ক্যাটাগরি খুলনা বিভাগ

  • গাংনীতে পৌর জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    গাংনীতে পৌর জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    রাশিদুল ইসলাম বোরহান, গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা: মেহেরপুরের গাংনীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) গাংনীর চৌগাছা দারুল ইয়াতিম মিলনায়তনে  আছর নামাজের পর এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    গাংনী পৌর জামায়াতের আমীর মোঃ আহসানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নাজমুল হুদা।

    সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ, পৌর সেক্রেটারি ওয়াস করুনী জামিল এবং পৌর বায়তুলমাল সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, নৈতিক সমাজ বিনির্মাণ এবং জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আগামী দিনে আদর্শিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

    সম্মেলনে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত জামায়াতের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    এম কে

  • পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরুতে বেড কার্টিয়ের পর কিছু অংশে বালু ফিলিং করলেও সিংহভাগ ফেলে রাখায় চলতি বর্ষা মেসৈুমে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সড়কে সরু খালের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অতি দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

    উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, আম্ফান প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণধীন ব্রিজ) হতে তেঁতুলতলা হয়ে কাঁঠামারি বাজার অভিমুখে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডারে প্রকল্পটির কার্যাদেশ পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জাকাউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পে বেড কার্টিয়ের পর একাংশে বালুভরাট করলেও অপর অংশ ফেলে রাখায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন প্রকল্পটি ফেলে রাখায় বৃষ্টি ও জোয়ারে স্লুইচগেট’র পানি চুইয়ে রাস্তার বেডে ঢুকে পরিণত হয়েছে সরু খালে। এ অবস্থায় বিস্তির্ণ জনপদের স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ রীতিমতো চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    এ ব্যাপারে প্রকল্প এলাকায় অবস্থানরত ঠিকাদারের রোলার চালক টিটন বিশ্বাস জানান, তারা প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় প্রকল্প অভ্যন্তরে রোলার ঢুকাতে পারছেন না, বিধায় কাজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বিজন কুমার হালদার ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, রাস্তার কিছু অংশে বালু ভরাট করা হলেও বৃষ্টিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকায় সেখানে রোলার ঢুকতে পারছে না বিধায় কাজে অসুবিধা হচ্ছে।

    এ বিষয় পাইকগাছা উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মানুষের ভোগান্তি যেন না হয় সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পানি নিষ্কাশনের তাগিদ দেয়া হয়েছে। পরিবেশ ভাল হলে প্রকল্প কাজ অতি দ্রুত এগিয়ে নেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

    এ,আর

  • চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)

    যশোরেরচৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। যশোরের চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

    জানা যায়, ২০০৪ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চৌগাছা শহরকে পৌরসভায় উন্নিত করা হয়। নতুন হলেও খুব দ্রুত পৌরসভার সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ২০২২ সালের পর থেকে এ শহরের সড়কসহ সকল উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়ে। পরে অন্তবর্তী সরকারের সময় ও পৌরসভার সকল উন্নয়ন কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান সরকারের মেয়াদ কয়েক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত পৌরসভার উন্নয়ন কাজে কোনো গতি আসেনি।

    চৌগাছা পৌরসভায় মূলত চারটি বড় ও ব্যস্ত সড়ক রয়েছে। এ সড়ক গুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এগুলো হলো চৌগাছা কোটচাঁদপুর সড়ক, চৌগাছা মহেশপুর সড়ক, চৌগাছা শার্শা সড়ক ও চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়ক। এ সব সড়কের পৌরসভার বাইরের অংশটুকু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সংস্কার করলেও পৌরসভার অংশটুকু চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন আর প্রতিদিন ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

    পৌরবাসী সড়ক সংস্কারের দাবি নিয়ে পৌরকর্তৃপক্ষের নিকট বার বার ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ চারটি সড়ক ছাড়াও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সড়ক, বেড়বাড়ি পাঁচনামনা সড়ক, বাকপাড়া সড়ক, বিশ্বাসপাড়া সড়ক, কারিগর পাড়া সড়কসহ পৌর এলাকার প্রায় ৯৫ শতাংশ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক।

    পৌর শহরের বাসিন্দা পাশাপোল কলেজের ইংরেজী প্রভাষক আজিজুর রহমান বলেন, ‘পৌর শহরের রাস্তাঘাটের এই বেহাল অবস্থার কারণে পৌরবাসীর চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ছোট-বড় গর্তের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা।’

