ক্যাটাগরি ঢাকা

Dhaka district

  • ছাত্রদলকে মির্জা গালিবের পরামর্শ

    ছাত্রদলকে মির্জা গালিবের পরামর্শ

    নিউজ ডেস্ক

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জন করছে ছাত্রদল। বর্জন না করেও ভিন্ন কিছু করা যেত বলে মনে করেন ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তিনি বলেন, তিনি যদি দলটির পরামর্শক হতেন, তাহলে পরাজয় নিশ্চিত হলেও তাদেরকে সারা দিন হাসিমুখে পিআর ক্যাম্পেইন করে যেতে বলতেন।

    বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মওলানা ভাসানী হলের অতিথি কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। এর আগে সকাল থেকে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

    এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি পদের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদসহ ২৩টি পদ জিতেছে তারা।

    ভিপি পদে সাদিক কায়েম পেয়েছেন মোট ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন এবং উমামা ফাতেমা যথাক্রমে ৩ হাজার ৮৮৪ এবং ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়েছেন।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট করেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, পরিকল্পিত কারচুপির এ ফলাফল দুপুরের পরপরই অনুমান করেছি। নিজেদের মতো করে সংখ্যা বসিয়ে নিন। এ পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করলাম।

    ছাত্রদল জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর আজ বিকালে পোস্ট দেন মির্জা গালিব। তিনি লেখেন, আমি যদি ছাত্রদলের অ্যাডভাইজার হতাম, তাহলে বলতাম পরাজয় নিশ্চিত হলেও সারাদিন হাসিমুখে পিআর ক্যাম্পেইন করে যেতে। যাতে করে ফলাফলের পর মানুষের মনে দুঃখ লাগে, আহারে ছেলেগুলো কত কষ্ট করল, কিন্তু জিততে পারল না। ওই খারাপ লাগার অনুভূতিটুকু পরের নির্বাচনে কাজে লাগত।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তন

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তন

    নিউজ ডেস্ক

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে সুপারিশের ক্ষমতা দিতে একটি কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রতিবেদনের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, ‘বর্তমানে যেভাবে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়, সেভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, অধ্যক্ষ নিয়োগ করা হবে। আগে এসব পদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি নিয়োগ দিত। তাতে কমিটি নিজেদের সুবিধা আদায় করে অযোগ্য লোক নিয়োগ দিত। এনটিআরসিএ-এর সুপারিশে যোগ্য প্রার্থীকে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হবে।’মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘদিন থেকে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে। পরিচালনা কমিটি প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে অর্থ-বাণিজ্য করে, এমন অভিযোগ উঠেছে বারবার। সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও এসেছে মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে। এমন প্রেক্ষাপটে সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষ নিয়োগ এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে নিশ্চিতের দাবি অভিভাবক  ও সাধারণ শিক্ষকদের।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগ নিয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এসব প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের সুপারিশ করবে এনটিআরসিএ। নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া কী হবে তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ থাকছে বলেও জানা গেছে।

  • দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি; চৌগাছায়  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম

    দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি; চৌগাছায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ইস্রাফিল ও রুহুল আমিন নামের দুই শিবির নেতার পায়ে পুলিশের গুলি করার ঘটনায় তদন্তে করছেন আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) দুপুরে এ তদন্ত হয়। এসময় ঘটনাস্থল বুন্দুলিতলা, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এবং থানায় গিয়ে তদন্তকাজ করেন তদন্ত টিম।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    পুলিশের গুলিতে পাহারানো দুই শিবির নেতা জানান, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট সাংগঠনিক কাজ শেষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় চৌগাছা থানার এসআই মাজেদ এবং মখলেছুর রহমান তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। হ্যান্ডকাপ পরিয়ে সারা রাত এসআই মাজেদ এবং ওসি এম মশিউর রহমান নির্যাতন চালায় তাদের উপরে। ৪ আগস্ট সকালে তাদের ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সেখানে সারাদিন নির্যাতন করে।  সেখান থেকে চৌগাছা থানায় নিয়ে আসার পথে কয়ারপাড়া এলাকায় দুজনেরই দুই হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে চোখ বেঁধে ফেলে পুলিশ।

    এরপরে রাত আনুমানিক ২ টার দিকে তাদের বন্দুলিতলার নির্জন মাঠে নেয়। সেখানে নিয়ে দুজনের হাঁটুতে পুলিশ গুলি করে পা ঝাঁঝরা করে দেয়। উপর্যপুরি ক্ষতস্থানে বালু দিয়ে বেধে দেয় এস আই আকিকুল ইসলাম। তারা জানায় গুলি করার পরে চোখ খুলে দেয়। এসময় তারা দেখতে পায় এসআই আকিক, এসআই মখলেছুর, মাজেদ এবং ওসি এম মশিউরকে।

