ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • মাছ ধরতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলল দুই বস্তা সরকারি ওষুধ

    মাছ ধরতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলল দুই বস্তা সরকারি ওষুধ

    ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় জেলেরা নদীতে মাছ ধরার সময় বস্তাগুলো দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশকে এগুলো উদ্ধার করে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বুধবার (১১ মার্চ) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার তেঁতুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মসজিদ এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় জেলেরা। এ সময় জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাঁধা দুটি বড় পাটের বস্তা তাদের চোখে পড়ে।

    বস্তার ভেতরে মরদেহ থাকতে পারে এমন আশঙ্কায় স্থানীয়রা গফরগাঁও থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাগুলোর মুখ খুলে দেখে, ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে। এরপর পুলিশ বস্তাভর্তি ওষুধ থানায় নিয়ে যায়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলো ২০২৩ সালের। সে সময় কেউ হয়তো বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়। বস্তায় ভরা থাকায় এবং ওষুধের প্যাকেট সহজে নষ্ট না হওয়ায় সেগুলো নদীর তলদেশে এতদিন রয়ে গেছে।

    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

    গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • অভয়নগরে যৌথবাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    অভয়নগরে যৌথবাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের নওয়াপাড়ার আলোচিত বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান জনিকে চার কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নির্মম নির্যাতন ও হত্যার হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাতে খুলনায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম।

    পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে জনি পলাতক ছিলেন। গত বছরের জুলাই মাসে নওয়াপাড়ার এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী আসমা খাতুন অভিযোগ করেন যে, তার স্বামীকে অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। চাঁদা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাকে বালুতে বুক পর্যন্ত পুঁতে রেখে কয়েক দফায় চার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। এই ঘটনায় আসাদুজ্জামান জনিসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরে চলতি বছরের ৩ আগস্ট আসাদুজ্জামান জনিসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।

    অভয়নগর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি দল মঙ্গলবার রাতে খুলনায় অভিযান চালায় এবং জনিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

     

  • সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের বাড়িতে আগুন

    সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের বাড়িতে আগুন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় ধনতলা এলাকায় সাবেক নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে সেতাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আসলাম হোসেনের বাড়িতেও আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা।

    শুক্রবার  রাত ৮টার দিকে তাদের বাড়িতে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুটি বাড়িরই আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিসংযোগের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না বলে জানা গেছে।

    জানা গেছে, সম্প্রতি সাবেক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে খালিদ মাহমুদকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে জঙ্গি আখ্যায়িত করতে দেখা যায়।

    বোচাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে সাবেক মেয়র আসলামের বাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা সেখানে পৌঁছাই। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বাড়িতে থাকা মালামাল পুড়ে গিয়েছে, তবে এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এ/আর

  • আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় আড়াই শ বছরের পুরোনো মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মির্জাপুর শাহী মসজিদের সর্বত্র ইসলামি টেরাকাটা ফুল ও লতাপাতার নকশায় পরিপূর্ণ। মসজিদে ব্যবহৃত ইটগুলো চিকন, রক্তবর্ণ ও অলংকৃত।

    তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ২৫ ফুট। আয়তাকার এক সারিতে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ সাধারণত মোগল স্থাপত্যরীতির বৈশিষ্ট্য। গম্বুজের শীর্ষবিন্দু ক্রমহ্রাসমান বেল্টযুক্ত। চার কোণে রয়েছে স্তরযুক্ত ও নকশাখচিত বেল্ট করা চারটি সুচিকন মিনার।

    এছাড়া সম্মুখবর্তী দেওয়ালের মধ্য দরজার দুই পাশে মধ্য গম্বুজের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্মিত হয়েছে আরও দুটি ক্ষুদ্র মিনার। এই মিনারের দেওয়াল সংযুক্ত অংশ বর্গাকার। অনুরূপ সমমানের ক্ষুদ্রাকৃতির দুটি মিনার রয়েছে পশ্চিম দেওয়ালেও।

    এ মসজিদে সামনের দেওয়ালে রয়েছে সুশোভন লতাপাতা ও ইসলামি টেরাকাটা নকশাখচিত মাঝারি আকৃতির তিনটি দরজা। দরজার কিছুটা দূরবর্তী উভয় পাশে রয়েছে অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল। তিনটি দরজায়ই ছাদ ও দরজার উপরিভাগের মাঝামাঝি স্থানে বাইরের দিকে উভয় পাশে ঢালু তোরণ আকৃতির একটি স্ফীত অংশ সংযুক্ত হওয়ায় অলংকরণ বিন্যাসে সৃষ্টি হয়েছে নতুনত্ব।

