বে প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছেন। উন্নত দেশগুলোতে এই হার সর্বোচ্চ ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ। আর বাংলাদেশের মতো নিম্ন ও মধ্যআয়ের দেশগুলোতে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

    ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা এবং ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টারিলিটি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম বলেন, নিম্ন মধ্যআয়ের দেশে যারা বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভোগেন তাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই দেশের বাইরে যায় চিকিৎসার জন্য।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি রোগী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। বিদেশগামী এসব রোগীর বড় একটি অংশ যাচ্ছেন বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায়। যাদের মূল গন্তব্য ভারত ও সিঙ্গাপুর। যেখানে খরচ হয় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা। বর্তমানে বন্ধ্যত্বের সমস্যার সমাধান পেতে বাংলাদেশিরা তুরস্কমুখী হচ্ছেন। সরকার অনুমোদিত চ্যানেল ছাড়াও ভ্রমণ ও বিজনেস ভিসায়ও অনেকেই গিয়ে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

    টার্কিশডকের মাধ্যমে গত বছর থেকে এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক ব্যক্তি দেশটিতে লিভার, কিডনি ও বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা নিতে গেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই গেছেন বন্ধ্যত্বের সমাধান পেতে। টার্কিশডক বলছে, বাংলাদেশিরা এ চিকিৎসা সিঙ্গাপুরে নিলে যে খরচ হয়, তার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমে

    সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দিচ্ছে তুরস্ক। যেখানে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত মিলে খরচ ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

    টার্কিশডকের কান্ট্রি হেড এম নুরুজ্জামান রাজু আমার দেশকে বলেন, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি আইভিএফ সেন্টার ও হাসপাতাল হয়েছে। অনেকে ভালো সেবা দিচ্ছে। তাদের সেবায় দীর্ঘদিনের সমস্যা নিয়ে থাকা অনেক দম্পতির মুখে হাসি ফুটছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। ফলে বড় অংশই দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তুরস্কেও যাচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি। টার্কিশডকের মাধ্যমে যেসব বাংলাদেশি তুরস্কে চিকিৎসার উদ্দেশে যাচ্ছেন, তাদের ৩০ ভাগই এ জটিলতার সমাধান পেতে যান। এতে বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশের টাকা যাতে দেশেই থাকে তাই এমন চিন্তা।

    তিনি আরো বলেন, তুরস্কের দুটি বেসরকারি কোম্পানি হাসপাতালটি করতে আগ্রহী। ইতোমধ্যে তারা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের শেষদিকে হাসপাতালটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বোনম্যারো ও লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টসহ জটিল রোগের চিকিৎসা চালুরও পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। যেহেতু আমরা মেডিকেল ট্যুরিজম শুরু করেছি, কী পরিমাণ বাংলাদেশি তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে তার তথ্য-উপাত্ত আমাদের কাছে রয়েছে। তাই বিনিয়োগ সহজ হবে। এ বিনিয়োগে বাংলাদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে আগ্রহী হলেও সেটিকেও আমরা স্বাগত জানাব। তাছাড়া সরকারি পর্যায়েও বাংলাদেশে তুরস্কের নানা কার্যক্রম রয়েছে। বাংলাদেশের রোগীদের উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়া আমাদের চাওয়া।

    নুরুজ্জামান রাজু বলেন, বাংলাদেশ সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে এখনো কিছুটা পিছিয়ে। এ হাসপাতাল হলে সেখানকার অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা বাংলাদেশে আসবেন। তাদের জ্ঞান-অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন। চিকিৎসকরা আরো বেশি প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ হবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের কোনো চিকিৎসক তুরস্কে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে চাইলে আমরা সেটিও করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ নিয়ে টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী ফাইক গকসুর সঙ্গে কথা হয়েছে আমার দেশের। তিনি বলেন, ‘গত দুই দশকে তুরস্ক বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকে অন্যতম শীর্ষ দেশ হয়ে উঠেছে। আজকের দিনে তুরস্কের অনেক হাসপাতাল উন্নত প্রযুক্তি, ইনফেকশন কন্ট্রোল, নৈতিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং ক্লিনিক্যাল দক্ষতার দিক থেকে ইউরোপের অনেক প্রতিষ্ঠানকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের লক্ষ্য, এ অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ, যার তরুণ জনসংখ্যা অনেক, কিন্তু স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো সম্পূর্ণভাবে জনগণের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না।’