    সেখান থেকে তাদের উপজেলা হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাদের রেফার করা হয় যশোর সদর হাসপাতলে। সেখানে দুদিন চিকিৎসার পর কোনো উন্নতি না হওয়ায় তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতলে পাঠানো হয়। ভর্তির সাতদিন পর চিকিৎসক পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত দেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হয় বন্ধুকযুদ্ধে দুই শিবির নেতা আহত হওয়ার ঘটনা।

    এসময় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কমিটি উপজেলার গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকাবাসির  স্বাক্ষী গ্রহণে করেন।

    তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এটা একটা লোমহর্ষক ঘটনা! এই ঘটনার বিচার হওয়া প্রয়োজন। তানাহলে অপরাধিরা বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে থাকবে।

     

    এঘটনায় ৫ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে ভুক্তভোগী শিবির নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

     

  • আগামীকাল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব

    আগামীকাল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব

    নিউজ ডেস্ক

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সচিব সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা যে কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) করেছি, সে কর্মপরিকল্পনাটা আপনাদের জানাবো। আমি ঢাকার বাইরে থাকায় একটু পিছিয়ে পড়েছি। এটা আমার টেবিলে এখন আছে। আগামীকাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করেন।’

    এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব আজ এক বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) অনুমোদন করেছে কমিশন।

    এখন যেকোনো সময় নির্বাচনের এই রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অনুমোদন হয়েছে, এখন শুধু টাইপিং চলছে।’

    উল্লেখ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দল নিবন্ধন, সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচন পর্যবেক্ষক, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কার, বিধিমালা ও নীতিমালা জারি, প্রবাসীদের জন্য আইটি সাপোর্টেড নিবন্ধন ও পোষ্টাল ব্যালট পদ্ধতি ও নির্বাচনী সরঞ্জাম কেনাকাটা বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে রোডম্যাপে।

  • বেসরকারি খাতে যাবে নগদ: গভর্নর

    বেসরকারি খাতে যাবে নগদ: গভর্নর

    ডাক অধিদপ্তরের মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) নগদকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠানটির জন্য বিনিয়োগকারী খুঁজতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

     ২৭ আগষ্ট বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিট ২০২৫ ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ তথ্য জানান।

    আহসান এইচ মনসুর বলেন, এমএফএস নিয়ে বলতে গেলে বলতে হয়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের হাতে এখনো কেবল একটি বড় প্রতিষ্ঠানই আছে। এই খাতে আরও কার্যক্রম, প্রতিযোগিতা ও নতুন বিনিয়োগ তৈরি করতে হবে। সে জন্য নগদকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার এবং বিনিয়োগ আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নগদকে ডাক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান গভর্নর। তিনি বলেন, বর্তমানে তাদের এ সেবা পরিচালনার সক্ষমতা নেই। নগদে একটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে আনতে হবে।

    গভর্নর আরও জানান, ইতিমধ্যে নগদে বড় ধরনের সংশোধন আনা হয়েছে। আগের মালিকদের কারণে ইওসি-সংক্রান্ত নানা অনিয়মের যে সমস্যাগুলো ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে। প্রায় দেড় কোটি ভুয়া কিংবা অকার্যকর হিসাব বাদ দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠনের পথে রয়েছে।

    বে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের জন্য কৌশলগত বিনিয়োগকারী প্রয়োজন উল্লেখ করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, এখন এমন একটি প্রতিষ্ঠান দরকার, যেমন বিকাশের মতো যারা ধাপে ধাপে, শেয়ার ধরে ধরে নগদে বিনিয়োগ করতে পারবেন। আশা করছি, নগদকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে।

    নগদকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার, সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসরুর আরেফিন।

  • জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) ভবন ও ডাক বিভাগের সাবেক প্রধান কার্যালয়কে পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত উল্লেখ করে তা সচিবালয়ের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তার প্রতিবাদ করেছেন বিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি এই প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    সম্প্রতি বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ও ডাক বিভাগের (ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকা) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আতিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ‘জিপিও ভবন পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত’ দাবি করে তা সচিবালয়ের এক্সটেনশন হিসেবে সচিবালয়ের মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্তি ও হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    এ প্রস্তাবে উল্লিখিত তথ্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, জিপিও কম্পাউন্ড সরকারঘোষিত একটি কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। এখানে ডাক বিভাগের ১৪টি অপারেশনাল অফিস সক্রিয়ভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখান থেকে ডাকসেবা গ্রহণ করছে। ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার এই কেন্দ্র কখনোই পরিত্যক্ত ছিল না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ডাক ভবনে স্থানান্তরিত হলেও অন্যান্য অপারেশনাল অফিস আগের মতো জিপিও কম্পাউন্ডেই চলমান।

