ক্যাটাগরি খবর

  • গজারিয়া বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ নেতাকর্মীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

    গজারিয়া বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ নেতাকর্মীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় তৃণমূল নেতাদের মতামত উপেক্ষা এবং জনপ্রিয় নেতাদের বহিষ্কারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ জন নেতাকর্মী।

    গত শুক্রবার উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের রসূলপুর খেয়াঘাটসংলগ্ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান শফিক। তিনি বলেন, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের (সদর, শহর, গজারিয়া ও মীরকাদিম পৌরসভা) ৭৮ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে ৭৪ জনই মহিউদ্দিন আহমেদকে সমর্থন প্রদান করেন; কিন্তু তৃণমূল নেতাদের সেই মতামত উপেক্ষা করে অন্য একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    তিনি আরও বলেন, এর পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির একজন গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মজিবুর রহমানসহ ১৩ জন নেতাকে বহিষ্কার করার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমরা স্বেচ্ছায় বিএনপির সব পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এই মুহূর্ত থেকেই আমাদের পদত্যাগ কার্যকর হলো।

    সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী অন্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

  • পলাশ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখলেন ২১ ডাক্তারেরর ৮জন উপস্থিত

    পলাশ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখলেন ২১ ডাক্তারেরর ৮জন উপস্থিত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    নরসিংদীর পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ডাক্তারদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে হঠাৎ এ পরিদর্শন করেন তিনি।

    শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটায় পলাশ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে কর্তব্যরত ২১ ডাক্তারের মধ্যে ৫ জন ছুটিতে ছিলেন। বাকি ১৬ জনের মধ্যে ৮ জনের উপস্থিতি দেখতে পান। এর মধ্যে ২ ডাক্তার আবার দেরি করে আসেন। পরে তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, রোগীদের ওয়ার্ড, ডাক্তারদের চেম্বারগুলো পরিদর্শনসহ সার্বিক সেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৫ মার্চ সংবাদ মাধ্যমে একটি প্রতিবেদন দেখতে পাই। সেখানে উল্লেখ ছিল, ‘হাসপাতালে ডাক্তাররা সময়মতো উপস্থিত নন, এর পরতীতে ডাক্তাররা স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন, ডাক্তাররা উপরে ছিলেন, আর সংবাদকর্মীরা নিচে ছিলেন।’ সংবাদটি প্রকাশের পর ঘটনার সত্যতা যাচাই করতেই আজকের এই আকস্মিক পরিদর্শন।

    তিনি বলেন, এখানে এসে আমি নিজেই হতাশ। যেখানে মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে একটি রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর আমি ভাবছিলাম সব ডাক্তার যার যার কর্মস্থলে সঠিক সময়ে উপস্থিত থাকবেন, কিন্তু পরিদর্শনে এসে সেটা পাইনি। এ হাসপাতালে মোট ২৭টি পোস্ট রয়েছে, কর্মরত পোস্টে ডাক্তার আছেন ২১ জন, তার মধ্যে আমরা উপস্থিত পেয়েছি মাত্র ৮ জন ডাক্তার। কিন্তু এ ৮ জনের মধ্যেও ২ জন নির্ধারিত সময়ের পর আসেন। এছাড়া ৫ জন ডাক্তার ছুটিতে রয়েছেন।

    মন্ত্রী বলেন, ডাক্তাররা মানবিক কাজ করেন। আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই, তা ডাক্তারদের মাধ্যমেই পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু তারাই সময়মতো উপস্থিত হননি। যারা উপস্থিত হননি তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা নগদ টাকা দিয়ে রেবিক্স টিকা কিনছি। প্রতি উপজেলায় টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দেশে রেবিক্স টিকার আর সমস্যা হবে না।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন— পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ, পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কুতুবুল আলম প্রমুখ।

  • রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে; ডা. ফরিদ এমপি

    রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে; ডা. ফরিদ এমপি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
    রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করার আহŸান জানিয়ে যশোর-২ আসনের সংসদসদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ কর নেয়া হয়, যা তাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। সেই করের অর্থ দেশের উন্নয়নের জন্যই সরকার বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ প্রদান করেন। কিন্তু সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার ফলে উন্নয়ন প্রতিনিয়তই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বিপুল পরিমাণ অপচয় হয়। এই অবচয় রোধ করতে হবে।


