ক্যাটাগরি ঢাকা বিভাগ

  • মাহিদার চায়ের কপে সন্তানদের স্বপ্ন

    মাহিদার চায়ের কপে সন্তানদের স্বপ্ন

     

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    মাহিদা বেগম (৪০)। স্বামী মৃত আবু বকর হাওলাদার । ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত এক মাস আগে মারা গেছেন আবুবকর।  স্বামীকে হারিয়ে এখন তিন সন্তান নিয়ে অভাবে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। তবে সন্তানদের স্বপ্ন বাঁচাতে ও সংসারের অভাব দূর করতে ভাড়ায় নেওয়া একটি চায়ের দোকানই একমাত্র সম্বল। সন্তানের স্বপ্ন বুনছেন চায়ের কাপে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের শিমুল তলা এলাকার মো.আবু বকর হাওলাদারের সঙ্গে বরিশালের ইব্রাহিম হাওলাদের মেয়ে মাহিদা বেগমের বিয়ে হয় প্রায় ২৪ বছর আগে। তাদের ঘরে ২ মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে আফসান আক্তার মিম মাদারীপুর সরকারী কলেজে অর্নাসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ছোট মেয়ে মোসা. আফরিন কুলপদ্বী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। ছেলে আরিয়ান আহম্মেদ মাহিমের বয়স আড়াই বছর।

    সংসারের অভাব দূর করতে স্বামী-স্ত্রী মিলে ৯ বছর আগে বাড়ির কাছেই শিমুল তলা বাজার এলাকায় একটি চায়ের দোকান দেন। ভালোই চলছিলো দোকান। হঠাৎ পাঁচ বছর আগে আবু বকর অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানতে পারেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। শেষের দুই বছর বেশি অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে যান তিনি। এরপর তার চিকিৎসার জন্য ঋণ করে ও অন্যের সহযোগিতায় কোনভাবে চলছিলো দিন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মারা যান আবু বকর হাওলাদার। এরপর একাই সংসার আর দোকানের হাল ধরেছেন মাহিদা বেগম।

    ভাড়া নেয়া দোকানে চা বিক্রির পাশাপাশি পান ও সামন্য কিছু বিস্কুট বিক্রি করেন তিনি। দোকানটি বেশ বড় হলেও সেলসগুলো ফাকা পড়ে আছে। টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় মালামাল তুলতে পারেন না তিনি। শুধু চা বিক্রির টাকায় দুই মেয়ের পড়াশুনাসহ সংসারের সব খরচ জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তার। তাছাড়া প্রায় তিন লাখ টাকার মতো দেনা থাকায় মাহিদা বেগম এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

    মাহিদা বেগমের মেয়ে আফরিন বলেন, আমার আর আমার বোনের পড়াশুনার খরচ জোগাড় করতে মায়ের খুব কষ্ট হয়। এই চায়ের দোকান থেকেই যা আয় হয়, তা দিয়ে আমাদের সংসারের পুরো খরচ জোগাড় করতে হয়। বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তার চিকিৎসার জন্য অনেক দেনা করতে হয়েছে।

    মাহিদা বেগম বলেন, এই চায়ের দোকান দিয়েই আমার সব খরচ জোগাড় করতে হয়। প্রতিদিন এক হাজার টাকার মতো বিক্রি হয়। খরচ বাদ দিয়ে অল্প কিছু আয় থাকে। তা দিয়েই পুরো সংসার চালাতে হয়। দুই মেয়ের পড়াশুনার খরচ জোগাড় করতে হয়। ছেলে ছোট। আমাকে সহযোগিতা করার মতো কেউ নেই। যদি কেউ আমার দোকানের বিক্রির জন্য কিছু মালামাল কিনে দেয় তাহলে আমি তা বিক্রি করে একটু আয় করতে পারতাম। এতে আমার অনেক উপকার হতো। আমার দুই মেয়ের পড়াশুনাটা ঠিকমতো চালাতে পারতাম।

    মাদারীপুর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক নাজনীন আফরোজ বলেন, মাহিদা বেগম চাইলে ঋণ নিতে পারবেন। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন ধরণের ট্রেনিং হয়। ট্রেনিং নিয়েও তিনি কাজ করে আয় করতে পারবেন। কয়েকদিন আগেই ইউনিয়নগুলোতে ভিজিডি’র কার্ড দেয়া হয়ে। এরপর দিলে তিনি চাইলে তাকেও দেয়া হবে।

  • শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    স্টাফ রিপোর্টার

    বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাথায় কালো কাপড় বেঁধে শাহবাগে অবস্থান করে মৌন মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। জেলা সদর ও উপজেলা সদরে শিক্ষকরাও এই কর্মসূচি পালন করবেন।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

    বক্তারা জানান, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির ৩ দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফেরত যাবেন না তারা।

    এর আগে রোববার (১৯ অক্টোবর) অষ্টম দিনের কর্মসূচি হিসেবে শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকদের ভুখা মিছিল কর্মসূচিটি পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়লে শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়।

    এদিন সকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়ায় সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। কিন্তু সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    বাড়ি ভাড়া ২০ শতাংশ, মেডিকেল ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা ও উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

  • সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

    সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

    নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ২৯ বছর পর অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দিয়েছে আদালত।

    সোমবার ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন। সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরীর আইনজীবী আবিদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এদিন চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলায় তার মায়ের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

    এ বিষয়ে সালমান শাহর বাবা কমর উদ্দিনের অভিযোগ এবং ঘটনায় জড়িত রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের জবানবন্দি সংযুক্ত করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্য রমনা মডেল থানা পুলিশকে আদেশ দিয়েছেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলা করেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

    ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে রায় দেন। যা প্রত্যাখ্যান করেন সালমান শাহর বাবা এবং পরবর্তীতে রিভিশন মামলা করেন।

    ২০০৩ সালে সেই রিভিশন মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক ‘অপমৃত্যু’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

    এরপর ছেলের মৃত্যুর বিচারপ্রার্থী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মারা গেলে মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি সিএমএম আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। তখন মামলাটি তদন্তের ভার পড়ে পিবিআইয়ের ওপর।

    ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করলে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

    মামলার নিষ্পত্তি আদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১২ জুন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবারও রিভিশন মামলা দায়ের করে বাদীপক্ষ। ওই রিভিশন মামলায় বলা হয়, একাধিক ব্যক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে হত্যাকে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। সুপরিকল্পিত হত্যাকে ‘আত্মহত্যা’ ও ‘অপমৃত্যু’ বলা হচ্ছে। তাই সত্য প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

  • জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ আহমেদকে হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ছাত্রীর নাম বর্ষা আক্তার। তাকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন জুবায়েদ।

    রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটের বর্ষাকে তার নিজ বাসা রাজধানীর বংশালে নূর বক্স রোডে রৌশান ভিলা থেকে আটক করা হয়। এছাড়া বাড়ির বাকি সদস্যদেরও কড়া নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।

    নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হওয়া জুবায়েদের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছেন, হত্যায় সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অতি দ্রুত খুনিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    বিডি নিউজ ডেস্ক :

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন

  • গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মালিহা পাইক (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    আজ  সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত মালিহা পাইক কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামের বায়জিদ পাইকের মেয়ে।

    কোটালীপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, শিশু মালিহা বাড়ির সামনের উঠানে খেলছিল। এ সময় সবার অজান্তে  বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে মালিহাকে অনেক খোঁজা-খুঁজির পর পুকুর থেকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মালিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরিবারের অবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৯ জে‌লে গ্রেপ্তার

    পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৯ জে‌লে গ্রেপ্তার

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৯ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    মঙ্গলবার (০৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় পদ্মা নদীর কলাবাগান এলাকা থেকে ৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও আনুমানিক ১০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। পরে ইলিশ স্থানীয় দৌলতদিয়া খানকা শরিফের এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ জেলেকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন মতে ২টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালত পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে উদ্ধাকৃত জালগুলো আলামত হিসেবে রাখা হয়েছে।

     

  • নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মার চরে ইলিশের বাজার

    নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মার চরে ইলিশের বাজার

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকলেও ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরে বসছে ইলিশের অস্থায়ী বাজার। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসনের দুর্বলতা ও নজরদারির অভাবে প্রতিদিনই এ বাজার থেকে পাচার হচ্ছে বিপুল মা ইলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের মুন্সীরচরের মোল্লা কান্দিঘাট এলাকায় প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায় বসছে এ অবৈধ মাছের হাট। বাজারটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী বলে পরিচিত আক্কাস ও কুদ্দুস নামের দুই ব্যক্তি।

    জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার করে তা এই বাজারে এনে বিক্রি করেন, এবং পরে চোরাই পথে ইলিশ সরবরাহ করা হয় জেলার বিভিন্ন স্থানে, এমনকি পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার শিবচরের কাজীরসুরা চর এলাকাতেও।

    অভিযুক্ত কুদ্দুসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ক্রেতা পরিচয়ে আক্কাসের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে সাংবাদিক। সাংবাদিককে জানান জানান, ১০-২০ কেজি ইলিশ দেওয়া যাবে। মাছ নিতে চাইলে মোল্লাকান্দি ঘাটে আসতে হবে। প্রশাসনিক তৎপরতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই এলাকায় প্রশাসন আসে না। এখান থেকে মাছ নিতে কোনো ঝুঁকি নেই।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই নিষেধাজ্ঞার সময় এ ধরনের অবৈধ বাজার বসে আসছে। প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায় এই বাজারে চলে ইলিশ বেচাকেনা। বাইক ও নৌকায় করে গোপনে এসব মাছ পাচার করা হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

    এ প্রসঙ্গে সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় নৌযানও নেই। উপরন্তু, অঞ্চলটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া সেখানে কার্যকর অভিযান চালানো সম্ভব নয়। আমরা শিগগির প্রশাসনের সহায়তায় অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

     

  • গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

    গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে দুই মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে প্রায় ১০ ঘণ্টা আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

    আজ শনিবার সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা পর্যন্ত কোনাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জরুন আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রাখেন স্বাধীন গার্মেন্টস লিমিটেডের শতাধিক শ্রমিক। এ সময় রাস্তাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে পথচারী ও যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

    কারখানার শ্রমিকেরা জানান, স্বাধীন গার্মেন্টস লিমিটেডের শ্রমিকদের দুই মাস ধরে বেতন পরিশোধ করেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ। বেতন পরিশোধ করা হবে বলে বারবার নোটিশ দেওয়া হলেও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ ৫ অক্টোবর কারখানা কর্তৃপক্ষ ১৮ অক্টোবর বেতন পরিশোধের তারিখ নির্ধারণ করে। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আজ সকালে শ্রমিকেরা কারখানার সামনে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা কারখানার সামনের আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

    কারখানার সুইং অপারেটর হাসি বেগম বলেন, ‘গত দুই মাস আমরা ডিউটি করেছি এবং ওভারটাইমও করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের বেতন দেওয়া হয়নি। চলতি মাসও প্রায় শেষের দিকে। অনেক কষ্টে দিন যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে রাস্তা অবরোধ করেছি।’

    স্বাধীন গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কামরুজ্জামান বলেন, ‘শ্রমিকদের গত দুই মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করার চেষ্টা করছি। কারখানার আর্থিক সংকটের কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।’

    গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক মোর্শেদ জামান বলেন, শ্রমিকেরা বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন। চলতি মাসের ২৪ তারিখে বেতন দেওয়া হবে বলে মালিকপক্ষ থেকে কারখানার প্রধান ফটকে একটি নোটিশ টাঙানো হয়েছে। তবে শ্রমিকেরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৬৬৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৮ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। শতকরা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭০।

    কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ২০১৫ সাল থেকে বোর্ড কর্তৃক সেরাদের তালিকায় না হলেও নিজেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখেছে।

    এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৬৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ১৪১ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১৮৩ জন অংশ নিয়ে জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৩ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ২ জন। মানবিক শাখা থেকে ৩৩৪ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭৩ জন।

    কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্লাহ আহসান বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমাদের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার সরাসরি নির্দেশনায় নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল, মাসিক পরীক্ষা, গাইড টিচারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানসহ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনো এমন ফলাফল হয়নি। এবারের ঘাটতিগুলোয় গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে পূর্বের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ফিরব ইনশা আল্লাহ।’