ক্যাটাগরি শিরোনাম

  • বুড়িমারী সীমান্তে পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

    বুড়িমারী সীমান্তে পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্ত থেকে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার  বিকেলে বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল এলাকার ৮৩৭/১ এস সীমান্ত পিলারের নিকটবর্তী একটি ফসলি জমি থেকে এটি উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বামনদল গ্রামের মৃত করিমের ছেলে সাজু বাড়ির পাশের ফসলি জমিতে কাজ করতে যান। এ সময় তিনি মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি পুরাতন মর্টার শেল দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি)  বুড়িমারী বিওপির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাটগ্রাম থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পাটগ্রাম থানা পুলিশে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    পাটগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মর্টার শেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এটি ধ্বংস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম কে

  • কালীগঞ্জে ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    কালীগঞ্জে ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ৫০০ মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে ‘মরহুম মাহবুব-উল-আলম স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। সোমবার (২০ এপ্রিল) উপজেলার চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    মরহুম মাহবুব-উল-আলম স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মিসেস আশরেফা জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রোকন উদ্দিন বাবুলের। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে না পারায় তিনি একটি লিখিত বার্তা প্রেরণ করেন।

    বার্তায় সংসদ সদস্য বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। মরহুম মাহাবুব-উল-আলম এই অঞ্চলে স্কুল-মাদরাসা প্রতিষ্ঠাসহ শিক্ষার প্রসারে আজীবন কাজ করে গেছেন। তার নামে গঠিত এই ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের নতুন দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যোগ্য হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান। তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ফাউন্ডেশনের এই পদক্ষেপটি প্রান্তিক পর্যায়ে শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমাজের বিত্তবানদেরও এমন সেবামূলক কাজে এগিয়ে আসা উচিত।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান, সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমার সেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবিদা খাতুন ও দইখাওয়া আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোফাজ্জল হোসেন।

    অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন চাপারহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের প্রিন্সিপাল আনোয়ারা বেগম, শামসুদ্দিন-কমরউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ আহমেদ, চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিতেন্দ্রনাথ সিংহ, চাপারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোফাখখারুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে ব্যাগ, খাতা ও কলমসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন অতিথিরা।

    এম কে

  • ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল চা দোকানির

    ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল চা দোকানির

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার সাঘাটায় ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে সকালে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

    ‎শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুব আলম। একইদিন সকালে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মথরপাড়া পচাবস্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ৩২ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন (মনা)। মনা ওই গ্রামের সুরেন্দ্র বর্মনের ছেলে। তিনি মথরপাড়া বটতলা বাজারে চা-দোকানি ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার নিজ বাড়িতে ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার চেষ্টা করছিলেন মনা। এসময়  হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট হলে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে পরিবারের সদস্য টের পেলে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের ফুফাতো ভাই সুমন রায় জানান, মনা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। মনার বাবা-মা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগী। সকালে ব্লেন্ডার ঠিক করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান।

    ‎‎সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম স্থানীয়দের বরাতে বলেন, বাড়ির ব্লেন্ডার ঠিক করার সময় মথর পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর হয়েছে। তিনি চা দোকানি ছিলেন।

    এম কে

  • একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার পর এবার প্রেমিকের মৃত্যু

    একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার পর এবার প্রেমিকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একসঙ্গে বিষপানে প্রেমিকা মীম আক্তারের মৃত্যুর ৬ দিন পর মারা গেলেন প্রেমিক মোরছালিন হাসান পরশও। শুক্রবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরশের মৃত্যু হয়।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম।

    নিহত পরশ (২৫) উপজেলার জয়েনপুর গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে ও মীম (১৯) একই গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে। তারা একে অপরের প্রতিবেশী ।

    এর আগে গত ১৯ এপ্রিল সকালে ওই গ্রামে মীম ও পরশ একসঙ্গে বিষপান করেন। পরে তাদের উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্বজনরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন বিকেলেই মীমের মৃত্যু হয় এবং পরশের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মোরছালিন হাসান পরশ ও মীম আক্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে তারা দুজনই নিজেদের পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে উভয়ের পরিবার রাজি না হওয়ায় সম্প্রতি মীমকে অন্যত্র বিয়ে দেয় তার পরিবার। এরমধ্যে মীম স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে উভয়ের মধ্যে অভিমানের সৃষ্টি হয়। পরে সেই অভিমান থেকেই পরশ ও মীম ১৯ এপ্রিল সকালে একসঙ্গে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আজ সকালে পরশের মৃত্যু হয়েছে। আমরা রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছি। সেখানেই (রমেকে) মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে। এরপর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এম কে

  • রাত ৯টার মধ্যে ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    রাত ৯টার মধ্যে ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    আবহাওয়া ডেস্ক:

    দেশের ১৬ জেলায় রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৯টার মধ্যে কালবৈশাখী হতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, রোববার রাত ৯টার মধ্যে মৌলভীবাজার, সিলেট, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি/বৃষ্টি হতে পারে। এসময় ঘরের বাইরে না যেতে বলা হয়েছে।

    এর আগে এক বার্তায় জানানো হয়, এই মুহূর্তে দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বজ্রপাত সংঘটিত হচ্ছে। যা পরবর্তীতে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বি/ এ

  • নীলফামারীতে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু

    নীলফামারীতে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় রবিউল ইসলাম (৪০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল ইসলাম নিতাই ইউনিয়নের খোলাহাটি এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে। 

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে রবিউল ইসলাম ভ্যান নিয়ে উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় পিছন দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাক্টর তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এম কে

  • সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মোট ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৫টি, সংশোধিত ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪টি প্রকল্পের। তবে বড় অঙ্কের এই অনুমোদনের আড়ালে প্রকল্পে একাধিকবার মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে চলতি অর্থবছরের দশম এবং বিএনপি সরকারের দ্বিতীয় একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। ওই সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। একনেক সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের জন্য তালিকায় ছিল মোট ১৭টি প্রকল্প। কিন্তু সভায় ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

