ক্যাটাগরি ন্যায়বিচার

  • চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাশিলা গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন (৬২)। নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা খাল পাড়ার শওকত আলীর ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (৫৮)। সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের আড়সিংড়ি পুকুরিয়া গ্রামের মৃত লুৎফর মন্ডলের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রোকন উদ্দিন (৩৮)। হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের তোরাপ হোসেনের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী জালাল উদ্দিন (৫৭)এবং ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে দুখুকে (২৭) চোর সন্দেহে আটক করেছে পুলিশ।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    বি/ এ

  • কুষ্টিয়ার পীর হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেপ্তার

    কুষ্টিয়ার পীর হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেপ্তার

    ডেস্ক নিউজ:

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীম জাহাঙ্গীরকে (৫৭) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা-পুলিশ। রোববার (২৭ এপ্রিল) রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফিলিপনগর পশ্চিম দক্ষিণ এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে আলিফ ইসলাম ও একই এলাকার নাহারুল মন্ডলের ছেলে বিপ্লব।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আরিফুর ইসলাম। তিনি  বলেন, রোববার দিবাগত রাতে ফিলিপনগর এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপ্লব ও আলিফ নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ফরজ আলী নামের একজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফরজ আলী নামের ওই ব্যক্তিকে মুচলেকা নিয়ে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা শামিম জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার একাধিক ভিডিও ফুটেজ ও প্রমাণ পুলিশের হাতে এসে পৌঁছালে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে আজ সোমবার বেলা ৩ টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গত (১১ এপ্রিল) শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে শামীম জাহাঙ্গীর নামের এক পীরের আস্তানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ও মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে স্থানীয় মুসল্লী ও এলাকাবাসী। এ সময় পীর শামীম জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করেন তারা। এই ঘটনায় পীর শামীম জাহাঙ্গীরকে আহত অবস্থায় দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেল ৪টায় মারা যান তিনি। এই হামলায় দরবার শরীফে তার আরও তিন অনুসারী মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের আহত হন। নিহত শামীম জাহাঙ্গীর ওই দরবার শরীফের প্রধান ছিলেন। পরদিন ১২ এপ্রিল রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কড়া পুলিশ পাহারায় ফিলিপনগর এলাকার পশ্চিম-দক্ষিণ কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

    পরে গত সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে দৌলতপুর থানায় নিহত শামীম জাহাঙ্গীরের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ ১৮০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ দিন পর এই প্রথম দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করল দৌলতপুর থানাপুলিশ।

    বি /এ

  • পরীক্ষা শেষে অস্ত্রসহ ৬ শিক্ষার্থী আটক

    পরীক্ষা শেষে অস্ত্রসহ ৬ শিক্ষার্থী আটক

    ডেস্ক নিউজ:

    পটুয়াখালীর বাউফলে পরীক্ষাশেষে অস্ত্রসহ ছয় শিক্ষার্থীকে আটক করে থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) উপজেলার ধানদী কামিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    আটককৃতরা হলেন, সিফাত (১৫), মো. মাসুম মৃধা, মো. সিহাব হোসেন, মো. মিয়াদ হোসেন, মো. হৃদয় হোসেন, ও নয়ন হোসেন।

    জানা যায়, অস্ত্রসহ আটক সিফাত উপজেলার বড় ডালিমা গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় ছোটডালিমা আব্দুস সালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দাখিল পরীক্ষার্থী মো. মাসুম মৃধা ও মো. সিহাব হোসেন উপজেলার রামনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং মো. মিয়াদ হোসেন, মো. নয়ন হোসেন ও মো. হৃদয় হোসেন বড়ডালিমা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল।

    কেন্দ্রের সুপার মাওলানা মো. নুরুল আমিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মাওলানা মো. আ. রব জানান, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আরবী দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় একজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থীকে খাতা দেখতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে রামনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বড়ডালিমা দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনা ঘটে।

    তারা জানান, বিষয়টি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শুরুর পূর্বে দুই মাদ্রাসার শিক্ষকদের মাধ্যমে সমঝোতাও হয়। তবে পরীক্ষা শেষে দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পুনরায় বিবাদে জড়ানোর পরিস্থিতি তৈরী হয়।

    একপর্যায়ে পরীক্ষা থেকে বের হওয়ার পথে কেন্দ্রে দায়িত্বরত এসআই সিহাবের সহযোগিতায় অস্ত্রসহ পাশের ছোটডালিমা আব্দুস সালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র সিফাতকে ব্যাগে বহন করা একটি কুড়ালসহ আটক করা হয়। এসময় পালিয়ে যায় সুইচ গিয়ার ও দেশীয় অস্ত্রসহ তার আরো কয়েক সহযোগী। এ ঘটনায় মোট ছয়জনকে থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

