ক্যাটাগরি শিক্ষা ও সাহিত্য

  • শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন। বাংলাদেশে শিক্ষাখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে চায়না–বাংলাদেশ রাউন্ড টেবিল অন গভর্ন্যান্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ বৈঠকে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার শিক্ষাসহ সব খাতের উন্নয়নে চীনসহ বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্কোন্নয়নে জোর দিচ্ছে। এছাড়া, দেশের জিডিপি’র ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা করছে,যা কার্যকারিতা বিবেচনায় বিনিয়োগ করা হবে। দেশের বর্তমান প্রজন্মকে দক্ষ ও বৈশ্বিক মানের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা ও কারিগরি খাতে সহযোগিতা আরও জোর দিতে চায় সরকার।’

    ই দেশের সুসম্পর্ক উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এসম্পর্ক নির্মাণে জোর দিয়েছিলেন। এ সম্পর্ক আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ নির্মাণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সরকারের সঙ্গে বহুমাত্রিক সম্পর্ক উন্নয়নের আশা প্রকাশ করেন। বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং যেকোন পরিস্থিতিতে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সিসিএস একাডেমিক বোর্ড চেয়ারম্যান চেন ডংশিয়াও, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মহাপরিচালক আ স ম রিদওয়ানুর রহমান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

    বি/ এ

  • ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগ; তৃণমূলে অন্তোষ

    ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগ; তৃণমূলে অন্তোষ

    ডেস্ক নিউজ:

    আগামী দিনের মাঠের কর্মসূচি বেগবান এবং তৃণমূলকে আরো সক্রিয় করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এরই অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে একযোগে ৪৫টি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে নতুন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে সংগঠনটি। তবে সেসব কমিটি নিয়ে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে। এগুলো নিয়ে সংগঠনের মধ্যে রীতিমতো তুলকালাম চলছে।

    কমিটি নিয়ে গুরুতর

    অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা, অছাত্র ও বিবাহিতরা পদ পেয়েছেন। অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবসহ বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা এবং ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নিপীড়ন, হামলা-মামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের বঞ্চনা সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের আন্তরিকতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও ঝাড়ু মিছিল করেছেন পদবঞ্চিতরা। ঘটেছে সংঘর্ষ ও আহত হওয়ার ঘটনা। সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। এছাড়া পদবঞ্চিতদের একটি বিরাট অংশ নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে।

    পদবঞ্চিত নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন পর কমিটি ঘোষণার ফলে যেখানে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে শুরু হয় তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক। পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়ায় অভিমানে দল ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছেন কেউ কেউ। শুধু তাই নয়, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ‘নিষ্ক্রিয়’ এবং সুবিধাবাদীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় ছাত্রদলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অন্তর্কোন্দলে সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার অবস্থা।

    পদবঞ্চিত নেতাদের দাবি, আগামী দিনে বিরোধী দলের মাঠের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যেতে পারে। সেসব কর্মসূচিতে এ অভ্যন্তরীণ কোন্দল ছাত্রদলের শক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের কেন্দ্র ও তৃণমূলের একাধিক নেতা বলেছেন, আগামী দিনে ছাত্রদলের কাউন্সিল হওয়ার সম্ভাবনা মাথায় রেখে এমন অনেককে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে, যাদের রাজপথে কখনো দেখা যায়নি। আবার নিষিদ্ধ ও বৈরী ছাত্র সংগঠনের অনেককেও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—যাদের মাধ্যমে সংগঠনের শৃঙ্খলা হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর বিপরীতে রাজপথে ভূমিকা রাখা, জেল-জুলুমের শিকার অনেক নেতা পদবঞ্চিত হয়েছেন। কীসের ভিত্তিতে কমিটিতে এমন পদায়ন হয়েছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক, বিএনপির চেয়ার‌ম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

    তবে দীর্ঘদিন ধরে কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে সোচ্চার একটি অংশ ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা—কমিটি নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি দ্রুত সুরাহা না হলে সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    একযোগে ৪৫ ইউনিটের কমিটি

    ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি মর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৫টি ইউনিটের কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। তার মধ্যে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে ২২ ইউনিটে। সেগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স), বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদল, ভোলা, ঝালকাঠি, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী মহানগর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, চাঁদপুর, যশোর, বান্দরবান, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

    এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমসহ ২৩টি ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি কমিটিগুলো হলো— কুমিল্লা মহানগর, ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, জামালপুর, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা মহানগর, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ।

