ক্যাটাগরি কুষ্টিয়া

Kushtia district

  • যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

    যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
    বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন

    যশোর প্রতিনিধি: যশোরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় যশোর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ শিবির আয়োজন করা হয়। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা জামায়াতের আমির ও যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল। এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস ও বেলাল হুসাইন।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, আহসান কবীর, জেলা প্রচার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস ও শিহাব উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবারক হুসাইন বলেন, জামায়াতে ইসলামী সংসদে এবং সংসদের বাইরে ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে জামায়াত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলের নেতৃবৃন্দ অতীতে জীবন দিয়ে শহীদ হয়েছেন, তবুও তারা কখনো দেশবিরোধী শক্তির কাছে মাথা নত করেননি।

    শিক্ষা শিবিরে যশোর জেলার ১১টি সাংগঠনিক শাখা থেকে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

    আর আই খান
  • সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    নিউজ ডেস্ক : সোনারগাঁয়ে পুকুর থেকে ফুটবল তুলতে গিয়ে শুক্রবার দুপুরে পানিতে ডুবে আদনান ও আব্রাহাম নামে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা কাচঁপুর ইউনিয়নের রায়েরটেক এলাকায়। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এলাকাবাসী জানায়, আদনান (১০) ও আব্রাহাম (৭) দুই ভাই সকাল ১২টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বল নিয়ে খেলা করছিল। পরে তাদেরকে দেখতে নাপেয়ে খোঁজাখুজি করতে থাকে পরিবারের লোকজন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে পুকুর থেকে একে একে দুই ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।

    তাদেরকে হাসপাতালে নিলে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। স্থানীয়দের ধারণা, খেলতে গিয়ে পুকুর থেকে বল তুলতে গিয়েই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা কুষ্টিয়া জেলার পিরোজপুর গ্রামে জিয়াউর রহমানের ছেলে। কাঁচপুরের রায়েরটেক খাঁন বাড়ির নিজাম খাঁনের বাসার ভাড়াটিয়া। আদনান ও আব্রাহাম কাঁচপুর পুরান বাজার এলাকায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ।

    সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ে মৃত্যুর খবর শুনেছেন।

    আর আই খান

  • পদ্মার চরে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৭, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    পদ্মার চরে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৭, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ:

    চারঘাটসহ পদ্মা নদীর চারটি চরে ‘অপারেশন ফাস্ট লাইট’ চালিয়ে ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজশাহী জেলার পদ্মার চর থেকে ১৪ জন, নাটোর থেকে ২০ জন, পাবনা থেকে ২৪ জন এবং কুষ্টিয়া থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

    রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজির কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এই গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে গণমাধ্যমকে জানানো হয়। এর আগে শনিবার (৮ নভেম্বর) রাত থেকে রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব ও এপিবিএনের প্রায় ১ হাজার ২০০ জন সদস্য কুষ্টিয়া, পাবনা, নাটোর ও রাজশাহী পদ্মার চরে অভিযান পরিচালনা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, অভিযানে মোট ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ১০টি অস্ত্র, চার রাউন্ড গুলি, দুইটি গুলির খোসা, ২৪টি হাসুয়া, ৬টি ডেসার, ২টি ছোরা, ৪টি চাকু, ৩টি রামদা, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ২০ বোতল ফেসনিডিল, ৫০ পিস ইয়াবা, ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ৫টি মোটরসাইকেল ও একটি লোহার পাইপ।

    রাজশাহী জেলার পদ্মার চর থেকে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে চারজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ছয়জন মাদক কারবারি, দুইজন ডেভিল হান্ট এবং দুইজন সর্বহারা। এ সময় উদ্ধার হয় তিনটি ওয়ান শুটারগান, একটি গুলি, একটি খোসা, ২০ বোতল ফেসনিডিল, ৫০ পিস ইয়াবা, ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ৫টি মোটরসাইকেল, একটি হাসুয়া ও একটি ছোরা।নাটোর জেলার পদ্মার চর থেকে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে চারজন হ্যাকার, ছয়জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, একজন সাজাপ্রাপ্ত, একজন হত্যা মামলার আসামি, দুইজন মাদক কারবারি এবং ছয়জন সন্দিগ্ধ। উদ্ধার হয় দুটি শুটারগান, একটি রিভলবার, ২২টি হাসুয়া, ৬টি ডেগার, চারটি চাকু, চারটি চাপাতি, একটি রামদা ও একটি পাইপ।