    তারা আরও জানান, আটক সিফাতের স্বীকারোক্তিতে জানা গেছে সে বড়ডালিমা মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী মিয়াদের ডাকে ব্যাগে কুড়াল নিয়ে এসেছে। মিয়াদ তার এলাকার বড় ভাই। পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর কিছু ঘটার সম্ভাবনা ছিল। তারই প্রস্তুতিতে সে কুড়াল নিয়ে আসে ও তার কয়েক সহোযোগি নিয়ে জটলা সৃষ্টি করে।

    এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি আইন শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে আছি। আটক সবাই শিশু আইনে পড়ে। থানায় নিয়ে প্রভিশন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তিনি আসলে সিদ্ধান্ত হবে।

    বি/ এ

  • ছাগলের সাথে শত্রুতা!

    ছাগলের সাথে শত্রুতা!

    চৌগাছা প্রতিনিধি

     

    যশোরের চৌগাছায় ঘাস খাওয়ায় অপরাধে একটি বকরীর চোখ তুলে নিয়েছে আরজ আলী মন্ডল নামে এক পাষন্ড।
    সে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া গ্রামের উসমান মন্ডলের ছেলে। রবিবার বিকেলে এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাগলের মালিক চৌগাছা থানায় একটি লিখিত আভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, এদিন বিকেলে গ্রামের রিংকু খানের একটি ছাগল আরজ আলীর ড্রাগন ক্ষেতের ভিতরে ঢুকে ঘাস খায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরজ আলী ছাগলটির ডান চোখ তুলে ফেলে। খবর পেয়ে ছাগলের মালিক স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ছাগলটি উদ্ধার করে চৌগাছা পশু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। চিকিৎসা শেষে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তকারী এসআই গোলাম কিবরিয়া বলেন, অভিযোগ সত্য হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, বিষয়টি অমানবিক অপরাধী কোন ছাড় পাবেনা

  • ভাইয়ের লাশ নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে মীর ওয়াসী

    ভাইয়ের লাশ নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে মীর ওয়াসী

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটি আফগানিন্তানের নাগরিক হাশমত মোহাম্মাদির। লাশের ছবি দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আমেরিকা প্রবাসী ভাই মোহাম্মাদ ইরি। এবং ভাইয়েল লাশ নিতে লন্ডন প্রবাসি আর এক ভাই মীর ওয়াসী বাংলাশে এসেছেন।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, গত ১৩ এপ্রিল মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদীতে একটি লাশ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবি ক্যাম্প ও মহেশপুর থানায় খবর দেয়।
    পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। পুলিশ ও পিবিআই লাশের পরিচয় সনাক্তের জন্য আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র খোঁজার চেষ্টা করে কিন্তু কোথাও ম্যাচ না করায় শেষ পর্যন্ত লাশটি বেওয়ারিশ হয়ে যায়।
    বেওয়ারিশ লাশটি দাফনের জন্য ঝিনাইদহ আন্জুমানে মফিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে। সংস্থাটি ১৪ এপ্রিল লাশটি দাফন করে ফেলে।
    এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া লাশের ছবি দেখে নিহত হাশমত মোহাম্মাদীর ভাই আমেরিকা প্রবাসি মোহাম্মাদ ইরা লাশটি তার ভাইয়ের বলে শনাক্ত করে। এসময় তিনি আমেরিকায় তার পরিচিত বাংলাদেশের বগুড়ার সন্তান আহসান এর সাথে যোগাযোগ করে। আহসান লাশটির অবস্থান সঠিকভাবে শনাক্ত না করতে পারলেও এটি যশোরের চৌগাছা সীমান্ত হতে পারে বলে অনুমান করেন। সেই হিসেবে তিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে চৌগাছা হাসপাতালের ডাক্তার সাইদুর রহমান ইমনের সাথে যোগাযোগ করেন। ডা. ইমন তাকে সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খানের মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। নিহতের ভাই জানান, তার ভাই হাশমত সর্বশেষ ইটালিতে বসবাস করতো। সে ইটালির পার্সপোর্ট নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আংটির পাথরের ব্যবসা করতো।
    সর্বশেষ ১০ এপ্রিল (০১৭৯০৮৫১৭৮৫ / +৯১৯৩৩০০৮৫৮৫৩) মোবাইল নম্বরে তার ভাইয়ের সাথে কথা হয় বাংলাদেশের দালাল কথিত মাসুদ নামের একজনের মাধ্যমে। সে জানায় তার ভাই বাংলাদেশের ভারত সীমন্তে আছে। ১১ তারিখে হাসমত তার আমেরিকা প্রবাসি ভাইকে জানায় সে বাংলাদেশ সীমন্তে ইছামতির নদীর পাশে অবস্থান করছে।
    মোহাম্মদ ইরা আরো জানান এরপর থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারা এসময় মাসুদের ফোনও বন্ধ পায়। কয়েকদিন পর মাসুদের সাথে তার একবার কথা হয় মাসুদ তাকে জানায় আপনার ভাই মারা গেছে বাংলাদেশে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেন। এসময় মাসুদ তার মোবাইল ফোন থেকে মৃতদেহের দুটি ছবিও পাঠায়। এরপর থেকে তার সাথে আর যোগাযোগ করা যায়নি।
    পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল আমেরিকা প্রবাশি বাংলাদেশী আহসানের মাধ্যমে হাশমত মোহাম্মাদির ভাইয়ের সাথে এব্যাপারে কথা হয়। আহাসন ইন্টারনেটের মাধ্যমে চৌগাছা সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। হাসপাতালের ডা. ইমন সাংবাদিক রহিদুল খানের মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে নিহতের ভাই রহিদুল খানের সহযোগিতায় মহেশপুর থানার এসআই টিপু সুলতানের সাথে কথা বলে লাশটি তার ভাইয়ের বলে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত করেন।
    এর পরে তিনি ২৪ এপ্রিল শুক্রবার লন্ডন থেকে ভাইয়ের লাশ নিতে বাংলাদেশে পৌছান লন্ডন প্রবাসি মির ওয়াসি। মির ওয়াসির সাথে তার স্ত্রী জহুরা হাসমিও বাংলাদেশে এসেছেন।
    এদিকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া লাশ নিয়ে পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ হয়। নউজ প্রকাশ হওয়ার পরে প্রশাসনের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করে।
    মীর ওয়াসী ঢাকা এসেই সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান এর সাথে যোগাযোগ করে। রহিদুল খানের দেওয়া দিক নির্দেশনা অনুযায়ি তারা পরবর্তীতে মহেশপুর থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন।
    এসময় ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফসহ সাংবাদিক বাবুল আক্তার, আসুদুজ্জামান, আজিজুর রহমান, ডিজিএফআইরে সদস্য ও ডিএসবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফ তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তাদেরকে লাশ নেওয়ার প্রক্রিয়াগুলো বলেন।
    এবং তাদেরকে আফগান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিলে তারা শুক্রবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