    ক্ষোভ ও বিতর্কের নেপথ্যে

    বিভিন্ন ইউনিটে কমিটি ঘোষণার পরপরই প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পরে রাজপথে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক এলাকার নেতাদের অভিযোগ—অনেক ইউনিটে নিয়মিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে অছাত্র, ব্যবসায়ী ও বিবাহিতদের পদ দেওয়া হয়েছে। পাশপাশি কোথাও কোথাও ত্যাগীরা অবমূল্যায়িত হ

    য়েছেন। এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কয়েকটি জেলা ও মহানগরে নবগঠিত কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদের নেতারা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অনেক জায়গায় পদবঞ্চিত কর্মীরা ঝাড়ু মিছিল ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কুশপুতুল পুড়িয়েছেন। অনেকে ফেসবুক লাইভে অতীত আন্দোলন-সংগ্রামের বর্ণনা দিয়ে অঝোরে কেঁদেছেন। কেউ কেউ অভিমানে ছাত্রদলের রাজনীতি ছাড়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।

    কমিটি নিয়ে তুলকালাম

    ছাত্রদল ঘোষিত জেলা ও মহানগর কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা, অছাত্র, ছাত্রশিবির, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও ঝাড়ু মিছিল করেছেন পদবঞ্চিতরা। বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া সংঘর্ষ থামাতে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়েছে প্রশাসনকে।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ

    ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ চার ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পদবঞ্চিতদের একটি বিরাট অংশ গত রোববার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ—কমিটিতে অছাত্র, ব্যবসায়ী এবং নব্যদেরও পদায়ন করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রি করা হয়েছে। সেখানে বিগত দিনের ত্যাগী, নির্যাতিত অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    রাঙামাটিতে সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা

    জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে নবনির্বাচিত কমিটি ও পদবঞ্চিতদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করেছেন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

    নিজ জেলায় অবাঞ্ছিত ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক

    সদ্য ঘোষিত নোয়াখালী জেলা ও পৌর ছাত্রদলের কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও সমাবেশ করেছেন সংগঠনের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হয়। সেই সঙ্গে তারা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনকে নোয়াখালীতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, নাছির ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে অনুগতদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির ১৮ জনই বিবাহিত।

    মমেকের কমিটিতে ৮ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ২২ সদস্যের কমিটিতে আটজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পদধারী সাবেক নেতা রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পদবঞ্চিতরা। তাদের অভিযোগ, মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে দুঃসময়ের ত্যাগী কর্মীদের পদ না দেওয়া হলেও ছাত্রলীগের নেতাদের পদ দেওয়া হয়েছে।

    কক্সবাজার ও বরিশালে সড়ক অবরোধ

    দীর্ঘ দুই বছর পর ঘোষিত কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের স্থান হয়নি দাবি করে রোববার রাতে শহরের প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। একই অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর আমতলার মোড়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

    ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকের এক পোস্টে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেলের অভিযোগ, তার সহযোদ্ধাদের দেখে দেখে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটাকে অপরাজনীতি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না।

    এছাড়া ঢাকা মহানগর পূর্বের ৪০০ সদস্যের কমিটিতে জায়গা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। দিনাজপুরেও একতরফা কমিটি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পদবঞ্চিতরা। এছাড়া ভোলায় বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতার ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের পদ পাওয়া নিয়েও ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

    সার্বিক বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির  বলেন, জেলা কমিটিগুলো গঠনের ক্ষেত্রে শীর্ষ দুজন ছাড়া বাকিদের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়। বিগত দিনের কর্মকাণ্ড এবং আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা বিবেচনায় নিয়েই কমিটি ঘোষণা হয়েছে। তবে বাস্তবে সংগঠনের পদ এবং প্রত্যাশীদের সংখ্যার মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেককে কাঙ্ক্ষিত পদায়ন সম্ভব হয়নি। এ কারণে অনেকের সংক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা।

    ময়মনসিংহ মেডিকেলের বিষয়ে নাছির বলেন, সেখানে ছাত্রলীগ গণহারে অনেককে পদ দিয়ে দিয়েছে। যে কারণে এমন অনেকের নাম এসেছে, যারা আসলে এ বিষয়ে জানেও না।

    আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নাকচ করে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ রকম কোনো বিষয় নেই। আর এমন অভিযোগ কাম্য নয়।

    বি/ এ

  • সিঙ্গাপুরে বুলিং ঠেকাতে স্কুলে ফিরছে বেত

    সিঙ্গাপুরে বুলিং ঠেকাতে স্কুলে ফিরছে বেত

    ডেস্ক নিউজ:

