ক্যাটাগরি খবর

  • সংসদ ও গণভোট একই দিনে

    সংসদ ও গণভোট একই দিনে

    ডেস্ক নিউজ:

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে হবে। পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে গঠিত হবে সংসদের উচ্চকক্ষ বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এই ঘোষণা দেন তিনি।

    এর আগে বহুল প্রত্যাশিত জুলাই সনদে সই করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। বৃহস্পতিবার এই সনদে সই করেন তিনি। তবে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে এর আগে বলা হয়েছিল, রক্তের বিনিময়ে লেখা জুলাই সনদে যদি ফ্যাসিবাদী হাসিনার নিয়োগ করা রাষ্ট্রপতি সই করেন; তাহলে তা মেনে নেয়া হবে না।

    বি/এ

  • শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ১৭ নভেম্বর

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ১৭ নভেম্বর

    ডেস্ক নিউজ:

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা ১৭ নভেম্বর।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলাটি বর্তমানে রায়ের অপেক্ষার তালিকায় ১ নম্বরে ছিল । রায়ের দিন নির্ধারণ ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
    বি/এ

  • প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তন আনবে না বিএনপি

    প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তন আনবে না বিএনপি

    ডেস্ক নিউজ:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩ নভেম্বর ২৩৭ আসনে দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিএনপি। ঘোষিত এই তালিকা কেন্দ্র করে সীমিত কিছু আসনে মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের বিক্ষোভ দেখা গেছে। এ অবস্থায় দলটি সংশ্লিষ্ট এসব আসনের পরিস্থিতি মনিটরিং করছে। তবে দু-এক জায়গায় কিছু সমস্যা হলেও এটি ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে বলে মনে করছে বিএনপির হাইকমান্ড। তাই ঘোষিত তালিকায় বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না তারা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে কিছু আসনে পরিবর্তন আনা হতে পারে, সেটি খুব বেশি নয়। এদিকে, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের আসন বণ্টন নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি। তবে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জোট শরিকদের নিজ দলের প্রতীকে ভোট করার বিধান ভাবাচ্ছে বিএনপিকে। তাই মিত্রদের আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থিতার পাশাপাশি এ বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে দলটি। গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গত সোমবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক এবং গত কয়েকদিন স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন, অথবা বৈঠকের বিষয়ে অবহিত ছিলেন।

    বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দল ঘোষিত প্রার্থী তালিকার মধ্যে যেসব প্রার্থীকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, সেগুলো বাদে বাকি আসনগুলোতে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর অবস্থান যাচাই করা হচ্ছে নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে। যাচাই-বাছাইয়ের পর পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘোষিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকাতে হয়তো কিছু পরিবর্তন আনতে পারে দলটি, তবে সেটি খুব বেশি নয়। দলটির অবস্থান হচ্ছে, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। ফলে দু-এক জায়গায় কিছু সমস্যা হতে পারে। দলীয় উদ্যোগের কারণে এটি ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাচ্ছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। প্রার্থিতা নিয়ে দু-এক জায়গায় সমস্যা হতে পারে। দল থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে এগুলো ঠিক হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। তারা আশা করছেন, এর ফলে শিগগির প্রতিটি এলাকায় সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ শুরু করবেন।

    এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদের পাশাপাশি শরিকদের আসন বণ্টন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শিগগির তারা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। অবশ্য যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের আসন ছাড় নিয়ে বিএনপি এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে না আসায় জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। কারণ, হাতেগোনা কয়েকজন বাদে জোট শরিকের অধিকাংশকেই এখন পর্যন্ত মনোনয়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। ফলে অনেকে নির্বাচনী এলাকায় সেভাবে কাজ করতে পারছেন না। তাই বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের মাঠে পূর্ণ উদ্যোমে কাজ করতে দ্রুত মনোনয়ন নিশ্চয়তা চান তারা।

    জানা গেছে, ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনের মধ্যে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থীদের জন্যও বেশ কিছু আসন রেখেছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য দলটি ৫৯টি আসন ছাড়লেও এবার তাদের জন্য ২৫-৩০টি আসন ছাড়ার কথা ভাবছে। আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থিতা বিবেচনায় নিয়ে মূলত বিজয়ী হওয়ার মতো শরিকদের ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আসন ছাড়বে বি