    পাবনা জেলার পদ্মার চর থেকে ২৪ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে একজন সর্বহারা, দুইজন মামলার আসামি, সাতজন ওয়ারেন্টভুক্ত, দুইজন ডেভিল হান্ট, চারজন মাদক এবং ৮ জন নিয়মিত মামলার আসামি। এসময় উদ্ধার করা হয় দুটি শুটারগান, তিনটি গুলি, একটি খোসা, দুটি পাইপগান, দুটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি রামদা, একটি হাসুয়া ও একটি ছোরা।

    কুষ্টিয়ার পদ্মার চর থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে আটজন ওয়ারেন্টভুক্ত এবং একজন নিয়মিত মামলার আসামি। এই অভিযানে বাঘা থানার ডাবল মার্ডার ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা, একটি স্পিডবোড, অস্ত্র রাখার একটি সিলিন্ডার, দুটি তাবু এবং পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    পুলিশ জানায়, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ার পদ্মার চরে কাঁকন বাহিনীসহ ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। রোকনুজ্জামান কাঁকন ইঞ্জিনিয়ার কাঁকন নামে পরিচিত। তার বাহিনীর নৃশংসতার কারণে চরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন উদ্বিগ্ন। অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে মন্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, রাখি বাহিনী, শরীফ কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বা

    বাহিনী, বাহান্ন বাহিনী, সুখচাঁদ বাহিনী ও নাহারুল বাহিনী। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব বাহিনীকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    প্রসঙ্গত, ২৭ অক্টোবর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের হবিরচরে কাঁকন বাহিনীর গোলাগুলিতে বাঘা উপজেলার নিচখানপুরের আমান মন্ডল ও নাজমুল মন্ডলের মৃত্যু হয়। পরের দিন ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে লিটন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, নিহত লিটন কাঁকন বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

  • মেহেরপুরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

    মেহেরপুরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

    ডেস্ক নিউজঃ

    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তাসিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মঠমুড়া ইউনিয়নের আকুবপুর গ্রামে মোজাম্মেল হকের বাড়ির সামনে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।তাসিম কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হিদিরামপুর গ্রামের আ. লতিফের ছেলে। আহতরা হলেন-কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হিদিরামপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে আকাশ (২০), একই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে রাজা (২০) এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মহিশকুন্ডি মিস্ত্রিপাড়ার মোটরসাইকেল চালক খোকনের ছেলে জিসান (২২) ও তার সঙ্গে থাকা এক অজ্ঞাত যুবক।স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, আকাশ ও রাজাসহ চার যুবক খলিষাকুন্ডি থেকে বামন্দী পর্যন্ত মোটরসাইকেল রেস করছিলেন। একটি বাসকে পাশ কেটে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা জিসানের মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাসিমের মৃত্যু হয়।আহত আকাশ, রাজা, জিসান ও অজ্ঞাত যাত্রীকে দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাদের চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, মহাসড়কে মোটরসাইকেল রেসিং প্রায় নিয়মিতই হয়; কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।গাংনী থানা ওসি বানী ইসরাইল জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    এম কে

