ক্যাটাগরি খুলনা

Khulna district

  • পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরুতে বেড কার্টিয়ের পর কিছু অংশে বালু ফিলিং করলেও সিংহভাগ ফেলে রাখায় চলতি বর্ষা মেসৈুমে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সড়কে সরু খালের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অতি দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

    উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, আম্ফান প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণধীন ব্রিজ) হতে তেঁতুলতলা হয়ে কাঁঠামারি বাজার অভিমুখে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডারে প্রকল্পটির কার্যাদেশ পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জাকাউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পে বেড কার্টিয়ের পর একাংশে বালুভরাট করলেও অপর অংশ ফেলে রাখায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন প্রকল্পটি ফেলে রাখায় বৃষ্টি ও জোয়ারে স্লুইচগেট’র পানি চুইয়ে রাস্তার বেডে ঢুকে পরিণত হয়েছে সরু খালে। এ অবস্থায় বিস্তির্ণ জনপদের স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ রীতিমতো চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    এ ব্যাপারে প্রকল্প এলাকায় অবস্থানরত ঠিকাদারের রোলার চালক টিটন বিশ্বাস জানান, তারা প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় প্রকল্প অভ্যন্তরে রোলার ঢুকাতে পারছেন না, বিধায় কাজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বিজন কুমার হালদার ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, রাস্তার কিছু অংশে বালু ভরাট করা হলেও বৃষ্টিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকায় সেখানে রোলার ঢুকতে পারছে না বিধায় কাজে অসুবিধা হচ্ছে।

    এ বিষয় পাইকগাছা উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মানুষের ভোগান্তি যেন না হয় সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পানি নিষ্কাশনের তাগিদ দেয়া হয়েছে। পরিবেশ ভাল হলে প্রকল্প কাজ অতি দ্রুত এগিয়ে নেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

    এ,আর

  • বাস্তবায়নের পথে ‘নবম পে স্কেল’

    বাস্তবায়নের পথে ‘নবম পে স্কেল’

    অর্থনীতি ডেস্ক:

     

    আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘নবম পে স্কেল’ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গেজেট প্রকাশের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।

    বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘নবম পে স্কেল’ ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি। এই সুপারিশ আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

    শনিবার (০২ মে) সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘নবম পে স্কেল’ দ্রুত বাস্তবায়নে সমাবেশ ও আলোচনা সভার কথা জানান।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মে মাসজুড়ে বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৮ মে পটুয়াখালী এবং ৯ মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    এ ছাড়া আগামী ১৬ মে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা আয়োজন করা হবে।

    সংগঠনটির নেতারা জানান, গত ১১ বছরে দুটি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীরা এখনো নতুন কোনো পে স্কেল পাননি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অধিকাংশ কর্মচারী ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং মাস শেষে ঋণ পরিশোধের পর যে বেতন হাতে থাকে, তা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সংসার চালানো সম্ভব হয় না। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই নতুন করে ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন।

    সংগঠনটির মতে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ না রাখা হলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বাড়তে পারে। দেশের উন্নয়নে ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সরকার আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে ২২ লাখ কর্মচারী পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

    নানা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের ৯ম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি।

    এই কমিটির সুপারিশ আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

    জানা গেছে, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের জন্য গঠিত কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। সুপারিশে আর্থিক চাপ সামাল দিতে কয়েকটি ধাপে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আসন্ন জুলাই থেকে প্রথম ধাপের সুপারিশ অর্থাৎ মূল বেতন বৃদ্ধিরে বিষয়টি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বি/ এ

  • ভোট দিতে পারলেন না নবাব মীর জাফরের বংশধররা

    ভোট দিতে পারলেন না নবাব মীর জাফরের বংশধররা

    নিউজ ডেস্ক:

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি মীর জাফরের বংশধর ও ছোটে নবাব হিসেবে পরিচিত সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা আলি মির্জা ও তার ছেলে সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলি মির্জাসহ সেই বংশের ৩৪৬ জনের সদস্য।ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হলেন তারা।

    যে শহরের ইতিহাস, স্থাপত্য আর ঐতিহ্যের প্রতিটি ইটে জড়িয়ে রয়েছে তাদের পূর্বপুরুষদের নাম, সেই শহরের ভোটদান প্রক্রিয়া থেকেই বঞ্চিত হলেন নবাব মীরজাফরের বংশধরেরা। প্রথমে বিবেচনাধীন থাকলেও পরে ভোটার তালিকা প্রকাশ পেলে দেখা যায় তাতে নাম নেই তাদের।

