ক্যাটাগরি ময়মনসিংহ বিভাগ

  • ময়মনসিংহে চার গাড়ির সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ২, আহত ৬

    ময়মনসিংহে চার গাড়ির সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ২, আহত ৬

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার  দুপুরে ময়মনসিংহের ভালুকায় ১২টার দিকে উপজেলার ভরাডোবা এলাকার ক্লাবের বাজারে তাফরিদ কটন মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একই লেনে থাকা সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতনামা এক নারী ও এক বৃদ্ধ নিহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মিনারা বলেন, দুইজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করে।

    ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয়। ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

    এ ঘটনায় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    এম কে

  • শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    ডেস্ক নিউজঃ

    জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। এতে শেরপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থীসহ মোট ৪ জন বৈধ প্রার্থী রইলেন।

    বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। আগামী ১৫ মার্চ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর হতে প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা।

    এর আগে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে ৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম বাদশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

    জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

    এম কে

  • স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা  শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    বিডটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।

    বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।

    মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।

    পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।

    গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।

    ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।

    দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

    এআর/নিই

  • বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০) নামে এক ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন।

    রোববার বিকালে গৌরীপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবিদ ময়মনসিংহ নগরীর কৃষ্টপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি জেলা উত্তর ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন। তার বাবা দক্ষিণ জেলা উলামা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
    বিজ্ঞাপন

    জানা যায়, সন্ধ্যায় গৌরীপুর সরকারি কলেজ হোস্টেল মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশের আয়োজন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেন।

    ইকবাল হোসেনের সমর্থকদের অভিযোগ, সমাবেশ শেষে শহরে ফেরার পথে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থী আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলকর্মী আবিদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সিএনজিযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পর রাতে ইঞ্জিনিয়ার ইকবালের পক্ষে গৌরীপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম তালুকদার, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল হক প্রমুখ।

    তাদের দাবি, মনোনয়নবঞ্চিত হিরণপন্থিরা পরিকল্পিতভাবে ইকবাল সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হিরণ সমর্থকদের ধাওয়ায় মাটিতে পড়ে আবিদ গুরুতর আহত হন।

    এদিন বিকালে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার ইকবালপন্থিরা গৌরীপুর সরকারি কলেজের হোস্টেল মাঠে এবং আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণপন্থিরা শহরের মধ্যবাজার ধানমহাল এলাকায় আলাদা সমাবেশের আয়োজন করে। বিকাল ৪টা থেকে দুপক্ষের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন, যার পরই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

    গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় আবিদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    বিএ

  • ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ডেস্ক নিউজ:

     

    জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

    বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে একটি সাংগঠনিক নোটিশ প্রকাশ করেন। এতে ছাত্র ও ছাত্রী হলের সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকির জন্য কয়েকজন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়।

    নোটিশে দেখা যায়, ছাত্র হলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুগ্ম আহ্বায়ক আমির হামজা, সদস্য মোহাম্মদ আমানউল্লাহ ও রবিউল ইসলাম রিমনকে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে ছাত্রী হলের কমিটি।ছাত্রী হলের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে—যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন, সদস্য সাদ ইবনে ওয়াহিদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আদিবা হক মিলাকে। এই তালিকায় দুজন পুরুষ সদস্যের নাম থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—‘ছাত্রী হলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ছেলেদের সম্পৃক্ততা কতটা যৌক্তিক?’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা হলে রাজনৈতিক কার্যক্রম চাই না। তাছাড়া ছাত্রী হলের দায়িত্বে ছাত্রদের রাখা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের সাংগঠনিক ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার পরিপন্থি এবং প্রশাসনের পূর্বঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নুর হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়— ক্যাম্পাস এলাকায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ, প্রচার বা সংগঠন পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, লোগো ও প্রতীক রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত আসামি চন্দন কুমার পালের পক্ষে করা আবেদন শুনানি না করায় তা নামঞ্জুরক্রমে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

    এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দায়রা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তাকে সহায়তা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার রুবী ও কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।

    জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন পালের জামিন ইস্যুতে বিচারক ও পিপির অপসারণসহ ৮ দফা দাবিতে এদিন সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং হতাহত পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

    এসময় জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাহামুদুল হাসান রাকিব, এনসিপি নেতা রাশেদুল হাসান দেওয়ান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহনূর রহমান সায়েম, মোর্শেদ জিতুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পাল সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ৬ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে এবং সর্বশেষ আরো একটি মামলায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর জেলা দায়রা আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে পরদিন জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। আজ ২০ অক্টোবর ছিল সেই মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ।

    আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের মুক্তির খবর জানাজানি হলে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। গুঞ্জন ওঠে, তিনি জামিনে মুক্তির পর দেশত্যাগ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন-পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের পর গত ৬ অক্টোবর সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা আদালত, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান গেটে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন।

    • পরবর্তী সময় ওই দিন বিকেলে চন্দন কুমার পালের দেশত্যাগের আশঙ্কায় তার পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি বিশেষ আবেদন করেন। সেই বিষয়ে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে চন্দন কুমার পালের পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
  • ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। বোর্ডে শতভাগ পাশ করেছে ৩ টি কলেজে। কেউ পাশ করেনি  ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ।

    প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭৯ হাজার ২৩৭ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৯ হাজার ৯৬ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ শিক্ষার্থী। শাখাভিত্তিক পাসের হার সবচেয়ে কম ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়।

    শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার আবদুল জব্বার রাবেয়া খাতুন গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি। এর মধ্যে ময়মনসিংহের ৭টি, জামালপুরের ২টি, শেরপুরের ২টি ও নেত্রকোনার ৪টি কলেজ আছে। এই ১৫টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন ১৩২ জন। এর মধ্যে ১০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী ছিল চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থী ২ থেকে ৯–এর ঘরে ছিল।

    এবার  জিপি এ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৪৮ জন।  এ বছর পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪।

     

  • বদলে যাচ্ছে জামালপুরের মানচিত্র!

    বদলে যাচ্ছে জামালপুরের মানচিত্র!

     

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    নদীমাতৃক বাংলাদেশে যে কয়টি জেলা সারা বছর ভাঙনের মুখে থাকে তার মধ্যে জামালপুর একটি।

    জামালপুরে বর্ষার ভরা মৌসুমে কিংবা শীতের শুকনো মৌসুমেও যমুনা নদীর পাড় ভাঙতে দেখা যায়। এ ছাড়া পুরাতন ব্রহ্মপুত্রেও ভাঙনে বদলে যাচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরে ভরা নদীতে ভাঙন দেখা দিচ্ছে জিঞ্জিরাম নদীতে।

    যমুনার করালগ্রাস আর ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনেই বদলে গেছে জেলার মূল মানচিত্র। শুধু ভাঙনেই থেমে নেই নদীগুলো, শুকনো মৌসুমে জেগে ওঠা চর নিয়ে হতে দেখা যায় কাটাকাটি।

    নদীমাতৃক বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে ‘সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়’ -এর যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৪ সালে ‘পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়’ হিসেবে নতুনভাবে এর নামকরণ করা হয়।  জামালপুরে পাউবোর কার্যক্রম রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই নদীভাঙনের শিকার জামালপুরের মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    জানা গেছে, ইমার্জেন্সি ডাম্পিং, এনডিআরসহ বিভিন্ন প্রকল্পে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলেও স্থায়ী বাঁধ তৈরির প্রকল্প সহজে পাস হয় না। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙতে ভাঙতে, লাল ফাইলের দৌরাত্ম্য চলতে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বসতভিটা ভাঙার পর হয়ত একটা সময় গিয়ে একটা প্রকল্প পাস হয়।

    দেওয়ানগঞ্জের পোল্লাকান্দি এলাকার স্থানীয় এক সাংবাদিক বলেন, আমি জন্মের পর যখন বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই দেখি প্রায়ই নদীভাঙন। এ পর্যন্ত অসংখ্যবার আমাদের বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যাদের একটু জায়গাজমি বেশি আছে তারা ঘরবাড়ি সরিয়ে নেয়। আর যাদের শুধু বাড়ির জায়গাটুকু নদীগর্ভে হারিয়ে যায়, তাদের সপরিবারে অন্য কোথাও চলে যেতে হয়। বেশিরভাগই চলে যায় ঢাকায়। রাজধানীতে গিয়ে তারা জীবনসংগ্রামে টিকে থাকার চেষ্টা করে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসমত আলী বলেন, আমাদের বাড়িঘর ২৫-২৬ বার পরিবর্তন করতে হয়েছে। আগেও নদীভাঙন ছিল, এ বছরও পাশের গ্রামে নদীভাঙন চলছে।

    জামালপুর জেলার উত্তর পশ্চিম, পশ্চিম এবং পশ্চিম দক্ষিণ অংশে পুরো যমুনা নদীতে ঘেরা। দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ এবং সরিষাবাড়ী উপজেলা যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বদলে গেছে জামালপুর জেলার মূল মানচিত্র। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে হাজার হাজার একর আবাদি জমি, বাজারঘাট, সরকারি বেসরকারি অসংখ্য স্থাপনা নিমেষেই তলিয়ে গেছে যমুনার করালগ্রাসে। ২০৩২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের জামালপুর জেলায় বর্তমানে পঁচিশ লাখ মানুষের বসবাস।

    জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান  বলেন, আমরা আমাদের কাজ করছি। কোনো এলাকায় নদীভাঙনের খবর পেলে দ্রুত সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি। প্রকল্প অনুমোদনের জন্য যা যা করার করে থাকি কিন্তু পাশ করার দায়িত্ব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের।

    তিনি আরও বলেন, যমুনা নদীতে বিশ কিলোমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রে দশ কিলোমিটারের মতো স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলে হয়ত নদীভাঙন মোটামুটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এতে তিন হাজার কোটি টাকার মতো ব্যয় হতে পারে বলে জানান তিনি।

    সূত্র: কালবেলা

     

     

  • নেত্রকোনার ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই স্বীকৃতি

    নেত্রকোনার ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই স্বীকৃতি

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    নেত্রকোনার শতবর্ষের ঐতিহ্যের ধারক ‘বালিশ মিষ্টি’। নেত্রকোনার অনন্য এই মিষ্টি এবার দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সম্প্রতি পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে।

    বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়। আনুমানিক ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এই মিষ্টি তৈরি করেন। ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই এর নাম ‘বালিশ মিষ্টি’। সাধারণ সন্দেশ বা রসগোল্লা থেকে একেবারেই ভিন্ন এই মিষ্টি এখন নেত্রকোনার সামাজিক অনুষ্ঠান, উৎসব ও উপহারের অপরিহার্য অংশ। গয়ানাথ ঘোষের তৃতীয় প্রজন্ম এখনো এই মিষ্টি বানানোর ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

    নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে ডিপিডিটিতে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। পণ্যের ইতিহাস, উৎপাদন প্রক্রিয়া ও বিশেষ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে বিস্তৃত প্রতিবেদন দাখিলের পর যাচাই-বাছাই শেষে সম্প্রতি এর স্বীকৃতি মিলল। গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারের বর্তমান কর্ণধার ও গয়ানাথ ঘোষের নাতি বাবুল চন্দ্র মোদক বলেন, ‘বালিশ মিষ্টি জিআই পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা গর্বিত। দাদার হাতে যে মিষ্টির সূচনা হয়েছিল, তা আজ দেশের গৌরবের প্রতীকে পরিণত হলো।’ তিনি জানান, ১৯৬৫ সাল থেকে তার বাবা নিখিল চন্দ মোদক এবং এখন তৃতীয় প্রজন্মের তিন ভাই মিলে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে যাচ্ছেন।

    নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, ‘এর আগে বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই সনদ পেয়েছিল। এবার বালিশ মিষ্টি যুক্ত হওয়ায় নেত্রকোনাবাসীর গর্ব আরও বেড়ে গেল। আমরা এটিকে জেলার ব্র্যান্ডিং হিসাবে তুলে ধরতে কাজ করব।’ এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল। ২০২৫ সালে এসে বালিশ মিষ্টির এই অর্জন জেলার জন্য আরেকটি ঐতিহাসিক গৌরব যোগ করল। শত বছর আগে গড়ে ওঠা এই মিষ্টি এখন শুধু স্থানীয় স্বাদের সীমায় নয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

  • ভারতে অনুপ্রবেশকালে শেরপুর সীমান্তে ২৪ জন আটক

    ভারতে অনুপ্রবেশকালে শেরপুর সীমান্তে ২৪ জন আটক

    শেরপুর সীমান্তে অবৈধ পথে দালাল চক্রের সহযোগিতায় ভারতে পাচারকালে পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যসহ ২৪ জনকে আটক করে বিজিবি। এসময় তাদের থেকে ১৪টি মোবাইল ফোন, একটি হাত ঘড়ি এবং নগদ ৫৪ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ভোরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম বিওপির সীমান্ত পিলার ১১১০/এমপি এর পাশে শালবাগান হতে তাদের আটক করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম বিওপির সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি। এসময় ৪টি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বহন করা মোট ২৪ জনকে আটক করে বিজিবি। পরে তারা জানায়, ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চুক্তি হয় শেরপুরের দুইজন দালাল চক্রের সঙ্গে। আর আটককৃতরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং শেরপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ টি মোবাইল ফোন, একটি হাত ঘড়ি এবং নগদ ৫৪ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মেহেদী হাসান জানান, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে ভারতের চেন্নাই শহরে রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিক হিসেবে কাজ করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। আটককৃত দুই মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ অনুযায়ী ঝিনাইগাতী থানায় মামলা কার হয়েছে।