ক্যাটাগরি শিরোনাম

  • ২০ জেলার ৩০ স্থানকে হামের ‘হটস্পট‘ ঘোষণা

    ২০ জেলার ৩০ স্থানকে হামের ‘হটস্পট‘ ঘোষণা

    বিডিটাইমস ডেস্ক

    দেশে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ২০টি জেলার ৩০টি স্থানকে ‘হটস্পট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এসব উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরিভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আগামী ২১ মে তথা পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপে দেশের ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট এলাকায় টিকা দান কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    হামের হটস্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে- বরগুনা জেলা পৌরসভা ও সদর, পাবনা পৌরসভা ও সদর, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া উপজেলা, চাঁদপুর পৌরসভা ও সদর ও হাইমচর। কক্সবাজার জেলার মহেশখালী ও রামু উপজেলা। গাজীপুর সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ও সদর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা। এ ছাড়াও রয়েছে, নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া, ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল ও তারাকান্দা, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা, নওগাঁর পোরশা। যশোর পৌরসভা ও সদর, নাটোর পৌরসভা ও সদর, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ও সদর, লৌহজং ও শ্রীনগর উপজেলা, মাদারীপুর পৌরসভা ও সদর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, ঝালকাঠির নলছিটি, শরীয়তপুরের জাজিরায় টিকা দান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

  • কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ জনের লাশ উদ্ধার

    কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ জনের লাশ উদ্ধার

    বিডিটাইমস ডেস্ক

    রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলীর গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এ লাশ উদ্ধার করেন।

    এর আগে গ্যাস লাইটার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট। পরে যোগ দেয় আরও ৪ ইউনিট। দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

  • নীলফামারীর সৈয়দপুরে কুড়িয়ে পাওয়া টাকাভর্তি মানিব্যাগ মালিককে ফিরিয়ে দিয়েছেন পুলিশ সদস্য ফজলুল হক।

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে কুড়িয়ে পাওয়া টাকাভর্তি মানিব্যাগ মালিককে ফিরিয়ে দিয়েছেন পুলিশ সদস্য ফজলুল হক।

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে কুড়িয়ে পাওয়া টাকাভর্তি মানিব্যাগ মালিককে ফিরিয়ে দিয়েছেন পুলিশ সদস্য ফজলুল হক। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে সৈয়দপুর থানায় প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগ হস্তান্তর করা হয়। 

    ডেস্ক নিউজঃ

    জানা যায়, দুপুরের দিকে পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক সৈয়দপুর থেকে নীলফামারীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢেলাপীর বাজার এলাকায় পৌঁছালে সেখানে মাটিতে পড়ে থাকা একটি টাকাভর্তি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পান। পরে মানিব্যাগে থাকা মোবাইল নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে প্রকৃত মালিক আলমগীর হোসেনকে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেন তিনি। মানিব্যাগে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা ছিল।

    পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক বলেন, আজকে দুপুরের দিকে নীলফামারিতে যাচ্ছিলাম। এ সময় টাকাভর্তি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পাই। পরে মানিব্যাগে থাকা কাগজপত্র দিয়ে মালিকের পরিচয় শনাক্ত করে তাকে কল দিয়ে থানায় ডেকে সবকিছু বুঝিয়ে দেই।

    এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, থানার এক পুলিশ সদস্য এক ব্যক্তির টাকাভর্তি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পান। পরে মালিককে ডেকে সেটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এম কে

  • নীলফামারীতে ৭ দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৪৩ জন, হাম নিয়ে ভর্তি ৬ শিশু

    নীলফামারীতে ৭ দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৪৩ জন, হাম নিয়ে ভর্তি ৬ শিশু

    নীলফামারীতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সাত দিনে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪৩ জন। এ অবস্থায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. দেবাশীষ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিনে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগে আক্তান্ত হয়ে ৮০ শিশুসহ ২৪৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ২১০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং বাকিরা চিকিৎসাধীন। শয্যা সংকট থাকায় অনেক রোগী মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    চিকিৎসকরা বলছেন, হঠাৎ তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। একইসঙ্গে মৌসুমি জ্বরেও আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে, যার মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশি। এতে প্রয়োজনীয় স্যালাইন ও ওষুধ সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা চলছে।

    এ ছাড়া, হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের আলাদাভাবে আইসোলেশন বিভাগে রেখে শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    জোবায়ের নামে এক শিশুর মা বাবলি বেগম বলেন, আমার সন্তান জ্বর, পাতলা পায়খানা, ঠান্ডা-কাশিতে ভুগছিল। গতকাল সকালে হাসপাতালে ভর্তি করাই। বিকেলের দিকে সারা শরীরে র‍্যাশ ও ফুসকুড়ি উঠেছে। ডাক্তাররা বলেছে এটা হামের উপসর্গ।