    এনপি। আর আসন ছাড়ের সংখ্যা আরও বাড়বে কি না, সেটি নির্ভর করবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের আকার কেমন হয়, তার ওপর। অবশ্য ফাঁকা রাখা আসন ছাড়াও ঘোষিত ২৩৭ আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায়ও জোট শরিকদের জন্য কোথাও কোথাও পরিবর্তন আনতে পারে বিএনপি।

    এদিকে, আসন বণ্টন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিএনপির চাওয়া অনুযায়ী যুগপতের অধিকাংশ মিত্র এরই মধ্যে তাদের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিএনপির কাছে ১০৩ জনের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে যুগপতের শরিকরা। অন্যদিকে, এখনো প্রার্থী তালিকা জমা না দিলেও এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের আলোচনা চলছে। বিএনপির সঙ্গে অর্ধশত আসনে ‘সমঝোতা’ চায় ছয় দলীয় এই জোট।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শরিকদের এই প্রার্থী তালিকা থেকে বাস্তবতার নিরিখে দলটি একটি শর্টলিস্ট করেছে। দলের নীতিনির্ধারণী নেতারা সেটা নিয়ে শরিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের প্রার্থিতার বিষয়টি নানাভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করছেন। মিত্রদের আসন চূড়ান্ত করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিগগির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করবেন। এরপর মিত্রদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠক করবেন লিয়াজোঁ কমিটির নেতারা। তবে এ নিয়ে গতকাল বুধবার রাতে অনানুষ্ঠানিকভাবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নেতা বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে।

    অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের নিয়ে গঠিত নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গেও আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপির আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতা নিয়ে বিএনপির অধিকাংশ নেতা তাদের অনীহার কথা জানান। এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য কালবেলাকে বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যতগুলো আন্দোলন হয়েছে, সবগুলোর সম্মুখভাগে ছিলেন ছাত্ররা। আন্দোলন শেষে ছাত্ররা পড়াশোনায় ফিরে গেছেন, তারা সরকারের অংশ হননি। কিন্তু চব্বিশের গণআন্দোলনের পর ছাত্রদের বর্তমানে সরকারের অংশ করায় তাদের সম্পর্কে নানা অভিযোগ উঠেছে; এখন যদি বিএনপিও একই কাজ করে, তা ঠিক হবে না।’

    বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতা হচ্ছে কি না—বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক অনুষ্ঠানে এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাজনীতিতে এসব বিষয়ে শেষ কথা তো বলা যায় না। তবে এখন পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিল; এর বাইরে যারা গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ছিল—এমন কিছু ইসলামিক দলসহ আরও কিছু দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে আমরা নির্বাচন করতে চাই।’

    অবশ্য এনসিপির সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার করলেও সমঝোতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে চান না সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এনসিপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হব কি হব না, কিংবা তারা আমাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ইলেকশন করবে কি করবে না, সেটার কোনো প্রস্তাব তাদের পক্ষ থেকেও আসেনি, আর আমাদের পক্ষ থেকেও যায়নি। তবে একদম সেই সমঝোতা বা সেই জোট হবে না—এটাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সে জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।’
    বি/এ

  • রাজধানীর ১৪ স্থানে অবস্থান নেবে নেতাকর্মীরা আ’লীগের নাশকতা ঠেকাতে ছাত্রশিবির মাঠে থাকবে

    রাজধানীর ১৪ স্থানে অবস্থান নেবে নেতাকর্মীরা আ’লীগের নাশকতা ঠেকাতে ছাত্রশিবির মাঠে থাকবে

    ডেস্ক নিউজ : যেকোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে মাঠে থাকবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একইসাথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তির মাঠে থাকার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

    গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জুলাইসহ সব গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের বিােভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে। বিক্ষোভ মিছিল সকাল ৭টায় ঢাকা কলেজ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে রাজধানীর অন্তত ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এসব স্থান হলো, উত্তরা বিএনএস, খিলক্ষেত, বসুন্ধরা গেট, গাবতলী, মিরপুর ১০, ধানমন্ডি ৩২, সায়েন্স ল্যাব, শাহবাগ, রামপুরা, মহাখালী, গুলিস্তান, বাহাদুর শাহ পার্ক, যাত্রাবাড়ী ও চিটাগাং রোড। এ ছাড়াও দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহর, জেলা শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে ছাত্রশিবিরের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