    সামনের তিনটি দরজার অনুরূপ আরও তিনটি দরজার নকশা ও অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল স্থাপিত হয়েছে পশ্চিম দিকের দেওয়ালেও। তবে এই দরজা সম্ভবত স্থাপত্যকৌশল হিসাবেই নির্মিত পশ্চিমের মাঝের দরজা। সুস্পষ্ট কোনো মেহরাব নেই। উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালও নকশাখচিত। তবে এই দরজা দুটির উপরিভাগের স্ফীত অংশটি সমান্তরাল নয়। গ্রামবাংলার চিরায়ত রীতি অনুযায়ী দোচালা আকৃতির। কথিত আছে, সামনের ইটগুলো নাকি ঘিয়ে ভেজে তৈরি করা হয়েছে।

    দেওয়ালের অলংকরণে ফুল ও পাতার পাশাপাশি পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর চিত্র রয়েছে। সম্ভবত নির্মাণকারী কারিগরদের মধ্যে হিন্দু স্থপতিও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অথবা এমনও হতে পারে যে প্রতিবেশী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খচিত হয়েছে জীবজন্তুর চিত্র। অবশ্য বর্তমানে জীবজন্তুর চিত্রগুলো অপসৃত হয়েছে।

    মধ্যবর্তী দরজার উপরিভাগে ফারসিলিপিখচিত একটি ক্ষুদ্র কালো ফলকের ভাষা ও লিপি অনুযায়ী এই মসজিদটি মোগল সম্রাট শাহ আলমের রাজত্বকালে নির্মিত হয় বলে জানা যায়। উল্লিখিত লিপি ফলকটিতে মুদ্রিত সন পারস্য বছর।

    লক্ষণীয় বিষয়, সমসাময়িককালে বাংলাদেশের অন্যান্য মসজিদ বা ইমারতের সন তারিখ হিজরি অথবা খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী লেখা ছিল। কিন্তু এই মসজিদে পারস্য বছরের উল্লেখ থাকায় অনুমিত হয় যে, যেসব কারিগর ও স্থপতি এই মসজিদের নির্মাণ মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে নিযুক্ত ছিলেন, তারা ছিলেন পারস্য অথবা ইরানের অধিবাসী। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এ ধরনের কারুকার্য সমসাময়িককালে ইরানের মসজিদ ও অন্যান্য অট্টালিকায় বিদ্যমান ছিল।

    মির্জাপুর মসজিদের মূল ভবনের সামনে রয়েছে একটি আয়তকার পাকা অঙ্গন। অঙ্গনের উপরিভাগ উন্মুক্ত। অঙ্গনের বাইরে রয়েছে একটি সুদৃশ্য তোরণ। তোরণটির নির্মাণশৈলী অপূর্ব। এতে রয়েছে খিলান করা অন্তঃপ্রবিষ্ট দরজা। উভয় পাশে খাঁজ করা স্তম্ভ এবং ঢাল ও অর্ধ বৃত্তাকার, চ্যাপ্টা নাতিদীর্ঘ একটি গম্বুজ। গম্বুজের উপরিভাগে রয়েছে কোরক আকৃতির একটি ক্ষুদ্র চূড়া

    মির্জাপুর মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও এই গ্রামের মির্জা বংশীয় উত্তরসূরিদের অভিমত অনুযায়ী মির্জাপুর গ্রামের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পূর্ব পুরুষরা মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। অতঃপর ফুল মোহাম্মদের ভাই দোস্ত মোহাম্মদ সম্ভবত এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। এটি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রায় দুই শ বছর আগে মুলুকউদ্দীন বা মালেকউদ্দীন মির্জাপুর মসজিদের মেরামত বা সৌন্দর্যের কাজ শেষ করেন। তিনি হুগলি মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ইরান থেকে কারিগর এনেছিলেন।

    মির্জাপুর মসজিদের স্থাপত্য নিদর্শনের সঙ্গে ঢাকার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে নির্মিত মসজিদের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় অনুমিত হয় যে উভয় মসজিদ সমসাময়িককালে নির্মিত হয়। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মসজিদের নির্মাণকাল ১৬৭৯ খ্রি.। সেদিক থেকে মির্জাপুর মসজিদের বয়স আড়াই শ বছরের কম নয়। বস্তুত বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার মধ্যে একমাত্র মির্জাপুর শাহী মসজিদটিই প্রাপ্ত মোগল আমলে নির্মিত অন্যান্য মসজিদের তুলনায় সবচেয়ে সুষমমণ্ডিত, উৎকৃষ্ট শিল্পনিদর্শন ও সর্বাপেক্ষা মজবুত অবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সংরক্ষণ করছে।

