ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • ৫৫ লাখ টাকার সোনার বারসহ রাজশাহী এক যুবক গ্রেফতার

    ৫৫ লাখ টাকার সোনার বারসহ রাজশাহী এক যুবক গ্রেফতার

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ভারতে সোনা পাচারকারী একজনকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ। সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোদাগাড়ী পৌরসভার হাটপাড়া ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছে থেকে ২৯৪ দশমিক ১৩ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতার মো. মোশারফ হোসেন (২০) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চর আলাতলী ইউনিয়নের বকচর গ্রামের মো. নাইমুল ইসলামের ছেলে।
    গোদাগাড়ী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের একটি বিশেষ দল। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোশাররফ পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে পাঁচটি সোনার বারের কাটা অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ২৯৪ দশমিক ১৩ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

    তিনি আরও বলেন, মোশারফ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান পলাতক ডাবলু ও জাহিদসহ আরও দুই-তিনজনের সহযোগিতায় তিনি বিভিন্ন জেলা থেকে সোনা সংগ্রহ করে ভারতে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। উদ্ধারকৃত সোনা ও আসামির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।

    ওসি আরও বলেন, এটি একটি আন্তর্জাতিক সোনা পাচারচক্রের অংশ হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে ও পলাতক সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

  • বীরগঞ্জে দেড় শ বছরের ঐতিহ্যের ঘোড়া-মহিষের মেলা শুরু

    বীরগঞ্জে দেড় শ বছরের ঐতিহ্যের ঘোড়া-মহিষের মেলা শুরু

    বিডি নিউজ ডেস্কঃ

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা সংবাদ

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বৈরবাড়ী, চাপাপাড়া ও হিরামণি মৌজাজুড়ে শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ও দেড়শ বছরের পুরোনো ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা। বাংলা কার্তিক মাসের শ্যামাপূজার অমাবস্যা উপলক্ষে আয়োজন করা এই মেলা। শুধু পূজাকেন্দ্রিক নয়, এটি আজ গ্রামীণ সমাজ, লোকজ সংস্কৃতি ও বাণিজ্যের মহামিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। সাত দিনের পূজার আনুষ্ঠানিকতার পরও মেলার রেশ থাকে পুরো মাসজুড়ে।

    মেলায় সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ঘোড়ার হাট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও রংপুর থেকে আগত বিক্রেতারা এনেছেন তাজি, ভুটানি, মনিপুরী, পঙ্খীরাজ ও রাজা বাহাদুরসহ বিরল জাতের ঘোড়া।

    চিরিরবন্দর থেকে আসা বিক্রেতা ইউসুফ আলী জানান, তিনি চারটি ঘোড়া মেলায় নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে একটি তাজি জাতের ঘোড়ার দাম চেয়েছেন ৩ লাখ টাকা, তবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব পাওয়া গেছে।ঘোড়ার পাশাপাশি মহিষের হাটেও চলছে পাল্টাপাল্টি দর-কষাকষি। সারি সারি পাড়া মহিষ, গয়াল ও দেশি জাতের মহিষ নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বিক্রেতারা। আকার ও ওজনভেদে প্রতি জোড়া মহিষের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত।

    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের আলম হোসেন বলেন, তিনি তিন জোড়া পাড়া জাতের মহিষ এনেছিলেন, যার মধ্যে দুই জোড়া তিনি বিক্রি করেছেন।এক জোড়া ৫ লাখ ৫০ হাজার ও আরেক জোড়া ৫ লাখ টাকা।

    মেলা প্রাঙ্গণে শুধু পশু বেচাকেনা নয়, রয়েছে গ্রামীণ উৎসবের পুরো আবহ। শিশুদের খেলনা, মিঠাই-মিষ্টি, নাগরদোলা, গৃহস্থালির সামগ্রী, হস্তশল্প ও লোকজ পণ্যের অসংখ্য দোকানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। পুরোনো দিনের মেলার রঙ, তাল আর উচ্ছ্বাস এখনো অক্ষুণ্ন রেখেছে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা।

    মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহমেদ বলেন, মেলা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    ক্রেতা-বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা রক্ষায় স্থানীয় মেলা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও লোকসংস্কৃতির অমূল্য নিদর্শন হিসেবে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে শুধু একটি মেলা নয়, বরং গ্রামবাংলার মানুষের মিলনমেলা ও স্মৃতির উৎসব হয়ে আছে।

  • আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়াসহ তিন দাবিতে অনশন করছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। অনশনে এরইমধ্যে ছয়জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আদনান হাবিবুর রহমান এ তথ্য জানান। এরআগে, সোমবার চারজনের অসুস্থ হওয়ার খবর জানান এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসাইন আজিজী।

    ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন শিক্ষকরা। টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকরা থালা-বাটি নিয়ে ভুখা মিছিল করেন।

    অন্যদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয় এই সম্মতি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    এদিকে, দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষকরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন বলে সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঘোষণা দেওয়া হয়।

  • জনপ্রশাসনের ৯ সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর

    জনপ্রশাসনের ৯ সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    সরকার জনস্বার্থে নয়জন সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে। সোমবার রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।

    অবসরপ্রাপ্ত সচিবরা হলেন—

    ১. মো. মনজুর হোসেন (৫৪৯০), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ২. মো. মশিউর রহমান, এনডিসি (৫৫৬৮), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৩. মো. সামসুল আরেফিন (৫৭৭৩), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৪. মো. মিজানুর রহমান, এনডিসি (৫৯২৪), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৫. মো. আজিজুর রহমান (৫৯২৯), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৬. মো. নূরুল আলম (৫৯৯৪), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৭. ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ (৬০৬৫), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৮. ড. এ কে এম মতিউর রহমান (৭৬৩১), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৯. শফিউল আজিম (৬৩৬৫), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    সুত্র: যুগান্তর

  • শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    স্টাফ রিপোর্টার

    বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাথায় কালো কাপড় বেঁধে শাহবাগে অবস্থান করে মৌন মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। জেলা সদর ও উপজেলা সদরে শিক্ষকরাও এই কর্মসূচি পালন করবেন।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

    বক্তারা জানান, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির ৩ দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফেরত যাবেন না তারা।

    এর আগে রোববার (১৯ অক্টোবর) অষ্টম দিনের কর্মসূচি হিসেবে শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকদের ভুখা মিছিল কর্মসূচিটি পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়লে শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়।

    এদিন সকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়ায় সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। কিন্তু সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    বাড়ি ভাড়া ২০ শতাংশ, মেডিকেল ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা ও উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

  • আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    • ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে থেকে চালাচ্ছেন পরিষদের কার্যক্রম। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিক সেবাসহ পরিষদের কাগজপত্র গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে কোনো রকমে চলছে পরিষদের কার্যক্রম। অন্যদিকে কাগজে-কলমে গ্রাম আদালত পরিচালনা হলেও বাস্তবে পরিষদ থাকে বন্ধ। জনগণের সেবায় পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক হলেও দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে অদৃশ্যভাবে চালানো হচ্ছে পরিষদ। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। চিত্রটি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য, গ্রাম আদালত পরিচালনার রুম তালাবদ্ধ। দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানকালে পরিষদের রুমগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। এসময় শুধু অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের রুম খোলা পাওয়া যায়।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান যাদু মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে গেলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম অদৃশ্য স্থান থেকে পরিচালনা করছেন। তিনি এক বছর ধরে পরিষদে আসেন না। তবে পরিষদের কাগজপত্র একজন গ্রাম পুলিশকে দিয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নেয়া হয়।গ্রাম আদালত পরিচালনা নেই বললে চলে। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ নাগরিক সেবার কাগজপত্রে জনগণকে বুড়িরহাটে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে হয়। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়াসহ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে পরিষদের এলেও পাঁচ থেকে দশ মিনিটের বেশি থাকেন না বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা, আইনশৃঙ্খলা সভাসহ অন্যান্য সভায় রয়েছেন প্রায় ৮ মাস ধরে অনুপস্থিত। তবু তিনি রয়েছেন বহালতবিয়তে।ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকাবাসী একরামুল জানান, চেয়ারম্যান অনেক দিন ধরে অফিসে আসে না। ফলে জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। জনগণ যেখান থেকে সেবা পাওয়ার কথা, সেখান থেকে পাচ্ছে ভোগান্তি। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন এসে যখন দেখছেন পরিষদে চেয়ারম্যান নেই, তখন তাদের বুড়িরহাটে চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।গ্রাম পুলিশ আব্দুল ওহাবকে কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি কাগজপত্র চেয়ারম্যান সাহেবে যেখানে থাকে, সেখানে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসি। আমাকে সচিব কাগজ দেন, আমি স্বাক্ষর নিয়ে আসি।হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোর্শেদুল হক বলেন, আমরা জনগণকে সেবা দিচ্ছি। প্রথমে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে তিনি তা স্বীকার করেন। অফিসের সব রুমে তালাবদ্ধ, কেউ কি অফিসে আসেন না, জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, সচিব ম্যাডাম কিছুক্ষণ আগে চলে গেছেন। গ্রাম আদালতের সব মামলা মীমাংসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাই আজ গ্রাম আদালত বসেনি। নাগরিক সনদে স্বাক্ষর নেয়া রয়েছে, জনগণ এলে দেয়া হয়। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবার জন্য চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান না আসায় ট্রেড লাইসেন্সসহ নাগরিক সেবায় একটু হলেও ভোগান্তি হচ্ছে।ইউপি সচিব আনোয়ারা বেগম জানান, চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে আসেন। জনগণের অতি প্রয়োজন হলে বুড়িরহাটে তার নিজস্ব অফিসে পাঠানো হয়। নাগরিক সেবা দেয়া হচ্ছে। আমি অফিস থেকে কিছুক্ষণ আগে বাড়ি এসেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, নাগরিক সেবা বঞ্চিত হচ্ছে, ভোগান্তি হচ্ছে এ রকম অভিযোগ আমাকে এখন পর্যন্ত কেউ দেয়নি। উপজেলা পরিষদের সভায় তিনি প্রতিনিধি পাঠান। ওই চেয়ারম্যানের সাথে এখন পর্যন্ত আমার দেখা হয়েছে বলে মনে পড়ে না। অফিস সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্যদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কেন অফিস বন্ধ থাকে, কেন তিনি উপস্থিত থাকছেন না, এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

  • বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সভাস্থল চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে সারজিস আলম বগুড়ায় এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও জেলা পুলিশ।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়া শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু পরেই বিকাল সাড়ে ৪টায় পুলিশি পাহারায় সারজিস আলম পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ।

    বগুড়া জেলা এনসিপি নেতা সৈকত হাসান বলেন, সারজিস আলম বগুড়া জেলার কার্যালয় উদ্বোধন শেষে জেলা পরিষদ হলরুমে সমন্বয় সভায় অংশ নিয়েছিলেন। সভা চলাকালীন সময়ে জেলা পরিষদ চত্বরে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। অপর একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলে।

    জেলা পরিষদ থেকে যাওয়ার পূর্বে সারজিস আলম গণমাধ্যমকর্মীদের আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশের ভূমিকা আরো দায়িত্বশীল হওয়ার দরকার ছিল। রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমরা যাদেরকে অন্তবর্তী সরকারে বসিয়েছি তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নমনীয়ভাবে দেশ চালাচ্ছে এতে জুলাই স্পিড থেকে অনেক দূরে।তিনি বলেন বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির জানান, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে অতিদ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত আসামি চন্দন কুমার পালের পক্ষে করা আবেদন শুনানি না করায় তা নামঞ্জুরক্রমে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

    এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দায়রা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তাকে সহায়তা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার রুবী ও কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।

    জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন পালের জামিন ইস্যুতে বিচারক ও পিপির অপসারণসহ ৮ দফা দাবিতে এদিন সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং হতাহত পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

    এসময় জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাহামুদুল হাসান রাকিব, এনসিপি নেতা রাশেদুল হাসান দেওয়ান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহনূর রহমান সায়েম, মোর্শেদ জিতুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পাল সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ৬ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে এবং সর্বশেষ আরো একটি মামলায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর জেলা দায়রা আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে পরদিন জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। আজ ২০ অক্টোবর ছিল সেই মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ।

    আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের মুক্তির খবর জানাজানি হলে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। গুঞ্জন ওঠে, তিনি জামিনে মুক্তির পর দেশত্যাগ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন-পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের পর গত ৬ অক্টোবর সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা আদালত, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান গেটে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন।

    • পরবর্তী সময় ওই দিন বিকেলে চন্দন কুমার পালের দেশত্যাগের আশঙ্কায় তার পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি বিশেষ আবেদন করেন। সেই বিষয়ে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে চন্দন কুমার পালের পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
  • জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ আহমেদকে হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ছাত্রীর নাম বর্ষা আক্তার। তাকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন জুবায়েদ।

    রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটের বর্ষাকে তার নিজ বাসা রাজধানীর বংশালে নূর বক্স রোডে রৌশান ভিলা থেকে আটক করা হয়। এছাড়া বাড়ির বাকি সদস্যদেরও কড়া নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।

    নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হওয়া জুবায়েদের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছেন, হত্যায় সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অতি দ্রুত খুনিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    বিডি নিউজ ডেস্ক :

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন