ক্যাটাগরি ঢাকা

Dhaka district

  • গঠিত হচ্ছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’

    গঠিত হচ্ছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’

    ডেস্ক নিউজ:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিলসহ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুত ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন ও পাঠদানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অপারেশন ম্যানুয়েলও অনুমোদন করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী ২৩ নভেম্বর ক্লাস শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া প্রণয়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। খসড়া অধ্যাদেশটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সুধীজনের কাছ থেকে পাঁচ হাজারেরও বেশি মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিটি মতামত আইনগত ও বাস্তবতার নিরীখে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং খসড়াটি পুনর্মূল্যায়ন ও পরিমার্জন কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে, এই বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধ্যাদেশ চূড়ান্তকরণসহ সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগলেও, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয় সে বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সচেতন। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একজন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রণালয় এই কার্যক্রমকে দেশের উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং সকল অংশীজনের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত ধারণা বা গুজবের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

    খান

  • জামায়াত আমিরের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের বৈঠক

    জামায়াত আমিরের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের বৈঠক

    ডেস্ক নিউজ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকাস্থ আঞ্চলিক অফিসের পরিচালক মি. জঁ ডেনিস পেসমে এর নেতৃত্বে তার সঙ্গে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা ডিভিশনের অর্থ উপদেষ্টা মিস. মেহরিন এ মাহবুব ও অপারেশন ম্যানেজার এমএস গায়েল মার্টিন।

    জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মিজানুর রহমান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মুহাম্মাদ সফিউল্লাহ এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
    বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিকখাতের অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন, টেকসই অর্থনীতি, করব্যবস্থা ও সামাজিক খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।
    বি/এ

  • হাসিনার রায় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার আটক

    হাসিনার রায় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার আটক

    ডেস্ক নিউজ:

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় বিভিন্ন হল সংসদের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

    রায়ের পর লাভলু মোল্লা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেখ হাসিনার ছবিযুক্ত একটি কার্ড পোস্ট করেন। যেখানে তিনি লিখেন— “I don’t care।”

    গ্রেপ্তারের আগ মুহূর্তে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি নির্দোষ, আমাকে এখন গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে।’

    ঘটনা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষার্থীরা তাকে থানায় নিয়ে এসেছে। তিনি শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরোধিতা করে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

    বি/এ

  • মুন্সীগঞ্জে ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

    মুন্সীগঞ্জে ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

    ডেস্ক নিউজ, শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত প্রায় ৮টা থেকে সোয়া ৮টার মধ্যে পৃথক এই দুটি দুর্ঘটনা ঘটে বলে নয়া দিগন্তকে নিশ্চিত করেছেন শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন।

    তিনি জানান, রাত ৮টার দিকে খবর পেয়ে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সমসপুর নামক স্থানে দ্রুতগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স মাওয়ামুখী লেনে চলার সময় হঠাৎ এক পথচারীকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নিহতের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

      • দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে রাত সোয়া ৮টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার ওমপাড়া নামক স্থানে। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক নয়া দিগন্তকে জানান, রাত সোয়া ৮টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর উপজেলার ওমপাড়া নামক স্থানে ঢাকামুখী একটি মোটরসাইকেল বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে এসে পথচারী অজ্ঞাতনামা পুরুষকে (৪৫) ধাক্কা দেয়। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের সহায়তায় তাকে শ্রীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এ/ আর ১৬ নভেম্বর
  • হিরো আলম গ্রেপ্তার

    হিরো আলম গ্রেপ্তার

    ডেস্ক নিউজঃ

    কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম গ্রেপ্তার হয়েছেন । স্ত্রী রিয়ামনির দায়ের করা মামলায় শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

    এর আগে বুধবার হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত। সেই প্রেক্ষিতেই আজ তাকে আটক করে পুলিশ।

    রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে স্ত্রী রিয়া মনি মামলাটি করেন। এ মামলায় হিরো আলমের সঙ্গে আহসান হাবিব সেলিম নামের একজনকে আসামি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান আমার দেশকে বলেন, হিরো আলমের স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় হিরো আলমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • কবির আহমেদ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজন সৎ, দক্ষ ও নতুন নেতৃত্ব

    কবির আহমেদ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজন সৎ, দক্ষ ও নতুন নেতৃত্ব

    ডেস্ক নিউজ ;

    ‘অতীতে সব দল দেখা শেষ এবার নতুন বাংলাদেশ গড়তে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত মানবিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামীকে দেখতে হবে। জামায়াতে ইসলামী জাতিকে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র, বেকারত্বমুক্ত করে এক সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করব

    ঢাকা-৯ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কবির আহমেদের সমর্থনে ‘মোটর শোভাযাত্রা’
    ঢাকা-৯ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কবির আহমেদের সমর্থনে ‘মোটর শোভাযাত্রা

    বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা কবির আহমেদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে একটি ‘‘মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর মুগদা-মানিকনগর মডেল স্কুল মাঠ থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি বিশ্বরোড, খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে খিলগাঁও রেলগেট জোড়পুকুর মাঠে শেষ হয়।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৯ আসনের জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কবির আহমেদ।

    শোভাযাত্রা পূর্ববর্তী উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজন সৎ, দক্ষ ও নতুন নেতৃত্ব।

    তিনি বলেন, অতীতে সব দল দেখা শেষ এবার নতুন বাংলাদেশ গড়তে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত মানবিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামীকে দেখতে হবে। জামায়াতে ইসলামী জাতিকে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র, বেকারত্বমুক্ত করে এক সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করবে।

    তিনি বলেন, যারা ৫ বছর ক্ষমতায় থেকে প্রতিবছর দেশকে দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছে তাদের নেতৃত্বে দেশ পরিচালিত হতে পারে না। তারা আবার ক্ষমতায় বসতে পারলে দেশকে দেউলিয়া করে দেবে। যাদের অতীত ইতিহাস দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর চাঁদাবাজ তারা আগামীতে আরো ভয়ঙ্করভাবে জাতির ঘাড়ে চেপে বসবে। তাই এদের সুযোগ দেয়া যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে পাড়া-মহল্লায়, গ্রাম-গঞ্জে, হাট-বাজারে, শহর-বন্দরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    ঢাকা-৯ সংসদীয় এলাকাকে নতুন বাংলাদেশের মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যত্যয় করে স্থানীয়দের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য মানবিক শহর উপহার দেয়াই জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গীকার।

    তিনি আরো বলেন, অতীতে যারা এমপি হয়ে ঢাকা-৯ আসনের জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে, দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে, ব্যাংক-বীমার মালিক হয়েছে, নিজ নামে স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষাবাণিজ্য করেছে তাদেরকে আর ভোট দেয়া যায় না। তারা আবারো সুযোগ পেলে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলবে। জামায়াতে ইসলামীতে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজের স্থান নেই। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    জামায়াতে ইসলামীকে পরীক্ষামূলক একবার নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গীকার, জাতি পাবে নিরাপদ এক কল্যাণ রাষ্ট্র।

    জুলাইয়ের শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন কল্যাণ ও মানবিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সমর্থন দিতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

    এই বিশাল শোভাযাত্রায় হাজার-হাজার মোটরসাইকেলে উপস্থিত নেতাকর্মীর দাঁড়িপাল্লা-দাঁড়িপাল্লা স্লোগানে ঢাকা-৯ সংসদীয় এলাকার রাজপথ মুখোরিত হয়ে ওঠে।

    শোভাযাত্রায় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর মজলিসে শূরা সদস্য যথাক্রমে- খিলগাঁও জোনের সহকারী পরিচালক এস এম মাহমুদ হাসান, সবুজবাগ-মুগদা জোনের সহকারী পরিচালক মনির বিন আনোয়ার, ঢাকা-৯ আসনের জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, মহানগরীর সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি সোহেল রানা মিঠু, মুগদা পশ্চিম থানা আমির মাওলানা মো: মতিউর রহমান, সবুজবাগ দক্ষিণ থানা আমির মাওলানা আবদুল বারি, খিলগাঁও উত্তর থানা আমির মো: নাসির উদ্দিন, খিলগাঁও দক্ষিণ থানা আমির মাওলানা মো: সাজেদুর রহমান শিবলী, খিলগাঁও পূর্ব থানা আমির মাওলানা মাহমুদুর রহমান, খিলগাঁও মধ্য থানা আমির অ্যাডভোকেট এম.এ.জে ফারুখ, সবুজবাগ পূর্ব থানা আমির মো: রওশন জামান, মুগদা উত্তর থানা আমির অ্যাডভোকেট রিয়াজ উদ্দিন, মুগদা দক্ষিণ থানা আমির ইয়াকুব আলী, মুগদা পূর্ব থানা আমির মাওলানা মো: ইসহাকসহ ঢাকা-৯ সংসদীয় এলাকার জামায়াতে ইসলামীর সকল সাংগঠনিক থানা সেক্রেটারিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এ/ আর ১৪ নভেম্বর

     

  • দেশের অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ

    দেশের অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সংস্কার কার্যক্রমে অগ্রগতি সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো তিনটি বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি—দুর্বল রাজস্ব, ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক খাত ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

    চলমান ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় পঞ্চম পর্যালোচনা শেষে সংস্থাটির ঢাকা সফররত প্রতিনিধিদল এই মূল্যায়ন প্রকাশ করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ক্রিস পাপাজর্জিও। ২৯ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও অর্থনৈতিক নীতি–নির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    আইএমএফ জানায়, বাংলাদেশের রাজস্ব কাঠামো দুর্বল হওয়ায় অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতিও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির পথে বড় বাধা। সংস্থাটির মতে, টেকসই আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাহসী ও কার্যকর নীতিমালা এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। নীতি প্রণয়নে বিলম্ব বা দুর্বলতা দেখা দিলে অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, রাজস্ব প্রশাসনের সংস্কার ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। একটি সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে রাজস্ব আয় বাড়বে এবং সামষ্টিক স্থিতিশীলতা দৃঢ় হবে।

    আইএমএফের মূল্যায়নে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে, যা গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটার ফল। অন্যদিকে, টানা কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্ক থেকে ৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

    সংস্থাটি আশা করছে, কর সংস্কার ও আর্থিক খাতের পুনর্গঠন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০২৫–২৬ এবং ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি গড়ে প্রায় ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে তা সাড়ে ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

    আইএমএফ আরও বলেছে, মধ্য মেয়াদে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, যুব বেকারত্ব হ্রাস এবং অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণে জোর দিতে হবে। এসব সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই হবে বলে সংস্থাটির অভিমত।
    সুত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তন আনবে না বিএনপি

    প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তন আনবে না বিএনপি

    ডেস্ক নিউজ:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩ নভেম্বর ২৩৭ আসনে দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিএনপি। ঘোষিত এই তালিকা কেন্দ্র করে সীমিত কিছু আসনে মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের বিক্ষোভ দেখা গেছে। এ অবস্থায় দলটি সংশ্লিষ্ট এসব আসনের পরিস্থিতি মনিটরিং করছে। তবে দু-এক জায়গায় কিছু সমস্যা হলেও এটি ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে বলে মনে করছে বিএনপির হাইকমান্ড। তাই ঘোষিত তালিকায় বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না তারা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে কিছু আসনে পরিবর্তন আনা হতে পারে, সেটি খুব বেশি নয়। এদিকে, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের আসন বণ্টন নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি। তবে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জোট শরিকদের নিজ দলের প্রতীকে ভোট করার বিধান ভাবাচ্ছে বিএনপিকে। তাই মিত্রদের আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থিতার পাশাপাশি এ বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে দলটি। গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গত সোমবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক এবং গত কয়েকদিন স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন, অথবা বৈঠকের বিষয়ে অবহিত ছিলেন।

    বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দল ঘোষিত প্রার্থী তালিকার মধ্যে যেসব প্রার্থীকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, সেগুলো বাদে বাকি আসনগুলোতে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর অবস্থান যাচাই করা হচ্ছে নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে। যাচাই-বাছাইয়ের পর পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘোষিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকাতে হয়তো কিছু পরিবর্তন আনতে পারে দলটি, তবে সেটি খুব বেশি নয়। দলটির অবস্থান হচ্ছে, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। ফলে দু-এক জায়গায় কিছু সমস্যা হতে পারে। দলীয় উদ্যোগের কারণে এটি ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাচ্ছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। প্রার্থিতা নিয়ে দু-এক জায়গায় সমস্যা হতে পারে। দল থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে এগুলো ঠিক হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। তারা আশা করছেন, এর ফলে শিগগির প্রতিটি এলাকায় সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ শুরু করবেন।

    এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদের পাশাপাশি শরিকদের আসন বণ্টন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শিগগির তারা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। অবশ্য যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের আসন ছাড় নিয়ে বিএনপি এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে না আসায় জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। কারণ, হাতেগোনা কয়েকজন বাদে জোট শরিকের অধিকাংশকেই এখন পর্যন্ত মনোনয়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। ফলে অনেকে নির্বাচনী এলাকায় সেভাবে কাজ করতে পারছেন না। তাই বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের মাঠে পূর্ণ উদ্যোমে কাজ করতে দ্রুত মনোনয়ন নিশ্চয়তা চান তারা।

    জানা গেছে, ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনের মধ্যে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থীদের জন্যও বেশ কিছু আসন রেখেছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য দলটি ৫৯টি আসন ছাড়লেও এবার তাদের জন্য ২৫-৩০টি আসন ছাড়ার কথা ভাবছে। আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থিতা বিবেচনায় নিয়ে মূলত বিজয়ী হওয়ার মতো শরিকদের ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আসন ছাড়বে বি

    এনপি। আর আসন ছাড়ের সংখ্যা আরও বাড়বে কি না, সেটি নির্ভর করবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের আকার কেমন হয়, তার ওপর। অবশ্য ফাঁকা রাখা আসন ছাড়াও ঘোষিত ২৩৭ আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায়ও জোট শরিকদের জন্য কোথাও কোথাও পরিবর্তন আনতে পারে বিএনপি।

    এদিকে, আসন বণ্টন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিএনপির চাওয়া অনুযায়ী যুগপতের অধিকাংশ মিত্র এরই মধ্যে তাদের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিএনপির কাছে ১০৩ জনের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে যুগপতের শরিকরা। অন্যদিকে, এখনো প্রার্থী তালিকা জমা না দিলেও এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের আলোচনা চলছে। বিএনপির সঙ্গে অর্ধশত আসনে ‘সমঝোতা’ চায় ছয় দলীয় এই জোট।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শরিকদের এই প্রার্থী তালিকা থেকে বাস্তবতার নিরিখে দলটি একটি শর্টলিস্ট করেছে। দলের নীতিনির্ধারণী নেতারা সেটা নিয়ে শরিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের প্রার্থিতার বিষয়টি নানাভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করছেন। মিত্রদের আসন চূড়ান্ত করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিগগির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করবেন। এরপর মিত্রদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠক করবেন লিয়াজোঁ কমিটির নেতারা। তবে এ নিয়ে গতকাল বুধবার রাতে অনানুষ্ঠানিকভাবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নেতা বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে।

    অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের নিয়ে গঠিত নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গেও আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপির আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতা নিয়ে বিএনপির অধিকাংশ নেতা তাদের অনীহার কথা জানান। এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য কালবেলাকে বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যতগুলো আন্দোলন হয়েছে, সবগুলোর সম্মুখভাগে ছিলেন ছাত্ররা। আন্দোলন শেষে ছাত্ররা পড়াশোনায় ফিরে গেছেন, তারা সরকারের অংশ হননি। কিন্তু চব্বিশের গণআন্দোলনের পর ছাত্রদের বর্তমানে সরকারের অংশ করায় তাদের সম্পর্কে নানা অভিযোগ উঠেছে; এখন যদি বিএনপিও একই কাজ করে, তা ঠিক হবে না।’

    বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতা হচ্ছে কি না—বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক অনুষ্ঠানে এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাজনীতিতে এসব বিষয়ে শেষ কথা তো বলা যায় না। তবে এখন পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিল; এর বাইরে যারা গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ছিল—এমন কিছু ইসলামিক দলসহ আরও কিছু দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে আমরা নির্বাচন করতে চাই।’

