ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • মোল্লার হাটে ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের দাবি

    মোল্লার হাটে ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের দাবি

    ডেস্ক নিউজ:

    বাগের হাট জেলার মোল্ল­ার হাটে ধলেশ্বরী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি। প্রতিদিন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীসহ হাজার হাজার মানুষ শ্যালো নৌকাযোগে ধলেশ্বরী নদী পার হচ্ছে। সেতুটি নির্মাণ হলে এলাকার  সাধারণ মানুষের চলা চলে সুবিধা হবে।

    সেতু নির্মানের জন্য সরকারের দৃষ্ট করেছে মোল্লাহাটের স্কুল কলেজ, এলাকার সাধারণ মানুষ।

  • নতুন জাতের ধান চাষে লাভবান

    নতুন জাতের ধান চাষে লাভবান

    ডেস্ক নিউজ:

    চলতি বোরো মৌসুমে চাষি মোস্তফা হাসান চার বিঘা জমিতে মাত্র ২১ কেজি বীজ লাগিয়ে ২২১ মণ ধান উৎপাদন করেছেন। যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা! বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় প্রথমবারের মতো চাষ হয়েছে সোনালি বর্ণের এই ধান।

    বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক জাত ব্রি-১০৮ ধান চাষে এ অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছেন উপজেলার শৌখিন এই চাষি।

    ইউটিউবের মাধ্যমে খোঁজ পেয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে কৃষক মোস্তফা হাসান শেরপুর থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে ২১ কেজি বীজ ধান সংগ্রহ করেন। চার বিঘা জমিতে কিষান খরচ, জমি চাষ, সার ওষুধ ও সেচ খরচ মিলে তার প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অধিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও খরা সহিষ্ণু হওয়ায় বীজতলা থেকে শুরু করে ধান পাকা পর্যন্ত তার এই খরচ হয়েছে বলে জানান। সার ব্যবস্থাপনা কম লাগায় ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় অধিক লাভের আশা প্রকাশ করেন। জানুয়ারিতে রোপণ করা ধান ইতোমধ্যে পেকে গেছে। এক শতক জমির ধান নমুনা কর্তনে ৪৫ কেজি ধান পেয়েছেন। মাঠপর্যায়ে প্রতি মণ ধানের মূল্য ১ হাজার ৬০০ টাকা বলে তিনি জানান। ২/১ দিনের মধ্যে বাকি ধান কাটা হবে বলে জানান মোস্তফা হাসান।

    ইতোমধ্যে ফকিরহাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে বীজের জন্য ২০ মণ ধানের চাহিদার কথা জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন।

    রোববার  সকালে উপজেলার বাহিরদিয়া ব্লকে কৃষক মোস্তফা হাসানের ধানক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, আশেপাশের অনেক কৃষক আগ্রহ নিয়ে ধান দেখতে এসেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তাসহ কৃষি বিভাগের লোকজন কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।

    উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নয়ন সেন বলেন, সোনালি রঙের ব্রি-১০৮ জাতের ধানটি এই উপজেলায় প্রথম চাষ হয়েছে। সম্ভবত জেলায়ও প্রথম হবে। এ ধানের চাল মাঝারি লম্বা ও চিকন। ভাত ঝরঝরে ও সুস্বাদু হওয়ায় উচ্চ মূল্যের জিরা ধানের বিকল্প হিসেবে উদ্ভাবন করা হয়েছে। একদিকে উৎপাদন খরচ কম, অন্যদিকে অধিক দামের কারণে ইতোমধ্যে ধানটির প্রতি ব্যাপক চাহিদার সৃষ্টি হয়েছে।

    কৃষক মোস্তফা হাসান ও ক্ষেত মজুর রহমত ফকির জানান, ৪ বিঘা ৫ শতক জমিতে ব্রি-১০৮ ধান চাষের সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা লাভ হবে। এ অঞ্চলে প্রথম চাষেই সাফল্য পাওয়ায় অনেক চাষি এটি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাদের সহযোগিতা করতে চান তিনি। কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ব্রি-১০৮ হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আবিষ্কৃত সর্বাধুনিক জাতের ধান। এ ধানটি অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশি উৎপাদন হয়। প্রতি গোছায় গড় কুশির সংখ্যা ১৬/১৭টি। দানার পুষ্টতা শতকরা ৮৮.৬ ভাগ। চালে প্রটিনের পরিমাণ ৮.৮ ভাগ যা অন্যান্য চালের তুলনায় বেশি স্বাস্থ্য সম্মত।

    উপজেলার অন্যান্য কৃষকদের মাঝে ধানটি ছড়িতে দিতে এই ক্ষেত থেকে সরকারিভাবে বীজ সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