    এ/আর

  • সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

    সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    পঞ্চগড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যারা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যায় কম তারা যদি অন্য যে কোনো ব্যক্তি, নেতা বা রাজনৈতিক দল, কারো দ্বারা বিন্দুমাত্র হুমকি, হয়রানি কিংবা জুলুমের শিকার হন, আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আমরা পাশে থাকবো।

    শনিবার  পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কমিটি প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় তিনি তার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা কোনোদিন কারো পায়ে লাগতে যাবো না। কেউ যদি পায়ে পা দিয়ে লাগতে আসে আমরা তাদের ছাড়ও দেবো না। অন্য যে কোনো দলের যারা ভালো কাজ করবে, সে যেই দলই হোক না কেন, আপনারা তাদেরকে সমর্থন করবেন, সহযোগিতা করবেন। ভালোটাকে ভালো না বললে ভালো কাজে মানুষ উৎসাহ পাবে না।

    এ/আর

  • জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস আলম

    জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস আলম

    বিডি নিউজ ডেস্কঃ-

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে বিএনপি যদি মনে করে, তারা জনগণের বিপক্ষে গিয়ে রাজনীতি করে টিকে থাকতে পারবে এবং সংসদ স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করবে- তা সম্ভব নয়। কোনো একটা দল যদি তাদের দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন করতে চায়, স্বৈরাচারের পথে হাঁটতে চায়, তাহলে জনগণ এবং আমরা বিরোধী দল একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই রাষ্ট্রপতির অভিশংসন চেয়েছি, কারণ এ রাষ্ট্রপতির হাত ধরে নতুন সরকার চলতে পারে না।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরের মুক্তমঞ্চে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের মানুষকে বিএনপি ভালো বার্তা দিল না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী সংসদে স্পিকার সরকারি দল থেকে হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার দেওয়া হয়েছে বিএনপি সমর্থিত এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে।

    এ/আর

     

  • শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    ডেস্ক নিউজঃ

    জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। এতে শেরপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থীসহ মোট ৪ জন বৈধ প্রার্থী রইলেন।

    বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। আগামী ১৫ মার্চ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর হতে প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা।

    এর আগে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে ৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম বাদশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

    জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

    এম কে

  • কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

    কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    কাউনিয়া উপজেলার সবার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানে রাখার দাবি জানিয়েছে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

    মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকা বাসী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সেই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারা।

    এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বলেন  চর  ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম প্রায় এক বছর  ধরে স্থগিত রয়েছে। স্কুলে তালা ঝুলছে, ছাত্র-ছাত্রীরা অনুপস্থিত, ৩  বছর থেকে স্কুলের পরিচালনা কমিটি নেই। বিষয়টি নিয়ে ইতোপূর্বে লিখিত এবং মৌখিক ভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শোনা যাচ্ছে  স্কুলটি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। ১৯৬০ সালে সরকারি হওয়া স্কুলটি কাউনিয়া থানার ৪০ নম্বর স্কুল নামে পরিচিত । বর্তমানে স্কুলের আশে-পাশের প্রায় ২০০ পরিবার বসবাস করে এবং স্কুলে ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকার পরেও স্কুলে ১ (এক) বছর ধরে তালা ঝুলে আছে। অন্যত্র সরিয়ে নিলে এলাকার কোমলমতি শিশুদের নদী পাড়ি দিয়ে অন্য গ্রামে গিয়ে লেখাপড়া করা প্রায় অসম্ভব। স্কুলটি নিয়ে বর্তমানে দুর্নীতি ও অনিয়ম সহ ছিনিমিনি খেলা  চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ  গত ১৯ ফেব্রুয়ার  অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান তোতা ও মোঃ মুকুল ইসলাম সহ বহিরাগত কিছু কু-চক্রী মহল যোগসাজস করে উক্ত বিদ্যালয়টি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বাধা দিলে তারা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি পত্র দেখিয়ে বলে আপনারা আমাদের বাঁধা দিয়ে কোন লাভ নেই। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নিচ্ছি।
    এলাকার মহৎ ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকবৃন্দ বিষয়টি জানতে পেরে স্কুল টি সরিয়ে নিতে  নিষেধ করে। বর্তমানে উক্ত বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই বিদ্যমান আছে। অভিযোগ কারী নজরুল ইসলাম মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে  বলেন  বিদ্যালয়টি যদি কখনো স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয় আমরা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত বিদ্যালয়ের জমি জায়গা দিতে প্রস্তুত আছি। স্কুলটি সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে পূর্বের স্থানেই কার্যক্রম চলমান রাখা ও পরিচালনার সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানাচ্ছি।
    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমানআরা বেগম বলেন স্কুলটি পূর্বের স্থানে রাখার দাবীতে একটি অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার কাছে একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। এ সময় পাপিয়া সুলতানা বলেন।স্কুলটি বন্ধ আছে কিনা এ বিষয়ে আমি ভালো জানিনা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে  বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করবো।

