ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • তিন বাহিনী প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ রাষ্ট্রপতির অধীন

    তিন বাহিনী প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ রাষ্ট্রপতির অধীন

    নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইমস ডট কম

    তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) মহাপরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এ প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা হয়।

    এর আগে বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিয়ে একটি ধারণাপত্র তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়েছেন।

    বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে ঐকমত্য কমিশন আরও কিছু নিয়োগে রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে।

    তিন বাহিনীর প্রধান ও দুই গোয়েন্দাপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতার বিষয়টির পাশাপাশি আরও ৯টি নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ঐকমত্য কমিশন। অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য।

    ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, এসব প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচনার জন্য দেওয়া হয়েছে।

    বিডি/আরআই

  • দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর বিএসএফের

    দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর বিএসএফের

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

     

    চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা আইসিপি দিয়ে ১৫ বাংলাদেশী নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকে এ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ১৫ বাংলাদেশীকে ভারতের ৩২ বিএসএফ দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আজ ফেরত দেয়। পতাকা বৈঠক শেষে ভারতের হেফাজত থেকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক নাজমুল হাসান বলেন, বিএসএফ কর্তৃক ফেরত দেয়া বাংলাদেশীরা ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের নারনাউল জেলখানায় বন্দী ছিলেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে দর্শনা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন দলের নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

    বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বুধবার অসুস্থ হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন। এই মুহূর্তে দেশ ও জাতির সার্বিক পরিস্থিতিতে তার অবদান খুবই প্রয়োজন।

    তিনি আরো বলেন, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করার জন্য আমরা দেশের সকল নাগরিক, সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি এবং দেশে-বিদেশে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আল্লাহ তাআলা যেন জামায়াত আমিরকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার তাওফিক দান করেন, আমীন।

  • জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    নিউজ ডেস্ক:

     

    হার্টে একাধিক ব্লক ধরাপড়ার পর বাইপাস সার্জারির জন্য বুধবার থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন অর্ন্তরবর্তীকাইলক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহামম্দ ইউনূস।

    জামায়াত আমিরের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসে বলা হয়, বাইপাস সার্জারির জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সামগ্রিক খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি জামায়াতের আমিরের আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন। এজন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ প্রধান উপদেষ্টাকে উত্তম জাযা দান করুন।

  • ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে: ঐকমত্য কমিশন

    ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে: ঐকমত্য কমিশন

    নিউজ ডেস্ক:

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে। যেখানে সদস্যরা নিম্নকক্ষে প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ অনুযায়ী সংখ্যাগত প্রতিনিধিত্ব (প্রোপরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে মনোনীত হবেন।

    বৃহস্পতিবার সকালে সংলাপের ২৩তম দিনে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য না হওয়ায় এবং ভিন্নমত থাকায়, বিষয়টি কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল। সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানায়।

    কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের নিজস্ব কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না। তবে অর্থবিল ব্যতীত অন্য সব বিল নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ উভয় কক্ষে উপস্থাপন করতে হবে। উচ্চকক্ষ কোনো বিল স্থায়ীভাবে আটকে রাখতে পারবে না। এক মাসের বেশি বিল আটকে রাখলে সেটিকে উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য করা হবে।

    নিম্নকক্ষ কর্তৃক প্রস্তাবিত বিলসমূহ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করবে উচ্চকক্ষ এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা অনুমোদন অথবা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

    যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল অনুমোদন করে, তবে উভয় কক্ষে পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।

    আর যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তা সংশোধনের সুপারিশসহ নিম্নকক্ষে পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। নিম্নকক্ষ সেই সংশোধনসমূহ আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।

    তবে বিএনপি এবং তাদের মিত্র—জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, এনডিএম ও এলডিপি—দাবি জানিয়েছে যে, উচ্চকক্ষে আসন বরাদ্দ নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে দিতে হবে। তারা উচ্চকক্ষের এখতিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছে।

    অন্যদিকে, সিপিবি-বাসদ, এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উচ্চকক্ষ গঠনের বিরোধিতা করেছে। তারা বলছে, দেশের বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় উচ্চকক্ষের কোনো প্রয়োজন নেই।