     

     

  • চৌগাছায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

    চৌগাছায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আনিচুর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামী আব্দুল হাদিকে (৪৫)গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তাকে উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয় ।

    হাদি জগন্নাথপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমানকে হাদি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা কুপিয়ে হত্যা করে। এঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২১ তারিখ ৩০/১০/২০২৪ ।

    দীর্ঘ তদন্ত শেষে চৌগাছা থানার এসআই সলিমুল হক আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন এবং ৫ জনকে খালাস দেওয়ার আবেদন করেন । চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন জগন্নাথপুর গ্রামের আব্দুল হাদি , ওহিদুল ইসলাম,লেন্টু মিয়া,আমিন উদ্দিন ,কুরবান আলী ও হুজাইফা ইসলাম। আসামিদের মধ্যে সবাই আদালত থেকে জামিন নিলেও হাদি পলাতক থেকে যায় । শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করে ।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সলিমুল হক হাদিকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ,আসামিকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

    বি/ এ

  • শিবিরের দুই নেতাকে গুলি, ২০ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের আদেশ

    শিবিরের দুই নেতাকে গুলি, ২০ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের আদেশ

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের চৌগাছায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতার পায়ে গুলির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২০শে এপ্রিল দিন রেখেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেয়। বেঞ্চের অপর সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

    আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ২০ এপ্রিল দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

    এ মামলায় যশোরের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আটজন আসামি। এর মধ্যে তিনজন গ্রেফতার আছেন। তারা হলেন- চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক।

    পলাতকরা হলেন- যশোরের তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল।

    প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৬ সালে যশোরের চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনের পায়ে গুলি করা হয়। পরে গুলি করা ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। বালু ঢোকানোর কারণে তাদের পায়ে পচন ধরে। একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয়।

    বি/ এ

  • নলিতাবাড়িতে বাজি জেতা মহিষ ফেরত দিলেন বিএনপি সমর্থক

    নলিতাবাড়িতে বাজি জেতা মহিষ ফেরত দিলেন বিএনপি সমর্থক

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামে ঘটে যাওয়া ব্যতিক্রমী ‘মহিষ বাজি’ এবার পেল এক মানবিক পরিণতি। মানবিক বিবেচনায় বাজিতে জেতা মহিষটি শেষ পর্যন্ত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সমর্থক মো. আব্দুল মান্নান।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেন কলসপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল মজিদ। মহিষের মালিকের কষ্ট দেখে হৃদয়ে আঘাত অনুভূত হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    নির্বাচনের আগে উত্তর নাকশী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও বালুঘাটা গ্রামের আমির হোসেনের মধ্যে অভিনব এক বাজি ধরা হয়। শর্ত ছিল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে আব্দুল মান্নান দেবেন ৬টি মহিষ, আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে আমির হোসেন দেবেন ১টি মহিষ।