  • কুষ্টিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা।

    কুষ্টিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা।

    কুষ্টিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা।

    বিডিনিউজ ডেক্স : কুষ্টিয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র যৌথ উদ্যোগে শনিবার সকালে শিল্পকলা একাডেমিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সনাকের সভাপতি আসমা আনসারী মিরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দুর্নীতিবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান সনাক সদস্য অশোক সাহা। বক্তব্য রাখেন টিআইবির সমন্বয়কারী কাজী শফিকুর রহমান, খুলনা ক্লাস্টারের সমন্বয়কারী ফিরোজ উদ্দিন, সনাকের সদস্য রফিকুল আলম টুকু, ড. সরোয়ার মোর্শেদ, নীলিমা বিশ্বাস, হালিমা খাতুন, নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান লাকি, তারিকুল হক তারিক প্রমুখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সনাকের সহ-সভাপতি শাহজাহান আলী। দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের অভিজ্ঞতা অর্জন ও প্রতিবন্ধকতা সমূহ পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন টিআইবির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর রায়হানুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইয়ুথ এনগেজমেন্ট সাপোর্ট গ্রুপের সদস্য সুমাইয়া খাতুন ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের সদস্য ইমাম মেহেদী। এতে সনাক, ইয়েস ও এসিজির সদস্যরা অংশ নেন। সভায বক্তারা বলেন বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও দেশ গঠনে দুর্নীতি প্রধান অন্তরায়। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সুশাসন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে ব্যাহত করে। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনের বিকল্প নেই। বিকেলে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়

  • কুষ্টিয়ার মিরপুরে কৃষি বিষয়ক লাইব্রেরি ও সংগঠন ‘কৃষকের বাতিঘর’

    কুষ্টিয়ার মিরপুরে কৃষি বিষয়ক লাইব্রেরি ও সংগঠন ‘কৃষকের বাতিঘর’

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা গ্রামে অবস্থিত কৃষি বিষয়ক লাইব্রেরি ও সংগঠন ‘কৃষকের বাতিঘর’। এই সংগঠনটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই কৃষিতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণসহ কাজ করে যাচ্ছে এলাকার তরুণ শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে।

    সংগঠনটির কার্যক্রমে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবকরা গ্রামের কৃষকদের কাছে, মাঠে গিয়ে তাদের বই পড়ে শুনিয়ে আসেন। জানান চাষের আধুনিকতা, জীবনমান উন্নয়নের গল্প, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার উপায়, সাহিত্য, ভ্রমণসহ নানাবিধ বিষয়ে। এছাড়া গ্রামীণ নারীদের উন্নয়নেও একই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই সংগঠন; যা জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করছে গ্রামের নিরক্ষর চাষি এবং সাধারণ মানুষদের।

    এছাড়া বর্তমানে তীব্র তাপদাহ, খরা এবং অতিবৃষ্টি বা স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত না থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে কৃষিতে। আলাদা সেচের ফলে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত খরচ। এ নিয়ে ফসল চাষ করেও ক্ষতি পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে শঙ্কায় আছেন কৃষকরা। জলবায়ুর এমন পরিবর্তন লক্ষ্য করে কৃষকদের উন্নয়নের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক পরামর্শ ও সেবা দিচ্ছে এই সংগঠন। ফসলের মাঠ ঘুরে কৃষকের বাতিঘরের সদস্যরা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে কৃষকদের অবহিত করেন এবং পরামর্শ দেন।

    কৃষকের বাতিঘরের কার্যক্রমে অংশ নেওয়া মিরপুর উপজেলার চরপাড়া গ্রামের কৃষক ছামিদুল ইসলাম বলেন, কৃষকের বাতিঘরের সদস্যরা এসে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষি আবহাওয়া সম্পর্কে জানিয়েছেন। বই পড়ে শোনান কিভাবে ফসলের ভালো উৎপাদন করা যাবে। এটা আমাদের কৃষকদের জন্য অনেক বড় উপকার। আমরা এখন জমিতে রাসায়নিক সার কমিয়ে জৈব সারের ব্যবহার বাড়িয়েছি। আর জমিতে পার্চিং করা সহ ক্ষেতের আইলে বিভিন্ন বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে এখন ফসলের মাঠ দেখতেও আরও সুন্দর লাগে।

    এদিকে এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে কাজ করছে এই সংগঠনটি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা, নেতৃত্ব শেখানো এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এই সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মী এবং সদস্যদের। কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যই এই দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