    ছাত্রসমাজ ও দেশপ্রেমিক জনতাকে আওয়ামী নাশকতা ও আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল খুনি হাসিনার বিচারের রায় ঘোষণা করবে আজ। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি দিয়েছে। আমরা তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ও অরাজকতার কোনো স্থান নেই। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টা ছাত্রসমাজ ও জনগণ প্রতিহত করবে। জাহিদুল ইসলাম আরো বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির দেশের আপামর ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে যেকোনো নৈরাজ্যের উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী জাঁতাকল থেকে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই বাংলাদেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার। প্রতিহিংসা, হীনম্মন্যতা ও পরস্পর কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি আবার ফ্যাসিবাদী কাঠামো ফিরিয়ে আনতে পারে। তাই জুলাইয়ের আকাক্সক্ষা ধারণ করে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মামলা বাণিজ্য ও সকল প্রকার সহিংস মনোভাব পরিহার করে একটি যৌক্তিক রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানাচ্ছি।

    ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাইদুল ইসলামসহ কেন্দ্র ও মহানগর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এ/ আর

  • বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজ :

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি নিউজ এবং বিটিভি ওয়ার্ল্ড ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।

    বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে জুলাই জাতীয় সনদ বা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এর আগে গত ৫ আগস্টে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা।

    বি/এ

  • নিখোঁজ নাইমুর রহমান মাদারীপুর থেকে উদ্ধার

    নিখোঁজ নাইমুর রহমান মাদারীপুর থেকে উদ্ধার

    নিখোঁজ বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক নাইমুর রহমানকে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে শহরের পুরান বাজার এলাকার রয়েল রেস্ট হাউস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সদর থানার পুলিশ এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমুর রহমান সরকার।

    জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমুর রহমান সরকার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উপপরিচালক নিখোঁজ ছিলেন।তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি, তিনি মাদারীপুরের একটি হোটেলে অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে তিনি থানার হেফাজতে আছেন।

     

    রয়েল রেস্ট হাউসের ম্যানেজার নটরাজ সরকার জানান, তিনি একদিন আগে হোটেলে এসে নিজেকে চাকরিপ্রার্থী হিসেবে পরিচয় দেন।

    পরে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট এসে তাকে নিয়ে যান। 

    মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করছি। এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।

     

    প্রসঙ্গত, উপপরিচালক নাইমুর রহমান নিখোঁজ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পুলিশের তৎপরতায় অবশেষে তিনি নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন।

  • আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত

    আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত

    ডেস্ক নিউজ :

    আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    মঙ্গলবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইনগত সহায়তা প্রদান অধ্যাদেশ সংশোধন বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে আমাদের একটা ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা দেবে, এ ধরনের প্রত্যাশা আমরা করেছিলাম। কিন্তু প্রত্যাশা করেই আমরা বসে থাকিনি, নিজেদের মতো কাজ করেছি। সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, তা আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে পরিষ্কারভাবে জানতে পারবেন।

    তিনি বলেন, আমরা উপদেষ্টা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ে এটা আলোচনা করছি। সব দলের প্রত্যাশার প্রতি সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের এবং জনগণের স্বার্থে যা করা দরকার সেটাই আমরা করতে যাচ্ছি।’
    বি/এ

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের পদক্ষেপ জানা যাবে ‘২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে’

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের পদক্ষেপ জানা যাবে ‘২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে’

    ডেস্কনিউজ, রাজনৈতিক  দলগুলো সমঝোতায় আসেনি, ফলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ অন্তর্বর্তী সরকারকেই নিতে হচ্ছে। কী সেই পদক্ষেপ, তা দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে জানানোর আশা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

    আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এই সময়ের কথা জানিয়ে বলেছেন, ‘সব দলের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করেছি। দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, ভালো কিছু হবে।’

