ক্যাটাগরি খবর

  • দক্ষিণ সুরমা‌য় বিএনপি নেতা কোহিনুর বহিষ্কার

    দক্ষিণ সুরমা‌য় বিএনপি নেতা কোহিনুর বহিষ্কার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমেদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    গত ১১ জুন বিএনপির সহদফতর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সিলেট জেলাধীন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমেদকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কোহিনুর আহমেদের বিরুদ্ধে সীমান্তপথে চিনি চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও গ্যাং পরিচালনাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

  • সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

    সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সিলেটের ওসমানীনগরে দুপক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আতিক মিয়া (৪২) নামে সাবেক এক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হবার পর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই আতিক মিয়া মারা যান।

    নিহত আতিক উপজেলার বুরুঙ্গা ইউপির পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের মাহমদ আলীর ছেলে ও ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় ওসমানীনগর থানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১২ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের আকলিছ মিয়া ও আব্দুল ওহাব পাছুর মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রায়ই উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে আসছে। গত বুধবার দুপুরে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ফিরে যাওয়ার পর স্থানীয়দের উদ্যোগে বিষয়টি আপস-মীমাংসা করার জন্য সমবেত হন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    ওই রাতে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে আপস-মীমাংসার সিদ্ধান্ত হয়।  সালিশ বৈঠক থেকে ফেরার পথে সাবেক ইউপি সদস্য আতিক মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় আব্দুল ওয়াহাবের পক্ষের লোকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি মাথায় এবং বুকে জখম করলে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই আতিক মিয়া হাসপাতালে মারা যান।

    নিহত আতিক মিয়ার পিতা মাহমদ আলী বলেন, দুইপক্ষের লোকের সমস্যা সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়ায় আব্দুল ওয়াহাব ওরফে পাছু ও তার ছেলে এবং আত্তর আলী, মঞ্জু মিয়া, মিজান মিয়া, মুকিদগংরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চাই।

    এ ব্যাপারে ওসমানীনগর থানার ওসি মো. মোরশেদুল হাসান ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।

  • একটি দল পাকিস্তানপন্থি হয়ে এখন বাংলাদেশ গড়তে চায় : মির্জা ফখরুল

    একটি দল পাকিস্তানপন্থি হয়ে এখন বাংলাদেশ গড়তে চায় : মির্জা ফখরুল

    বিডিটাইমস ডেস্ক

    একটি দল পাকিস্তানপন্থি হয়ে এখন বাংলাদেশ গড়তে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তারা বিএনপির বিরুদ্ধে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা কি ভোট পাবে? তাদের কি জনগন ভোট দিবে?

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সিলেটের ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির ধানের শীষের প্রথম জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছর এদেশের জনগণ গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে, কিন্তু মাথা নত করেনি। আমাদের নেতা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে আমরা একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এ যাত্রা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার যাত্রা। এ কাজে আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই।

    তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে একটি বিশেষ দলের ব্যাপারে। যারা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, যারা স্বাধীনতার বিরোধী ছিল। তারা আমাদের নামে কুৎসা রটাচ্ছে। এমনকি আমাদের নেতা তারেক রহমান সম্পর্কেও কুৎসা রটাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

    সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

    সূত্রঃ কালবেলা

  • খাগড়াছড়ির গুইমারায় দুই একর জমিতে গাজা চাষ!

    খাগড়াছড়ির গুইমারায় দুই একর জমিতে গাজা চাষ!