    ফাইক গকসু বলেন, ‘বাংলাদেশে বন্ধ্যত্ব একটি গভীর মানসিক ও সামাজিক বিষয়, যেখানে বিশ্বস্ত চিকিৎসাসেবার চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। টার্কিশডক এমন একটি মডেল দেয়, যা নৈতিক, ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য এবং বৈজ্ঞানিকভাবে উন্নত। তুরস্কে আমাদের আইভিএফ প্রোটোকলে সফলতার হার ৭০ শতাংশের বেশি এবং সব চিকিৎসা শুধু দম্পতির নিজস্ব জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করেই করা হয়, যা ইসলামি চিকিৎসা নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশে আমাদের নতুন প্রকল্পটি শুধু একটি ক্লিনিক নয়, বরং একটি যৌথ রেফারেন্স সেন্টার। যেখানে তুর্কি ও বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে কাজ করবেন। প্রথম ধাপে আইভিএফ, জেনেটিক স্ক্রিনিং ও নারীদের স্বাস্থ্যসেবা শুরু হবে। দ্বিতীয় ধাপে আমরা লিভার, কিডনি ও বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সমন্বয় প্রোগ্রাম চালু করব। এর ফলে বাংলাদেশের রোগীরা দেশেই উন্নত চিকিৎসা পাবেন, আবার প্রয়োজনে তুরস্কের সঙ্গেও সংযুক্ত থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা নিতে পারবেন।’

    তিনি বলেন, তুরস্ক শুধু চিকিৎসা প্রদানকারী হিসেবেই নয়, বরং একটি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করতে চায়—যারা জ্ঞান, প্রযুক্তি ও নৈতিক মানদণ্ড স্থানান্তর করবে। টার্কিশডকের লক্ষ্য শুধু রোগী স্থানান্তরে সীমাবদ্ধ নয়, আমরা বাংলাদেশে ডাক্তার প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম, যৌথ মেডিকেল সেন্টার, ডিজিটাল কনসালটেশন সিস্টেম এবং উন্নত সার্জিক্যাল প্রযুক্তি স্থানান্তরের উদ্যোগ নিচ্ছি।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখছেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘বাংলাদেশের বড় একটি সমস্যা পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং বিশেষজ্ঞ জনবলের ঘাটতি। হাসপাতালগুলোর ভবন ও কাঠামো ভালো, কিন্তু ইনফেকশন রেট বেশি, উন্নত ডায়াগনস্টিক ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা এবং সার্জারিতে নিরাপত্তা প্রটোকলের অভাবের কারণে সাধারণ মানুষের আস্থা কমে গেছে। এখানেই আমরা পরিবর্তন আনতে চাই। বিশেষ করে তুর্কি মেডিকেল প্রযুক্তিকে বাংলাদেশের হাসপাতালে একীভূত করা, রিমোট ডায়াগনোসিস ও সেকেন্ড ওপিনিয়ন সিস্টেম চালু করা এবং তুর্কি ও বাংলাদেশি চিকিৎসকদের যৌথ সার্জারি ও প্রশিক্ষণ মডেল তৈরি করা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তুরস্কের বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত জিরো ইনফেকশন সার্জিক্যাল মডেল বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হবে। এতে রোগীরা নিরাপদ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা পাবেন।

    সু্ত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • চট্টগ্রামে ফের গোলাগুলি, বিএনপির ৫ নেতা গুলিবিদ্ধ

    চট্টগ্রামে ফের গোলাগুলি, বিএনপির ৫ নেতা গুলিবিদ্ধ

    ডেস্ক নিউজ:

     

    চট্টগ্রামে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এবার জেলার রাউজানে প্রতিপক্ষের গুলিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৫ নেতা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

    বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কুইয়াপাড়া চৌধুরী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

    গুলিবিদ্ধরা হলেন- রাউজান উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ সুমন, বাগোয়ান ইউনিয়ন কৃষক দলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল, বাগোয়ান ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাগোয়ান ইউনিয়ন যুবদলের সহ সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ সোহেলকে গুরুতর জখম করে। তাদের সবার বাড়ি ওই ইউনিয়নে।

    এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ সুমনের বুকে গুলি লাগায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহত ৪ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, আসন্ন ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাউজান উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইস্তিয়াক চৌধুরী অভি প্রকাশ ‘সন্ত্রাসী অভ্যার’ নেতৃত্বে আলতাফ চৌধুরী টুটুল, জনি চৌধুরীসহ ৭/৮ জন অতর্কিত গুলি চালায়।

    স্থানীয়রা জানান, দুর্বৃত্তরা গুলি করে একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তখন কাউকে পাইনি। বর্তমানে আমরা অভিযানে আছি। কি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে জানার চেষ্টা করছি। ঘটনায় জড়িতের আটকের চেষ্টা চলছে।

    এর আগে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহরের পূর্ব বায়েজিদ এলাকার চাইল্লাতলীতে গণসংযোগের সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন বিএনপির মহানগর আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী) আসনের দলীয় প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা (৪৩)।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • বিএনপি-জামায়াতের বাইরে নতুন জোট

    বিএনপি-জামায়াতের বাইরে নতুন জোট

    রাজনৈতিক ডেস্ক:

     

    বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি বলয়ের বাইরে তৃতীয় জোট গড়তে চায় ৯ দল। দলগুলো হলো—গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে থাকা ছয় দল, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ ও এবি পার্টি।

    গতকাল বুধবার বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সভা শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান।

    তিনি বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে নতুন কিছু করার চেষ্টা করছি। ফের এটিকে আমাদের আলোচনার টেবিলে এনেছি। যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা কেউই বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাইনি। তাই তৃতীয় শক্তি বা নতুন জোট হতে পারি কি না- তা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। আমরা এ বিষয়ে আন্তরিক, জনগণও চায় নতুন শক্তির আবির্ভাব হোক। বিএনপি-জামায়াতের বাইরে ৯টি দল ছাড়াও অন্য দলগুলোকে আমরা যুক্ত করব।

    এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করলেও ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে এ সংকট নিরসনে কথা হয়েছে। তবে এটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত সরকারকে নিতে হবে। যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব হারাবে।

    এ সময় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, সরকারের দিক থেকে জুলাই সনদ ও গণভোটের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সাতদিনের সময় দিয়েছে। দলগুলোকেই দায়িত্ব নিতে হবে বলে আমরা মনে করি। সে জায়গা থেকে আমরা বসেছি, কীভাবে সমাধান করা যায়। কিছু বিষয় আমরা কাছাকাছি আসছি। অন্য দলের সঙ্গেও আমরা আলোচনা করব।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন—এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম প্রমুখ।

    সুত্র: আমারদেশ

    বি/এ

  • ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াতের নতুনত্ব

    ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াতের নতুনত্ব

    ডেস্ক নিউজ:

     

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সংস্কার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে বেশ অস্বস্তি বিরাজ করছে। তবে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামীও। দলীয় নিয়মিত সব কর্মসূচিতেই এখন প্রাধান্য পাচ্ছে নির্বাচনি ইস্যু।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তার আগে সব আসনে প্রাথমিকভাবে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে সর্বোচ্চ প্রচারকাজ চালাচ্ছে দলটি। প্রার্থিতার ক্ষেত্রে দলের তরুণ, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্যদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এসব প্রার্থীর গণসংযোগে গতানুগতিক বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসূচিও দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যথাযথ ব্যবহার ও সমাজসেবামূলক কাজকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা।

    এরই মধ্যে রাজধানীসহ সারা দেশে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছেন জামায়াত প্রার্থীরা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ও নারী ভোটারদের কাছে দাঁড়িপাল্লার বার্তা পৌঁছে দিতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। ভোটারদের কাছাকাছি গিয়ে তাদের প্রত্যাশা ও পরামর্শ শোনার পাশাপাশি নিজেদের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছেন। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকদের সঙ্গে মতবিনিময়, অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় সরব জামায়াত প্রার্থীরা। তাদের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে সর্বত্রই ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন টানানো হয়েছে।