    অবশ্য এনসিপির সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার করলেও সমঝোতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে চান না সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এনসিপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হব কি হব না, কিংবা তারা আমাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ইলেকশন করবে কি করবে না, সেটার কোনো প্রস্তাব তাদের পক্ষ থেকেও আসেনি, আর আমাদের পক্ষ থেকেও যায়নি। তবে একদম সেই সমঝোতা বা সেই জোট হবে না—এটাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সে জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।’
    বি/এ

  • রাজধানীর ১৪ স্থানে অবস্থান নেবে নেতাকর্মীরা আ’লীগের নাশকতা ঠেকাতে ছাত্রশিবির মাঠে থাকবে

    রাজধানীর ১৪ স্থানে অবস্থান নেবে নেতাকর্মীরা আ’লীগের নাশকতা ঠেকাতে ছাত্রশিবির মাঠে থাকবে

    ডেস্ক নিউজ : যেকোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে মাঠে থাকবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একইসাথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তির মাঠে থাকার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

    গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জুলাইসহ সব গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের বিােভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে। বিক্ষোভ মিছিল সকাল ৭টায় ঢাকা কলেজ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে রাজধানীর অন্তত ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এসব স্থান হলো, উত্তরা বিএনএস, খিলক্ষেত, বসুন্ধরা গেট, গাবতলী, মিরপুর ১০, ধানমন্ডি ৩২, সায়েন্স ল্যাব, শাহবাগ, রামপুরা, মহাখালী, গুলিস্তান, বাহাদুর শাহ পার্ক, যাত্রাবাড়ী ও চিটাগাং রোড। এ ছাড়াও দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহর, জেলা শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে ছাত্রশিবিরের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

    ছাত্রসমাজ ও দেশপ্রেমিক জনতাকে আওয়ামী নাশকতা ও আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল খুনি হাসিনার বিচারের রায় ঘোষণা করবে আজ। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি দিয়েছে। আমরা তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ও অরাজকতার কোনো স্থান নেই। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টা ছাত্রসমাজ ও জনগণ প্রতিহত করবে। জাহিদুল ইসলাম আরো বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির দেশের আপামর ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে যেকোনো নৈরাজ্যের উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী জাঁতাকল থেকে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই বাংলাদেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার। প্রতিহিংসা, হীনম্মন্যতা ও পরস্পর কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি আবার ফ্যাসিবাদী কাঠামো ফিরিয়ে আনতে পারে। তাই জুলাইয়ের আকাক্সক্ষা ধারণ করে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মামলা বাণিজ্য ও সকল প্রকার সহিংস মনোভাব পরিহার করে একটি যৌক্তিক রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানাচ্ছি।

    ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাইদুল ইসলামসহ কেন্দ্র ও মহানগর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এ/ আর

  • খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    ডেস্ক নিউজ:

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, সমগ্র দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান উইথ জবি শিবির’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    দৌড় কর্মসূচিতে অংশ নেয় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

    ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে কোর্ট এলাকা, রায় সাহেববাজার মোড়, ধোলাইখাল ঘুরে ধূপখোলা মাঠে গিয়ে এটি শেষ হয়।

    শাখা সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিগবাতুল্লাহ সিগবা বলেন, বাংলাদেশ এখন এক গভীর সংকটের মধ্যে আছে। এই সময়ে তরুণ প্রজন্মই পারে দেশকে রক্ষা করতে। আমাদের তরুণরা যদি সচেতন ও ফিট থাকে, তবে কোনো ফ্যাসিবাদী বা বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি বাংলাদেশে মাথা তুলতে পারবে না।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমাদের এ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে দেশগঠন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি।

    কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, সকাল সকাল ক্যাম্পাসে গিয়ে এমন পরিবেশ পাব ভাবিনি। অসাধারণ লেগেছে! ধন্যবাদ ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ শাহিদী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীরচর্চার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আজকের কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে বোঝা যায়, তারা শারীরিকভাবে ফিট থাকতে চায়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই—শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলা হোক।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জবি শিবিরের সাবেক সভাপতি মাকসুদুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, শাখা সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল আলিম আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাহেদ, ও অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।

    বি/এ