ক্যাটাগরি খবর

  • বাস ভাড়া বাড়ল প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা

    বাস ভাড়া বাড়ল প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়িয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নতুন এই ভাড়া আজ থেকেই কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে শ্রমিক মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    তিনি বলেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে দূরপাল্লার গাড়িতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আন্তঃজেলার প্রতি কিলোমিটারেও বাড়ানো হবে ১১ পয়সা।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের দূরপাল্লার রুটের জন্য সরকার নির্ধারিত বাসভাড়া কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৪২ পয়সা।’

    ভাড়া বাড়নোর সিদ্ধান্ত আজ থেকেই কার্যকর হবে জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, ডিজেল চালিত বাসের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এ সময় জ্বালানি তেলের দাম কমে গেলে বাস ভাড়া আবার কমবে বলেও জানান তিনি।

    বৈঠকে রেল ও নৌ পরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

    এর আগে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়।

    এর পরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে এর আগে ২০২২ সালে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।

  • জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে কমিটির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে কমিটির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের সমস্যার সমাধানের সুপারিশ করতে সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই মধ্যে তিনি জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে সভাপতি করে সরকারি দলের পাঁচ সদস্যের নামের কথা জানিয়েছেন। বিরোধী দলকে পাঁচ সদস্যের নাম দিতে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় কমিটি গঠনের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    গতকাল বুধবার জ্বালানি সংকট নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি দল এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সকলে আলোচনা করে একমত হয়েছিলাম বা একটি বিষয়ে আমরা উপনীত হয়েছিলাম এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, সারা বিশ্বেই এই সমস্যার তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা উনার বক্তব্যে বাংলাদেশের যে উদ্বেগ সেটি জানিয়েছেন এবং উনারা প্রস্তাব দিয়েছেন, উনাদের কাছে কিছু পরামর্শ আছে, সরকারি দল এবং বিরোধী দল একসঙ্গে সেই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে পারি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সব সময় দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো আলোচনা, যে কারও সঙ্গে করতে প্রস্তুত রয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, আমাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। আমি বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিরোধী দলকে অনুরোধ করব, উনারাও যদি পাঁচজনের নাম দেন, তাহলে এই ১০ জন ব্যক্তি বসে এই বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা করতে পারে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো পরামর্শ থাকলে এই কমিটির মাধ্যমে সেটি সরকারের কাছেও আসল এবং সেটার মধ্যে কোনো বাস্তবতা থাকলে অবশ্যই সেটি কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’

    কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকবেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। অন্য চার সদস্য হলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), মঈনুল ইসলাম খান এবং মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

    প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বলেন, ‘আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে অনুরোধ করব উনাদের পক্ষ থেকে নামগুলো যদি দ্রুত আমাদের কাছে দেন, তাহলে কমিটি দ্রুত কাজ শুরু করতে পারবে।’

    পরে বিরোধীদলীয় নেতাকে ফ্লোর দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। আমরা আশা করি, এই সংসদ জাতীয় সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে ইনশা আল্লাহ এবং আমরা মনে করি, এই সংসদের জন্য এটি একটি নবযাত্রা। এটাকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং আমরা শিগগিরই ইনশা আল্লাহ নাম প্রদান করব।’

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আশা করি অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিরোধী দলের নেতা পাঁচজন সদস্যের নাম দেবেন। কারণ, এই সংসদ (অধিবেশন) এ মাসের শেষেই শেষ হবে। আপনাদের এই বক্তব্যের ফলে জনগণের মনে অনেক আশা সঞ্চার হয়েছে। সরকার এবং বিরোধী দল এইভাবে যদি সহযোগিতার মাধ্যমে অগ্রসর হয়, তবে দেশের কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।’

    এআর/এমআর

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৭৭,২২৭— দ্রুতই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:  শিক্ষামন্ত্রী

    এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৭৭,২২৭— দ্রুতই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: শিক্ষামন্ত্রী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সারা দেশে বেসরকারি বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭ হাজার ২২৭টি শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, এসব শূন্য পদ পূরণে শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এমন তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

    মঈনুল ইসলাম খানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সারা দেশে ৭৭ হাজার ২২৭টি শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব শূন্য পূরণের জন্য বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। পর্যায়ক্রমে যোগ্য প্রার্থীদের মাধ্যমে পদসমূহ পূরণ করা হবে।’

    কুমিল্লা-৯ আসনের আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিরতার ফলে শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হলেও বর্তমান সরকার দেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও গুণগত মান পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    এছাড়াও বাগেরহাট-৪ আসনের আবদুল আলীমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আট হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে। এক হাজার ৯২৩টি বিএম কলেজ রয়েছে।

  • প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার নিয়োগ হচ্ছে

    প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার নিয়োগ হচ্ছে

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    দেশের ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ হাজার ৯৫০ জন আনসার সদস্য নিয়োগে সম্মতি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-১ অধিশাখার উপসচিব সুজিৎ দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ সম্মতিপত্রে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল্যবান চিকিৎসা যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের অ্যাটেনডেন্টসহ অযাচিত লোকজনের অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে তিন শিফটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করার লক্ষ্যে প্রতি উপজেলায় ১০ জন করে আনসার সদস্য নিয়োজিত করা প্রয়োজন।

    তদপ্রেক্ষিতে মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিতকরণের বিপরীতে তাদের বেতন, উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, রেশন, যাতায়াত, চিকিৎসা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বাবদ বাৎসরিক সম্ভাব্য মোট-১৫০ (একশত পঞ্চাশ) কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

    এমতাবস্থায়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিতকরণের বিষয়ে সম্মতি প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    এআর/এনআর

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো পাঁচজনের মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো পাঁচজনের মৃত্যু

    বিডি টাইমস ডেস্কঃ

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এ সময় নতুন করে আরো ১ হাজার ১৭০ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে দুজন ছাড়াও চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১২৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ১ হাজার ১৭০ শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৩৩৪ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৪ হাজার ৫৯ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৮ হাজার ৮৪৫ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৫ হাজার ৭২৮ জন শিশু।

    এআরি/এনআর

  • নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা মামলার ৩ এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা মামলার ৩ এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ আমার অহংকার’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, যৌতুকসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাব সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

    বাদীর দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মোছাঃ শিমু আক্তার (৩১)-এর সঙ্গে ১নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ রায়হান রিতু (৩০)-এর প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর থেকেই আসামি রায়হান রিতু যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। ভিকটিমের পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হওয়ায় নির্যাতনের মাত্রা ক্রমেই বৃদ্ধি পায়।

    এরই ধারাবাহিকতায়, গত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৮:০০ ঘটিকায় আসামির নিজ বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামিরা জোরপূর্বক ভিকটিমের মুখে বিষ প্রয়োগ করে এবং তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত ০৮:৪৫ ঘটিকায় ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন।

    ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১২)।

    মর্মান্তিক এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র‌্যাব-১৩ আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং অভিযান ত্বরান্বিত করে।

    এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর ০২:৩০ ঘটিকায় নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন ধলাগাছ মতির মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রায়হান রিতু (৩০), পিতা—মৃত মোর্শেদ; ৩নং আসামি মোঃ জসিম (৩২), পিতা—মোঃ সেলিম; এবং ৪নং আসামি মোঃ জিতু (৩৪), পিতা—মৃত মোর্শেদুল হক; সর্ব সাং—সৈয়দপুর, জেলা—নীলফামারী—এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, যৌতুক, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    এম কে