    স্থানীয় সাংবাদিক এম এ মান্নান বলেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে অনেক রিপোর্ট করা হয়েছে, যেখানে পৌরবাসীর ক্ষোভ ও অসুবিধার কথা তুলে ধরা হয়েছে।’

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, ‘পৌরসভার রাস্তাগুলো নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। কি কারণে এসব রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়। আমার বাসায় যাওয়ার রাস্তাটাও একেবারে ভেঙেচুরে গেছে।

    উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, ‘পৌরসভার সড়কগুলো চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে গেছে। আমাদের দাবি অতি দ্রুত সড়কগুলো মেরামত করা হোক।’

    পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলো

    কোন সময়ই এত খারাপ ছিল না বর্তমানে পৌরবাসী চলাচলে চরম সমস্যার মধ্যে আছে। রাস্তাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার হওয়া দরকার।’

    সাবেক প্যানেল মেয়র মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভায় এখন নির্বাচিত মেয়র না থাকায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। যেকারণে রাস্তাঘাটসহ কোনো সেক্টরই ঠিকঠাকমতো চলছে না।’

    তিনি অতিদ্রুত সড়কগুলো সংস্কারের দাবি জানান।

    এ ব্যাপারে চৌগাছা পৌরসভার প্রকৌশলী রুহুল আমিন জানান, পৌর প্রশাসক মহোদয় দীর্ঘদিন যাবত না থাকায় আমরা কোনো কাজ করতে পারছি না। সম্প্রতি প্রশাসক যোগদান করেছেন এবার রাস্তাগুলো সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    চৌগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার নয়া প্রশাসক জি এম এ মুনীব বলেন, ‘আমি সবেমাত্র এ উপজেলায় যোগদান করেছি। আশা করছি পর্যায়ক্রমে অতিদ্রুত পৌর শহরের সড়কসহ সকল উন্নয় কাজ শুরু করা হবে।’

    সকল উন্নয়ন কাজে পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

    এ, আর

  • মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা :

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে মেহেরপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তজুড়ে জোরদার করা হয়েছে টহল কার্যক্রম।

    চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান মুঠোফোনে জানান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেহেরপুর সীমান্তে আমাদের টহল জোরদার করেছি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের সন্দেহজনক চলাচল দ্রুত শনাক্ত করা যায়। এছাড়া সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন বিওপি (বর্ডার আউট পোস্ট) থেকে দিন-রাত নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান কিংবা সহিংসতার আশঙ্কা এড়াতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
    সূত্রে জানা গেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
    উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলায় মোট ৬৫ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবির বিওপি ক্যাম্প রয়েছে ১৮ টি।

    এমকে

  • যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের সদস্যরা।

    ঠিকানা বিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা এসব শিশু খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা জানান, এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে শিশুরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

    পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরো ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান।

    এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।

    এ,আর

  • জীবননগরে ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা, অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

    জীবননগরে ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা, অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    তাফহিমুল হোসাইনের কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নেই। তবুও নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া পরিচয়ে চিকিৎসা প্রদানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসাথে তার পরিচালিত একটি বেসরকারি চক্ষু ক্লিনিক সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলার হাসদহ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল আলম রাসেল।

    অভিযানে ‘বাইতুল মামুর চক্ষু হাসপাতাল’ নামে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে তাফহিমুল হোসাইন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, তাফহিমুল হোসাইনের কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নেই। তবুও নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তিনি চোখের ছানি অপারেশনসহ বিভিন্ন জটিল চিকিৎসা করার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। এতে না বুঝে প্রতারিত হতেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

    অভিযানের সময় তাফহিমুল হোসাইনের কাছে বৈধ সনদপত্র, প্রশিক্ষণের প্রমাণ কিংবা বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি অন্য এক নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিএমডিসি নম্বর ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করছিলেন, যা আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ।

    এসব অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে পরিচালিত ক্লিনিকটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়।

    দণ্ডপ্রাপ্ত তাফহিমুল হোসাইন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ক্লিনিকে ভুয়া চিকিৎসার অভিযোগ ছিল। অনেক রোগী ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে প্রতারিত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা। তবে এতোদিন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। সাম্প্রতিক এই অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