    ভোট গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হওয়ায় বাজিতে পরাজিত হন আমির হোসেন। পূর্বনির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মহিষটি বুঝে নেন আব্দুল মান্নান। মহিষ নিয়ে বিজয় মিছিলের আদলে গ্রামে প্রবেশ করলে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কৌতূহলী ভিড় জমে সেই দৃশ্য দেখতে। তবে আনন্দের সেই মুহূর্ত বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মহিষটি ছিল আমির হোসেনের পরিবারের অন্যতম আয়ের উৎস। মহিষ হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরিবারের আর্থিক কষ্ট ও জীবিকার অনিশ্চয়তার বিষয়টি সামনে আসতেই বদলে যায় পরিস্থিতি।

    এলাকাবাসী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আব্দুল মান্নান ও আমির হোসেন সম্পর্কে ওরা আত্মীয়, নির্বাচনের আগে তারা মহিষ নিয়ে বাজি ধরেছিল। আমির হোসেন বাজিতে হেরে যাওয়ার পর আব্দুল মান্নান বিএনপির সমর্থক লোকজন নিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মহিষটি নিয়ে আসেন এরপর তিনি মানবিক বিবেচনা করে ফেরত দিয়ে দেন। এতে করে আমরা এলাকাবাসী ব্যাপক খুশি হয়েছি।

    আব্দুল মান্নান বলেন, বাজি ছিল নিছক আনন্দের জন্য, কিন্তু কারও জীবিকা বিপন্ন হোক তা তিনি চান না। এরপর গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মহিষটি আমির হোসেনের হাতে ফিরিয়ে দেন তিনি। তার এই সিদ্ধান্তে উপস্থিত সবাই সাধুবাদ জানান।

    আমির হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দুজন মাঠে মহিষ চড়াইতে গিয়ে কথার এক পর্যায়ে বাজি ধরি। নির্বাচনের পর বাজিতে আমি হেরে গেলে আমার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তাকে একটি মহিষ দিয়ে দেই। পরবর্তীতে উনি আমার প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করে, উনার মনোবল বড় বিদায় আমার প্রতি খুব ভালোবেসে মহিষটি ফেরত দেন, এতে করে আমি তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

    উল্লেখ্য, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেও এমন মানবিকতার দৃষ্টান্ত এলাকাবাসীর কাছে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। আনন্দের বাজি শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবতার অনন্য উদাহরণ।

  • মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনায় তুমুল সংঘর্ষ

    মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনায় তুমুল সংঘর্ষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সদরে যানজট নিয়ে ট্রলি ও ভ্যানচালকের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আটানি বাজার ছোট মসজিদ মোড় ও আশপাশের এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটানি বাজার এলাকায় যানজট নিয়ে তারাটি ইউনিয়নের একটি ট্রলি ও পাড়াটঙ্গী এলাকার একটি ভ্যানের চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। স্থানীয় দোকানি সোহেল বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় সোহেল ও তার ভাইয়ের দুটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়।

    এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে তারাটি ও পাড়াটঙ্গী এলাকার দুই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আটানি বাজার ছোট মসজিদ মোড়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় রাস্তার দুপাশের অন্তত ১০/১২টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইট-পাটকেলের আঘাতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত সাড়ে ৮টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং র‌্যাব-১৪ সাঁজোয়া যান নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সংঘর্ষ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তারাটি ও পাড়াটঙ্গী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। কারও ইন্ধন পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • ফুলপুরে ২৪ হাজার লিটার প্রেট্রোল ও ডিজেল জব্দ

    ফুলপুরে ২৪ হাজার লিটার প্রেট্রোল ও ডিজেল জব্দ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের ফুলপুরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া ইসলাম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানে ১৯ হাজার ৫শ লিটার ডিজেল ও ৪ হাজার ৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়েছে। এসব তেল লাইসেন্স ব্যতীত অতিরিক্ত মূল্যে খুচরা বিক্রি করার সত্যতা পাওয়ায় পপি ট্রেডার্সের মালিক হাবিবুর রহমানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    জব্দ করা পেট্রোল সরকার নির্ধারিত মূল্যে সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী বিক্রির জন্য নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেল সংকট চলছে। এ অবস্থায় ওই ব্যবসায়ী পেট্রোল অবৈধভাবে মজুদ করে লাইসেন্স ব্যতীত অতিরিক্ত দামে খুচরা বিক্রি করে আসছিলেন।

    ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম সীমা বলেন, প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যেন কেউ ফায়দা নিতে না পারে সেজন্য সব এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।