    ডেস্ক নিউজ:

    খাগড়াছড়ির গুইমারায় দুই একর জায়গাজুড়ে চাষ করা গাঁজা বাগানের সন্ধান পেয়েছে যৌথ বাহিনী।মঙ্গলবার  ভোরে উপজেলার চৌধুরীপাড়া এলাকায় ওই গাঁজা বাগানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে বাগানের সব গাঁজার গাছ কেটে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

    গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাগানটিতে আনুমানিক প্রায় ১০ কোটি টাকার গাঁজা উৎপাদন হতো। গুইমারা সদর ইউনিয়ন হলেও এলাকাটি দুর্গম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়। বাগানে দুই হাজারের মতো গাঁজার গাছ ছিল।

    গুইমারা থানার ওসি আরিফুর আমিন জানান, সকল গাছ কেটে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে গাঁজা চাষের সঙ্গে সম্পৃক্তদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • হলুদের গালিচায় রঙিন স্বপ্ন

    হলুদের গালিচায় রঙিন স্বপ্ন

    ডেস্ক নিউজ:

    হলুদ সরিষার মাঠ যখন বাতাসে দুলতে থাকে, সেই দৃশ্য মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। এই হলুদের মধ্য দিয়ে বয়ে চলেছে আঁকাবাঁকা গ্রামীণ মেঠোপথ। এই নয়নাভিরাম প্রকৃতির সৌন্দর্য যে কোনো প্রকৃতিপ্রেমীর মনকে মুগ্ধ করবে। ফসলের মাঠের দিগন্তজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হলুদের রূপে মুগ্ধ হতে পারেন যে কেউ।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবিনগরে বাঞ্চারামপুর ও বিজয় নগরে দিগন্তবিস্তৃত ফসলের মাঠজুড়ে এখন হলুদের সমারোহ। প্রকৃতিতে ছড়ানো সরিষা ফুলের সুবাস আকৃষ্ট করছে সবাইকে। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য উপজেলাজুড়ে এখন সবার নজর কাড়ছে। সবুজের বুকে হলুদের এমন মনোরম দৃশ্যে চোখ এমনিতেই আটকে যায়। দৃষ্টিনন্দন সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ। আর সেই সরিষার হলুদ ফুলে দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। অনুকূল আবহাওয়া, চাহিদা, সেইসঙ্গে স্থানীয় কৃষি অফিসের দিকনির্দেশনায় এই অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে সরিষা চাষে আগ্রহ বেড়েছে।

    গত বছর উপজেলায় উৎপাদিত সরিষার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। চলতি বছর কৃষকের মাঝে আবাদের আগ্রহ বাড়লেও উৎপাদন কিছুটা কমেছে। এর কারণ হিসেবে কৃষি অফিস বলছে, দিন দিন কৃষি জমিতে বালু ভরাটের কারণে আবাদি জমি কমছে। তবে উৎপাদন ও লক্ষ্যমাত্রা বিচারে চলতি অর্থবছরে এ উপজেলায় সরিষার বাজার মূল্য প্রায় ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা হবে বলে মনে করছে কৃষি অফিস। গত বছর প্রতিমণ সরিষা বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়।

    একটা সময় উপজেলায় কৃষিজমিতে শুধু ধান চাষ হতো। এই ফসল চাষাবাদের মাঝের সময়ে কৃষিজমি ফাঁকা পড়ে থাকত। তবে এখন ধান কাটার পর জমি ফেলে না রেখে সেখানে সরিষা, গম, ভুট্টা সূর্যমুখী ও পেঁয়াজ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ ছাড়াও পতিত জমিতেও এ ধরনের শস্য উৎপাদনে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের মাঝে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসমাইল মুন্সি বলেন, সরিষা চাষে প্রতিবিঘা জমিতে ব্যয় হয় আড়াই তিন হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে প্রতিবিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাভ হবে। সরিষা ক্ষেতকে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সামান্য কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। ফলন ভালো হলে প্রতিবিঘা জমিতে ৫-৬ মণ সরিষা পাওয়া যাবে। তবে বেশি কুয়াশা সরিষা ক্ষেতের ক্ষতি করতে পারে।

    গত বছর প্রতিমণ সরিষা বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়। এ বছরও একই দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

  • পলিটেকনিকের ছাত্র হাবিব বানালো মিগ-২৯

    পলিটেকনিকের ছাত্র হাবিব বানালো মিগ-২৯

    ডেস্ক নিউজ:

    মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে মাত্র ১৭ বছর বয়সের কলেজপড়ুয়া ছাত্র কাজী হাসিব টিফিনের টাকা জমিয়ে তৈরি করেছেন মিগ-২৯ মডেলের রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের আদলে মিনি বিমান। বিমানটি রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে আকাশে উড্ডয়ন করা হয়। যুদ্ধবিমানের মতোই দ্রুত গতিতে বিভিন্ন ভঙ্গিতে দৃষ্টিনন্দন ডিগবাজি খেতে খেতে একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলে। বিমানের শব্দ শুনে মনে হয়, যেন এটা আসলেই রাশিয়ার যুদ্ধ বিমান।

    বিমানটি মাটি থেকে ৫০০ মিটার ওপরে প্রায় ৩ কিলোমিটার এরিয়া নিয়ে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে প্রদক্ষিণ করতে পারে বলে জানান এই তরুণ উদ্ভাবক।

    কাজী হাসিব উপজেলার চালা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক কাজী ইলিয়াসের ছেলে। সে মানিকগঞ্জ ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কম্পিউটার সায়েন্সের (ডিপ্লোমা) প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র। কাজী হাসিবের এমন কারিশমায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এখন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

    ‎জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলার ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে মানিকগঞ্জ ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হয় কাজী হাসিব। সে নবম শ্রেণি থেকেই শুরু করে এই বিমান তৈরির গবেষণা। অবশেষে দীর্ঘ তিন বছর পর সে সফলতার মুখ দেখেন। দরিদ্র পরিবারের কাজী হাসিব তার স্বপ্ন পূরণ হয়।

    দীর্ঘদিনের টিফিনের টাকা জমিয়ে তৈরি করেন এই যুদ্ধবিমানের আদলে মিনি বিমান। এ জন্য তার খরচ হয়েছে ২২ হাজার টাকা। সাড়ে তিন ফুট দৈর্ঘ্য ও আড়াই ফুট প্রস্থ এ বিমানটি তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন, ডিপরম শিট ও ককশিটের বডি, পাওয়ার ব্যাটারি, ট্রান্সমিটার, রিসিভার, ইলেকট্রনিক স্পিড কন্ট্রোলার, সার্ভো, মোটর, প্রপেলার, ব্লগান, আঠা ও কসটেপ। এরপরই পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে ওড়ানো হয় এই মিনি বিমান। বিমানটি যখন আকাশে ওপরের দিকে উঠে তখন তার শব্দে চারপাশ ভারি হয়ে ওঠে। দেখে মনে হয় এটি সত্যিকারের একটি যুদ্ধবিমান।

    ‎তরুণ উদ্ভাবক কাজী হাসিব বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল ব্যতিক্রম কিছু একটা করার। ক্লাস নাইন থেকেই এই বিমান তৈরির চিন্তাটা মাথায় ঘুরপাক খায়; কিন্তু আমরা গরিব মানুষ। অনেক কষ্টে আমাকে পড়াশোনা করায়। তাই এই কাজে বাবার কাছে হাত না পেতে আমার টিফিনের টাকা জমিয়ে আমি এই মিনি বিমানটি তৈরি করি। তবে আগে আরও দুইটা বানাইছিলাম। সেগুলো ঠিক মতো হয়নি। পরে এটা তৈরি করি এবং আকাশে উড়াই। এটা আরও উন্নত করতে পারলে অটো পাইলটের এ বিমানটি যুদ্ধ ক্ষেত্রে ব্যবহার সম্ভব হবে।’

    ছবি সংগৃহিত

    স্থানীয় বাসিন্দা সাইমুন বলেন, ‘আমরা আসলে অবাক হয়েছি ওর মেধা দেখে। এত অল্প বয়সে কত সুদূর পরিকল্পনা করে এ বিমানটি সে তৈরি করেছে। নিঃসন্দেহে হাসিব আমাদের এলাকার গর্ব। ওর বাবা গরীব মানুষ। তাই সরকারিভাবে হাসিবকে দেখভাল করলে দেশের জন্য ভালো কিছু হতে পারে। আমি ওর বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