    নির্বাচনি প্রচারকাজে সক্রিয় করা হয়েছে জামায়াতের নারী জনশক্তিকেও। হিন্দুসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। এছাড়া ছাত্রশিবির ও ছাত্রী সংস্থাও জামায়াতের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে নিজস্ব নানা কর্মসূচি পালন করছে। সব মিলিয়ে নির্বাচনি এলাকাগুলোতে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন দলটির প্রার্থীরা। তবে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত এসব প্রার্থীর মধ্য থেকে বেশ কিছু আসনে পরিবর্তন আসতে পারে বলেও জানা গেছে।

    এদিকে নির্বাচনি প্রচারে ভিন্ন মাত্রা দেখা গেছে খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের এলাকায়। গত ৩১ অক্টোবর তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হিন্দু সমাবেশ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা চলছে। ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত ওই সমাবেশে ১৪টি ইউনিয়ন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও বাদ্যযন্ত্রসহ বর্ণিল মিছিল নিয়ে জমায়েত হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার ওই সমাবেশে বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে শুধু নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইসলামি সরকার। এবার হিন্দুদের স্লোগান হলোÑ‘সব মার্কা দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ’।

    এর আগের দিন ঢাকাসহ সারা দেশে ‘ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতামূলক ক্যাম্প’আয়োজন করে বেশ সাড়া ফেলে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। সেখানে গোলাম পরওয়ার বলেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত শাসক নয়, সেবকের ভূমিকা পালন করবে।

    ঢাকার আসনগুলোতেও রাত-দিন ব্যাপক প্রচারকাজ চালাচ্ছেন দলটির প্রার্থীরা। এলাকাভিত্তিক গণসংযোগ, প্রচারপত্র বিলি, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, বিভিন্ন পেশাজীবীকে নিয়ে আলাদা মতবিনিময়-সমাবেশসহ নানা কৌশলে তৎপরতা চালাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। গত শুক্রবার ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের মোটর শোভাযাত্রা, বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করার দাবি, প্রীতি ম্যারাথন ইত্যাদি কর্মসূচি বেশ আলোচিত হয়ে ওঠে। যথাসম্ভব জনভোগান্তি এড়িয়ে এসব গণসংযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয় দলটির পক্ষ থেকে।

    নির্বাচনি প্রচারের নানা দিক তুলে ধরে ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা ভোটারের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নারী ও পুরুষ আলাদা গ্রুপ করে গণসংযোগ করছে। প্রতি জুমায় মসজিদ-সংশ্লিষ্টদের অনুমতি নিয়ে কথা বলছি। বিভিন্ন মার্কেটে ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে প্রচার চলছে। তিনি বলেন, এলাকাভিত্তিক খণ্ড খণ্ড সমাবেশের মাধ্যমে আমাদের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছি। এ সময় জনগণের কথাও শুনছি। তারা কী চান, কেমন এমপি প্রত্যাশা করেনÑসেই মতামত শুনে নানা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিক, ছাত্র-শিক্ষকসহ নানা পেশার লোকদের নিয়ে আলাদা প্রোগ্রাম হচ্ছে।

    তিনি আরো বলেন, ভোটারদের কাছে সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান তুলে ধরা হচ্ছে। অনলাইনেও ব্যাপক প্রচার চলছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আধুনিক ঢাকা গড়ার যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তাতে ভোটাররাও বেশ আশাবাদী হচ্ছেন। তবে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে কেন্দ্র পাহারাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতের পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে।

    ঢাকা-১৬ আসনে প্রচারকাজে নিয়োজিত জামায়াত নেতা হাসানুল বান্না চপল জানান, তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ মাধ্যমকে নির্বাচনি প্রচারকাজে লাগানো হচ্ছে। তরুণদের কাছে যেতে যত ধরনের কার্যক্রম সম্ভব, তা করা হচ্ছে। ভোটারদের মাঝে জামায়াতের সব ম্যানিফেস্টো তুলে ধরা হচ্ছে। চলছে সামাজিক ও সেবামূলক নানা কর্মসূচিও। অসহায় মানুষদের নানা ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল সম্প্রতি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বলেন, নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে।

    সব মিলিয়ে মাঠ পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার। তরুণ, নারী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ জোরদারে দলটির প্রার্থীরা চেষ্টা করছেন প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ, জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ, জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    ডেস্ক নিউজ :

