ক্যাটাগরি খবর

  • রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।নওগাঁর রাণীনগরে চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ওই মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে (৪০) গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতার আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।

    মামলার বরাত দিয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

    পরে ওই শিশু বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনদের বিষয়টি জানায়। এছাড়া শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে শিশুর পরিবারের লোকজন থানায় এসে আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, গ্রেফতার রাজ্জাককে শুক্রবার (৮ মে) আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    এ, আর
  • চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)

    যশোরেরচৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। যশোরের চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

    জানা যায়, ২০০৪ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চৌগাছা শহরকে পৌরসভায় উন্নিত করা হয়। নতুন হলেও খুব দ্রুত পৌরসভার সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ২০২২ সালের পর থেকে এ শহরের সড়কসহ সকল উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়ে। পরে অন্তবর্তী সরকারের সময় ও পৌরসভার সকল উন্নয়ন কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান সরকারের মেয়াদ কয়েক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত পৌরসভার উন্নয়ন কাজে কোনো গতি আসেনি।

    চৌগাছা পৌরসভায় মূলত চারটি বড় ও ব্যস্ত সড়ক রয়েছে। এ সড়ক গুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এগুলো হলো চৌগাছা কোটচাঁদপুর সড়ক, চৌগাছা মহেশপুর সড়ক, চৌগাছা শার্শা সড়ক ও চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়ক। এ সব সড়কের পৌরসভার বাইরের অংশটুকু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সংস্কার করলেও পৌরসভার অংশটুকু চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন আর প্রতিদিন ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

    পৌরবাসী সড়ক সংস্কারের দাবি নিয়ে পৌরকর্তৃপক্ষের নিকট বার বার ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ চারটি সড়ক ছাড়াও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সড়ক, বেড়বাড়ি পাঁচনামনা সড়ক, বাকপাড়া সড়ক, বিশ্বাসপাড়া সড়ক, কারিগর পাড়া সড়কসহ পৌর এলাকার প্রায় ৯৫ শতাংশ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক।

    পৌর শহরের বাসিন্দা পাশাপোল কলেজের ইংরেজী প্রভাষক আজিজুর রহমান বলেন, ‘পৌর শহরের রাস্তাঘাটের এই বেহাল অবস্থার কারণে পৌরবাসীর চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ছোট-বড় গর্তের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা।’

    স্থানীয় সাংবাদিক এম এ মান্নান বলেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে অনেক রিপোর্ট করা হয়েছে, যেখানে পৌরবাসীর ক্ষোভ ও অসুবিধার কথা তুলে ধরা হয়েছে।’

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, ‘পৌরসভার রাস্তাগুলো নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। কি কারণে এসব রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়। আমার বাসায় যাওয়ার রাস্তাটাও একেবারে ভেঙেচুরে গেছে।

    উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, ‘পৌরসভার সড়কগুলো চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে গেছে। আমাদের দাবি অতি দ্রুত সড়কগুলো মেরামত করা হোক।’

    পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলো

    কোন সময়ই এত খারাপ ছিল না বর্তমানে পৌরবাসী চলাচলে চরম সমস্যার মধ্যে আছে। রাস্তাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার হওয়া দরকার।’

    সাবেক প্যানেল মেয়র মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভায় এখন নির্বাচিত মেয়র না থাকায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। যেকারণে রাস্তাঘাটসহ কোনো সেক্টরই ঠিকঠাকমতো চলছে না।’

    তিনি অতিদ্রুত সড়কগুলো সংস্কারের দাবি জানান।

    এ ব্যাপারে চৌগাছা পৌরসভার প্রকৌশলী রুহুল আমিন জানান, পৌর প্রশাসক মহোদয় দীর্ঘদিন যাবত না থাকায় আমরা কোনো কাজ করতে পারছি না। সম্প্রতি প্রশাসক যোগদান করেছেন এবার রাস্তাগুলো সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    চৌগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার নয়া প্রশাসক জি এম এ মুনীব বলেন, ‘আমি সবেমাত্র এ উপজেলায় যোগদান করেছি। আশা করছি পর্যায়ক্রমে অতিদ্রুত পৌর শহরের সড়কসহ সকল উন্নয় কাজ শুরু করা হবে।’

    সকল উন্নয়ন কাজে পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

    এ, আর

  • মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা :

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে মেহেরপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তজুড়ে জোরদার করা হয়েছে টহল কার্যক্রম।

    চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান মুঠোফোনে জানান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেহেরপুর সীমান্তে আমাদের টহল জোরদার করেছি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের সন্দেহজনক চলাচল দ্রুত শনাক্ত করা যায়। এছাড়া সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন বিওপি (বর্ডার আউট পোস্ট) থেকে দিন-রাত নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান কিংবা সহিংসতার আশঙ্কা এড়াতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
    সূত্রে জানা গেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
    উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলায় মোট ৬৫ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবির বিওপি ক্যাম্প রয়েছে ১৮ টি।

    এমকে

  • চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর শহরে রাস্তার দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ারের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

    অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে রাস্তার পাশে স্থাপিত অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে দেয়া হয় এবং দখলদারদের সতর্ক করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ ফারুক উদ্দিন চৌধুরী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত মিয়া প্রমুখ।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার বলেন, ‘আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারি আইন অমান্য করে কেউ সরকারি জায়গা দখল করলে পরবর্তীতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