  • ঢাকা দখলের চেষ্টায়  আ.লীগ

    ঢাকা দখলের চেষ্টায় আ.লীগ

    নিউজ ডেস্ক:

     

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকেই দেশে চলছিল একের পর এক ষড়যন্ত্র। নানামুখী অপতৎপরতার মাধ্যমে নতুন সরকারকে ব্যর্থ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল পরাজিত শক্তি। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবার রাজধানী ঢাকা দখলের চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগ। এই পরিকল্পনাকে সামনে রেখে বেশকিছু নেতাকর্মী রীতিমতো গেরিলা প্রশিক্ষণও নিয়েছেন।

    প্রশিক্ষণ নেওয়া গেরিলা বাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে বড় ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ঢাকা দখলে নেওয়া। এজন্য মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসাবে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কোর গ্রুপের একটি বড় অংশ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছে।

    সম্প্রতি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর এমন অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    সূত্র জানায়, অবাক হওয়ার বিষয় হলো—যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের একটি অংশ অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি। যারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া প্রশিক্ষণ নিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মীও। প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের আগ পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। এরই অংশ হিসাবে ৮ জুলাই রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণ চলাকালে কনভেনশন সেন্টারে দেওয়া হয় সরকারবিরোধী নানা স্লোগান।

    সূত্র জানায়, কনভেনশন হলে প্রশিক্ষণের তথ্য পেয়ে ১৩ জুলাই রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন ইউনিট। ওই অভিযানে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে। এরা হলেন-সোহেল রানা (৪৮) ও শামীমা নাসরিন শম্পা (৪৬)। সোহেল রানার বাবার নাম আব্দুস সোবহান গোলন্দাজ। বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার মৌপাড়া গ্রামে। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ১৮ নম্বর রোডে তার বাসা। গ্রেফতারকৃত শম্পার স্বামী আহাদুজ্জামান একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বড়াশুর গ্রামে। বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বাজরা গ্রামে।প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে-জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতরা এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তারা জানিয়েছে, ঢাকা দখল করাই ছিল তাদের প্রধান টার্গেট। এজন্য তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। পরিকল্পনা মোতাবেক শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ থেকে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী একযোগে ঢাকা চলে আসবেন। সবাই সমবেত হবেন রাজধানীর শাহবাগে। শাহবাগ মোড় দখল করে জনমনে আতঙ্ক তৈরিসহ জনগণকে জানান দেওয়া হবে যে-আওয়ামী লীগের কয়েক লাখ লোক ঢাকা দখলে নিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব পড়বে সারা দেশে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী অধ্যুষিত কয়েকটি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনও মাঠে নামার সাহস দেখাবে।

    এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সংঘাত ও অরাজক পরিস্থিতি বেগবান করার সব প্রস্তুতি আগে থেকে ছক করা থাকবে। এভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সময় পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট বুঝে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) কামরুল হাসান বলেন, ‘এটি একটি অনেক বড় কর্মযজ্ঞ। তদন্তের স্বার্থেই এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। একটু গুছিয়ে নিই। পরে বলব।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় শুধু ডিবি নয়, আরও কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে।’

    অপর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগ তার স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের এহেন রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারকে ফেলে দেওয়ার নানামুখী চক্রান্তের বিষয় সরকার জানার পর জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রথমত, পুরো বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত টিম দিয়ে ফেস করা। দ্বিতীয়ত, জড়িতদের কেউ যাতে পালিযেতে না পারে সেজন্য পুরো চক্রকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বিষয়টি গোপন রাখা।

    এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ‘দেশে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকিও নেই। সবকিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ইস্যু করা চিঠিতে ২৯ জুলাই হতে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ১১ দিনের বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা পুরো বাংলাদেশের অভিযান নয়, ডিএমপি তাদের মতো করে অভিযান চালাচ্ছে।’