    প্রতিবেশী মো. ইমন শেখ বলেন, ‘আমাদের ছোট ভাই হাসিব যে বিমানটি বানিয়েছে নিঃসন্দেহে আমাদের এলাকার গর্বের বিষয়। আমরা এতে গর্ববোধ করি। সরকারিভাবে যদি ওকে দেখভাল করে তাহলে ভালো করতে পারবে। কারণ ওর মেধা আছে। আমরা চাই সরকারিভাবে হাসিবকে সহযোগিতা করা হোক।’

    ‎হাসিবের মা বলেন, আমার ছেলের বিমান তৈরির জন্য এলাকার সব মানুষ অবাক হয়েছে। আমরাও অবাক। আসলে আমরা তো ওর খরচ ঠিক মতো চালাইতে পারি না। নিজের টিফিনের টাকা জোগাড় করে আজ যে বিমান বানিয়েছে অবশ্যই এটা গর্বের। আমার অনুরোধ রইল, আপনারা যদি আমার ছেলের পাশে দাঁড়ান, তাহলে ও ভালো কিছু করতে পারবে। আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই।

    হাসিবের বাবা কাজী ইলিয়াস বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। কৃষিকাজ করে খাই। আমার ছেলে তার টিফিনের টাকা জমা করে আজ ২২ হাজার টাকা খরচ করে এ বিমানটি বানিয়েছে। এর জন্য আমি গর্ববোধ করি। যদি সমাজের বিত্তবান কিংবা সরকারিভাবে আমার ছেলেকে সহায়তা করে তাহলে সে ভালো কিছু করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

    ‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা আক্তার  বলেন, ‘বিষয়টি আগে শুনিনি। আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম। আমি  ওর বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে দেখি। তারপর দেখা যাবে আমরা ওর জন্য কিছু করতে পারি কি না।’

  • চোর সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    চোর সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    ডেস্ক নিউজ:

    মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গরু চুরি করতে এসে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে দুই চোর নিহত হয়েছেন।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের সজের মোড়া তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন—পার্শ্ববর্তী দশানী গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে মজনু (২৭) এবং ছয়আনি গ্রামের বান্ধু মিয়ার ছেলে দীন ইসলাম (২২)।

    স্থানীয়রা জানান, রাতে পাশের ইমামনগর গ্রামের ইউনুস মিয়ার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে তালা ভাঙার চেষ্টা করে পাঁচজনের একটি চোরচক্র। এ সময় বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে পাঁচজন চোরের মধ্যে দুজনকে ধরে গণধোলাই দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, নিহত মজনু ও দীন ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। তারা দুজনই পুলিশের তালিকাভুক্ত চোর ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে সিংগাইর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম এবং সহকারী পুলিশ সুপার (সিংগাইর সার্কেল) ফাহিম আসজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি, গত তিন বছর ধরে এই চক্র এলাকায় একাধিক চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগেও কয়েকবার তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছিল।

    স্থানীয়রা আরও জানান, ধরা পড়ার পর নিহত দুই চোর তাদের সঙ্গে থাকা আরও তিনজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

    এ বিষয়ে সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

     

  • ঢাকা জেলায় ২৭ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ঢাকা জেলায় ২৭ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ডেস্ক নিউজ :

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই দিন অনুষ্ঠিত হবে গণভোটও। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ঢাকার ২০টি আসন থেকে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন সম্ভাব্য ১৬২ প্রার্থী। তাদের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ২৭ প্রার্থী ভোটের মাঠ ছেড়েছেন। সে হিসেবে ঢাকার এই আসনগুলোতে ভোটের মাঠ লড়বেন ১৩৫ প্রার্থী।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সারাদিনে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তিনটি কার্যালয়ে পৃথক পৃথকভাবে এসব মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন প্রার্থীরা।

    জানা যায়, সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়, ঢাকা আঞ্চলিক রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় এবং ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় মিলে মোট ২৭ প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।

    এদের মধ্যে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত বিলকিস নাসিমা রহমান। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য প্রধানকারী কর্মকর্তা তাহজীব হাসান হৃদম এ তথ্য জানান।

    এছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাহারের মধ্যে আছেন, ঢাকা-৫ আসনের বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. লুৎফুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস এম শাহরিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নায়ু মুন্সী।

    ঢাকা-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) গাজী নাসির, ঢাকা-৭ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. ফয়েজ বখশ্ সরকার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ।

    এছাড়া ঢাকা-১০ আসনে খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ, খেলাফত মজলিসের মো. রিফাত হোসেন মালিক, ঢাকা-১৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. এমদাদুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন)।

     

    ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঢাকা-১৩ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুরাদ হোসেন ও ঢাকা-১৫ আসনে গণফোরামের এ কে এম শফিকুল ইসলাম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

    ঢাকা জেলা প্রশাসক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঢাকা-১ আসনে খেলাফত মজলিশের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে খেলাফত মজলিশের এ কে এম এনামুল হক, জামায়েতে ইসলামীর আফজাল হোসাইন, ঢাকা-২০ আসনে জামায়েত ইসলামীর আব্দুর রউফ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

    উল্লেখ্য, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পেরোনোর পর বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ পাবেন প্রার্থীরা। এর ফলে তারা পরদিন থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।

    এদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ১৬ অনুচ্ছেদে দলীয় মনোনয়ন ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিধানে বলা হয়েছে, বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তার সই যুক্ত কোনও লিখিত নোটিসের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত দিন বা তার আগে নিজে অথবা লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন।

    কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে থাকলে ওই দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী ব্যক্তিকে লিখিত পত্রের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে এদিনের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময়সূচি অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

  • হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ–২ (দিরাই–শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শিশির মনির বলেছেন, নির্বাচনে তিনি হারলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একইভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারলে যেন তার বাড়িতেও ফুলের তোড়া নিয়ে আসেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শিশির মনির বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনি বিজয়ী হবেন, তাকেই তিনি অভিনন্দন জানাবেন। বর্তমান বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে পুরোনো পথেই হাঁটা হবে, এতে কোনো উপকার হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি হেরে গেলেও বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আবার আমি জিতলেও অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। জনগণ যে রায় দেবে, আমরা তা সাদরে গ্রহণ করবো।

    নির্বাচনে গালিগালাজ ও বকাবকির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিশির মনির বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তির জন্যও একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি জরুরি।

    এদিকে,  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টা থেকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সুনামগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। পাঁচটি আসনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, ঈগল, হাতপাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় আচরণবিধি প্রতিপালন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুললেও রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে সমান সুযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।

    বি/এ

  • বেড়িবাঁধ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বেড়িবাঁধ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান (চলতি) নদীর পাড়ে পেয়ারপুল ডালা নামক বেড়িবাঁধ রক্ষায় মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা।

    সোমবার  দুপুরে ‘আমাদের নদী, আমাদের জীবন : সুস্থ ধারার সুরক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত নদীর পুনর্জাগরণ’ এই স্লোগানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে এসো কাজ করি মহিলা উন্নয়ন সমিতি। আর এতে সহযোগিতায় করেছে এলআরডি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণেই ধোপাজান নদীর পাড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ১৫টি গ্রামজুড়ে আতঙ্কে দিন কাটছে মানুষের, আর ধোপাজানের তীরে প্রতিনিয়ত শোনা যাচ্ছে হাহাকারের শব্দ।

    এসো কাজ করি সমিতির সভাপতি জাহানারা বেগমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রতারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুহসীন আহমদ ইয়াসিন, শিক্ষক হাবিবুর রহমান, আবদুল হালিম, আবুল মনসুর, বদরুল আলম, সোহাগ হোসেন, আব্দুল খালেক, কামাল উদ্দিন, রহমত আলী, সাজেদা বেগম, পারুল বেগম, এবং শিক্ষার্থী নাঈম ও আশরাফুল।

    এসো কাজ করি মহিলা উন্নয়ন সমিতি’র সভাপতি জাহানারা বেগম বলেন, পানির স্তর কম থাকলেও ভাঙন থামছে না। বর্ষায় পানি বাড়লে বাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।