    অভিযানে সহযোগিতা করেন জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা: ফাহমিদা আক্তার রুনা ও জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভুয়া চিকিৎসক ও অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    এ, আর

  • চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশরাফ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বুধবার সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এ কর্মশালা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক রহিদুল ইসলাম খান।

    কর্মশালা সঞ্চালনা করেন আশরাফ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী আশিষ কুমার চ্যার্টাজি।

    আলোচনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ , মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ, ফাউন্ডেশনের ফিল্ড ট্রেইনার নজরুল ইসলাম, জোহরা খাতুন প্রমুখ।

    কর্মশালায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মৌলিক আলোচ্য বিষয় ছিল দেশে সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ,মেধাবী, কম মেধাবী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য একই রকম শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা। কর্মশালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন লিলিয়েন্স ফনডস ও সেন্টার ফর ডিসএবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট নামে দুটি সংস্থা।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাশিলা গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন (৬২)। নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা খাল পাড়ার শওকত আলীর ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (৫৮)। সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের আড়সিংড়ি পুকুরিয়া গ্রামের মৃত লুৎফর মন্ডলের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রোকন উদ্দিন (৩৮)। হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের তোরাপ হোসেনের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী জালাল উদ্দিন (৫৭)এবং ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে দুখুকে (২৭) চোর সন্দেহে আটক করেছে পুলিশ।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    বি/ এ

  • বাস্তবায়নের পথে ‘নবম পে স্কেল’

    বাস্তবায়নের পথে ‘নবম পে স্কেল’

    অর্থনীতি ডেস্ক:

     

    আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘নবম পে স্কেল’ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গেজেট প্রকাশের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।

    বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘নবম পে স্কেল’ ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি। এই সুপারিশ আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

    শনিবার (০২ মে) সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘নবম পে স্কেল’ দ্রুত বাস্তবায়নে সমাবেশ ও আলোচনা সভার কথা জানান।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মে মাসজুড়ে বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৮ মে পটুয়াখালী এবং ৯ মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    এ ছাড়া আগামী ১৬ মে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা আয়োজন করা হবে।

    সংগঠনটির নেতারা জানান, গত ১১ বছরে দুটি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীরা এখনো নতুন কোনো পে স্কেল পাননি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অধিকাংশ কর্মচারী ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং মাস শেষে ঋণ পরিশোধের পর যে বেতন হাতে থাকে, তা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সংসার চালানো সম্ভব হয় না। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই নতুন করে ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন।

    সংগঠনটির মতে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ না রাখা হলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বাড়তে পারে। দেশের উন্নয়নে ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সরকার আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে ২২ লাখ কর্মচারী পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

    নানা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের ৯ম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি।

    এই কমিটির সুপারিশ আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

    জানা গেছে, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের জন্য গঠিত কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। সুপারিশে আর্থিক চাপ সামাল দিতে কয়েকটি ধাপে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আসন্ন জুলাই থেকে প্রথম ধাপের সুপারিশ অর্থাৎ মূল বেতন বৃদ্ধিরে বিষয়টি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বি/ এ

  • নড়াইলে দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

    নড়াইলে দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

    নড়াইল প্রতিনিধি

    ‘হৃদয়ে বাংলার মুখ’ এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে নড়াইলে নানা আয়োজনে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার ৭ম বর্ষপূতি পালিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে শনিবার (২ মে ) বেলা ১১টার দিকে নড়াইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল-শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কেককাটা ও বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু। সভাপতিত্ব করেন-নড়াইল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন-দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার নড়াইল প্রতিনিধি আবদুস সাত্তার।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন-সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল আমিন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু, নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি তারিকুজ্জামান লিটু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলমগীর সিদ্দিকী, সাংবাদিক ফরহাদ খান, আসাদ রহমান, শরিফুল ইসলাম বাবলু, শুভ সরকারসহ অনেকে।

    অনুষ্ঠানে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকাকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু।

    প্রধান অতিথিসহ আলোচকবৃন্দ বলেন, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশেনের মাধ্যমে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখবে। এছাড়া পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমকে আরো গতিশীল করতে হবে।