ক্যাটাগরি টাঙ্গাইল

Tangail district

  • টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    বিডিনিউজ ডেক্স : আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কালিহাতী উপজেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিমকে বিএনপির সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিমকে দল থেকে বহিষ্কার করার কথা জানানো হয়েছে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য টাঙ্গাইল জেলাধীন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। একইসাথে ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম কালিহাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির হাই কমান্ড এ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিনকে মনোনয়ন দেয়। দলের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন এবং পুরো নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত প্রচারনা চালাচ্ছেন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পরেছেন।

    M

  • মির্জাপুরের তরফপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব

    মির্জাপুরের তরফপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব

    বিডিনিউজ ডেক্স :টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চলছে পাহাড়ের টিলা কেটে লাল মাটি বিক্রির মহোৎসব। পাহাড় ধ্বংস করে মাটি বিক্রি করায় একদিকে হুমকির মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য ও ফলজবৃক্ষসহ উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। এই লাল মাটি বিক্রির উৎসব মাসব্যাপি ধরে চললেও প্রশাসন শক্ত হাতে দমনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। লালমাটি বহনকারি ড্রাম্প ট্রাকের চাকার দাপটে খানাখন্দক হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা।
    জানা গেছে, ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে মির্জাপুর উপজেলা গঠিত। এর মধ্যে আজগানা, বাঁশতৈল, তরফপুর, লতিফপুর ও গোড়াই ইউনিয়ন হলো পাহাড়বেষ্টিত। এই পাহাড়ের বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চলে ছিল শত শত উঁচু টিলা। পাহাড়বেষ্টিত ইউনিয়নগুলোর বনে এক সময় বাঘসহ নানা জাতের পশু-পাখির বসবাস ছিল। এছাড়া এই বনাঞ্চল শাল ও গজারিসহ নানান জাতের ফলজ এবং ওষুধি গাছে ভরপুর ছিল।

    প্রতিবছর এই অঞ্চলে মাটি ব্যবসায়িরা অবৈধভাবে পাহাড়ের টিলা কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্য বছরের মতো টিলা কেটে মাটি বিক্রির মহোৎসব এবারও থেমে নেই। প্রতিবছর টিলা কেটে মাটি বিক্রি করায় পাহাড়ি অঞ্চলটির টিলার সংখ্যা দিনকে দিন কমে আসেছে। সরেজমিনে তরফপুর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, এক মাসের ব্যবধানে এই এলাকায় পাহাড়ের কমপক্ষে ১০টি বড় বড় টিলা কেটে মাটি বিক্রি করেছে। ইউনিয়নটির রাখেরচালায় গিয়ে দেখা গেছে, কয়েকটি বড় বড় টিলার মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে মাটি বিক্রি করা হয়েছে। পাশের অন্য আরও একটি টিলার মাটি কাটার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। টিলাটির ওপরের আকাশমনি, কাঠাল ও আমসহ সকল গাছ-গাছালি কেটে ফেলছেন কয়েকজন শ্রমিক।

    তরফপুর গ্রামের হযরত আলী, মাসুম ও শহিদ জানান বাঁশতৈল এলাকার রোকন নামে এক ব্যক্তি মাটি কেটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে টাকিয়া কদমা গ্রামের রাধারচালায় দুইটি টিলার মাটি একইভাবে কেটে নিচ্ছে অবৈধ এই লাল মাটিখেকোর দল। নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন বাঁশতৈল এলাকার শহিদুল নামে এক মাটি ব্যবসায়ি এই টিলার মাটি কেটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এদিকে টিলার লালমাটি বহনকারি বড় বড় ড্রাম্প ট্রাক অনবরত চলাচল করায় ওই এলাকার গ্রামীণ রাস্তা খানাখন্দক হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন। মাটি ব্যবসায়িরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ টু শব্দ করতে পারেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। মাটি ব্যবসায়ি রোকনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি মাটি ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি। এখন অন্যরা করছে বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে তরফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রেজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাহাড়ের টিলা কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই।
    এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি থামাতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা রাতেও অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু ওরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে আমাদের অভিযান থেমে থাকবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    M

  • জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেক্স  : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নঠুরচর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী মো. আ. রাজ্জাক জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী নাজিম উদ্দীনের পরিবারের সঙ্গে তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার সন্ধ্যায় পাশ্ববর্তী বাড়ির মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন ও তার অনুসারীরা তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    রাজ্জাক আরও জানান, হামলা প্রতিরোধ করতে গেলে নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজনকে মারধর করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    1. এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আ. রাজ্জাক গোপালপুর থানায় ৯ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন— মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন, মৃত আজালী শেখের ছেলে আ. হামিদ, হামিদের ছেলে মো. হাফিজুল ইসলাম, মো. কবির হোসেন, হারুন, নাজিমের ছেলে কামরুল হোসেন, হাফিজুলের ছেলে শাহীন ও হারুনের ছেলে পারভেজ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গে নাজিমের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় সেই বিরোধের জের ধরেই নাজিম উদ্দীনের অনুসারীরা রাজ্জাকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাঙচুর করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    তবে অভিযুক্ত পক্ষের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, রাজ্জাকের পরিবার নিজেরাই ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে নাটক সাজিয়েছে এবং তারাই উল্টো তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    M

  • টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ|| চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

    টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ|| চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জেলার সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র হলেও বর্তমানে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বর্জ্য যুক্ত পানি, ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধ। অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম ও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আনিসুর রহমান শহরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

    এ সময় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুছকে সাথে নিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা  ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখতে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে পরিদর্শন করেন। এসময় দেখা যায়, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ সিঁড়ি, ভেতরে ও বাইরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনা, আঙিনা, ওয়ার্ডের আশপাশে খোলা অবস্থায় আবর্জনা পড়ে আছে। কোথাও কোথাও মেডিকেল বর্জ্যও সঠিকভাবে অপসারণ না করায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতালে এসে রোগ সেরে ওঠার কথা, কিন্তু এই নোংরা পরিবেশে উল্টো নতুন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে।” অনেক রোগী জানান, দুর্গন্ধের কারণে ওয়ার্ডে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় এমন পরিবেশ মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, একটি হাসপাতাল কখনোই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের প্রতীক হতে পারে না, বরং পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ চিকিৎসার আদর্শ হওয়া উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ নোংরা-আবর্জনায় ভরে থাকে। স্যালাইন, ন্যাকিন, সূঁচ সহ সিরিঞ্জ, গজ-ব্যান্ডেজ হাসপাতালের পরিত্যক্তস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। হাসপাতালে ঢুকলেই উৎকট গন্ধে অবস্থান করা দূরূহ হয়ে পড়ে।

    টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের এই কাজটা জেলা প্রশাসকেরও ইচ্ছা। যেগুলো ময়লা বাইরে আছে, পৌরসভার পক্ষ থেকে আমরা সেগুলো পরিস্কারের ব্যবস্থা করবো। কিন্তু ভেতরের অবস্থা খুবই অস্বাস্থ্যকর। মেডিকেল বর্জ্যগুলোকে অপসারণের জন্য আলাদাভাবে রাখতে বলেন। যাতে পৌরসভা সেগুলো আলাদাভাবে সরিয়ে নিতে পারেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোন সমস্যা হলে, তিনি হাসপাতালের পরিচালককে তাকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের সাথে কথা বলতে বলেন।

    টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, আপনারা যেমন চান আমিও চাই, এই হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মুক্ত হোক। যাতে রোগীরা সুন্দরভাবে চিকিৎসা নিতে পারে। আমি মনে করি এটা আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে, একটা প্লান করে কিভাবে ধীরে ধীরে  এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা যায়, সেই চেষ্টা করবো। এ সময় তিনি পৌর প্রশাসককে হাসপাতাল পরিদর্শনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আনিসুর রহমান, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূর মোহাম্মদ রাজ্য, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী সাজু, মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস্ রিভিউ সোসাইটি’ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), বিডি ক্লিনের সদস্যগণ, পৌরসভার স্টাফগণ ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজন।

    M

  • মহেশপুর সীমান্তে নারী-শিশুসহ আটক ১৩

    মহেশপুর সীমান্তে নারী-শিশুসহ আটক ১৩

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় নারী, শিশুসহ ১৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী এমদাদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    আটকদের মধ্যে ছয়জন নারী, চারজন শিশু ও তিনজন পুরুষ রয়েছে। পুরুষরা হলেন—উপজেলার তালসার গ্রামের ইনামুল মণ্ডলের ছেলে সাজেদুল মন্ডল (১৮), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বার্তা গ্রামের মিনহাজের ছেলে রাব্বি হোসেন (২১) ও একই জেলার কালিহাতী থানার খরশিলা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে রাব্বি (২৫)।এমদাদুর রহমান বলেন, ‘মহেশপুর ৫৮ বিজিবি অধীন বাঘাডাঙ্গা ও বেনীপুর বিওপির টহল দল অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের চেষ্টার দায়ে ১৩ জনকে আটক করে। আটক নারী ও শিশুদের যশোর জাস্টিন অ্যান্ড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হবে। অন্যদের মহেশপুর থানার সোপর্দ করা হয়েছে।

    এম কে

  • মাগুরায় রাইস মিলে কেমিক্যাল দুর্ঘটনায় পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ

    মাগুরায় রাইস মিলে কেমিক্যাল দুর্ঘটনায় পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ

    বিডিনিউজডেক্স

    মাগুরায় সদরের আলোকদিয়া এলাকায় অটো রাইস মিলে কেমিক্যাল ঢালার সময়ে সেটি উথলে পড়ে পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।

    শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সদরের আলোকদিয়া এলাকায় আমেনা অটো রাইস মিলে’ এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন, টাঙ্গাইল জেলার মোহাম্মদ শিপন (৪৫), ফরিদপুর জেলার সবুজ (৩২), শাহিন হোসেন (২০), জয়পুরহাটের অনুকূল (২৪) ও মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের রেজওয়ান (৩৮)। তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার ইমরান আহমেদ জানান, আহতদের শরীরে গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    আহতদের সহকর্মী শ্রমিক জুয়েল শেখ বলেন, মিলে ব্যবহৃত কেমিকেল মাঝেমধ্যেই পরিবর্তন করতে হয়। শনিবার দুপুরে কেমিক্যাল ঢালার সময় তা হঠাৎ উথলে গিয়ে তাদের গায়ে পড়ে যায়। তখন আমরা দ্রুত ছুটে গিয়ে সবাইকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি।

    মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধদের খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে।

    তবে এ বিষয়ে মিল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

  • রোজ এক কাপ চানা বুট খেলে কী হয়, জানেন?