    এ,আর

  • পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

    পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন। তিনি ফিতা কেটে ও ধান-চাল মাপার মাধ্যমে এই সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৪০০ কৃষকের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে এক হাজার ২০০ টন ধান এবং উপজেলার একটি অটোরাইসমিলসহ নয়টি হাসকিং মিল থেকে ৪৯ টাকা কেজি দরে দুই হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেসমিন আক্তার জানান, বর্তমানে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সারাদেশের ন্যায় এ উপজেলায় অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে মানসম্মত ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ধান এবং চাল সংগ্রহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিনে তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘এ বছর মৌসুমের শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে সারাদেশের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং হাওর এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।’ দলীয় নেতাকর্মীদেরকে কৃষকদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ,আর

  • নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ ও দুই যুবক আটকের ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের সঙ্গে (এসআই) চোরাকারবারির ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষির দুটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার পর অডিও দুটি ফাঁস হয়। পরে রাতেই অভিযুক্ত এসআই মো. আবু হানিফকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছড়িয়ে পড়া অডিও আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি পিকআপ থেকে ১৮ বস্তা বডি স্প্রে, শ্যাম্পু, অলিভ অয়েলসহ বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করে। এ সময় পিকআপের চালক নাজিরপুরের শিংপুর এলাকার মো. নাছিম (২৩) ও তাঁর সহকারী সেইচাহানি গ্রামের মনির হোসেনকে (২১) আটক করা হয়। পরে ওই দুই যুবক ও মূল হোতা উপজেলার রাজনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনসহ (৩৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফ ও চোরাকারবারি জসিম উদ্দিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি পুলিশ সুপার স্যার দেখছেন। এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। চোরাই পণ্যের মালিক জসিম মিয়াকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ এসব ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন ওসি।

    এআর/এনআর

  • যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের সদস্যরা।

    ঠিকানা বিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা এসব শিশু খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা জানান, এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে শিশুরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

    পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরো ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান।

    এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।

    এ,আর

  • সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    গাইডলাইন অনুযায়ী, সরকারি জমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ‘কন্ট্র্যাক্টিং অথরিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, জমির মালিক সংস্থা হিসেবে থাকবে বেজা। চট্টগ্রামের মীরসরাই ও ফেনী অঞ্চলে গড়ে ওঠা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এ লক্ষ্যে বেজা ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বেজার নির্বাহী বোর্ডের সচিব ও সরকারের যুগ্ম সচিব ড. জুলিয়া মঈন এবং বিপিডিবির সচিব আফরোজা সুলতানা।

    বেজা বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে বেজার মালিকানাধীন প্রায় ৪১২ একর জমিতে এই বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সরকারি অব্যবহৃত জমিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটিকে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ‘গাইডলাইনস ফর ডেভেলপমেন্ট অব রিনিউএবল এনার্জি প্রজেক্টস ইউজিং ল্যান্ড ওনড বাই গভর্নমেন্ট এজেন্সিজ আন্ডার পিপিপি মডালিটি, ২০২৬’-এর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। গত ৭ এপ্রিল নতুন এ গাইডলাইন অনুমোদন দেয় সরকার।

    এর আগে, ২০২৫ সালের ৬ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। পরে চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ফেনীর সোনাগাজীতে বেজার জমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্পটিকে নতুন গাইডলাইনের আওতায় একটি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    গাইডলাইন অনুযায়ী, সরকারি জমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ‘কন্ট্র্যাক্টিং অথরিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, জমির মালিক সংস্থা হিসেবে থাকবে বেজা।

    বেজার মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। একইসাথে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সরকারি জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

    সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, প্রকল্পটির সম্ভাবনা, বিনিয়োগ আগ্রহ ও অংশীদারত্বের সুযোগ নিয়ে দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে শিগগিরই একটি ‘মার্কেট সাউন্ডিং’ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এ প্রকল্পে ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমসহ আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বেজা, বিপিডিবি ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    এ,আর
  • ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো ইমি জামিনে মুক্ত

    ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো ইমি জামিনে মুক্ত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে কারাগারে যাওয়ার ৬০ দিন পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি এবং পরবর্তীতে ঢাকসুর ভিপি প্রার্থী তাসনিম আফরোজ ইমি।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকাল ৩টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটক থেকে তিনি বের হন। এর আগে জেল গেটে তার বাবা-মা ও শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে নিতে অপেক্ষায় ছিলেন।

    ইমি জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় তিনি জামিন পান। আইনি জটিলতার কারণে সাতদিন পর মুক্ত হন তিনি।

    চলতি বছরের ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইমিসহ কয়েকজন। রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ ঢাবি শিক্ষার্থীদের একটি দল তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী রিকশাসহ ইমি ও আরেকজনকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে। পরদিন রোববার আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

    এআর/এনআর
  • শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক ভিডিও বার্তায় তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

    হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমরা সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সরকার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি আমরা যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করি, সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি সংকটের কারণে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা দেয় সরকার। এরপর ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ৫ এপ্রিল থেকে এক ঘণ্টা বাড়িয়ে দোকান বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।

    এআর/এনআর