    আরেক রোগীর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, হঠাৎ করে আমার বাচ্চার পাতলা পায়খানা শুরু হয়। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে জানতে পারি সে ডায়রিয়া রোগে আক্তান্ত হয়েছে, চিকিৎসা চলছে।

    নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. দেবাশীষ সরকার বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এখন আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

    জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং খাবারের আগে হাত ধোয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, ডায়রিয়া ও জ্বর প্রতিরোধে ফুটানো পানি পান, পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হবে।

    এম কে

  • ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি : প্রশাসকের ৩৭৭ ও দলীয় ১২০০

    ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি : প্রশাসকের ৩৭৭ ও দলীয় ১২০০

    রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির কার্ড বণ্টন নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে অন্নদানগর ইউনিয়নে প্রশাসকের স্বাক্ষরিত একটি রেজুলেশনে প্রশাসকের নিজের জন্য ৩৭৭টি এবং ‘দলীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের’ জন্য ১২০০টি কার্ড বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কার্ডের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করে বঞ্চিত হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

    এর আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের প্রশাসক বিজয় কুমার রায়ের গত ৫ মার্চের স্বাক্ষরিত একটি রেজুলেশনের কপি পাওয়া যায়। রেজুলেশনটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

    রেজুলেশনে দেখা যায়, ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ৪ হাজার ৭৯৭টি ভিজিএফ কার্ড বিভিন্ন খাতে বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন প্রশাসকের জন্য ৩৭৭টি কার্ড এবং দলীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জন্য ১ হাজার ২০০টি কার্ড বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে।

    এ ছাড়া, ওয়ার্ডভিত্তিক বণ্টনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭০টি করে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭৫টি, ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২৩০টি করে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯০টি, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭০টি করে এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯০টি কার্ড বিতরণের কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনজন সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের জন্য পৃথকভাবে ২৭৫টি করে কার্ড বরাদ্দের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

    তবে ভিজিএফ কর্মসূচি মূলত দরিদ্র, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্রদের তালিকা প্রণয়ন করে কার্ড বিতরণের কথা রয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় মোট ৪৮ হাজার ৩৯৭টি কার্ডের বিপরীতে ৪৮৩.৯৭০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কল্যাণী ইউনিয়নে ৪,০৩৬টি, পারুল ইউনিয়নে ৫,৯৮৬টি, ইটাকুমারী ইউনিয়নে ৪,০৮৬টি, অন্নদানগর ইউনিয়নে ৪,৭৯৭টি, ছাওলা ইউনিয়নে ৬,৩৮৬টি, তাম্বুলপুর ইউনিয়নে ৬,৩৮৬টি, পীরগাছা ইউনিয়নে ৭,০৯৮টি, কৈকুড়ী ইউনিয়নে ৫,২৮৬টি ও কান্দি ইউনিয়নে ৪,০৩৬টি কার্ড বরাদ্দ করা হয়েছে।

    এদিকে ভাগাভাগির রেজুলেশনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, ভিজিএফের মতো দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তা কর্মসূচির কার্ড বণ্টনে এ ধরনের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা আদৌ সেই সুবিধা পাচ্ছেন কি না।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা ‘দলীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের’ জন্য নির্দিষ্ট কার্ড সংরক্ষণের বিধান সরকারি নীতিমালায় নেই। ফলে এমন রেজুলেশন তৈরি করা হলে তা নীতিমালার সঙ্গে অসামঞ্জস্য হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। কার্ড ভাগ বণ্টনের বিষয়টি প্রকাশ হলে রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কার্ডের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করে বঞ্চিত হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

    পরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলতাফ হোসেনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা চলে যান। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অন্নদানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিল্লুর রহমান। এ সময় তিনি হারুন অর রশিদ বাবু নামে এক স্থানীয় সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ হুমকি দেন।

    রেজুলেশনে উল্লেখিত কার্ড বরাদ্দের বিষয়ে জানতে অন্নদানগর ইউনিয়নের প্রশাসক বিজয় কুমার রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কার মাধ্যমে বিতরণ হলো সেটা বিষয় না। তবে সবাই যাতে সঠিকভাবে কার্ড পায় সে লক্ষে কাজ করছি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে পীরগাছা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলতাফ হোসেন বলেন, আমরা ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দ দিয়ে থাকি। পরে ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে উপকারভোগীর তালিকা তৈরি করে বিতরণ করা হয়। এ ধরনের কোনো বিষয় আমার জানা নেই।

    পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক বলেন, ভিজিএফ কর্মসূচির চাল অবশ্যই দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করতে হবে। এভাবে কোনো ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো খাতে ভাগ করার সুযোগ নেই। বিষয়টি জানার পর প্রশাসককে পুনরায় সভা আহ্বান করে নীতিমালা অনুযায়ী উপকারভোগী নির্ধারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এম কে

