ক্যাটাগরি মুন্সিগঞ্জ

Munshiganj district

  • দিনাজপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে স্লিপার বাসের ধাক্কা, নিহত ২

    দিনাজপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে স্লিপার বাসের ধাক্কা, নিহত ২

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের বিরামপুরে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বালুবাহী ট্রাকের পেছনে ঢাকাগামী স্লিপার বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ছয়জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

    রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের বিরামপুর চন্ডিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতদের মধ্যে বাসের যাত্রী মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার খবির উদ্দিনের ছেলে মোশাররফ হোসেন বাবুর পরিচয় পাওয়া গেছে। অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি।

    বিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে বেশ কিছু যাত্রী নিয়ে হেরিটেজ স্লিপার কোচ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে চন্ডিপুর এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বালুবাহী ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই বাসের চালকের সহকারী ও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।

    জানতে চাইলে বিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান জানান, সকালে সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। আহতরা বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    এম কে

  • পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু থেকে ৪৩ মাসে টোল বাবদ আয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এই টাকা আয় হয়েছে।

    সব ধরনের যানবাহনের পদ্মা সেতু পারাপার করতে হলে টোল দিতে হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন টোল হার নির্ধারিত আছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজারের মতো যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয় আড়াই কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৮২ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর সংযোগকারী দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করেছে। ওই অঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ এই সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন।

    প্রায় চার বছর আগে চালুর পর থেকে সেতুটি দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা এবং আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

    তারা বলছে, সেতুটি চালু হওয়ার ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে এসেছে বিশাল পরিবর্তন।

    পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল আদায় (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু আছে। এই পদ্ধতিতে যানবাহন দাঁড় না করিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করা যায়। এর ফলে যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের ফলে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজতর হয়েছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পদ্মা সেতুর টোল আদায়ের ‘মাইলফলক’ অর্জনের জন্য যানবাহনের মালিক, চালক, শ্রমিক, সেতুর দুই পারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হয় ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। ২০০৭ সালে যখন পদ্মা সেতু

  • একের পর এক খুন করেছে সবুজ

    একের পর এক খুন করেছে সবুজ

    ডেস্ক নিউজ

    মশিউর রহমান সম্রাটের ছদ্মনামে সবুজ শেখ যেন হয়ে ওঠেছিলেন অপরাধের সম্রাট। একের পর এক ঘটিয়েছেন নৃশংস হত্যাকাণ্ড। তার ভাষায় ‘থার্টি ফোর বা সানডে মানডে ক্লোজড’ মানেই হত্যা করা। 

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)  রাতে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন সম্রাটের প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি)  সন্ধ্যায় তাকে আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ছয় হত্যার দায় স্বীকার করেন সবুজ শেখ।

    মশিউর রহমান সম্রাটের প্রকৃত নাম সবুজ শেখ। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া মুছামান্দা গ্রামের পান্না শেখের ছেলে। ২০২৪ সাল থেকে সাভার মডেল মসজিদে থাকতেন তিনি। এরপর সাভার থানার  আশপাশে ভবঘুরেদের মতো থাকতেন।

    সর্বশেষ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তার নাম তানিয়া আক্তার সোনিয়া। তিনি রাজধানীর উত্তরা এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।

    সাভার মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, সম্রাটের প্রকৃত পরিচয় জানা গেছে। মূলত তার নাম সবুজ শেখ। সে গতকাল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে ভবঘুরেদের মতো চলাফেরা করতো। ছদ্মনাম ব্যবহার করে অপরাধ করেছে। তার পরিবারের সদস্যরা মুন্সিগঞ্জে থাকেন। তবে তার বিস্তারিত আর কিছু পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদের কাছ থেকে আসমা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরে ২৯ আগস্ট রাতে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার  থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে নিহত ওই যুবকের এখনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পরে ১১ অক্টোবর রাতে আবারও সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে অজ্ঞাত (৩০) এক নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরে ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড়ে মহল্লার পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তবে তিন খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি। এরপর রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে দুইজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত

    মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল  রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কুচিয়ামোড়ায় ধলেশ্বরী সেতুর ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন ইমন ভূঁইয়া (২৬) ও সামিউল ইসলাম (২৭)। ইমন সিরাজদিখান উপজেলার ঘন শ্যামপুর এলাকার সেন্টু ভূঁইয়ার ছেলে। সামিউলের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা ভৌড়াহাটি এলাকায়।

    হাসাড়া হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে ইমন ভূঁইয়া ও সামিউল মোটরসাইকেলে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনের কুচিয়ামোড়ায় ধলেশ্বরী সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে একটি গাড়ি তাঁদের ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি সেতুর ওপর ছিটকে পড়ে। ঘটনা স্থলে ওই দুজন নিহত হন।

    সুত্র: প্রথম আলো

  • গরমে শিশুর যত্নে এসব ভুল করছেন না তো?

    গরমে শিশুর যত্নে এসব ভুল করছেন না তো?