    চট্টগ্রাম মহানগরী বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়া এবং এ ঘটনায় একজন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি এবং চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য চরম হুমকি। যখন প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীরা এরকম প্রাণহানির ঘটনা ঘটায়, তখন তা গোটা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আতঙ্কিত করে তোলে। আমি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, আহত জনাব এরশাদ উল্লাহর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

    অধ্যক্ষ নুরুল আমিন আরও বলেন, “এই ধরণের ঘটনা ঘটতে থাকলে তা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে- রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ করা, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা।”

    তিনি প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

    সুত্র: দৈনিক ইনকিলাব

  • খুব কাছ থেকে গুলি করা হয় এরশাদ উল্লাহকে

    খুব কাছ থেকে গুলি করা হয় এরশাদ উল্লাহকে

    ডেস্ক নিউজ :

    চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর গুলি চালানো হয় তার নির্বাচনি প্রচারণার সময়। বুধবার সন্ধ্যায় বায়েজিদ থানার চাইল্লাতলী এলাকায় এ হামলায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সঙ্গে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার হোসেন বাবলা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা আটজন যুবক এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গণসংযোগের সময় দুই হাত দূর থেকে বিএনপির প্রার্থীর দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়া হয়।

    ঘটনাস্থলে রক্তে ভিজে পড়ে থাকা প্রচারণার ব্যানার ও ছেঁড়া প্যাডফ্লেক্স- যেন সহিংস নির্বাচনের ভয়াবহ এক পূর্বাভাস।

    বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হামজারবাগ চাইল্লাতলী এলাকায় বিএনপি প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে উঠান বৈঠক করেন। পরে গণসংযোগ করে সবার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। হঠাৎ গলির দিক থেকে মোটরসাইকেলের শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটির পর একটি গুলি। সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। এরশাদের পায়ে গুলি লাগে বলে জানিয়েছেন তার সহযোগীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    ‘আমরা বুঝে ওঠার আগেই গুলির শব্দে চারদিক কেঁপে ওঠে,’ বলেন প্রত্যক্ষদর্শী মো. হুমায়ান নামে এক দোকানদার। ‘তিনটা মোটরসাইকেলে অন্তত আটজন ছিল। তারা হেলমেট পরা, মুখ ঢেকে এসেছিল।’ আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, প্রায় সবারই কাছে পিস্তল ছিল। গুলির শব্দ শোনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করি।

    ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দোকানে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এই সময় তার দিকে দুই হাত দূর থেকে পিস্তল বের করেন একজন। তারপর তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী  বলেন, নির্বাচন বানচাল করতেই এই হামলা। প্রশাসনকে দ্রুত সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানাই।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (উত্তর) উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন, এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সরোয়ার বাবলা নামে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, পরে তিনি মারা যান।

    ঘটনার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। দলটির পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়।

    চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    সুত্র আমার দেশ

    বি/ এ

  • মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে মেহেরপুরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা

    মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে মেহেরপুরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন সমর্থকদের মধ্যে এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আমজাদ হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মিল্টন পক্ষের বিরুদ্ধে। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বিএনপির দুই কার্যালয় ঘিরে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ, অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় দুই পক্ষ অফিসের ভেতরের আসবাবপত্র বের করে আগুন দেয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ১২টি মোটরসাইকেল।

    মেহেরপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন বলেছেন, মনোনয়ন বঞ্চিত মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থক গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়ালসহ তার ক্যাডার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। হামলায় বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

    সাবেক সাবেক এমপি আমজাদ হোসেনের বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের পর হামলার পাল্টা জবাবে বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টনের অফিস ভাঙচুর করেন আমজাদ হোসেনের  সমর্থকরা। তবে ্দুই গ্রুপের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল নিষ্ক্রিয়।

    আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা দাবি করেছেন প্রথমে মিল্টনের সমর্থকরা একতরফাভাবে হামলা করে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।

    এদিকে মিল্টনের সমর্থক গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু জানিয়েছেন আমজাদ হোসেনের লোকজন তাদের অফিস ভাঙচুর করেছে।

    গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর গাংনীতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    উল্লেখ্য, গতকাল রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মেহেরপুর-২ আসনে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মিল্টনের সমর্থকরা সোমবার রাতেই শহরে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।