  • প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি

    প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে এবারে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিলেও প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি অবস্থা। মুকুল আসার সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় অনেক গাছের মুকুল ঝড়ে পড়েছে। যেগুলো আটকিয়েছিল তীব্র গরমের প্রভাবে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে অপরিণত লিচুর গুটি। এতে করে লিচু বাগান মালিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে। চাষিদের এ থেকে পরিত্রাণে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে দাবি স্থানীয় কৃষি বিভাগের।

    লিচুর জন্য বিখ্যাত জেলা দিনাজপুর জেলা শহরসহ পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলায় প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে লিচু উৎপাদিত হয় যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। বছরের শুরুতে হিলির বিভিন্ন লিচু বাগানে গাছে প্রচুর লিচুর মুকুল এসেছিল। এতে করে আশায় বুক বাঁধছিলেন লিচুচাষিরা। কিন্তু এ বছর লিচুর গাছে মুকুল আসার সময় হঠাৎ করে বৃষ্টির ফলে অনেক মুকুল ঝড়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ফলে বিভিন্ন লিচু বাগানে গাছ থেকে লিচুর গুটি ঝড়ে পড়ছে। চাষিরা সাধ্যমতো পানি সেচ ও ওষুধ স্প্রে করেও এই ঝরে পড়া রোধ করতে পারছেন না। আবহাওয়ার বিরূপ আচরণ বজায় থাকলে লিচুর কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন লিচুচাষিরা। ফলে এবারে লিচু চাষে লোকশান গুনতে হবে দাবি তাদের।

    জালালপুর গ্রামের লিচুচাষি আসলাম হোসেন বলেন, বাগানে এবারে লিচু গাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ মুকুল আসছিল। কিন্তু আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব মুকুল যেসময়ে গাছে আসছে ঠিক সেসময়ে হঠাৎ করে বৃষ্টির কারণে আমাদের গাছে বেশীরভাগ মুকুল ঝরে যায়। আর যেটুকু গাছে মুকুল টিকেছিল বর্তমানে গুটি পর্যায়ে আসছিল কিন্তু গত কয়েকদিনের গরমে গাছ থেকে সেসব লিচুর গুটি ঝরে পড়ছে। কীটনাশক পানি স্প্রে করেও কোনোভাবেই লিচুর গুটি রোধ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে আমাদের যে খরচ সেই টাকাই উঠবে না।

    শ্রমিক ইয়াকুব বলেন, আমি এই লিচু বাগান দেখাশুনা করি কীটনাশক স্প্রে পানি ছিটানো থেকে সবকিছু আমি করে থাকি। অন্যান্যবার যেভাবে গাছে লিচু ধরে সেই হিসেবে এবারে গাছে তেমন লিচু নেই। যার কারণে এবারে মহাজনের লিচু চাষ করে লোকশান গুনতে হচ্ছে। যখন মুকুল বের হবে সেসময়ে বৃষ্টির কারণে মুকুল কম হয়েছে। আবার এখন গাছে যেগুলো লিচুর গুটি হয়েছে কিন্তু কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমের কারণে সেই গুটি ছড়ে পড়ছে।

    এম কে

  • কাউনিয়ায় তিস্তার চরে মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলনে চাষীরা খুশি

    কাউনিয়ায় তিস্তার চরে মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলনে চাষীরা খুশি

    ডেস্ক নিউজঃ

    কাউনিয়ার তিস্তা নদীর বালুচরে এবার মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলন হয়েছে। তিস্তা চরের মিষ্টি কুমড়ার স্বাদ বেশি হওয়ায়  রাজধানী ঢাকার কাওরান বাজার দখল করেছে সেই সাথে খুলনা,যশোর,কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ,গাজীপুর সহ দেশের বিভিন্ন জেলায়  তিস্তা চরের মিষ্টি কুমড়া বাজারজাত করা হচ্ছে। খেতেই কুমড়ার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায়। প্রতিটি কুমড়া ওজন ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।
    সরজমিনে কাউনিয়া উপজেলার তিস্তার চর তালুক শাহাবাজ, চরগনাই, নিজপাড়া, চর ঢুষমারা,পাঞ্জরভাঙ্গা চরে গিয়ে দেখা যায়  সারি সারি কুমড়া খেতে লাল হলুদ  রঙ ধারন করে অপরুপ শোভা ছড়াচ্ছে। যে দিকে চোখ যায় শুধু মিষ্টি কুমড়ার খেত।

    নিজপাড়া  গ্রামের কুমড়া চাষী হাফিজুর রহমান জানান তিনি ১হেক্টর জমিতে ৬ শ’ কুমড়ার চারা রোপণ করে ছিলেন। ভালো ফলন ভাল দাম পেয়ে তিনি বেশ খুশি। খেতেই ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা ১২ টাকা কেজি দরে কুমড়া ক্রয় করে ট্রাক যোগে ঢাকার কাওরানবাজার নিয়ে যাচ্ছে।
    তালুক শাহবাজ গ্রামের কুমড়া চাষী মনিরুল ইসলাম বলেন তিনি দেড় একর জমিতে ব্যাংকক-০১ ব্লাকস্টোন জাতের কুমড়া চাষ করে আশাতীত ফলন পেয়েছে। দাম ও ফলন ভাল পেয়ে তিনিও বেশ খুশি।

    একই চরের কৃষক তুহিন মিয়া বলেন  বর্ষায় নদীর দু’কূল উপচিয়ে বন্যায় প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। একই সঙ্গে ভাঙনের মুখে পড়ে বিলীন হয় ফসলি জমি বসতভিটাসহ নানা প্রতিষ্ঠান স্থাপনা। বর্ষা বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয় তিস্তা নদী। তিস্তার ধু-ধু বালুচরে ফসল ফলানো বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হলেও পেটে দু’মুঠো ডাল ভাত জোগাতে আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বালুচরে কুমড়া চাষ করে থাকি । চরাঞ্চলের বালুতে মিষ্টি কুমড়ার চাষাবাদে খরচ কম এবং ফলন বেশি হওয়ায় এই ফসলে বেশি আগ্রহী ওঠেছেন চাষিরা।

    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১৭টি চরে  ১১৫ হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ হয়েছে।  উপজেলার নদীভাঙা ৪টি ইউনিয়নের ১৭ চরে  ২৭৬ জন প্রান্তিক চাষি  ১১৫ হেক্টর বালুচরের জমিতে  মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছে। ব্যাংকক-০১ ব্যাংকক-০২,ব্লাকস্টোন,

    বারি মিষ্টি কুমড়া,বেতব্রি,সবুজ বাংলা, পাথর কুচি,দেবগ্রী ,বদ্দবাটি,পাতায়া-০১,
    ওয়ান্তর গোল্ড, থাই কুমড়া, স্মল সুইট জাতের কুমড়া চাষ করা হয়েছে তিস্তার বালুচরে। ১ হেক্টর জমিতে কুমড়ার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ মেট্রিকটন,প্রতি ১ হেক্টর  জমিতে খরচ ধরা হয়েছে ১লাখ ৪০ হাজার টাকা,বিক্রি হবে ৪ লাখ  ৮ হাজার টাকা অর্থাৎ প্রতি ১ হেক্টর জমিতে কৃষকের লাভ হবে ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। চলতি মৌসুমে কাউনিয়ার তিস্তার চরের কুমড়া বিক্রি হবে প্রায় ৪ কোটি টাকা।

    অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসের   মধ্যে মিষ্টি কুমড়া রোপণ করে তা এপ্রিলের শেষে খেত থেকে তোলা শুরু হয়েছে। চাষিরা তাদের লাল হলুদ বর্ণ ধারণ করা পাকা মিষ্টি কুমড়া খেত থেকে  তুলে বিক্রির জন্য খেতের কোণায়, নদী পাড়ে স্তূপ করে রেখেছে। ফড়িয়া ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে এসে দরদাম করে ট্রাকযোগে তা নিয়ে যাচ্ছে।

    নিজপাড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন প্রনোদনার মাধ্যমে কৃষকদের সার,বীজ,সেক্সফেরোমেন ট্রাপ প্রদান করা হয় এবং নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ প্রদান করায় কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই  সাথে কুমড়ার বাজার মূল্য বেশি হওয়ায় তারা লাভবান হয়েছে।
    কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার  জানান, তিস্তার বালু চর এলাকায় মিষ্টি কুমড়া চাষে উপকরণ সহায়তা প্রদান শীর্ষকপ্রকল্পের আওতায় ২৭৬ জন চাষি ১১৫  হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ করেছে। তাদের প্রশিক্ষণ, বীজ, রাসায়নিক সার প্রদানসহ পোকামাকড় দমনে নানা উপকরণ সহায়তা করা হয়েছে। এ উপজেলায় দিন দিন কুমড়া চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কুমড়া চাষ  করে চাষীরা লাভবান হচ্ছে।

    এম কে

  • তিস্তার চরে শিলাবৃষ্টিতে মরিচ-পেঁয়াজসহ ফসলের ক্ষতি

    তিস্তার চরে শিলাবৃষ্টিতে মরিচ-পেঁয়াজসহ ফসলের ক্ষতি

    ডেস্ক নিউজঃ

    কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে মরিচসহ বিভিন্ন ফসলের বাম্পার ফলন হলেও শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র বলছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে চরাঞ্চলের ৫৬৩ জন কৃষকের প্রায় দুই কোটি টাকার ফসল বিনষ্ট হয়েছে। ফলে তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে এখন হতাশা কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে রয়েছে ভুট্টা, চিনা, শাকসবজি, মরিচ, পেঁয়াজ ও কালোজিরা। এর মধ্যে মরিচ ও পেঁয়াজ চাষিরাই সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতির পাশাপাশি বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

    উপজেলাটির ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের তিস্তা চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, মাইলের পর মাইল সবুজ ফসলের সমারোহ। বাদাম, চিনা, তিল, তিশি, পেঁয়াজ ও মরিচ ক্ষেতে ভরে আছে চরের বুক। তবে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র। উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৮১৫ হেক্টর জমিতে মরিচ ও পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অনেক কৃষক ভালো দাম পেয়েছিলেন।

    তবে অতিবৃষ্টির আশঙ্কায় একযোগে অপরিপক্ব মরিচ বাজারে তোলায় হঠাৎ দরপতন ঘটে।রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফন্নাহার সাথী বলেন, তিস্তার চরে মরিচসহ অন্যান্য ফসলের ফলন ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু ক্ষতি হলেও কৃষকরা তাদের পরিশ্রম দিয়ে তা পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছি।

    কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লহ আল মামুন বলেন, চলতি মৌসুমে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে ৮ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ৫১৭ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৯৬ হেক্টরের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৩ হাজার ২২ দশমিক ৮২ টন ফসল কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এম কে

  • ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

    ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক ফিলিং স্টেশন ম্যানেজারকে জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঘোড়াঘাট উপজেলার সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯-এর ৪০ ও ৪৫ ধারায় তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ রুবানা তানজিন।অভিযানে সহযোগিতা করেন ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের এসআই মোঃ নজরুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    জানা যায়, ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত ফুয়েল কার্ড ব্যতীত তেল বিক্রির কারণে বিশৃঙ্খলার অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন জানায়, অব্যবস্থাপনার কারণে এবং পাম্পের শৃঙ্খলা ফেরাতে আমরা ফুয়েল কার্ডের ব্যবস্থা করেছি। আজ ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল বিক্রির কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। পাম্প ম্যানেজার ফুয়েল কার্ড ছাড়া প্রায় ১৫’ শ থেকে ২ হাজার লিটার তেল বিক্রি করছে। ফলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে এই কারণে আমরা ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা্রেে আদায় করেছি।

    এম কে