    এছাড়া, একনেক সভায় বিভিন্ন খাতের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হলেও প্রশ্ন উঠছে ব্যয় ও বাস্তবায়ন দক্ষতা নিয়ে। বিশেষ করে সড়ক খাতের কয়েকটি প্রকল্পে একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের সড়ক উন্নয়ন এবং সেতু নির্মাণসংক্রান্ত তিনটি প্রকল্পে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। কেন এই দীর্ঘসূত্রতা— তা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, ‘নগর জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ’ প্রকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ‘পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ (৩য় সংশোধন)’ প্রকল্প। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ০৪টি প্রকল্প, (১) ‘অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাসে সহনশীল অবকাঠামো (রিভার) প্রকল্প (১ম সংশোধন)’, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ , ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন (২য় সংশোধন)’ ‘ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ’ প্রকল্প।

    সড়ক (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’, ‘বৈরাগীরপুল (বরিশাল)-টুংচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক (জেড-৮৯১০) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধন)’, ‘বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৯) বরিশাল (চর কাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধন)’, এবং ‘বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষীপাশা-দুমকি জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ এবং ‘মধুখালী হতে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

  • খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশায় প্রতিষ্ঠিত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী

    খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশায় প্রতিষ্ঠিত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী

    ডেস্ক নিউজঃ

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, অন্যান্য পেশার মতো খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকেও একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যেয় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার বড়বাড়ীতে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বৈশাখী মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে সরকার ‘নতুন কুঁড়ি’ খেলোয়াড় সংগ্রহের একটি কর্মসূচি সারাদেশে চালু করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিভাবান তরুণদের খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে তরুণরা খেলাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।

    আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বিদেশি আগ্রাসনে সংস্কৃতির মতো গ্রামীণ খেলাধুলাও হারিয়ে যেতে বসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে মাঠে ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সে লক্ষে শুধু খেলাধুলা নয়, গ্রামবাংলার সংস্কৃতিও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সরকার।

    এদিন বড়বাড়ি শহিদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবের প্রথম দিনে বিলুপ্তির পথে হারাতে বসা বিভিন্ন ধরনে গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতিযোগিতাসহ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা ও সংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ আরও অনেকেই।

    এম কে

  • দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজ বর্ধন খামারটি একসময় ছিল সম্ভাবনার প্রতীক। তবে বর্তমানে জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অবহেলায় খামারটির কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশাল এই খামারের অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগিয়ে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
    এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দাবি তুলেছেন সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। তিনি খামারটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং দেশের কৃষি শিক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
    ১৯৮০ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান র খামারটির উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ সরকার ও তৎকালীন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক স¤প্রদায়ের (ইইসি) আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই খামারটির মোট আয়তন ৬৩ দশমিক ৭০ হেক্টর (প্রায় ১৫৭ একর)। এর মধ্যে গবেষণা, বীজ উৎপাদন, বিভিন্ন ফসল চাষ, বাগান, পুকুর, রাস্তা ও অবকাঠামোসহ নানা কাজে জমি ব্যবহার করা হলেও প্রায় ১৪ দশমিক ৭২ হেক্টর জমি বর্তমানে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে।
    খামারটিতে প্রজনন, কৃষিত্বত্ত¡, কীটতত্ব, মৃত্তিকা ও রোগতত্ব এই পাঁচটি ডিসিপ্লিনের আওতায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে আবাসিক সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১২০ জনকে থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব।
    খামারের পাশেই অবস্থিত চৌগাছার মর্জেদ বাওড়, যা মৎস্য গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এছাড়া খামারের পতিত জমিতে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি বিষয়ক গবেষণাও চালানো যেতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
    চৌগাছার সিনিয়র সাংবাদিক রহিদুল খান বলেন, যশোর একটি উন্মুক্ত কৃষি উৎপাদন এলাকা, যেখানে সারা বছর বিভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষি গবেষণা ও শিক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান। তার মতে, জগদীশপুর তুলা খামারেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে সরকারের ব্যয় কম হবে এবং বিদ্যমান অবকাঠামো সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে।
    খামারের ব্যবস্থাপক কর্টন এগ্রোনোমিস্ট যোবায়ের ইসলাম তালকদার বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হবে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বিন হুসাইনও একই মত পোষণ করে জানান, যশোর অঞ্চলের মাটি সব ধরনের ফসল উৎপাদনের উপযোগী হওয়ায় এই এলাকায় কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

     

    ইরানি বাহিনীর অতর্কিত হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা ও এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে এনবিসি নিউজ।
    কর্মকর্তারা এনবিসি নিউজকে বলেছেন, জনসমক্ষে এখন পর্যন্ত ধ্বংসের পরিমাণ যা জানানো হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে তা অনেক বেশি এবং এসব মেরামতের জন্য শত শত কোটি ডলার খরচ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার শুরু করলে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। অন্তত সাতটি দেশে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। অস্ত্রভাণ্ডার থেকে শুরু করে কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের কেন্দ্রে হামলা চালায় তেহরানের বাহিনী।

    ইরানের হামলায় এসব দেশের রানওয়ে, রাডার সিস্টেম, এমনকি যুদ্ধবিমানও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পুরাতন একটি এফ-৫ যুদ্ধবিমান যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।

    তবে ইরানের হামলায় কী পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য জানায়নি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ড।

    ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তুলে না ধরায় ইতিমধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রিপাবলিকান নেতা। এদিকে পেন্টাগন মার্কিন কংগ্রেস থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলার অর্থ চেয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন বাহিনীর ব্যয় হয়েছে ১১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য দেড় ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা জানান।