    সিঙ্গাপুরে চালু হয়েছে নতুন স্কুল শৃঙ্খলাবিধি। এই বিধির আওতায় বুলিংয়ের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে ছেলে শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত নতুন নিয়ম নিয়ে চলতি সপ্তাহে দেশটির পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী, বুলিং বা সাইবার বুলিংয়ের ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ছেলে শিক্ষার্থীদের এক থেকে তিনবার পর্যন্ত বেত্রাঘাত করতে পারবে।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুরের শিক্ষামন্ত্রী ডেসমন্ড লী বলেছেন, বেত্রাঘাত হবে ‘শেষ অবলম্বন’ হিসেবে। তিনি বলেন, ‘অসদাচরণের গুরুত্ব বিবেচনায় অন্য সব ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত হলে’ তখনই এই শাস্তি প্রয়োগ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর প্রটোকল অনুসরণ করা হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বেত্রাঘাতের অনুমোদন দিতে হবে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এবং এটি কার্যকর করতে পারবেন শুধুমাত্র অনুমোদিত শিক্ষকরা।’ তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীর মানসিক পরিপক্বতা এবং বেত্রাঘাত তাকে নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে ও তার কাজের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করবে কি না, সেসব বিষয়ও স্কুল বিবেচনায় নেবে।’

    শিক্ষার্থীদের আচরণ নিয়ে এক বছরের পর্যালোচনার পর এই কঠোর নীতি নেওয়া হয়েছে। এর পেছনে সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন স্কুলে ঘটে যাওয়া কয়েকটি বহুল আলোচিত বুলিংয়ের ঘটনাও ভূমিকা রেখেছে, যা দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল।

    মন্ত্রী জানান, এই ব্যবস্থা শুধু উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ছেলে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী এবং তার চেয়ে বড় ছেলেরা এর আওতায় পড়বে। তিনি আরো বলেন, সিঙ্গাপুরের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নারীদের বেত্রাঘাত করা নিষিদ্ধ। শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর ‘কল্যাণ ও অগ্রগতি’ পরবর্তী সময়েও পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানান তিনি। প্রয়োজনে তাদের কাউন্সেলিং ও অন্যান্য সহায়তা সেবাও দেওয়া হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বুলিংয়ের ঘটনায় দোষী প্রমাণিত ছাত্রীদের ক্ষেত্রে ‘আটক রাখা, সাময়িক বহিষ্কার, আচরণগত গ্রেড কমিয়ে দেওয়া এবং স্কুলভিত্তিক অন্যান্য শাস্তি’ প্রয়োগ করা হবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গাপুরে স্কুল ও বৃহত্তর বিচারব্যবস্থায় শারীরিক শাস্তি ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। তবে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের দাবি, গুরুতর অপরাধ ও অসদাচরণ ঠেকাতে বেত্রাঘাত কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।

    সিঙ্গাপুরে বেত্রাঘাতের প্রচলন শুরু হয়েছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে। যদিও পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য নিজ দেশেই শারীরিক শাস্তি বাতিল করে। অস্ট্রেলিয়াও কয়েক দশক আগে সরকারি স্কুলগুলোতে বেত্রাঘাত বন্ধ করে দেয়। দেশটির কিছু বেসরকারি স্কুলে অবশ্য ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে গিয়ে এই প্রথার অবসান ঘটে।

    বি/ এ

  • প্রাথমিকের অর্ন্তভুক্তি হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা: গণশিক্ষা মন্ত্রী

    প্রাথমিকের অর্ন্তভুক্তি হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা: গণশিক্ষা মন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রাথমিকের আওতায় নিয়ে আসা হবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, তবে এই মুহূর্তেই আমরা এই কার্যক্রমটি শুরু করছি না কারণ হলো আমাদের নিজেদেরও গোছানোর আছে। গত কয়েক বছরে শিক্ষাব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছে। তাই অনেক মেরামতের কাজ আছে। এই মেরামতের কাজগুলো হাতে নেওয়ার অগে আরও বড় বড় দায়িত্ব হাতে নেওয়া খুব মুশকিল।

    তিনি আরও বলেন, তাই আমরা আগে একটা একটা করে মেরামতের চেষ্টা করছি। তবে এটুকু নিশ্চিত করছি আগামী দিনগুলোতে আন্ডার টেন ইয়ার ওল্ড সব এডুকেশন আমরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনব মানে সিমিলার কারিকুলাম স্ট্যান্ডার্ড, সিমিলার স্ট্যান্ডার্ডে নিয়ে আসার কাজ করছি এবং আগামীতে এটা হবে ইনশাআল্লাহ।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশরাফ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বুধবার সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এ কর্মশালা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক রহিদুল ইসলাম খান।

    কর্মশালা সঞ্চালনা করেন আশরাফ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী আশিষ কুমার চ্যার্টাজি।

    আলোচনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ , মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ, ফাউন্ডেশনের ফিল্ড ট্রেইনার নজরুল ইসলাম, জোহরা খাতুন প্রমুখ।

    কর্মশালায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মৌলিক আলোচ্য বিষয় ছিল দেশে সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ,মেধাবী, কম মেধাবী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য একই রকম শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা। কর্মশালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন লিলিয়েন্স ফনডস ও সেন্টার ফর ডিসএবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট নামে দুটি সংস্থা।

    বি/ এ

  • ভূয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

    ভূয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বহু বছর ধরে জাল সনদে শিক্ষকতা করে আসা শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারের নেয়া টাকা ফেরত ও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।   ৪৮৭ জাল সনদধারী শিক্ষকের কাছে প্রাথমিকভাবে তাদের লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। কেনো এসব জাল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

    বুধবার এ সংক্রান্ত পৃথক চিঠি মাধ্যমিক ও শিক্ষার সব আঞ্চলিক উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানোর হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা হতে ৪৭১ জন জাল, ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের তালিকাসহ একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসারে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো ৪৭১ (মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ এবং কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন) জন জাল, ভুয়া সনদধারী তালিকাভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হেয়েছে।

    বি/ এ

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি করা হয়েছে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে এ নীতিমালা জারি করে।

    বিস্তারিত আসছে———-

  • রাবিপ্রবির ভিসির কার্যালয়ে তালা

    রাবিপ্রবির ভিসির কার্যালয়ে তালা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে (ভিসি) অপসারণের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে ভিসি কার্যালয়ে তালা দিয়েছে ছাত্রদল।

    মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে ক্যাম্পাসে ভিসি কার্যালয়ের সমানে সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন অর্ণব। এসময় সদস্যসচিব জিশান আহম্মেদ, শরিফ উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন না মেনে নিজের খেয়াল খুশি মত নিজের পছন্দের লোককে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা নয় বরং দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জামায়াতিকরণ করেছেন। পাশাপাশি আওয়ামী শিক্ষকদের বিভিন্ন পদে পদায়নও করেছেন।

    এসব অভিযোগে ভিসির পদত্যাগে আন্দোলনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্রদল।

    বি/ এ

  • ঢাকা বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র সংগ্রহে অনীহা

    ঢাকা বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র সংগ্রহে অনীহা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র সংগ্রহ থেকে মূল্যায়নে সীমাহীন অবহেলা দেখা যায় পরীক্ষকদের মধ্যে। এর খেসারত দিতে হয় পরীক্ষার্থীদের।

    বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত দিনে উত্তরপত্র সংগ্রহ করেননি ২৩৫ জন পরীক্ষক। তাই তাদের আগামীকাল ৫ মে উত্তরপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    সোমবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর বাংলা ১ম পত্রের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ই-টিআইএফভুক্ত শিক্ষকদের পরীক্ষক হিসেবে বোর্ড থেকে নিয়োগ দেয়া হয়। আজ ৪ মে পরীক্ষার উত্তরপত্র গ্রহণ করার জন্য গত ৩০ এপ্রিল বোর্ড থেকে তাদের মোবাইলে এসএমএস দেয়া হলেও উল্লিখিত পরীক্ষকরা অনুপস্থিত রয়েছেন। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি, আপনার প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষকদের আগামী ৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে বোর্ডে উপস্থিত হয়ে উত্তরপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

    ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক হাই কোর্টে আটকে আছে, ওদেরকে ‘প্রমোশন’ দিতে পারছি না। আবার ৩২ হাজার নিতে (নতুন নিয়োগ দিতে) পারছি না। এদিকে ৭৭ হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে নিতে হবে। কাজ চলছে।

    সোমবার (৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন,

    তিনি আরো বলেন, আদালতে (শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাত নিয়ে) প্রায় ১৩ হাজার মামলা আটকে আছে। এই মামলার জট কীভাবে খুলব? মানে কী করা যাবে বলেন? কিছুটা সময় দেন।

    ১৮০ দিনের মধ্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়ে যাবে আশা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, টাইম ফ্রেইম হচ্ছে ১৮০ দিনের ভেতরে। সবগুলো দেখবেন যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এই শুরু হওয়াটাই হচ্ছে আমাদের প্রথম ধাপ।

    গাছ একবার লাগালে ফল দিতেই থাকবে। আমরা চাচ্ছি যে শুরুতে যেন আমাদের গতিটা বেশি থাকে। আমাদের কর্ম পরিসর যেন অনেক ব্যাপক থাকে। শুরুটা যদি ভালো হয়, তারপর আমরা আস্তে আস্তে শেষের দিকে চাপমুক্ত থাকব।

    বি/ এ