    প্রচণ্ড গরমে বড়দের চেয়ে অনেকটাই বেশি ঝুঁকিতে থাকে শিশুরা। তাপপ্রবাহে সহজেই পানিশূন্য হয়ে পড়তে পারে তাদের ছোট্ট দেহ। তৃষ্ণা পেলে অনেক সময় তারা তা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম না-ও হতে পারে। শিশুরা যদি বোঝার মতো বয়সী হয়, তাহলে গরমের সময় কী খাওয়া উচিত, কী খাওয়া উচিত নয়—এসব বিষয়ে শিশুকে জানিয়ে রাখা ভালো। পোশাক বা খেলাধুলার মতো রোজকার সাধারণ ব্যাপারেও যত্নবান হোন। নিত্যদিনের জীবনযাপনে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

    মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. তাসনুভা খান বলেন, ‘গরমে শিশুর পানির চাহিদা মেটানোর অর্থ কিন্তু এই না, তাকে বারবার জবরদস্তি পানি পান করাতে হবে। বরং তার দেহের চাহিদা বোঝার চেষ্টা করুন। শিশু প্রস্রাব করার সময় রং ও পরিমাণ খেয়াল করুন। শিশু যদি পর্যাপ্ত প্রস্রাব করে এবং প্রস্রাবের রং যদি হয় হালকা হলুদ খড়ের মতো, তাহলে

    এই চিকিৎসকের কাছ থেকে এই সময়ে শিশুর যত্নে কিছু ভুল সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

    পানি নিয়ে জোরাজুরি

    বয়স ছয় মাস পার হলে শিশুকে পানি পান করানো শুরু করতে হয়। দুই বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ থেকেই পানির চাহিদা অনেকটা মিটে যায়। পানি, অন্যান্য তরল ও ফলমূল থেকেও সে পানি পায়। সারা দিনই মাঝেমধ্যে শিশুকে পানি বা তরল খাবার খেতে উৎসাহ দিন। ফলের রস বা স্মুদি করে দিতে পারেন। তবে খুব বেশি চিনি দেওয়া পানীয় দেবেন না। তার সঙ্গে নিজেও পানি পান করুন। স্কুলে গেলেও যাতে পর্যাপ্ত পানি পায়, সে ব্যবস্থা রাখুন। তবে পানিশূন্যতার লক্ষণ না থাকলে শিশুকে পানি পান করানোর ব্যাপারে জোর করবেন না। অকারণ বিরক্তি ভাব বা জেদ, খানিকটা নিস্তেজ ভাব, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, গাঢ় হলুদ বা কমলা রঙের প্রস্রাব হওয়া, মুখ বা জিব শুকিয়ে যাওয়া, চোখ বসে যাওয়া প্রভৃতি হতে পারে পানিশূন্যতার লক্ষণ।

    যা খুশি তা–ই খাওয়া

    গরমে পানি ও খাবারের মাধ্যমে বহু মারাত্মক রোগ ছড়ায়। অস্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি করা পানীয় ও খাবারের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণ হয়। এগুলো এড়িয়ে চলার ব্যাপারে শিশুকে বুঝিয়ে বলুন, স্কুলের পথে একলা সুযোগ পেলেও যেন সে এসব খাবার না খায়। রসনার তৃপ্তি মেটাতে বাড়িতে তার পছন্দের খাবার ও পানীয় তৈরি করে দিন। আইসক্রিম খাওয়া নিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করবেন না, যদি না ঠান্ডায় তার খুব বেশি অ্যালার্জি থাকে। মাঝেমধ্যে আইসক্রিম বা হালকা ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার সুযোগ দিন, তবে তা যেন নিরাপদভাবে তৈরি করা হয়। তাকে এটাও বুঝিয়ে বলুন, কড়া রোদ থেকে ঘরে বা ক্লাসে ঢোকামাত্রই ঠান্ডা কিছু খাওয়া উচিত নয়। একটু রয়েসয়ে তারপর সে খেতে পারে হালকা ঠান্ডা পানীয় বা খাবার।

    পোশাক ও পরিচ্ছন্নতার ভুল

    • বাইরে গেলে হাতাকাটা পোশাক পরানো ভুল। কারণ, তাতে রোদ আর ধুলা–ময়লায় বেশি ক্ষতি হয়। পাতলা সুতি কাপড়ের ফুলহাতা জামা-পায়জামা পরালে শিশু সুরক্ষিত থাকবে।

    • আঁটসাঁট পোশাক পরানোও ভুল।

    • গাঢ় রঙের পোশাক পরানোও উচিত নয়। কারণ, এগুলো তাপ ধরে রাখে।

    • যিনি খাবার প্রস্তুত বা পরিবেশন করবেন, হাত ধোয়ার ব্যাপারে তাঁর উদাসীন হওয়াটা মারাত্মক ভুল।

    • দুধ ও অন্যান্য খাবার খুব বেশি সময় বাইরে রাখা ঠিক নয়। এগুলো গরমে নষ্ট হয়ে যায়। সব খাবারই সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা জরুরি।

    খেলার সময়কার ভুল

    • কড়া রোদের সময় বাইরে বা ছাদে খেলতে দেওয়ার ভুলটা করবেন না। খুব গরমে ঘরেই খেলুক। দুপুরে স্কুলে থাকলেও যাতে সে ভুলটা না করে।

    • শিশু যদি পার্কে খেলতে যায়, তাহলে তাকে আগেই ধাতব খেলার সামগ্রীগুলোতে উঠতে দেওয়া আরেক ভুল। প্রথমে এগুলোর তাপমাত্রা হাতের তালুর উল্টো পিঠ দিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। কারণ, দুপুরের রোদের তাপে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা ধাতবসামগ্রী পরেও গরম থাকতে পারে। এগুলো তাপমাত্রাসহনীয় হলে তাকে উঠতে দিন।

    • পানির কাছে তাকে একা ছাড়ার ভুলটি করা যাবে না। ঝোপঝাড়ে শিশু যেন হাত না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।