ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • কুষ্টিয়ায় রেলসেতুর নিচে নারীর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

    কুষ্টিয়ায় রেলসেতুর নিচে নারীর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রেলসেতুর নিচ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। পুলিশ ও তাঁর স্বজনদের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (১নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন রেলসেতুর নিচ থেকে ৫২ বছর বয়সী ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    পরে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত নারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী ও সন্তান রয়েছে।

    জানা গেছে, এদিন ৬টার দিকে রেলসেতুর নিচে এক নারীর রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে ওই নারীর ছেলে এসে তাঁর লাশ শনাক্ত করে। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

    নিহত নারীর ছেলে বলেন, ‘মা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত শুক্রবার সকালে গোয়ালন্দ রেলস্টেশনে মাকে দেখা গিয়েছিল বলে জানা গেছে। এরপর সেখানে গিয়ে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে লাশের সন্ধান পেয়ে কুমারখালী এসে মাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে বলে পুলিশের সন্দেহ। সে জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

    কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করা নারীর মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি।’ সূত্রঃ দৈনিক আজকের পত্রিকা

    বিডি/ এআর/ নিইআর/

  • চৌগাছায় জিআই পণ্য খেজুরগুড় সংগ্রহে গাছ কাটা’র উদ্বোধন 

    চৌগাছায় জিআই পণ্য খেজুরগুড় সংগ্রহে গাছ কাটা’র উদ্বোধন 

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের জিআই পণ্য খেজুর গুড়ের রস সংগ্রহের জন্য গাছ কা’টার (গাছ তোলা ও চাচ দেয়া) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
    রোববার (২নভেম্বর) বেলা পৌনে ১২টায় চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুরে গাছ তোলা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আক্তার।
    এসময় এসিল্যান্ড প্রকৌশলী তাসমিন জাহান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা আনোযারুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা তাসলিমা জেবিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা মাহমুদা, সমবায় কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    হায়াতপুর গ্রামের গাছি আব্দুর রহমান গাজী গাছ তোলা ও চাচ দেয়া কাজ করেন। তার সাথে গাছি কামাল হোসেনসহ কয়েকজন গাছি ও স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
    ২০২২ সালে চৌগাছার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমান যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানার উদ্যোগে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণে খেজুরগুড়ের মেলা, গাছিদের প্রশিক্ষণ, গাছি সমাবেশ, গাছিদের সমবায় সমিতি গঠন, খেজুর গাছ রোপণ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একই বছর যশোরের বিখ্যাত খেজুর গুড়কে জিআই পণ্যের স্বীকৃতির আবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে খেজুরগুড়কে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেয় সরকার। সে বছর থেকে প্রতি বছর ১লা মাঘ থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে খাটি খেজুর গুড়ের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবারও মেলা যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে উপজেলা প্রশসন সূত্রে জানা গেছে।
    বিডিটাইমস/এআর/নিইআর/
  • শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

    মাগুরার শালিখায় গোপনে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বাজারে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামের মাংস বিক্রেতা হিরন বিশ্বাস রবিবার ভোর রাতে নিজ বাড়ির পিছনে চিত্রা নদীর তীরে নির্জন জায়গায় একটি ঘোড়া জবাই করেন। এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হিরণ বিশ্বাস পালিয়ে যায়। এ সময় তারা জবাইকৃত ঘোড়াটি পড়ে থাকতে দেখে হাজরাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংবাদ দেন।

    মাংস বিক্রেতা হিরণ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে এভাবে গরুর নাম করে বাজারে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে মানুষকে ঠকিয়ে আসছিলেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

    শালিখার হাজরাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি সুলতান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাইকৃত একটি ঘোড়া পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে পুলিশ পৌঁছবার আগেই বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি৷

  • ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর বাজার থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) উপকারভোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার রাতে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তারের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ চাল উদ্ধার করেন। কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবহান, সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মজনুর রহমান এবং উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিনোদপুর বাজারের তিনটি গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়।

    তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান বলেন, গত জুলাই মাসে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুকে ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে তিনি চালগুলো টিসিবির ডিলারদের কাছে সরবরাহ করেননি। তদন্ত কমিটির কাছে তিনি স্বীকার করেছেন যে, চালগুলো বিনোদপুর বাজারের একটি গুদামে সংরক্ষিত ছিল। তদন্ত প্রতিবেদন ইউএনও বরাবর জমা দেওয়ার পর, তার নির্দেশে ওই রাতেই তিনটি গুদামে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চাল বর্তমানে মহম্মদপুর ও বিনোদপুরের সরকারি গুদামে সংরক্ষিত রয়েছে। ইতোমধ্যে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে চাল পরীক্ষা করে নির্দেশনা দেবেন।

    উল্লেখ্য, ওএমএস ডিলারের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৭৭ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে, তদন্তে নামে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগ অনুসন্ধানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহানকে আহ্বায়ক এবং উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান ও আইসিটি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ইউএনও’র নির্দেশে চালগুলো জব্দ করা হয়।