  • নারকেলের ছোবড়ায় সাবলম্বী ৮০ টি পরিবার

    নারকেলের ছোবড়ায় সাবলম্বী ৮০ টি পরিবার

    ডেস্ক নিউজ :

     

    বাগেরহাটের সদর উপজেলার বাসাবাটি এলাকায় নারীদের হাতে তৈরি অর্গানিক পণ্য এখন শুধু ঘরের সাজসজ্জা নয়, তাদের জীবিকা ও স্বপ্নের উৎস। নারকেলের ছোবড়া, কাঠ, কাপড় ও সুতা দিয়ে তাদের হাতে তৈরি পাখির বাসা, বিড়ালের খেলনা, দোলনা, জুতাসহ নানা ধরনের পণ্য বাজারে বিক্রি হয়। জার্মান, জাপান, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয় এগুলো। রোজী আহমেদের উদ্যোগে নারীবান্ধব এই কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন ৮০ জন নারী। এই শ্রম শুধু নারীদের আয়ের পথই খুলে দেয়নি, জুগিয়েছে তাদের আত্মবিশ্বাস।

    সরেজমিনে দেখা যায়, রোজী আহমেদের ফ্যাক্টরিতে, বাড়ির উঠানে এবং পাশের দুটি একতলা ভবনে তৈরি হচ্ছে ৫০-৬০ প্রকারের অর্গানিক পণ্য। নারকেলের ছোবড়া ও আঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে পাখির বাসা, দোলনা, নারকেলের জুতা। কাঠ, কাপড় ও সুতো দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিড়ালের খেলনা, চপিং বোর্ড, দোলনা, কাপড়ের ব্যাগ। প্রতিটি পণ্যে নারীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়া স্পষ্ট। প্রতিটি পণ্য নকশা অনুযায়ী সজ্জিত করা হয়, পরিশোধন করা হয়, এবং বিদেশে পাঠানোর জন্য নিখুঁতভাবে প্যাক করা হয়। জার্মান, জাপান, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এই উদ্যোগে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীরা প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছেন। প্রতিটি পণ্যে তাদের শ্রম ও সৃজনশীলতার ছোঁয়া রয়েছে।

    রোজী আহমেদের তিনতলা বসতবাড়ি ও পাশের দুটি একতলা ভবন মিলিয়ে গড়ে উঠেছে অর্গানিক প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরি। এখানে কমপক্ষে ৮০ জন নারীকর্মী কাজ করছেন। তারা প্রত্যেকে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা আয় করছেন। নিরিবিলি পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নারীরা অত্যন্ত খুশি।

    করোনার সময় যখন সমস্ত মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল, তখনই রোজী আহমেদ ফেসবুকে নিজের হাতে তৈরি নারকেলের মাজুনি বিক্রি শুরু করেন। কিছুদিনের মধ্যে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর উদ্দিপন নামের একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আঁশের তৈরি পাখির বাসার তৈরির অর্ডার দেন। এরপর একের পর এক নতুন পণ্য তৈরি শুরু হয় এবং দেশের পাশাপাশি বিদেশে বিক্রি করা শুরু হয়।

    বিসিক, বাগেরহাট উপ-ব্যবস্থাপক শরীফ সরদার বলেন, রোজী আহমেদের উদ্যোগ নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। অর্গানিক পণ্য তৈরির মাধ্যমে দেশেও বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে। এটি অন্যান্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। রোজী আহমেদ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা-২০২৪’ পেয়েছেন।

    বাগেরহাটের এই উদ্যোগ শুধু নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে না, দেশেও বৈদেশিক মুদ্রা আনার পথ খুলছে। প্রতিটি নারী শ্রমিকের প্রতিদিনের শ্রম, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায় অর্গানিক পণ্যকে দেশের এবং বিদেশের বাজারে পরিচিতি দিয়েছে। রোজী আহমেদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ অসহায় নারীদের জীবনে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছে।

    নারীরা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছে, নতুন কিছু তৈরি করছে, এবং প্রতিটি পণ্যের সঙ্গে তাদের জীবনের গল্প ও স্বপ্ন মিশে আছে। এই উদ্যোগ অন্য নারীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস এবং এটি প্রমাণ করছে, উদ্যোক্তা নারীর উদ্যোগে একদম ছোট উপকরণ থেকেও বিশাল অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব।

  • দামুড়হুদায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    দামুড়হুদায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ডেস্ক নিউজ

    ডিমের ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, পণ্যের মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়সহ নানা অপরাধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন জেলা টাস্কফোর্স কমিটি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

    রোববার দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি বাজার ও দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিম, পেয়াজ, মাছ-মাংশ, সবজি ও মুদিদোকানসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করার সময় এ জরিমানা করা হয়।

    অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোহা. সজল আহম্মেদ জানান, অভিযানে ডুগডুগি বাজারে মেসার্স রাজিব স্টোর নামক প্রতিষ্ঠানে ডিমের ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রাজিব হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৫১ ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর মেসার্স শামিম ট্রেডার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক শামিম হোসেনকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক বিক্রয়, সারের মুল্যতালিকা না থাকা, দাম বেশি নেওয়া ও ভাউচার প্রদান না করার অপরাধে একই ধারায় ৫ হাজার টাকা, এবং অপর একটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৌশিক স্টোরের মালিক সুদেব হালদারকে একই ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন- জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান, ছাত্র প্রতিনিধি মুশফিকুর রহিম, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম।

  • নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ডেস্ক নিউজ :

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শাপলা প্রতীক কেন দেবে না তার ব্যাখ্যা দেয়নি নির্বাচন কমিশন। যার ফলে এই নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

    রোববার (২ নভেম্বর) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এনসিপির জেলা ও মহানগর সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারী করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা বিপ্লবের কফিনে শেষ হবে।

    তিনি বলেন, তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যেন একটা গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে যেতে পারি, তার বড় দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর।

    সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।

    সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা।

    সুত্র: ঢাকামেইল

  • খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    ডেস্ক নিউজ :

     

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) আইটি গেট সংলগ্ন স্থানীয় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা । এতে গুলিতে স্কুল শিক্ষক ইমাদুল হক (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বছিতলা নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। এর আগে তিনি ইউসুফ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

    এছাড়া যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শেখসহ (৪৫) আরো দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অন্যরা হলেন—বেল্লাল খান (৫৫) ও মিজানুর রহমান (৫৮)। তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানা যায়, রোববার রাত ৯টার দিকে বিএনপি নেতা মামুন শেখ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অফিসে বসেছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ অফিস লক্ষ্য করে পরপর দুটি বোমা ও চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক ইমাদুল হক, মামুন, বিল্লাল ও মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন৷ পরে তাদেরকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাদুল হক মারা যান। তিনি এশার নামাজের পর ওই বিএনপির অফিসে ওয়াজ মাহফিলের টাকা কালেকশন করার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    কেএমপির এসি (মিডিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম জানান—সন্ত্রাসীদের গুলিতে ও বোমা হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে বলে জানতে পেরেছি ৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।

    সুত্র: দৈনিক আমার দেশ

  • দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও সফল মঙ্গল মিয়া

    দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও সফল মঙ্গল মিয়া

    ডেস্ক নিউজ:

    বর্তমান সমাজে অনেকেই প্রতিবন্ধকতাকে জীবনের বোঝা মনে করে ভিক্ষাবৃত্তি বা নির্ভরশীলতার পথ বেছে নেন। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার মঙ্গল মিয়া সেসব মানুষের জন্য অনন্য উদাহরণ। দুই চোখ অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজ পরিশ্রমে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং প্রতিটি মুহূর্তে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন স্বাবলম্বী হয়ে।

    চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার আইলহাঁস ইউনিয়নের পুড়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মঙ্গল মিয়া প্রায় ৩৫ বছর ধরে দৃষ্টিহীন। তবু তার কথা বলা, চলাফেরা ও কাজের ধরন দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তিনি চোখে দেখতে পান না।

    প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মঙ্গল মিয়া হাতে একটি লাঠি নিয়ে বের হন। কোনো সহযোগিতা ছাড়াই তিনি খুলেন নিজের ছোট্ট দোকান। সেখানে তিনি বাইসাইকেল, পানির পাম্প, স্যালো মেশিন এমনকি পাওয়ার টিলার পর্যন্ত মেরামতের কাজ করেন।

    অন্ধত্ব সত্ত্বেও তার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দেখে এলাকাবাসী বিস্মিত হন। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ তাদের স্যালো মেশিন, টিউবওয়েল বা পাওয়ার টিলার মেরামতের জন্য একমাত্র মঙ্গল মিয়ার ওপর নির্ভর করেন। শুধু তাই নয়, তিনি হাতের স্পর্শেই টাকার পরিমাণ বুঝতে পারেন এবং একবার শোনা ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারেন নিখুঁতভাবে।

    স্থানীয়রা জানান, মঙ্গল মিয়া একজন পরিশ্রমী ও দক্ষ মেকানিক। অন্ধত্ব কখনোই তাকে থামাতে পারেনি। বহু দূর থেকেও মানুষ তার কাছে মেশিন মেরামত করাতে আসেন।