  • জনস্রোতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: নাহিদ

    জনস্রোতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: নাহিদ

    নিউজ ডেস্ক

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের পদযাত্রায় জনস্রোত নেমে এসেছে। সে জনস্রোতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, দেশের পথে-প্রান্তরে মাসব্যাপী জুলাই পদযাত্রা করেছি। আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হয়েছে, হামলা হয়েছে। তবুও আমরা থেমে যাইনি। এ জনস্রোত থামানো যাইনি। পদযাত্রা থামানো যাইনি। ইনশাল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশে আগামীর ঢাকায় এনসিপির সমর্থকদের জনস্রোত থামানো যাবে না।

    বুধবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইলে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রায় যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা সারাদেশে আমাদের ভাইদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিল। শেখ হাসিনাকে দশবার ফাঁসিতে ঝোলালেও তার অপরাধ কমবে না। দেশের মানুষ কোনো দিন তাকে ক্ষমা করবে না। কোনো দিন ক্ষমা করবে না আওয়ামী লীগকে। কোনো ধরনের রিফাইন আওয়ামী লীগকে কোনো দিন ক্ষমা করবে না।

    নাহিদ বলেন, এই সাভার ও আশুলিয়ার বাইপাইল পয়েন্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিল। সাভার ও আশুলিয়া গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের হটস্পট ছিল।

  • দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে তিক্ততা বাড়বে- মির্জা ফখরুল

    দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে তিক্ততা বাড়বে- মির্জা ফখরুল

     

    নিউজ ডেস্ক:

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক একটা বোঝাপড়া না থাকলে তিক্ততা সৃষ্টি হবে। এজন্য দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়ার প্রয়োজন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে জতীয় প্রেস্কলাবে ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, গণতন্ত্রে কাঁদা ছড়াছড়ি হবে। অনেক কথা আসবে। কিন্তু এটার একটা সীমা থাকা দরকার। তা না হলে একটা তিক্ততা সৃষ্টি হবে। যে তিক্ততা ভবিষ্যতের রাজনীতি আরো কলুষিত করবে। আমি আশা করব, আমরা আগামী দিনে একটা সুন্দর বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা নির্বাচনের মধ্যেমে জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকারে যাবো। জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ কাজগুলো করার চেষ্টা করবো। তারপর আবার জনগণের কাছে ফিরে যাবো, যদি তারা আমাদের গ্রহণ করেন আমরা আসব না হলে আসবো না। সবাইকে মতামতকে প্রকাশ করার সুযোগ দিতে হবে, সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে, একজন সাধারণ মানুষ যেন তার নায্য বিচার পায়।

    বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা প্রকৃতপক্ষে গোলামি থেকে মুক্তি পেয়েছি। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ গোলামী থেকে। এরপর পাকিস্তানি গোলামী শুরু হয়। তারপরে আবার দেশে প্রভুদের গোলামী শুরু হয়। এই গোলামতেই আছি আমরা। গোলামদের কিন্তু একটা সংকীর্ণ মন তৈরি হয়। কিছুতেই খুব বেশি বড় করে দেখার সুযোগ হয় না। আমি মনে করি, আমাদের বড় করে দেখার চেষ্টা করা উচিত। আমরা মুক্ত সমাজ চাই। আমরা একটা মুক্ত রাষ্ট্র নির্মাণ করতে চাই।

    অন্তর্বর্তী সরকার গত এক বছরেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদের তালিকা তৈরি করতে না পারার সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছেন তারা এক বছরেও কি এদের খুঁজে পেলেন না? যারা এই দেশকে পরিবর্তনের জন্য প্রাণ দিলো।

    গণঅভ্যুত্থানে আহত সাভারের একটি শিশুর কৃত্রিম মাথা লাগানোর বিষয় উল্লেখ করে কান্না জড়িত কণ্ঠে মহাসচিব বলেন, কালকে ৭ বছরে একটি শিশু এসে হঠাৎ করে আমাকে জড়িয়ে ধরেছে। শিশুটি বলেছে আমার মাথায় খুলিটা নেই, খুলিটা প্লাস্টিকের। প্লাস্টিক দিয়ে আর্টিফিশিয়াল খুলি তৈরি করে লাগিয়ে দিয়েছে এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কি হতে পারে?