     

  • ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে যোগদান

    ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে যোগদান

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    ঝিনাইদহে শৈলকুপায় ৮০টি হিন্দু পরিবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শৈলকুপার ভান্ডারীপাড়া গ্রামের মন্দিরে উপজেলা জামায়াতে আমির এ এস এম মতিউর রহমানের উপস্থিতিতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জামায়াতে যোগদান করেন তারা।

    একযোগে ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করায় জেলাব্যাপী মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ভান্ডারীপাড়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকাশ বলেন, আমি অনেক আগে থেকেই জামায়াতের মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের তিনটি সমাজের ৮০টি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগদান করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জামায়াতে ইসলামী আমাদের ধর্মের মানুষকেও সুরক্ষা করবে।

    তিনি আরও বলেন, তারা শুধু যোগদানই নয়, একই সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে।

    শৈলকুপা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এ এস এম মতিউর রহমান বলেন, এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকে দ্বিধাহীনভাবে আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখন নিরাপত্তা চায়। তাদের নিরাপত্তার জন্য জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। তাদের প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চাই।

  • হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় হাসের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মোস্তাক হোসেন (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    মৃত শিশু মোস্তাক হোসেন একই গ্রামের সাগর হোসেনের ছেলে।

    মৃতের স্বজনরা জানান, সকালে বাড়ির পাশে হাঁসের সঙ্গে খেলা করছিল শিশু মোস্তাক। এ সময় তার সঙ্গে সমবয়সী কয়েকজন প্রতিবেশী শিশু ছিল। অন্য শিশুরা খেলাধুলা করলেও মোস্তাককে তাদের সঙ্গে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির পাশে ডোবা থেকে শিশু মোস্তাককে উদ্ধার করে স্বজনরা। পরে তাকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    হরিনাকুন্ড থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

  • এক গরুতেই কোটিপতি

    এক গরুতেই কোটিপতি

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    ৩০ বছর ধরে গরু লালনপালনের নেশায় মগ্ন বিমল প্রামাণিক আজ একজন সফল খামারি। ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ছয়খাদা গ্রামের কৃষক বিমল প্রামাণিক প্রথমে একটি গরু পালন শুরু করেন, সেই থেকে আজকে কোটিপতি হয়েছেন।

    গরু ও দুধ বিক্রি করে আজ তিনি দুটি ফ্লাট বাড়ির মালিক, কিনেছেন ৬ বিঘা জমিও। প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, গরু পালনে এ খামারির কোনো বাড়তি খরচ না থাকায় আজ তিনি সফল। বর্তমানে বিমলের খামারে ছোট-বড় ৪৫টি গরু রয়েছে।

    সফলতা দেখে এলাকাতে তার মতো অনেকেই ছোট-বড় খামার গড়ে তুলেছেন।

    বিমল প্রামণিক জানান, “প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে গরুগুলো নিয়ে মাঠে ঘাস খাওয়াতে যাই। গরু লালনপালন করা আমার নেশা। যতদিন বেচেঁ আছি, ততদিনই গরু পালন করতে চাই।”

    স্থানীয় বাসিন্দা রইস উদ্দিন, রিনা খাতুন ও আফজাল হোসেন জানান, বিমল প্রামাণিক একটি গরু থেকে আজ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন। গরুর ওপর নির্ভর করে তার অনেক উন্নতি হয়েছে। গরু বিক্রি করেই বাড়ি, জমি কিনেছেন।

    বিমলের মেয়ে চন্দনা বিশ্বাস জানান, বাবা গরু বিক্রির টাকায় আমাকে বিয়ে দিয়েছেন। আর দুই ভাইকে বিদেশও পাঠিয়েছেন।

    আর বিমল প্রামাণিকের স্ত্রী পদ্মা রানী জানান, প্রতিদিন সকালে গরুর পালগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আমি রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেই। আর সারাটা দিন সে মাঠে গরুর ঘাস খাইয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি নিয়ে এলে খামারে রাখার সময় আমি সহযোগিতা করি। খামার থেকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কেজি দুধ পাওয়া যায়। সে দুধ ঘোষদের কাছে বিক্রি করি। গোবর সংগ্রহ করে সেটিও বিক্রি করি।

     জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার ব্যনার্জী জানান, গাভি গরু লালনপালন করে বিমল প্রামণিক তার জীবনটাকেই পাল্টে ফেলেছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ তার সার্বিক খোঁজখবর ও পরামর্শ দিয়ে থাকে।

     

  • ঝিনাইদহকে আধুনিক জেলা গড়তে সেমিনার

    ঝিনাইদহকে আধুনিক জেলা গড়তে সেমিনার

    বিডিনিউজ ডেস্ক

     

    ঝিনাইদহকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও সমৃদ্ধ জেলা গড়তে মাস্টার প্লান তৈরি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকালে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি এ সেমিনারের আয়োজন করেন।  সেসময় চিকিৎসক, শিক্ষক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সেমিনারে বক্তারা বলেন, ঝিনাইদহ জেলাতে প্রচুর সম্পদ থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার না হওয়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকছে। এই সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক সকলকে নজরদারি বাড়াতে হবে। তাহলে সন্তানের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে, তারা ঝিনাইাদহকে উন্নতির শিখরে পৌছে দিবে। এছাড়া হানাহানিও সম্পদের ক্ষতি করে, মানুষকে অর্থনৈতিক ও মুল্যবোধের দিক থেকে পিছিয়ে রাখে। আগামী দিনে হানাহানি প্রতিরোধে সচেতনতা ও মুল্যবোধ জাগ্রত করণের মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যাবো, ঝিনাইদহ জেলাকে দেশের উন্নয়নের মডেল হিসাবে রুপান্তরিত করবো।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির, সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা সভাপতি মুমতাজুল করীম,  ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা গণ অধিকারের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষানুরাগী সাবেক অধ্যক্ষ মোাহাব্বত হোসেন টিপু, ঝিনাইদহ জেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার, জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, এ্যাড. শামছুজ্জামান লাকিসহ অন্যান্যরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার ভাগাড়

    মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার ভাগাড়

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

     

    মহেশপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনেই মহেশপুর বাইপাস সড়কের পাশে কপোতাক্ষ নদের তীরে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। পৌরসভার ৯ ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন ট্রাকে করে এনে এই স্থানে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ফলে মহাসড়কের আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ, সৃষ্টি হয়েছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বাইপাস সড়কের পাশে রাস্তা ঘেঁষে জমে আছে নানান ধরনের বর্জ্য পচা সবজি, পলিথিন, নোংরা কাপড়, হাসপাতালের ফেলা আবর্জনাসহ নানা কিছু। এসব ময়লা থেকে নির্গত দুর্গন্ধে হাঁটাচলা করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী মানুষদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

    পথচারী আহসান হাবীব বলেন, এই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলে নাক মুখ চেপে ধরতে হয়। অনেক সময় বমি চলে আসে। একটু বাতাস হলেই দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    অটোরিকশা চালক আব্দুল্লাহর অভিযোগ, ময়লার ভাগাড়ে সারাদিন কুকুর, বিড়াল, কাকের ভিড় লেগে থাকে। ওরা ময়লা ছড়িয়ে দেয় রাস্তায়। রাতে চলাচলের সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টির সময় তো রাস্তা পুরো নোংরা পানিতে ভরে যায়।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে এই স্থানে বর্জ্য ফেলে আসছে। আগে এটি নদীর পাড়ের ফাঁকা জায়গা ছিল, এখন তা পুরোপুরি ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে। নোংরা পানি মিশে যাচ্ছে নদের পানিতেও, ফলে নদী দূষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    স্থানীয় স্কুলছাত্রী সাদিয়া আক্তার বলেন, আমরা এই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যাই। প্রতিদিনই নাক চেপে দৌঁড়ে পার হতে হয়। বৃষ্টি হলে অবস্থা আরও খারাপ হয়।

    পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনবসতির এত কাছাকাছি বর্জ্য ফেলা পরিবেশের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। এতে শুধু দুর্গন্ধই নয়, নানা রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হতে পারে।

    মহেশপুর পৌরসভা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, আমাদের পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এ কারণে আপাতত ওই স্থানে বর্জ্য রাখা হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে একটি স্থায়ী জায়গা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। খুব শিগগিরই বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে এই সমস্যা সমাধান করা হবে।

    স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের পাশে এই বর্জ্য ভাগাড় মহেশপুরের চেহারাকে নোংরা করে দিচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বর্জ্য অপসারণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • শ্রীপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৬,

    শ্রীপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৬,

    বিডিনিউজ ডেস্ক

    মাগুরার শ্রীপুরে সামাজিক আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। এ সময় অন্তত ৬ টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামের ইউপি সদস্য সোহেল আহম্মেদ বাবু এবং একই গ্রামের আনিচুর রহমান কনকের সাথে সামাজিক দল করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি সোহেল আহম্মেদ বাবু আনিচুর রহমান কনকের সাথে সামাজিক দল থেকে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে সোহেল আহম্মেদ বাবু গ্রুপের লোকজন মনিকুলের দোকানের সামনে আনিচুর রহমান কনক গ্রুপের আলিম শেখ (৩৫), মহসিন মোল্যা (৪৫) এবং সুজন মল্লিক (৪২) কে মারধর করে। এ সংবাদ জানাজানি হলে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে সোহেল আহম্মেদ বাবু গ্রুপের আলম (৪৫), নাবিল (২৫) এবং সজল মৃধা (৪৫) মারাত্মক আহত হয়। আহতরা বর্তমানে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ও শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ সময় বাবু গ্রুপের মনিরুল মৃধা, রবিউল মৃধাসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ৬ টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।