    রোজ এক কাপ চানা বুট খেলে কী হয়, জানেন?

    চানা বুট বেশ স্বাস্থ্যকর খাবার। কোনো এক বেলার স্ন্যাকস তো বটেই, রাতের খাবারের বিকল্পও হতে পারে এক কাপ চানা বুট। চানা বুটে আছে আমিষ, শর্করা এবং দেহের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খনিজ উপাদান। আরও আছে পর্যাপ্ত আঁশ। এ সম্পর্কে জানালেন টাঙ্গাইলের সরকারি কুমুদিনী কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান শম্পা শারমিন খান

    ওজন নিয়ন্ত্রণ

    পর্যাপ্ত আঁশ ও আমিষ থাকায় চানা বুট খেলে আপনার সহজে ক্ষুধা লাগবে না। আবার এতে শর্করাও পাবেন। অর্থাৎ কর্মক্ষম ও সতেজ থাকার জন্য আপনি পর্যাপ্ত ক্যালরিও পাবেন তা থেকে। বুঝতেই পারছেন, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে হলে রোজ চানা বুট খেতে পারেন। এভাবে ওজন কমানো সহজ হবে।

    আঁশের উপকার এখানেই শেষ নয়

    পর্যাপ্ত আঁশ গ্রহণ করলে কোষ্টকাঠিন্য এড়ানো সহজ। রক্তের খারাপ চর্বি কমাতেও কাজে আসে এই আঁশ। তা ছাড়া আঁশসমৃদ্ধ খাবার খেলে হুট করে রক্তের সুগার বেড়ে যায় না, যেমনটা বাড়ে সাদা ভাত খেলে। চানা বুটের মতো আঁশযুক্ত খাবার খেলে রক্তের সুগার বাড়ে ধীরে ধীরে, স্বাস্থ্যকরভাবে।

    খনিজ উপাদানের উপকার অনেক

    চানা বুটে আছে ম্যাঙ্গানিজ, কপার, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ও সেলেনিয়াম। চুল ও ত্বক সতেজ রাখার জন্য তো বটেই, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য এসব উপাদান আমাদের প্রয়োজন রোজ। এসবের মধ্যে জিংক ও সেলেনিয়াম অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। তার মানে তারুণ্য ধরে রাখতেও কাজে আসে এসব উপাদান। তা ছাড়া চানা বুটে আরও আছে সামান্য পটাশিয়াম ও আয়রন। তবে এই আয়রন দেহের কাজে লাগানোর জন্য এর সঙ্গে চাই ভিটামিন সি। অর্থাৎ টক ফল বা ফলের রসের সঙ্গে খেলে তবেই এই আয়রন কাজে লাগবে। হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতার জন্য সঠিক মাত্রায় পটাশিয়াম জরুরি। আয়রন রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়ক। তবে কেবল এক কাপ চানা বুটের আয়রনের ওপর নির্ভর করে রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

    বিকল্প আমিষ

    চানা বুটে যে আমিষ থাকে, তা দেহের আমিষের চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। তবে এটি উদ্ভিজ্জ আমিষ হওয়ায় একে দ্বিতীয় শ্রেণির আমিষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, উদ্ভিজ্জ আমিষে আমাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সব অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে না। সুস্থ থাকতে সারা দিনে চানা বুটের পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকেও আমিষ গ্রহণ করতে হবে। আপনি চাইলে এক কাপ চানা বুটের সঙ্গে একটা সেদ্ধ ডিম কুচি করে যোগ করে নিতে পারেন। ডিম প্রাণিজ আমিষ বলে তা প্রথম শ্রেণির আমিষ। অর্থাৎ এতে আমাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সব কটি অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে। চানা বুটে যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডগুলো নেই, সেসবের ঘাটতি মেটানো যায় এভাবে। অর্থাৎ চানা বুটের সঙ্গে ডিম যোগ করলে আমিষের মোট পরিমাণও বাড়ে, আবার আমিষের গুণগত মানও বাড়ে।

    খেয়াল রাখুন

    • চানা বুটে টক ফলের রস যোগ করলে আপনি ভিটামিন সির উপকারও পাবেন।
    • কাঁচা সবজি যোগ করলে পাবেন ভিটামিন বি।
    • চানা বুট সেদ্ধ করে খাওয়াই ভালো। তেল যোগ করা হলে ক্যালরির মাত্রা বেড়ে যাবে। তাতে ওজন নিয়ন্ত্রণ বাধাগ্রস্ত হবে।