    ডাক বিভাগের মতামত ছাড়াই এ ধরনের চিঠি দেওয়া এবং তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করায় নিন্দা জানিয়ে বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, জিপিও ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি ডাক বিভাগের প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাণের জায়গা, তাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ভবন কেড়ে নেওয়ার যেকোনো উদ্যোগকে তারা সরাসরি দেশের ডাকসেবার ওপর আঘাত হিসেবেই বিবেচনা করে।

  • সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ গ্রেফতার

    সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ গ্রেফতার

     

    নিউজ ডেস্ক:

    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে দুদক কর্তৃক তদন্তাধীন একটি মামলায় দুদকের রিকোজিশন ছিলো। সেটির ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রমে পরিচালনার মাধ্যমে মোহাম্মদপুরে নিজ বাসা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদকের কাছে তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

  • শিশুর শরীরে ক্ষতিকর সিসা; পদেক্ষপ জরুরী

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    দেশের ৩৬ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু সিসার ক্ষতিকর বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। যার মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী অন্তত ২ কোটি শিশু সিসার ক্ষতিকর প্রভাবে বেড়ে উঠেছে দুর্বল মেধা নিয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিসার কোনো গ্রহণযোগ্য মাত্রা নেই, যদিও বাংলাদেশের শিশুদের শরীরে সিসার গড় পরিমাণ ৬৮ মাইক্রোগ্রাম। এমনকি দেশে প্রতি বছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪ জনের মৃত্যু হয়, তার পেছনেও সিসার পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআর,বি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সিসা দূষণ প্রতিরোধ: অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

    এ সময় জানানো হয়, সিসা বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা নীরবে লাখ লাখ মানুষের বিশেষ করে শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে চলেছে। রক্তের মধ্যে সিসার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) শিশুদের রক্তে প্রতি লিটারে ৩৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি সিসার উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মনে করে।

    ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে সিসা দূষণে আক্রান্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানে চতুর্থ। যেখানে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু রক্তে উচ্চমাত্রার সিসা নিয়ে জীবনধারণ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার বস্তি এলাকায় দুই বছরের কম বয়সী ৮৭ শতাংশ শিশুর রক্তে প্রতি লিটারে সিসার মাত্রা ৫০ মাইক্রোগ্রামের বেশি ছিল, যা তাদের শারীরিক বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতার প্রধান কারণ।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আইসিডিডিআর,বির হেলথ সিস্টেমস অ্যান্ড পপুলেশন স্টাডিজ ডিভিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর ড. সারাহ স্যালওয়ে বলেন, ‘সিসা দূষণ বাংলাদেশের একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যা প্রায়ই আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। বিশেষ করে দূষণ সৃষ্টিকারী শিল্পের আশপাশের শিশুরা এর সবচেয়ে বড় শিকার।’

    সিসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে বলে জানান স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এবং আইসিডিডিআর,বির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক স্টিভ লুবি। তিনি বলেন, ‘এর ফলে বুদ্ধিমত্তা ও শেখার ক্ষমতা কমে যায়, যা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে। আমরা নিঃশ্বাসে যে বাতাস নিই, যে খাবার খাই, দূষিত মাটি বা ধূলিকণা স্পর্শ করি এবং এমনকি গর্ভাবস্থায় মায়ের প্লাসেন্টা (গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ অঙ্গ, যা মা ও ভ্রূণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে) থেকেও সিসা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।’