    মিরজাফরের ১৫তম বংশধর মুহাম্মদ রেজা আলি মির্জা। যিনি মুর্শিদাবাদে ছোটে নবাব নামে পরিচিত। এখনও কিল্লা নিজামত এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন তিনি। তার ছেলে তথা নবাবের ১৬তম বংশধর সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন।

    মুর্শিদাবাদ পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তিনি। ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে দেওয়া হয়েছে তারও। ওই অঞ্চলে নবাব পরিবারের হাজার তিনেক সদস্যের বাস। তাদের মধ্যে হাজার দুয়েক ভোটার। এ বারের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে ৩৪৬ জনের।

    ভোট দিতে যাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রেজা আলি মির্জা বলেন, না, যাচ্ছি না। মারধর খাব নাকি? ভেবেছিলাম, ভোট দেওয়ার আবেদন করব বুথকেন্দ্রে। কিন্তু তারপর ভাবলাম যদি কোনও গন্ডগোল হয় তাহলে তার পুরো দায় এসে পড়বে আমার উপরে। এসব ভেবেই আর গেলাম না। এই বয়সে পৌঁছে জীবনে প্রথমবার এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলাম। খুব খারাপ লাগছে…এটা কি আমার প্রাপ্য ছিল বলুন?

    তিনি আরও বলেন, মুর্শিদাবাদ শহরে হাজারদুয়ারি প্রাসাদ থেকে অন্যান্য নবাবী স্থাপত্য সব আমাদের পূর্বপুরুষের তৈরি। অথচ ভোটার তালিকা থেকে আমাদের নাম কেটে নাগরিকত্বই কেড়ে নেওয়া হল। আমরা নবাব মীরজাফরের বংশধর। সৈয়দ ওয়াসিফ আলি মির্জাকে ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের পরিবার চিরকাল ভারতীয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুর্শিদাবাদ তিনদিন পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেষে আমাদের পরিবারের হস্তক্ষেপে খুলনার বিনিময়ে মুর্শিদাবাদ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর সেই বংশধরদের আজ এই দশা!

  • খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    বিডি ডেস্ক নিউজ:

    খুলনার রূপসা উপজেলায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করলেও তাকে ছিনিয়ে নিতে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। নিহত নারী মিম্মি বেগম (৪৪) খান মোহাম্মাদপুর গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে নাদিম ইসলামকে পুলিশ আটক করেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পারিবারিক কলহের জেরে নাদিম ইসলামের সঙ্গে তার মা মিম্মি বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাদিম বাড়ির পাশে থাকা গাছের একটি ডাল ভেঙে মায়ের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মিম্মি বেগম ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার আগেই তার মৃত্যু হয়।

    রূপসা উপজেলার আইচগাতি ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত নাদিম ইসলামকে আটক করা হয়। তবে তাকে ক্যাম্পে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় কিছু লোকজন বাধা দেয় এবং একপর্যায়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা জানান, নাদিম কিছুদিন ধরে অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    ডেস্ক নিউজ:

    খুলনা-৫ আসনের ফুলতলায় এক জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরটিতে আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মশিয়ালী গ্রামের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা শোকর আকুঞ্জির বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। সকলে মিলে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে শোকর আকুঞ্জির একটি কাঠের জ্বালানি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

    খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ হাসান মাহামুদ টিটো বলেন, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকার দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তারাই মূলত এই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল খুলনা-৫ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার  ঘটনাস্থলে যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খানজাহান আলী থানার এসআই রুবেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অভয়নগরে যৌথবাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    অভয়নগরে যৌথবাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের নওয়াপাড়ার আলোচিত বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান জনিকে চার কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নির্মম নির্যাতন ও হত্যার হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাতে খুলনায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম।

    পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে জনি পলাতক ছিলেন। গত বছরের জুলাই মাসে নওয়াপাড়ার এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী আসমা খাতুন অভিযোগ করেন যে, তার স্বামীকে অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। চাঁদা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাকে বালুতে বুক পর্যন্ত পুঁতে রেখে কয়েক দফায় চার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। এই ঘটনায় আসাদুজ্জামান জনিসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরে চলতি বছরের ৩ আগস্ট আসাদুজ্জামান জনিসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।

    অভয়নগর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি দল মঙ্গলবার রাতে খুলনায় অভিযান চালায় এবং জনিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

     

  • টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে করিম ফিলিং স্টেশনে তেলের টাকা চাইতে যাওয়া শ্রমিককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিপন সাহা (৩০) রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের সাহাপাড়ার পবিত্র সাহার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার বিকেলের দিকে সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গাড়ি জব্দসহ মালিক আবুল হাসেমকে (সুজন) (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া পুলিশ গাড়িচালক কামাল হোসেনকেও (৪৩) সদর উপজেলার বানিবহ নিজপাড়া গ্রাম থেকে আটক করেছে।

    আবুল হাসেম সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি। পেশায় একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

    স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখে যায়, ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে কালো রঙের ল্যান্ড ক্রুজার জিপ গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৩-৩৪৭৬) পাম্পে এসে তেল নেয়। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রমিক রিপন সাহা ও গাড়িমালিক আবুল হাসেম। কিছুক্ষণ অবস্থানের পর আবুল হাসেম গাড়িতে উঠে বসেন। এরপর গাড়িটি টান দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিপনও দৌড় দেন। এ সময় তাঁকে চাপা দিয়েই গাড়িটি চলে যায়।

    রাজবাড়ীর আহ্লাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভোররাতের দিকে গোয়ালন্দ মোড় করিম ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে টাকা না দিয়ে কালো রঙের গাড়িটি চলে যাচ্ছিল। টাকার জন্য রিপনও পিছু নিয়ে দৌড় দিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত যান। পাম্পের আরেক শ্রমিক জাকির হোসেন তাঁদের পেছনে দৌড় দেন। তিনি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গিয়ে দেখেন, রিপনের মাথা ও মুখ থেতলানো মরদেহ মহাসড়কে পড়ে আছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    ডেস্ক নিউজঃ

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমীর গাজী সাইফুল্লাহ ও মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম আল ফয়সাল, সরদার আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল, আটলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মতিয়ার রহমান, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মঈন উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী গবেষণা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, ডুমুরিয়া পশ্চিম ছাত্রশিবিরের সভাপতি হামিদুল হাসান লিমন, শোভনা ইউনিয়ন সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, মাগুরখালী ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আব্দুস সোবাহান, মাগুরখালী ইউনিয়ন সেক্রেটারি সোহরাব হোসেন, মাগুরখালী হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি বিকানন্দ বৈরাগী, ইউনিয়ন আমীর শেখ আবুল হোসেন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা মজিবুর রহমান, আটলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন আলা, মাওলানা বাহারুল ইসলাম, মাওলানা বেলাল হোসেন, হাফেজ বেলাল হোসেন প্রমুখ।

    তিনি বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া খর্ণিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারদহা গ্রামের কৃষ্ণ কুন্ডু, রাজু কুন্ডু ও গপি কুন্ডুর বসতবাড়িতে যান। এ সময় তিনি তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং সান্ত্বনা দেন।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লাঙ্গল, নৌকা, ধানের শীষ—সব প্রতীকের দলই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, এমনকি সামরিক শাসনও এসেছে। কিন্তু কোনো দলের কোনো নেতা বা সরকার প্রধান বুক চিতিয়ে বলতে পারেননি যে, তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জুলুমমুক্ত শাসন দিয়েছেন। প্রত্যেক আমলেই এ দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—কঠোর মন্তব্য করেন তিনি।

    নিজের সংসদ সদস্য থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার সময় ডুমুরিয়াকে ভয়াবহ সন্ত্রাসকবলিত এলাকা হিসেবে পেয়েছিলাম। সন্ধ্যার আগে মানুষ ঘরে ঢুকে পড়ত। প্রতিদিন লাশ, গুম, হাত-পা কাটার আতঙ্কে মানুষ রাত কাটাত। আল-হামদুলিল্লাহ আমার ৫ বছরে সন্ত্রাসকবলিত সেই ডুমুরিয়াকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে পেরেছিলাম। নির্বাচনের আগে দেওয়া দুটি অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একটি ছিল সন্ত্রাস দমন, অন্যটি ছিল শতভাগ স্বচ্ছ উন্নয়ন।

    তিনি দাবি করেন, এমপি থাকাকালে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছেন এবং কোনো কাজের বিনিময়ে কারও কাছ থেকে এক টাকাও নেননি। এক কাপ চাও নয়—এ দাবি করে তিনি বলেন, উন্নয়নকাজের পূর্ণ হিসাব ইউনিয়ন ও খাতভিত্তিকভাবে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, রাস্তা, বিদ্যুৎ, টিউবওয়েল, শ্মশান—সব কাজেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে তিনি অভিযোগ করেন, আবারও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় ফেরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এমপি বানানো হবে একজনকে, কিন্তু তিনি থাকবেন ঢাকা বা লন্ডনে। আর এলাকায় তার সাগরেদরা চাঁদাবাজি, মাস্তানি ও ঘের দখল চালাবে—বলেন তিনি। এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, আদালতে ১৩ বছরের সাজা এবং হাওয়া ভবনের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    সন্ত্রাস দমনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যৌথ বাহিনী গঠন করে বহু সন্ত্রাসীকে জেলে পাঠানো হয়েছে; কেউ পালিয়েছে, কেউ এলাকা ছেড়েছে। এ সময় কিছু নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের রক্ষায় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও তিনি জানান।

    তিনি বলেন, সাড়ে সাত বছর কারাবন্দি থাকার কারণে তিনি একাধিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, এমনকি ভোট দেওয়ার সুযোগও পাননি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আসন্ন নির্বাচন নিরপেক্ষ হলে জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    শেষে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিবেক দিয়ে বিচার করুন—কে দুর্নীতিমুক্ত, কে মানুষের ক্ষতি করেনি, কে সন্ত্রাস দমন করেছে। চাঁদাবাজ ও দখলদারদের হাতে আর ক্ষমতা দেওয়া যাবে না। ভোটের আমানত সৎ মানুষের হাতেই তুলে দিন।

  • খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ২

    খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ২

    ডেস্ক নিউজঃ

    সন্ত্রাস ও খুনের জনপদ হিসেবে পরিচিত খুলনায় আবারো রক্ত ঝরেছে। দুর্বৃত্তরা দিনদুপুরে আদালতপাড়ায় গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই যুবককে। নিহতরা হলেন, নতুন বাজার চর মসজিদ গলির বাসিন্দা মো. মান্নাফ হাওলাদারের ছেলে মো. হাসিব হাওলাদার। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সম্পৃক্তার অভিযোগ আছে। আরেকজন হলেন রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের ইজাজ শেখের ছেলে মো. রাজন।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মেইন গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে খুলনা সার্কিট হাউজের অবস্থান। জনাকীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্যের উপস্থিতিতে এমন ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় জনমনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাজন ও হাসিব মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন। হাজিরা শেষে বের হয়ে মেইন রোডে আসামাত্রা আগে থেকে অবস্থান নেয়া ৩/৪ জন তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে একজন মাথায় গুলি লাগলে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। তার মাথা থেকে মগজ বের হয়ে যায়। এরপরও দুর্বৃত্তরা তাদের চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।ঘটনার সময় আদালত ভবনের তৃতীয় তলা থেকে একজন দেখতে পান, গুলি ও কুপিয়ে দুইজনকে জখম করার পর ৩/৪ জন দৌড়ে ফরেস্ট অফিসের দিকে চলে যাচ্ছেন।অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একটি মামলায় হাজিরা দিতে ৬ জন এসেছিলেন। এর মধ্যে চারজনের জামিন না-মঞ্জুর হয়। এই দুইজন জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসামাত্র মেইন রোডে হামলার শিকার হন।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) ত.ম. রোকনুজ্জামান আমার দেশকে বলেন, দুর্বৃত্তরা আদালত এলাকায় গুলি করে দুইজনকে হত্যা করেছে। কী কারণে এই হামলা এবং কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

    এম কে

  • ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে দ্রুত ক্ষয়ের মুখে পড়েছে। মসজিদের দেয়াল, গম্বুজ, স্তম্ভ ও বিশেষ করে মিহরাবে ফাটল, চুন খসে পড়া এবং সাদা লবণের স্তর স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। নিচ থেকে উঠে আসা নোনা পানি ইটের ভেতরে লবণ ক্রিস্টাল তৈরি করে স্থাপনার মূল গঠন দুর্বল করে দিচ্ছে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং আইকমসের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শিল্প দূষণ, বর্ষাকালের আর্দ্রতা এবং ভূগর্ভস্থ লবণাক্ততা ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে।ঐতিহাসিক স্থাপনাটির জরুরি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সাবেক ডিজি ড. মো. শফিকুল আলমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, মিহরাব যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। পাথর খণ্ড যুক্ত রাখতে ব্যবহৃত লোহার ক্ল্যাম্পে জং ধরায় ভার বহনক্ষমতাও কমে গেছে।আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ইউনেস্কোর সহায়তায় মসজিদের পূর্ণ ক্ষয়-মানচিত্র তৈরি করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে দ্রুত সংরক্ষণ-কাজ শুরু করা হবে। ইউনেস্কো ঢাকার পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সাময়িক সংরক্ষণ কাজেরও সুপারিশ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ষাটগম্বুজ মসজিদকে ‘বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ ঘোষণা করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—যা দেশের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

    এম কে