    এ বিষয়ে সংগঠনের সদস্য সাদিয়া খাতুন বলেন, আমরা যখন কৃষকদের বই পড়ে শোনায়, তার আগে নিজেরা সেই বইটি ভালো করে পড়ি; তা না হলে তো আমরা সেটি পড়ে কৃষকদের বোঝাতে পারবো না। এদিক থেকে আমাদের উন্নয়নটা অনেক বেশি। আমরা পাঠ্যক্রমের বাইরেও অনেক বিষয়ে জানতে পারছি। আর সব থেকে বড় ব্যাপার হলো এগুলো আমরা শুধু পড়িই না, বরং তা আত্মস্থ করি। কেননা সেগুলো আমাদের আবার কৃষককে বোঝাতে হয়। অনেক সময় একটা বই পড়ার পরেই আমরা তা ভুলে যায়, কিন্তু এভাবে চর্চার ফলে আমরা সহজে ভুলি না। ফলে বিভিন্ন বিষয় খুব ভালোভাবে জানার মধ্য দিয়ে আমরা নিজেদের অন্যদের তুলনায় আরও দক্ষ করে তুলতে পারছি। এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

    কৃষকের বাতিঘরের স্বেচ্ছাসেবী মো. শোয়েব মল্লিক বলেন, আমি আগে কম্পিউটার চালাতে পারতাম না। এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর আমি কৃষকের বাতিঘরের সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর এখানে থেকে আমাকে ৬ মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আমি এখন কম্পিউটারে দক্ষ। এখন নিজে একটা কম্পিউটার কিনে সংগঠনের কাজেও সহায়তা করি, অন্যদেরও কম্পিউটার শিখতে সাহায্য করি।

    কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলির মধ্যে রয়েছে- কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থানমূলক দক্ষতা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা কৃষি, ব্যবসা, এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও পেয়েছে কর্মসংস্থান।

    সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে মিরপুর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জামশেদ আলী বলেন, কৃষকের বাতিঘর সংগঠন আমাদের উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকশই কৃষিতে উদ্বুদ্ধের মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়ে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকের বাতিঘর সংগঠন এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংগঠনটি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদের জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই কৃষি সম্পর্কে সচেতন করছে। এছাড়াও সংগঠনটি এলাকার শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমি আশা করি, কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের এই উদ্যোগ আমাদের উপজেলায় ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    সার্বিক বিষয়ে কৃষকের বাতিঘরের উদ্যোক্তা হোসাইন মোহাম্মদ সাগর বলেন, কৃষকের বাতিঘরের কার্যক্রম কৃষকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি কৃষকদের ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কৃষকদের প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছে। একইসঙ্গে গ্রামে বসবাসকারী তরুণ শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, নেতৃত্ব, এবং কর্মসংস্থানমূলক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় বসবাসকারী তরুণদের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। সংগঠনটি বিশ্বাস করে যে দক্ষ মানবসম্পদের মাধ্যমেই বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন সম্ভব। সূত্রঃ দৈনিক আমাদেরসময়

    বিডিটাইমস/এআর/এনই/

  • পান তোলা ও পরিবহন খরচই উঠছে না

    পান তোলা ও পরিবহন খরচই উঠছে না

    ডেস্ক নিউজঃ

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পানের দাম কম হওয়ায় পানচাষিরা হতাশ। দাম অত্যন্ত কম ও খরচ অত্যধিক বেশির কারণে পান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষক। ভেঙে ফেলছেন পানের বরজ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভেড়ামারা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে প্রায় ৬৪৫ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। যেখানে প্রতি বছরে ৭ হাজার মেট্রিক টন পান উৎপাদন হয়। তা ছাড়াও ব্রিটিশ আমল থেকে এই অঞ্চল পান চাষের জন্য প্রসিদ্ধ।

    উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন জুনিয়াদহ, ধরমপুর ও বাহাদুরপুরের প্রান্তিক পান চাষিদের দুঃখ দুর্দশার চিত্র ফুটে ওঠে। বিঘা প্রতি নতুন পান বরজে খরচ হয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। যেখানে পান বিক্রি করে আসছে ১ লাখেরও কম। পান বরজের সরঞ্জামের দাম বেড়েছে পূর্বের চেয়ে তিনগুণ। পূর্বে যে শ্রমিকের দাম ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বর্তমানে তা হয়েছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। তাই অনেকেই পান বরজ মেরামত না করে রেখে দিয়েছেন। দাম কম হওয়ায় কেউ আবার বরজের পান ভাঙছেন না। ঋণের দায়ে জর্জরিত কেউ কেউ বরজ ভেঙে অন্য চাষাবাদ করার মনস্থির করেছেন। বরজের ওপর ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে না পেরে অনেকে হয়েছেন এলাকা ছাড়া।

    উপজেলার বৃহত্তম হাট জগশ্বর পান হাটে গিয়ে দেখা যায়, ৫০ থেকে ২০০ টাকা বিড়ার পান বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৩০ টাকায়। খুব ভালো মানের পান বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা বিড়া। পান বিক্রি করতে আসা পানচাষি মো. রফি জানান, প্রতি বিড়া ৭ টাকায় বিক্রি করলাম, যা গত বছর করেছি ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। পান ভাঙা আর যাতায়াত খরচই উঠল না। এ ব্যবসা আর হবে না। (এক বিড়া সমান ৮০টি)।

    বাহাদুরপুরের পানচাষি ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা জমেলা খাতুন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘৪০ বছরের পুরোনো পান বরজ আমার। না পারছি ভাঙতে, না পারছি রাখতে। পান বাজারে নিলে খরচের টাকাও ফিরে পাচ্ছি না।’

    জগশ্বর পানহাটের সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন জানান, উৎপাদন বেশি ও রপ্তানি না থাকায় এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় পানের দাম অনেক কম। কিন্তু শ্রমিক ও পান বরজের সরঞ্জামের দাম পূর্বের থেকে দুই থেকে তিনগুণ বেশি। সরকারি কোনো প্রণোদনা না থাকায় প্রান্তিক পানচাষিদের মধ্যে হাহাকার লক্ষ করছি। ভেড়ামারা উপজেলার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান কালবেলাকে জানান, দাম কম হওয়ায় পানচাষিদের বেহাল দশার বিষয়টি আমরা শুনেছি। পূর্বে মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কিছু দেশে পান রপ্তানি হলেও এখন সেটা হচ্ছে না বললেই চলে। আপাতত পানচাষিদের সরকারের তরফ থেকে কোনো প্রণোদনার ব্যবস্থা নেই।

     

  • নির্বাচন ঠেকানোর পাঁয়তারা করে লাভ হবে না : জুয়েল

    নির্বাচন ঠেকানোর পাঁয়তারা করে লাভ হবে না : জুয়েল

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, জনগণের ভোটই নির্ধারণ করবে দেশের নেতৃত্ব। নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা বা বানচালের পাঁয়তারা করে কোনো লাভ হবে না।

    তিনি বলেন, নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে, আর জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন।

    শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া বাজার ও শেহালা এলাকায় বিএনপির দুটি আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধনের পর টানা দুটি উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন শরিফ উদ্দিন জুয়েল। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, জনগণ এখন অনেক সচেতন। তারা জানে, অরাজকতা বা ষড়যন্ত্র করে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকতে পারে না। দেশের মানুষ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায়। তারা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চায়। তিনি আরও বলেন, যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে চাচ্ছে, তারা আসলে জনগণকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

    বৈঠকে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের একটি দফা ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি ৩১ দফা সুফল সাধারণ মানুষের মধ্যে তুলে ধরে তিনি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ উদ্দিন জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে দৌলতপুরের মানুষের পাশে আছেন। তিনি যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, আসন্ন নির্বাচনে তিনি দৌলতপুরবাসীর আস্থা অর্জন করবেন।

    উঠান বৈঠক শেষে শরিফ উদ্দিন জুয়েল এলাকাবাসীর খোঁজখবর নেন ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি থেকে যদি মনোনয়ন পাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দৌলতপুরকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন।

    স্থানীয় তরুণরা বলেন, শরিফ উদ্দিন জুয়েলের মতো নেতৃত্বই দেশের প্রয়োজন যিনি রাজনীতিকে জনগণের সেবার হাতিয়ার হিসেবে দেখেন এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের সঙ্গে কাজ করতে জানেন।

    বৈঠকে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    বিডিটাইমস/এআর/নিই/