    এম কে

  • রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে; ডা. ফরিদ এমপি

    রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে; ডা. ফরিদ এমপি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
    রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করার আহŸান জানিয়ে যশোর-২ আসনের সংসদসদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ কর নেয়া হয়, যা তাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। সেই করের অর্থ দেশের উন্নয়নের জন্যই সরকার বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ প্রদান করেন। কিন্তু সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার ফলে উন্নয়ন প্রতিনিয়তই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বিপুল পরিমাণ অপচয় হয়। এই অবচয় রোধ করতে হবে।


    ৯ মার্চ সোমবার সকালে যশোরের চৌগাছা-পুড়াপাড়া রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
    তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বলতে আমরা সচরাচর যেটা বুঝি তা হলো সরকার কর্তৃক সরাসরি নিয়ন্ত্রিত এবং মালিকানাধীন সম্পদ। যেমন বিভিন্ন সরকারি অফিস, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রীজ, নদী, খাল, জলাশয়, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, কোর্ট-কাচারীসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং তাদের স্থাপনাসমূহ। প্রতিটি দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন ও যথাযথ ব্যবহারের ওপর। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কেননা এটি মানুষের কাছে আমানত স্বরূপ। প্রতিটি নাগরিকের এ আমানত রক্ষা করা উচিৎ।
    তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেশি অপচয় হয় দূনীতির কারনে। দুর্নীতি, সমাজ ও অর্থনীতির বড় অন্তরায়। দুর্নীতি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জড়িয়ে গিয়েছে। এই দুর্নীতি নির্মূল না করতে পারলে ভবিষ্যতে আরও খারাপ অবস্থা হতে পারে। এজন্য আমারা দূর্নীতি করবোনা কাউকে দূর্নীতি করতেও দেবেনা।
    কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সকলের উদ্দেশশ্যে বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করা বা নষ্ট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রাষ্ট্র যেমন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়, তেমনি নাগরিক হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রাষ্ট্রের সম্পদের সুরক্ষা করা। সরকারের একার পক্ষে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় সম্পদ ব্যবহারে প্রত্যেকের সচেতন হওয়ার আহŸান করেন তিনি।
    উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার বলেন, চৌগাছা-পুড়াপাড়া রোডের টেঙ্গরপুর মোড় থেকে কমলাপুর পর্যন্ত চার কিলোমিটার পিচ রাস্তা সংস্কার করতে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয় হবে।
    এছাড়া এ দিন তিনি হাসপাতালের মাসিক মিটিংসহ সরকারি ও দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
    এসকল অনুষ্ঠানে অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসান কবির রুমি, আদ্ব-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক, চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ, সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারি সেক্রেটারী মাষ্টার কামাল আহমেদ, রহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার সহ স্থানীয় সংবাদকর্মী ও গণ্যমান্যরা। 

     

  • ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির সরকারি নির্দেশনা

    ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির সরকারি নির্দেশনা

    ডেস্ক নিউজ

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে, তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য জ্বালানি তেলের ব্যবহার অপরিহার্য হলেও ব্যবহৃত তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে কখনও কখনও আমদানি কার্যক্রম বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তা ও ডিলারের মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    বিপিসি জানায়, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অনেক ডিলার ডিপো থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তেল উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কিছু ভোক্তা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।

    এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কন্টেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি বিক্রির সময় পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে নগদ স্মারক দিতে হবে এবং পুনরায় জ্বালানি নেওয়ার আগে আগের ক্রয়ের বিলের কপি জমা দিতে হবে। ডিলারদেরও নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে এবং ডিপোতে মজুদ ও বিক্রির তথ্য জমা দিতে হবে।

    বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে তেলের চালান দেশে আসছে। প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে সারা দেশের ডিপোগুলোতেও নিয়মিত জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত বাফার মজুদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সংস্থাটি আরো জানায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে জ্বালানি বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিপিসি।