ক্যাটাগরি খবর

  • > জাতীয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিল সরকার

    > জাতীয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিল সরকার

    সারা দেশে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    দেশের সকল জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দেওয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুল গঠন সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক স্বল্পতা এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগে বিলম্ব হওয়ার কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং গুণগত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/এডহক কমিটির অনুমোদনক্রমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠনের বিষয়ে নির্দেশক্রমে নিম্নরূপ নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

    উপজেলাভিত্তিক উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের দিয়ে একটি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক (সকল)-কে অনুরোধ করা হলো।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও’র পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/এডহক কমিটি’র অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনের নিরীখে সাময়িকভাবে পুল হতে শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

    প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে এ সংক্রান্ত সম্মানী ব্যয় নির্বাহ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকাকে অনুরোধ করা হলো।

    এদিকে স্কুল, কলেজ, মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    আজ রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটা কমিশন করা যেতে পারে। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা যায়, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার আরো উন্নতি হবে। বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি প্রক্রিয়াধীন। তবে করতে পারলে খুবই ভালো হবে। আমরা চেষ্টা করছি।

  • ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

    ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।   এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের দাবি, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ করে রাখা ইরানের অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এমন সিদ্ধান্তকে ‘সমঝোতায় পৌঁছানোর আন্তরিকতার লক্ষণ’ হিসেবে দেখছে তেহরান। খবর রয়টার্স

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    তিনি আরও জানান, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় হরমুজ প্রণালি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে এবং এই পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    তবে কত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সে বিষয়ে প্রথম সূত্রটি নির্দিষ্ট কিছু জানায়নি। তবে আরেকটি ইরানি সূত্র দাবি করেছে, কাতারে রাখা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের ইরানি তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।

    এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

    আট বছর ধরে জব্দ অর্থ

    উল্লেখিত ৬ বিলিয়ন ডলার ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়ার কথা ছিল। তবে ওই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামলার পর হামাসের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন আবারও এই অর্থ স্থগিত করে।

    সে সময় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরান এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে সম্পূর্ণভাবে তা আটকে রাখার অধিকার ওয়াশিংটনের রয়েছে।

    এই অর্থের উৎস মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়, যা দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে আটকে ছিল। ২০১৮ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে এই অর্থ জব্দ হয়ে যায় এবং তেহরানের সঙ্গে বিশ্ব শক্তিগুলোর পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করা হয়।

    বন্দি বিনিময় ও শর্তযুক্ত ব্যবহার

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দোহা’র মধ্যস্থতায় হওয়া বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়। ওই চুক্তিতে ইরানে আটক পাঁচ মার্কিন নাগরিক মুক্তির বিনিময়ে অর্থ ছাড় এবং যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচ ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয়।

    তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ শুধুমাত্র মানবিক খাতে—খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্যের জন্য ব্যবহার করা যাবে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যয় করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদের আলোচনায় এই অর্থ ছাড়ার বিষয়টি যদি চূড়ান্ত হয়, তবে তা হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা কমাতে এবং বৃহত্তর সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে।

    বি /এ

  • যেভাবে নিরর্বাচিত হয় সংরক্ষিত নারী আসনে

    যেভাবে নিরর্বাচিত হয় সংরক্ষিত নারী আসনে

    ডেস্ক নিউজ:

    বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের ভোট অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত হয় ভোটের কয়েক দিন আগে। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে নারী প্রার্থী ছিলেন ৮৬ জন।

    এর মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র সাত জন, যার ছয়জনই বিএনপির এবং একজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।

    বাংলাদেশের সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরাই এগিয়ে থাকেন আর এর বিপরীতে নির্বাচিত হতেন; কখনো কখনো বিরোধী দলের নারী প্রার্থীরা কয়েকটা আসনে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন ৩০০ আসনের মধ্যে আসনভিত্তিক আনুপাতিক হারে।

    জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন আইন ২০০৪ অনুসারে, অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দলের ছয় জন যদি নির্বাচিত সাংসদ হন, তাহলে ওই দল থেকে একজন প্রার্থী সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ হবেন।

    তখন ওই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে ওই বিশেষ রাজনৈতিক দল থেকে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন এবং সেই দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে পারবেন ওই প্রার্থী। এই নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করে থাকে নির্বাচন কমিশন। ভোটের জন্য একটি দিনও নির্ধারিত রাখা হয়।

    বিগত কয়েকটি নির্বাচনে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলেও দলগুলো আসন সংখ্যা অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে থাকে। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার দিনই তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হতো।

    এবার কোন দল কতটি আসন পাবে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। দলটি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পায়। এর বাইরে বিএনপি জোটের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদ একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি একটি আসনে জয় পায়।

    সেই হিসাবে বিএনপি জোট এই ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। আইন অনুযায়ী আসনসংখ্যার ভিত্তিতে মহিলা আসন বণ্টন হবে এবারও।

    প্রতি ছয়টি আসনের জন্য একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত থাকায় অন্তত ৩৫টি সংরক্ষিত আসন পাবে বিএনপি জোট। বাকি তিনটি আসনের ভোট ও ফলাফল চূড়ান্ত হলে বাড়তি আরো একটি আসন পেতে পারে।

    এর বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীও জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। দলটি এককভাবে ৬৮টি আসন, এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস পেয়েছে একটি আসন।

    সেই হিসাবে জামায়াতে ইসলামী জোট ৭৭টি আসনের বিপরীতে ১২ থেকে ১৩টি আসন পেতে পারে বলে জানাচ্ছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।

    এই নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয় পেয়েছে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একত্রে জোটবদ্ধ হলে তারা অন্তত একটি আসন পেতে পারেন।

    যেভাবে সংরক্ষিত আসন চালু

    এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৩টি জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সংসদে নারী আসনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এবং ৮৬ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদে ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল। তবে ১৯৮৮-৯০ মেয়াদে চতুর্থ সংসদে সংরক্ষিত আসন ছিল না।

    ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ওই সংসদেও ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল।

    ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপির একতরফা ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল। ওই নির্বাচনটি বাতিল হলে ওই বছরের জুন মাসে সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখনও ৩০টি আসন সংরক্ষিত ছিল নারীদের জন্য।

    অষ্টম জাতীয় নির্বাচনে সরক্ষিত নারী আসন বাড়িয়ে ৪৫টি করা হয়। পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদে নারী আসন বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়।

    ধাপে ধাপে জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানো হলেও এই নির্বাচন পরোক্ষভাবে হওয়ায় নারী ক্ষমতায়ণ কতখানি নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংরক্ষিত আসনে নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলেই প্রকৃতভাবে নারীর ক্ষমতায়ণ নিশ্চিত করা সম্ভব। না হলে এই নারী আসন শুধু অলংকারিকভাবেই ক্ষমতায়িত হবে।

    যেভাবে বন্টন হয় সংরক্ষিত আসন

    আসনবণ্টন বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের জন্য কোনও নির্ধারিত নির্বাচনি এলাকা নেই। তারা কেবল দলীয় বা জোটের সদস্য হিসেবে পরিচিত হবে। এক্ষেত্রে দল বা জোটের প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে মহিলা আসন বণ্টিত হবে। নির্বাচনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জোটবদ্ধ হয়ে তাদের অংশ হিসেবে মহিলা আসন বন্টনের সুবিধা নিতে পারবে।

    বর্তমানে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৫০। এই ৫০ সংখ্যাকে ৩০০ (দেশের নির্বাচনি এলাকা) দিয়ে ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যাবে সেটাকে কোনও দল বা জোটের যে সংখ্যক সদস্য শপথ নিয়েছেন তা দিয়ে গুণ করলে যে ফল পাওয়া যাবে, সেই সংখ্যক মহিলা সদস্য হবে ওই দল বা জোটের। গুণফল ভগ্নাংশ হলে সেক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৫ (০.৫) বা তার থেকে বেশি সংখ্যকের জন্য একটি আসন পাওয়া যাবে। অর্থ্যাৎ ০.৫ এর বেশি হলে এক এবং কম হলে শূণ্য গণনা হবে। অবশ্য এক্ষেত্রে বণ্টিত আসন সংখ্যা মোট আসনের (৫০) থেকে বেড়ে গেলে ভগ্নাংশের হিসাবে হেরফের হতে পারে। আইনে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লটারির বিধানও রয়েছে।

    উহাদরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, এবার জামায়াতে ইসলামী সংসদে ৬৮টি আসন পেয়েছে। এই হিসাবে এ দলটির ১১টি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পাওয়ার কথা। [৫০÷৩০০ = ০.১৬৬৭। এরপর ২২x০.১৬৬৭= ১১.৩৩৬] এখানে .৩৩৬ এর জন্য শূণ্য গণনা হবে।

  • যেসব বিষয় প্রাধান্য পাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায়

    যেসব বিষয় প্রাধান্য পাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায়

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

    পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

    উভয় পক্ষ যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো।

    তেহরান জোর দিয়ে বলছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।

    ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চ মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। তেহরান জোর দিয়ে বলছে যে এটি এর অংশ।

    ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানের সম্পদ থেকে অবরোধ তুলে নেয় এবং বছরের পর বছর ধরে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞার উল্লেখযোগ্য শিথিলতার বিষয়ে আগ্রহী, তবে তা কেবল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিনিময়েই।

    ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তার কর্তৃত্বের স্বীকৃতি চায়, যেখানে তারা ট্রানজিট ফি আদায় এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায়, এই প্রণালি তেলের ট্যাংকার এবং অন্যান্য জাহাজের জন্য কোনো রকম সীমাবদ্ধতা ছাড়াই খুলে দেওয়া হোক, যার মধ্যে জাহাজ চলাচলের ওপর টোলও অন্তর্ভুক্ত।

    ছয় সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের সময়ে হওয়া সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ দাবি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

    ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হোক। তেহরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

    ইরান চায় এই অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনীর প্রত্যাহার, সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি এবং অনাক্রমণনীতির প্রতি অঙ্গীকার। ট্রাম্প একটি শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, ইরান শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে লড়াই ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হবে।

    বি/এ

  • খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    বিডি ডেস্ক নিউজ:

    খুলনার রূপসা উপজেলায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করলেও তাকে ছিনিয়ে নিতে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। নিহত নারী মিম্মি বেগম (৪৪) খান মোহাম্মাদপুর গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে নাদিম ইসলামকে পুলিশ আটক করেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পারিবারিক কলহের জেরে নাদিম ইসলামের সঙ্গে তার মা মিম্মি বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাদিম বাড়ির পাশে থাকা গাছের একটি ডাল ভেঙে মায়ের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মিম্মি বেগম ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার আগেই তার মৃত্যু হয়।

    রূপসা উপজেলার আইচগাতি ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত নাদিম ইসলামকে আটক করা হয়। তবে তাকে ক্যাম্পে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় কিছু লোকজন বাধা দেয় এবং একপর্যায়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা জানান, নাদিম কিছুদিন ধরে অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • প্রাণ গেল দুই কর্মচারীর

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে প্রাইভেট কারে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার জয়কলস এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন দোয়ারাবাজার উপজেলার সাউদেরগাঁও আমবাড়ি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে ছমিরুল হক জুয়েল (৩৮) ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হাছননগর এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ছব্দর আলী (৩৭)। তাঁরা সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জারিকারক পদে কর্মরত ছিলেন। সরকারি ডাকপত্র নিয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক জুয়েল ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর সঙ্গে থাকা ছব্দর আলী গুরুতর আহত হন। আহত ব্যক্তিকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু সিলেটে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেন, একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন, অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেটে পাঠানো হলে তিনিও পথিমধ্যে মারা যান।

    জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

    সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান বলেন, নিহত দুজনই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জারিকারক পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁরা সরকারি ডাকপত্র নিয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। পরিবারের লোকদের খবর পাঠানো হয়েছে।

  • ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    ডেস্ক নিউজ:

    খুলনা-৫ আসনের ফুলতলায় এক জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরটিতে আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মশিয়ালী গ্রামের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা শোকর আকুঞ্জির বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। সকলে মিলে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে শোকর আকুঞ্জির একটি কাঠের জ্বালানি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

    খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ হাসান মাহামুদ টিটো বলেন, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকার দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তারাই মূলত এই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল খুলনা-৫ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার  ঘটনাস্থলে যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খানজাহান আলী থানার এসআই রুবেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন

    শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন

    বিডি ডেস্ক নিউজ:
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ আসনে (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ চলাকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

     শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। এর আগে, শেরপুর-৩ আসনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। আর তফসিল ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হয়েছিল।
  • ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, জরুরি সেবা বন্ধ

    ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, জরুরি সেবা বন্ধ

     

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর জেরে নিরাপত্তার কারণে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা উত্তেজনা ছড়িয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    এই ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকরা জানান, বিকেলে ঢাবির এক শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে জরুরি বিভাগে আসেন। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে দেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ সরকারিভাবে হাসপাতালে সরবারাহ না থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে তা বাইরে থেকে কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    এর কিছুক্ষণ পর ওই শিক্ষার্থী তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু করেন। তাদের অভিযোগ ছিল, চিকিৎসকের লিখে দেওয়া ওষুধ বাইরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দফায় দফায় ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দেন এবং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ করে দেন।

  • শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল ও ছাউনি ভেঙে ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার পথচারী, যাত্রীসহ স্থানীয় সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন পাথারিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আঙ্গুর মিয়া।

    অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন,পাথারিয়া এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল মমিন তার বাড়ির সামনের পূর্বদিকে বড় মার্কেটে যাতায়াতের রাস্তার জন্য পাথারিয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার পথচারী ও শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল যাত্রী ছাউনি গত ডিসেম্বর থেকে দখলে নিয়েছেন। ছাউনি দখলের পর পর্যায়ক্রমে ছাউনি  ভেঙে তার ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী ও যাত্রীরা। এই ঘটনায় পাথারিয়া বাজারের অনেকেই বাধা আপত্তি দিলেও তার তোয়াক্কা করেননি আব্দুল মমিন। ফলে রোদ-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়া এবং গাড়ীতে উঠার জন্য অপেক্ষা করা যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের বসার জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন পথচারী, যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা।

    এই অবস্থায় ঘটনাস্থল সরজমিন পরিদর্শন করে যাত্রী ছাউনি পুনরুদ্ধার করে সেটি জনগণের জন্য পুনরায় স্থাপনের অনুরোধ জানান অভিযোগকারী আঙ্গুর মিয়া।

    স্থানীয় পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য নুর মিয়া বলেন, ‘পাথারিয়া বাসস্ট্যান্ডে সরকারী যাত্রী ছাউনি ছিল। সেখানে এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী, দুরপথের যাত্রী বসে সেখানে বসতেন। কিন্তু মমিন মিয়া সেটি দখল করে ভেঙ্গে শেষ করে দিয়েছেন।

    গাজীনগর গ্রামের জিয়াউদ্দিন তুহিন বলেন, ‘পাথারিয়া বাজারের একমাত্র যাত্রী ছাউনি বাজারের যাত্রী, পথচারী ও সুরমা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখলমুক্ত করে পুনরায় নির্মান করা জরুরী।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল মমিন। তিনি বলেন, ‘যাত্রী ছাউনি ভাঙার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যাত্রী ছাউনি সরকারীভাবে স্থাপন করা হলেও জায়গাটি আমার নিজের। কে বা কারা ছাউনিটি ভেঙেছে তা আমি জানি না। দীর্ঘদিন ধরে এটি পরিত্যক্ত ছিল।’

    এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ/আর