    ৯ মার্চ সোমবার সকালে যশোরের চৌগাছা-পুড়াপাড়া রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
    তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বলতে আমরা সচরাচর যেটা বুঝি তা হলো সরকার কর্তৃক সরাসরি নিয়ন্ত্রিত এবং মালিকানাধীন সম্পদ। যেমন বিভিন্ন সরকারি অফিস, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রীজ, নদী, খাল, জলাশয়, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, কোর্ট-কাচারীসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং তাদের স্থাপনাসমূহ। প্রতিটি দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন ও যথাযথ ব্যবহারের ওপর। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কেননা এটি মানুষের কাছে আমানত স্বরূপ। প্রতিটি নাগরিকের এ আমানত রক্ষা করা উচিৎ।
    তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেশি অপচয় হয় দূনীতির কারনে। দুর্নীতি, সমাজ ও অর্থনীতির বড় অন্তরায়। দুর্নীতি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জড়িয়ে গিয়েছে। এই দুর্নীতি নির্মূল না করতে পারলে ভবিষ্যতে আরও খারাপ অবস্থা হতে পারে। এজন্য আমারা দূর্নীতি করবোনা কাউকে দূর্নীতি করতেও দেবেনা।
    কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সকলের উদ্দেশশ্যে বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করা বা নষ্ট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রাষ্ট্র যেমন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়, তেমনি নাগরিক হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রাষ্ট্রের সম্পদের সুরক্ষা করা। সরকারের একার পক্ষে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় সম্পদ ব্যবহারে প্রত্যেকের সচেতন হওয়ার আহŸান করেন তিনি।
    উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার বলেন, চৌগাছা-পুড়াপাড়া রোডের টেঙ্গরপুর মোড় থেকে কমলাপুর পর্যন্ত চার কিলোমিটার পিচ রাস্তা সংস্কার করতে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয় হবে।
    এছাড়া এ দিন তিনি হাসপাতালের মাসিক মিটিংসহ সরকারি ও দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
    এসকল অনুষ্ঠানে অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসান কবির রুমি, আদ্ব-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক, চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ, সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারি সেক্রেটারী মাষ্টার কামাল আহমেদ, রহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার সহ স্থানীয় সংবাদকর্মী ও গণ্যমান্যরা। 

     

  • ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির সরকারি নির্দেশনা

    ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির সরকারি নির্দেশনা

    ডেস্ক নিউজ

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে, তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য জ্বালানি তেলের ব্যবহার অপরিহার্য হলেও ব্যবহৃত তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে কখনও কখনও আমদানি কার্যক্রম বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তা ও ডিলারের মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    বিপিসি জানায়, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অনেক ডিলার ডিপো থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তেল উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কিছু ভোক্তা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।

    এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কন্টেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি বিক্রির সময় পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে নগদ স্মারক দিতে হবে এবং পুনরায় জ্বালানি নেওয়ার আগে আগের ক্রয়ের বিলের কপি জমা দিতে হবে। ডিলারদেরও নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে এবং ডিপোতে মজুদ ও বিক্রির তথ্য জমা দিতে হবে।

    বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে তেলের চালান দেশে আসছে। প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে সারা দেশের ডিপোগুলোতেও নিয়মিত জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত বাফার মজুদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সংস্থাটি আরো জানায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে জ্বালানি বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিপিসি।

  • শিমুলে রাঙা পথ, পলাশে বসন্তের আমেজ গাংনীতে

    শিমুলে রাঙা পথ, পলাশে বসন্তের আমেজ গাংনীতে

    ডেস্ক নিউজ

    প্রকৃতি থেকে এখনো পুরোপুরি সরেনি শীতের চাদর। রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি দিন গায়ে লাগে আলতোভাবে। পাতা ঝরা গাছে গজিয়েছে নতুন কুঁড়ি, কোকিলের কুহুতানে জেগে উঠছে চারপাশ। বাতাসে ভেসে আসছে নানা ফুলের ঘ্রাণ। এরই মধ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের রাস্তার ধারে ফুটে থাকা শিমুল ও পলাশ ফুলে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রকৃতি।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শিমুলগাছে লাল ফুল ফুটে আছে। তবে পলাশগাছ তুলনামূলক কম। তেঁতুলবাড়িয়া, কল্যাণপুর, বামন্দী, করমদি, দেবীপুর, বালিয়াঘাট, হারাভাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রামের সড়কে শিমুলের উপস্থিতি চোখে পড়ে বেশি। পলাশ দেখা যায় অল্প কয়েকটি স্থানে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শিমুল-পলাশের রঙে প্রকৃতি এখন অপরূপ সাজে সেজেছে। তবে পলাশগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের মতো দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য আর দেখা যায় না।

    কল্যাণপুর গ্রামের ফয়সাল আহাম্মেদ বলেন, ‘আমাদের এলাকার রাস্তায় অনেক শিমুলগাছ রয়েছে। প্রায় প্রতিটি গাছে ফুল ফুটেছে। চারদিকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়েছে। যদি পলাশগাছ বেশি থাকত, তাহলে দৃশ্য আরও মনোমুগ্ধকর হতো।’পথচারী রাজু আহমেদ বলেন, ‘পলাশী গ্রামের একটি পলাশগাছে পরিপূর্ণ ফুল ফুটেছে। দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। কিন্তু পলাশগাছ খুব কম দেখা যায়। এই ফুল প্রকৃতিকে নতুন রূপ দেয়।’

    বামন্দী ইউনিয়নের পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও বাড়ির পাশে শিমুল ফুল ফুটেছে। রাস্তার ধারে আরও বেশি ফুলের গাছ লাগালে সৌন্দর্য বাড়বে।

    তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, এলাকায় পলাশগাছ খুব বেশি নেই। ধীরে ধীরে পলাশগাছ হারিয়ে যাচ্ছে। শিমুলগাছ রয়েছে বেশ কিছু। রাস্তার ধারে পলাশ ও শিমুলগাছ লাগালে পরিবেশ যেমন সুন্দর হবে, তেমনি প্রকৃতিও ফিরে পাবে তার রঙিন রূপ। তিনি নিজ উদ্যোগে পলাশগাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

    জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার বলেন, আগামী জুন-জুলাই মাসে বন বিভাগের পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানো হবে। তবে রাস্তার ধারে ফুলের গাছ লাগানোর বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি জানান।

    এম কে

  • যশোরে শপিংমলে থাকবে না আলোকসজ্জা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ

    যশোরে শপিংমলে থাকবে না আলোকসজ্জা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ে যশোরের ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অতিরিক্ত বিদ্যুতের ব্যবহার করবেন না। শপিংমলগুলোতে থাকবে না আলোকসজ্জা। রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে পোশাক ও জুতা ব্যবসায়ীরা ঈদের পর রাত ৮টার পর তাদের দোকান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে যশোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ে করণীয় শির্যক আলোচনা সভায় ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতির গুরুত্বারোপ করেন।

     

  • ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।

    অপরদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম।

    এম কে

  • রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীতি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীতি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজ

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত ) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীত। এটি শুধু অর্থনীতির ক্ষতিই করে না, এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর হতে ক্ষয় করে দেয়। সেই সঙ্গে জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়। ঠিক তেমনভাবেই কোনো কারাসদস্য যদি নিজ স্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হিসেবে কাজ করে তবে শুধু আইন ভাঙে না। সে রাষ্ট্র ও আইনের ভিত্তি দুর্বল করে দেয়।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কাশিমপুর কারাগারের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে এসব বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, কারা সদস্যরা কোনো স্বার্থান্বেষী রক্ষক নয়। তারা রাষ্ট্রের জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী, জনগণের কল্যাণই তার একমাত্র বৃত। আপনারা কারও বেতনভুক্ত কর্মচারী নয়, আপনারা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মচারী। জনকল্যাণ আপনাদের একমাত্র কাজ। ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সম্পূর্ণকারী সবার ভবিষ্যত জীবনের সাফল্য কামনা করি৷

    এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তাফা কামাল, কর্নেল তানভীর হোসেন, কর্নেল মেছবাহল আলম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্ট টিপু সুলতান, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার, উপ-কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এর আগে সকালে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন তিনি। পরে প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রশিক্ষণার্থীদের সশস্ত্র সালাম ও অভিবাদন গ্রহণের মাধ্যমে সমাপনী কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠান শুরু হয়। এসময় নবীন কারারক্ষীগণ সুসজ্জিত বাদক দলের বাদ্যের তালে তালে ঘীর ও দ্রুতলয়ে কুচকাওয়াজের মাধ্যমে মাঠ প্রদক্ষিণ এবং শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও দলগত সমন্বয়ের দক্ষতায় বিভিন্ন শারীরিক কসরত, অস্ত্রবিহীন আত্মরক্ষা কৌশলের চমকপ্রদ পরিবেশনা ফুটিয়ে তোলেন। কুচকাওয়াজ শেষে প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পিটি, ড্রিল, ফায়ারিং, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধ, লিখিত পরীক্ষা ও সর্ববিষয়ে চৌকস এই ছয়টি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয়।

  • মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরের যাত্রীবাহী বাসে ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়ারপাড় এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো. রণি (২৫) ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া এলাকার মিজানুর রহমান তালুকদারের ছেলে।

    আহতরা হলেন, পান্তাপাড়া এলাকার সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রফিকুল ফকির (২৪) ও ভাঙ্গাব্রীজ এলাকার মো. এনামুলের ছেলে মাহফুজ (২৭)। পেশায় হতাহতরা রাজমিস্ত্রি।

    হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালকিনি উপজেলার গোপালপুর থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন রনি ও তার দুই সহযোগী। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়াপাড় এলাকায় আসলে পেছন থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক রনির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রফিকুল ও মাহফুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করে চিকিৎসক।

    মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. অখিল সরকার জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও দুজন। আহতদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।

    মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, নিয়তের লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

  • যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
     যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির  সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে পৃথক দুটি শোকজ করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
    মঙ্গলবার (২৭জানুয়ারী) কমিটির প্রধান গোলাম রসুল স্বাক্ষরিত শোকজে আগামী ২৯ জানুয়ারী স্বশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
    চৌগাছা ও ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রার্থীকে কারন দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন কমিটির কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০১/২০২৬ এ বলা হয়েছে, যশোর-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ-এর প্রেস সেক্রেটারি জনাব তারিকুল ইসলাম তারেক কর্তৃক দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে দুপুরের দিকে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সাধারণ নারী ভোটারদের নিকট ভোট প্রার্থনার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনপূর্বক নারী ভোট কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা নারী কর্মীদের শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, তাদের লাঞ্ছিত করে এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে। ভাঙচুরকৃত মোবাইল ফোনসমূহ হামলাকারীরা সঙ্গে করে নিয়ে যায়। এছাড়াও নারী কর্মীদের সাথে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই করা হয়, যেখানে নগদ অর্থ, কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিল। এ সময় তাদের অশ্লীল ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং পরবর্তীতে পুনরায় ভোট চাইতে এলে প্রাণনাশের হমকি প্রদান করা হয়। উক্ত ঘটনায় আহত নারী নেতা-কর্মীরা হলেন-রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনা প্রমুখসহ মোট ১০ (দশ) জন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, হামলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোল, সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ১০-১৫ জনের একটি দল জড়িত ছিল। লিখিত অভিযোগে বর্ণিত উক্ত ঘটনাসমূহ “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫” এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমতাবস্থায়, উপরোক্ত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, ঝিকরগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০২/২০২৬ এ বলা হয়েছে, আপনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর জেলাধীন নির্বাচনি এলাকা নং-৮৬, যশোর-২ থেকে রাজনৈতিক দল “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” কর্তৃক মনোনীত একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী। আমি সরজমিনে চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন কালে বহু স্থানে আপনার নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত রঙ্গিন ফেসটুন, ব্যানার ও পোস্টার দেয়ালে সাথে সাঁটানো অবস্থায় দেখতে পাই (নমুনা ছবি সংযুক্ত) যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর ৭(গ) (ঙ) বিধির লঙ্ঘন।

    এমতাবস্থায়, উপরোক্ত আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৭(গ) (ঙ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, চৌগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।