    আইসিডিডিআর,বির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ডা. মো. মাহবুবুর রহমান গত ১০ বছরের সিসা-সম্পর্কিত গবেষণার ফল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সিসা দূষণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে সিসা ও ব্যাটারি-সম্পর্কিত শিল্পকারখানা, সিসাযুক্ত রং এবং প্রসাধনী ও রান্নার পাত্রের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। হলুদে ভেজাল (লেড ক্রোমেট দিয়ে পালিশ করা) প্রতিরোধে বেশ সফলতা এসেছে। স্ট্যানফোর্ড ও আইসিডিডিআর,বির একটি দল অন্তঃসত্ত্বা নারীদের রক্তে সিসা দূষণের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে হলুদকে চিহ্নিত করার পর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আইন প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে ২০১৯ সালে যেখানে ৪৭ শতাংশ হলুদের নমুনায় সিসা পাওয়া যেত, তা কমে ২০২১ সালে শূন্যের কাছাকাছি চলে আসে। আইসিডিডিআর,বির সহকারী গবেষক ডা. জেসমিন সুলতানা ২০২২-২৪ সালের মধ্যে ঢাকায় পরিচালিত গবেষণার প্রাথমিক ফল তুলে ধরেন। এই গবেষণায় ২ থেকে ৪ বছর বয়সী ৫০০ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রতিটি শিশুর রক্তেই সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে (মধ্যমমাত্রা: ৬৭ মাইক্রোগ্রাম/লিটার) এবং ৯৮ শতাংশ শিশুর রক্তে সিডিসির উদ্বেগজনক মাত্রা ৩৫ মাইক্রোগ্রাম/লিটার-এর চেয়ে বেশি সিসা ছিল। এই গবেষণায় চিহ্নিত সিসা-নির্ভর শিল্প স্থাপনার ১ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ছিল ৫ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বেশি। অন্য উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘরের ভেতরে ধূমপান, দূষিত ধূলিকণা, সিসাযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ও রান্নার পাত্র।

    আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘সিসার বিষক্রিয়া নীরবে আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কেড়ে নিচ্ছে। এটি তাদের মস্তিষ্কের পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যাহত করে ও দেহে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি করে। তাই আমাদের এখনই এই সিসা নিঃসরণকারী ক্ষতিকর উৎসগুলো বন্ধ করতে হবে, যাতে প্রতিটি শিশু সুস্থ ও বুদ্ধিমান হয়ে বেড়ে উঠতে পারে।’

    আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা সিসা-নির্ভর শিল্প স্থাপনা যেমন—সিসা-এসিড ব্যাটারি বানানো বা রিসাইক্লিং করার কারখানা বা স্থাপনা, অথবা যেসব কারখানা বা স্থাপনায় সিসা গলানো বা পোড়ানো হয়, এগুলোর বিরুদ্ধে দ্রত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগাদা দেন।

  • বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জামায়াতের

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জামায়াতের

    নিউজ ডেস্ক:

    শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল। সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বেশকিছু দাবি জানিয়েছে দলটি।

    জামায়াতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেছি, যা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের প্রথম দাবি ছিল দেশের বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের জাতীয়করণ করতে হবে। কারণ জাতি গঠনের মেরুদণ্ড যদি শিক্ষা হয়, তবে শিক্ষার মেরুদণ্ড হলেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা যদি দুর্বল থাকেন, তাহলে জাতিও গঠিত হতে পারে না।

    তিনি বলেন, আমাদের দ্বিতীয় দাবি নন-এমপিও শিক্ষকদের দ্রুত এমপিওভুক্ত করা। বিগত ১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে যেসব শিক্ষক বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের অবসরভাতাও দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদেরও এমপিওভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

    সিলেবাস প্রণয়ন কমিটিতে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রতিনিধি রাখার দাবি জানানো হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত নেতা মজিবুর রহমান বলেন, সিলেবাস প্রণয়নের বিষয়ে একটি প্রস্তাব আমরা উত্থাপন করেছি। সেখানে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিনিধি রেখে কমিটি গঠন করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সিলেবাস প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা আমাদের দাবি-দাওয়াগুলো মন দিয়ে শুনেছেন এবং তা পর্যালোচনা করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। আমরা আশাবাদী, আমাদের এ কথার মাধ্যমে গোটা দেশ ও জাতির প্রতিফলন হবে। আগামীর বাংলাদেশ সুন্দর রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামিকরণের মাধ্যমে ঈমান-আকিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একইসাথে সৎ ও আলোকিত মানুষ গড়ার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও জামায়াত-সমর্থিত আদর্শ শিক্ষক ফোরামের নেতারা।

  • শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাবেক তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার

    শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাবেক তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান পান্থ (১৮) হত্যা মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (৪ আগস্ট) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন। এদিন তাদের কেরানীগঞ্জে বিশেষ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরিফ হোসাইন গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।  আদালত এটি মঞ্জুর  ফের তাদের করে ফের কারাগারে পাঠায়।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় তোলারাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাহাদী হাসান পান্থ আন্দোলনে অংশ নেন। ঘটনার দিন বিকেল ৪টায় আসামিদের ছোড়া গুলি তার মুখের সামনের অংশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ৮ নভেম্বর কদমতলী থানায় মামলা হয়। এ মামলায় রাশেদ ৭, ইনু ৮ ও পলক ৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

    গত বছরের ১৪ আগস্ট রাতে পলককে গ্রেপ্তার করা হয়। ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ২৬ আগস্ট হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর অর্ধশতাধিকের বেশি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।