  • জামায়াতের আমির ছেলেদের সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন

    জামায়াতের আমির ছেলেদের সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন

    লালমনিরহাট-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমিরের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। বিশেষ করে জামায়াত আমিরের নারী কর্মীদের সঙ্গে সেলফি তোলা এবং তাদের ‘বন্ধু’ সম্বোধন করার বিষয়টিকে তিনি ইসলামের আদর্শ পরিপন্থি ও ইমান বিধ্বংসী বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান ও পর্দার বিধান দিয়েছে। আল্লাহ নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা দেখছি, জামায়াতের আমির ছেলেদের সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন। তিনি মুরব্বি মানুষ হয়ে বেপর্দা মেয়েদের বলছেন— ‘ছেলে বন্ধুরা সরে যাও, মেয়ে বন্ধুরা আসো’।

    চরমোনাই পীর বলেন, এই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হলে ইমান থাকবে না, এমন আচরণ নিয়ে কখনো আল্লাহর দ্বীন কায়েম করা সম্ভব নয়। ইসলামী আন্দোলনের ৩৮ বছরের ইতিহাসে কোনো নেতা পরনারীর সাথে এমন সেলফি তোলেননি।

    তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা ইসলামী দলগুলোর সাথে ঐক্যবদ্ধ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু জামায়াতের নেতৃত্বে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়িত হবে না। জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আমেরিকা দূতাবাসে গিয়ে আমাদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ বা বিএনপিও আমাদের জঙ্গি বলেনি, কিন্তু তারা ভারতের লক্ষ্য হাসিল করতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এমনকি তারা এমন প্রার্থী দিয়েছে যিনি নিজেই বলছেন জামায়াত কোনো ইসলামী দল নয়।

    এলাকার উন্নয়ন ও মিথ্যাচারের জবাব দিতে হাতপাখা মার্কায় ভোট চেয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, করোনাকালে যখন স্বজনরা মরদেহ ফেলে পালিয়েছিল, তখন হাতপাখার কর্মীরাই দাফন-কাফনের কাজ করেছে। ৫ আগস্টের পর সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় আমরা পাহারাদারের ভূমিকা পালন করেছি। যাদের পা থেকে মাথা অবধি মিথ্যায় ভরা, তারা ইসলাম কায়েম করতে পারবে না। তাই এলাকার শান্তি ফেরাতে হাতপাখাকে বিজয়ী করুন।

    জনসভায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • বিরল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই শিশুর জন্ম

    বিরল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই শিশুর জন্ম

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সফল অস্ত্রোপচারের (সিজারিয়ান) মাধ্যমে দুটি নবজাতক শিশু পৃথিবীর আলো দেখেছে। সোমবার সকালে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে নবজাতক ও মায়েরা সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নার্স-মিডওয়াইফ এবং মেডিকেল অফিসারদের একটি বিশেষ দলের সমন্বয়ে এই অস্ত্রোপচার পরিচালিত হয়।

    সফল এই সিজারিয়ান অপারেশনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন অবস এন্ড গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আহমদ শরীফ রুশো।উপজেলা পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালে এমন উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে।

    এই বিষয়ে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পার্থ জ্বিময় সরকার জানান, নবজাতক এবং মায়েরা সকলেই বর্তমানে সুস্থ আছেন। তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।এদিকে, উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের জরুরি চিকিৎসা সেবা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নবজাতকদের পরিবারের সদস্যরা।

    তারা জানান, বাড়ির কাছেই এমন নির্ভরযোগ্য সেবা পাওয়ায় তারা আনন্দিত। একইসঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    এম কে

  • দিনাজপুরের খানসামায় টানা অগ্নিকাণ্ডে জনমনে আতঙ্ক

    দিনাজপুরের খানসামায় টানা অগ্নিকাণ্ডে জনমনে আতঙ্ক

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় গত তিন দিনে তিনটি পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন সময়ের মধ্যেই এসব দুর্ঘটনায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি ও গবাদিপশু পুড়ে বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পর পর তিন দিন উপজেলার ভিন্ন ভিন্ন স্থানে আগুন লাগার ফলে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকটি পরিবার ও ব্যবসায়ী। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

    প্রথম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার ঈদের দিন রাতে ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের টংগুয়া এলাকার টুপারমোড় বাজারে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট এই আগুনে মুহূর্তের মধ্যেই ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা এসব দোকান হারিয়ে ব্যবসায়ীরা এখন দিশেহারা। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১২ লাখ টাকা। এরপর গত রবিবার ভোরে একই ইউনিয়নের খামার বিষ্ণুগঞ্জ এলাকায় একটি বাড়িতে মশার কয়েলের আগুন থেকে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে তিনটি গরু ও দুটি ছাগল পুড়ে মারা যাওয়ার পাশাপাশি আসবাবপত্র ও একটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়। পরিবারটির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সর্বশেষ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের পাকেরহাট জিয়া মাঠ সংলগ্ন একটি বসতবাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। এই ঘটনায় ওই বাড়ির আসবাবপত্রসহ যাবতীয় মালামাল পুড়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। প্রতিটি অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস।

    তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। খানসামা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আবুল কালাম আজাদ জানান, তারা যথাসময়ে পৌঁছাতে পারায় আগুন বড় এলাকায় ছড়াতে পারেনি। তিনি জনগণকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও খোলা আগুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    এদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ করেছেন। তিনি বলেন, অসতর্কতার কারণেই অনেক সময় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে। ঈদের খুশির মুহূর্তে এসব ক্ষয়ক্ষতি সত্যিই বেদনাদায়ক। সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এ ধরনের দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে ওই এলাকার মানুষ আগুনের আতঙ্কে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

    এম কে

  • কলার মোচা দেখিয়ে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচালেন

    কলার মোচা দেখিয়ে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচালেন

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক অনন্য সাহসিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন দিনমজুর এনামুল হক। রেললাইন ভাঙা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লাল কাপড়ের বিকল্প হিসেবে কলার মোচার লাল অংশ ব্যবহার করে সংকেত দেন তিনি। এতে নিশ্চিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পঞ্চগড়গামী একটি আন্তঃনগর ট্রেন এবং এর শত শত যাত্রী।

    ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার  সকাল সাড়ে ৬টায় ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেললাইনের মধ্যবর্তী পূর্ব চণ্ডীপুর এলাকায়। এনামুল হক (৬৫) ওই গ্রামের মৃত ফজলুল হক সোনারের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের তৃতীয় দিন ভোরে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় এনামুল লক্ষ্য করেন রেললাইনের প্রায় এক ফুট অংশ ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেন। আশেপাশে কোনো লাল কাপড় না পেয়ে তিনি উপস্থিত বুদ্ধিতে পাশের বাগান থেকে একটি কলার মোচা ছিঁড়ে নেন এবং এর লালচে পাপড়িগুলো একটি লাঠির মাথায় বেঁধে সংকেত হিসেবে লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে যান।ঠিক সেই মুহূর্তেই ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর ‍‍`পঞ্চগড় এক্সপ্রেস‍‍` ট্রেনটি ওই এলাকা অতিক্রম করছিল। দূর থেকে এনামুলের লাল সংকেত দেখতে পেয়ে ট্রেনের চালক নিরাপদ দূরত্বে ট্রেনটি থামিয়ে দেন।

    এর ফলে এক ভয়াবহ বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। এ সময় এনামুলের ডাকে সাড়া দিয়ে প্রতিবেশী শাহিনুর পার্বতীপুর রেলওয়ে অফিসে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে রেলওয়ের প্রকৌশলী দল ও শ্রমিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় বিকল্প ব্যবস্থায় ট্রেনটি পার করার ব্যবস্থা করেন। পরে রেললাইনটি স্থায়ীভাবে মেরামত করা হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    ফুলবাড়ী স্টেশন মাস্টার শওকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেললাইন ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই প্রকৌশলী টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর বিশেষ করে এনামুল হকের এই সচেতনতার কারণে একটি বড় ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনার জন্য প্রায় আধা ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।

    এম কে

  • পাম্পে তেল নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের কাহারোলে পাম্পে মোটরসাইকেলের তেল নিতে এসে ‌‘হিট স্ট্রোক’ করে এনায়েতুল করিম (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার সুন্দইল আছমা লতিফা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

    এনায়েতুল করিম বীরগঞ্জ উপজেলার সাঁতোর ইউনিয়নের সাঁতোর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

    তিনি কাহারোল উপজেলার ৪ নম্বর তারগাঁও ইউনিয়নের ইছাইল গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে পাম্পে তেল নিতে ঢোকেন। পরে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, এনায়েতুল করিম সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কাহারোল উপজেলার সুন্দইল আছমা লতিফা ফিলিং স্টেশনের কাছে পৌঁছে দেখেন পাম্পে তেল দিচ্ছে। তিনি তেল নিতে মোটরসাইকেল নিয়ে পাম্পের ভেতরে প্রবেশ করেন। দীর্ঘসময় রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে একপর্যায়ে ঘামতে শুরু করেন।

    এসময় মোটরসাইকেলসহ মাটিতে পড়ে যান এনায়েতুল। তেলের জন্য অপেক্ষায় থাকা উপস্থিত জনগণ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার বর্মন জানান, তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এনায়েতুল করিম অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তিনি আরও জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এম কে