    রাষ্ট্র সংস্কারে একটি মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হওয়াকে ‘ইতিবাচক’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক বিষয়গুলো সমাধান করে দ্রুত নির্বাচনের একটা মোটামুটি ধারণা পাওয়া গেছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে আমাদের মধ্যেকার দ্বিধা কাটিয়ে একটা জায়গায় পৌঁছাতে পারবো।

    বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হওয়ায় মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবির, যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদকে সম্মান দেয়া হয়। এদের মধ্যে মতিউর রহমান ও মাহমুদুর রহমানের হাতে ক্রেট তুলে দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ভুইয়াসহ কমিটির সদস্যরা। বাকিরা বিদেশে এবং অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেনি।

     

  • বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয়: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয়: মির্জা ফখরুল

    নিউজ ডেস্ক:

     

    বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয় উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের মালিকানা তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হলে অনেক সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১২টি মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে। বাকীগুলো ঐকমত্যের দিকে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা বাদ দিয়ে শুধু মৌলিক বিষয়গুলোই সংস্কার করা উচিত।

    গণতন্ত্রে সীমা থাকা উচিত জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রে কাঁদা ছোড়াছুড়ি হলেও সেখানে সীমা থাকা উচিত। এমনটা না হলে ভবিষ্যতে তিক্ততা তৈরি হবে।

    এ সময় জুলাই-আগস্টে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা মনে রেখে সবাইকে দেশ গঠনে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

  • যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোর প্রতিনিধি
    যশোর সংস্কৃতি কেন্দ্রের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের প্রথমবার্ষিকী।

    রবিবার (২৭ জুলাই) বিকাল শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজনে ছিল ইতিহাসের পুনর্পাঠ, শহীদদের স্মরণ এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের ডাক।

    ‘জুলাই বিপ্লব: তরুণ্যের ভাবনা ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ের রক্তাক্ত
    ইতিহাস আমাদের জন্য শুধুমাত্র শোক নয়, এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে স্বৈরাচার পতনের বার্তা। এই দিনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের জন্য জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের আলোকে আমাদের আগামীর পথ রচনা করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক গোলাম রসুল। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ছিল ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ফল। সেই ঐক্যই পতিত স্বৈরাচার সরকারকে চরম চাপে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু আবারও দেশে সেই ফ্যাসিবাদের দোসরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ঘাপটি মেরে থেকে একই চিত্র ফিরে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এদের থেকে সাবধান হতে হবে। আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিরোধীদল তথা জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গুম ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছিলÑযা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকর অধ্যায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ না থাকে, তাহলে ফের সেই অন্ধকার যুগ ফিরে আসতে পারে। আজ যারা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করছে, ধর্ম-বর্ণ-পেশা-রাজনীতির নামে সংঘাত ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারীদের ভুলে গেলে চলবে না। যারা শহীদ হয়েছেন, যারা রক্ত দিয়ে আন্দোলনকে রাঙিয়ে দিয়েছেন তাদের আত্মত্যাগকে মনে না রাখলে জাতি অকৃতজ্ঞের কাতারে পড়বে।
    অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন শহীদ আব্দুল্লাহর গর্বিত পিতা আব্দুল জব্বার। তিনি কণ্ঠ ভার করে বলেন, আমার ছেলে জীবনের বিনিময়ে জাতিকে কিছু দিতে চেয়েছিল। আজ আমি গর্বিত যে তার সেই আত্মদান বৃথা যায়নি। কিন্তু আমি চাই, শহীদদের নাম যেন শুধু ব্যানারে না থাকে, তাদের আদর্শ যেন বাস্তবে রূপ নেয়।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফ্রন্ট-এর সভাপতি ডা. শরফুজ্জামান রঞ্জ, ছাত্র প্রতিনিধি সামিউল আলম শিমুল প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক এবং সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা।
    আলোচনার পরপরই এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শহীদদের স্মরণে গান, আবৃত্তি ও নাট্যাংশ পরিবেশিত হয়। পুরো মিলনায়তন উপস্থিতি সকলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    ডিবি/ এআর