    নিজের জীবনের গল্প বলতে গিয়ে মঙ্গল মিয়া বলেন, ‘প্রায় ৩৫ বছর হলো আমি চোখে দেখি না। ছোটবেলায় সাইকেল সারানোর কাজ শিখেছিলাম। পরে স্যালো মেশিন ও পাওয়ার টিলার মেরামত শিখি। এমনকি একসময় বিদ্যুতের কাজও করেছি। একা একাই সব করি। এখন পর্যন্ত আনুমানিক এক লাখেরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপন করেছি।’

    চোখে না দেখেও জীবন ও পরিশ্রমের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন মঙ্গল মিয়া। তার অদম্য সাহস ও পরিশ্রম প্রমাণ করে- ইচ্ছা থাকলে অন্ধত্বও কোনো বাধা নয়, বরং প্রেরণার উৎস হতে পারে।

  • স্কুলের উদ্দেশে বেরিয়ে আর ফেরেনি

    স্কুলের উদ্দেশে বেরিয়ে আর ফেরেনি

    ডেস্ক নিউজ:

    ড়াইলের কালিয়া উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে দিমা ইসলাম (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) দিমার বাবা কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নিখোঁজ দিমা কালিয়া উপজেলার বাঁকা গ্রামের শরিফুল ইসলাম শিকদারের মেয়ে।

    নিখোঁজের পরিবার ও সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দিমা নিজ বাড়ি থেকে কালিয়া উপজেলার পিয়ারী মংকর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়। এরপর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও ওই স্কুলছাত্রীর কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে দিমার বাবা গত শুক্রবার কালিয়া থানায় মেয়ের সন্ধান চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    দিমার মা নিলুফা বেগম বলেন, আমার মেয়ে খুবই সহজ-সরল। সেদিন স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হয়েছিল, তারপর আর ফিরে আসেনি। আমরা খুব চিন্তায় আছি।

    কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিখোঁজের বিষয়ে আমরা দেশের বিভিন্ন স্থানে তথ্য পাঠিয়েছি। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বাত্মক তৎপরতা চালাচ্ছে।

  • থানায় অভিযোগের পর ব্যবসায়ীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

    থানায় অভিযোগের পর ব্যবসায়ীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

    ডেস্ক নিউজ:

    নড়াইল সদর উপজেলায় চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়েরের পরের দিনই আসাদুল খন্দকার নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যদিও বিস্ফোরণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ব্যবসায়ীর পরিবার।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদরের আগদিয়া গ্রামের ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামিল কবির ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ব্যবসায়ী আসাদুলের মুঠোফোনে অপরিচিত এক নম্বর থেকে ফোন করে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দ্বিতীয় দফায় ঘণ্টা খানেক পর আবারও ফোন করে চাঁদা না দিলে বোমা মারার হুমকি দেওয়া হয়। পরের দিন (২৮ অক্টোবর) সদর থানায় ভুক্তভোগী একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগের পরদিন বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিস্ফোরণ ঘটানোর পর হুমকি দাতারা পুনরায় আসাদুলকে ফোন করে নিশ্চিত করেন, তারা কথা রেখেছেন। ওই কল রেকর্ডে হুমকিদাতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আসাদুল, তুই বলছিলি যা পারি করতে। দেখছিস পারি কি না? ফোন নম্বর নিয়ে যা পারিস কর’।

    ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আসাদুল খন্দকার বলেন, আমার ছেলে-মেয়ের তথ্য দিয়ে আমাকে মুঠোফোনে দুই দফায় হুমকি দেওয়া হয়। ৬ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে বোমা মারার হুমকিও দেয় তারা। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) হুমকিদাতাদের মোবাইল নম্বর নিয়ে সদর থানায় ঘুরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে না পেরে অভিযোগ দিয়ে আসি। অভিযোগ দিয়ে আসার পর, পুলিশ আমার খোঁজ না নিলেও সন্ত্রাসীরা ঠিকই বোমা মেরে গেছে।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তদন্ত করে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সুত্র: প্রথম আলো

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৭

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৭

    ডেস্ক নিউজ:

    নড়াইলের লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের বড়দিয়া-মঙ্গলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হলেন, প্রিন্স শেখ (২৬), বিপুল মোল্যা (৪০), রানা মোল্যা (৩০), রাসেল মোল্যা (৩০), রাফিন (১৬), সৌরভ মোল্যা (১৪) ও মিল্টন মোল্যা (৩০)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয় বিপুল মোল্যা ও মিল্টন মোল্যার মধ্যে ধান মাড়াই করা ধুলোবালি ঘরের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে এ ঘটনা নিয়ে নওশের মোল্যা সমর্থিত বিপুল মোল্যা ও মজিবর মেম্বারের সমর্থিত মিল্টন মোল্যার মধ্যে দেশীয় অস্ত্র, টেঁটা (কোচ) ও ছুরি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সংঘর্ষে বিপুল মোল্যা মুখে টেঁটাবিদ্ধ হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকার পরিবেশ বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।