    জুলাই অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধানসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক ক্ষেত্রে সংস্কারে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। সেই কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জুলাই সনদ প্রণয়নের পর প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে গত ২৭ অক্টোবর সরকারের কাছে সুপারিশ দেয়।

    এ/ আর ১১/১১/২০২৫’

  • খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    ডেস্ক নিউজ:

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, সমগ্র দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান উইথ জবি শিবির’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    দৌড় কর্মসূচিতে অংশ নেয় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

    ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে কোর্ট এলাকা, রায় সাহেববাজার মোড়, ধোলাইখাল ঘুরে ধূপখোলা মাঠে গিয়ে এটি শেষ হয়।

    শাখা সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিগবাতুল্লাহ সিগবা বলেন, বাংলাদেশ এখন এক গভীর সংকটের মধ্যে আছে। এই সময়ে তরুণ প্রজন্মই পারে দেশকে রক্ষা করতে। আমাদের তরুণরা যদি সচেতন ও ফিট থাকে, তবে কোনো ফ্যাসিবাদী বা বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি বাংলাদেশে মাথা তুলতে পারবে না।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমাদের এ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে দেশগঠন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি।

    কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, সকাল সকাল ক্যাম্পাসে গিয়ে এমন পরিবেশ পাব ভাবিনি। অসাধারণ লেগেছে! ধন্যবাদ ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ শাহিদী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীরচর্চার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আজকের কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে বোঝা যায়, তারা শারীরিকভাবে ফিট থাকতে চায়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই—শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলা হোক।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জবি শিবিরের সাবেক সভাপতি মাকসুদুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, শাখা সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল আলিম আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাহেদ, ও অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।

    বি/এ

  • গণভোট না হলে নির্বাচন ২৯ সালে: হামিদুর রহমান আযাদ

    গণভোট না হলে নির্বাচন ২৯ সালে: হামিদুর রহমান আযাদ

    ডেস্ক নিউজ :

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, গণভোট সামনে এলে বিএনপি সংবিধান দেখায়, তাহলে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছরের আগে নির্বাচনের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, পাঁচ বছর পরপর নির্বাচনের কথা সংবিধানে লেখা আছে। ২০২৪ এ যদি নির্বাচন হয়, তাহলে ২০২৬ সালে নির্বাচন হবে কোথায় লেখা আছে? সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হতে হবে ২০২৯ সালে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টন মোড়ে ৮ দলের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
    কী খুঁজতে চান?

    > রাজনীতি
    গণভোট না হলে নির্বাচন ২৯ সালে: হামিদুর রহমান আযাদ
    স্টাফ রিপোর্টার
    প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ২৩
    আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ০৭

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, গণভোট সামনে এলে বিএনপি সংবিধান দেখায়, তাহলে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছরের আগে নির্বাচনের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, পাঁচ বছর পরপর নির্বাচনের কথা সংবিধানে লেখা আছে। ২০২৪ এ যদি নির্বাচন হয়, তাহলে ২০২৬ সালে নির্বাচন হবে কোথায় লেখা আছে? সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হতে হবে ২০২৯ সালে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টন মোড়ে ৮ দলের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজ্ঞাপন

    হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‌‘কেউ কেউ বলছেন সংবিধানে গণভোটের বিধান নেই। তাদের বলতে চাই, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধান সংশোধন করে গণভোটের ধারা বাতিল করেছিলেন শেখ হাসিনা। এখন যারা বলেন সংবিধানে গণভোট নেই, তারা কি তাহলে হাসিনার সুরে কথা বলেন না?’

    তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সমাজকে নতুন ভিত্তিতে শক্তিশালী করতে এবং নতুন বাংলাদেশের পথে যাত্রা শুরু করতে হলে জাতীয় নির্বাচনের আগে সংস্কারের অংশ হিসেবে গণভোট দিতে হবে। নির্বাচনের আগে গণভোট ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নও হবে না, সুষ্ঠু নির্বাচনও সম্ভব নয়।’

    বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আপনারা আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চান, বাংলাদেশের জনগণ এ ষড়যন্ত্র বাংলার মাটিতে হতে দেবে না। আসুন সরকারকে বলতে চাই জুলাই সনদ আদেশ জারি করুন।

    বি/এ