ক্যাটাগরি খবর

  • জাতীয় সমাবেশ সফল করতে চৌগাছায় জামায়াতের মিছিল

    জাতীয় সমাবেশ সফল করতে চৌগাছায় জামায়াতের মিছিল

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯ জুলাই মহাসমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোরের চৌগাছা উপজেলা শাখা।

    ৬ জুলাই বুধবার বিকেলে শহরের কামিল মাদ্রাসা মাঠ থেকে থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কামিল মাদরাসা মাঠে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদের নেতৃত্বে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা নুরুজ্জামান আল মামুন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাষ্টার ইমদাদুল হক, সহকারী সেক্রেটারী ও সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, মাওলানা গিয়াস উদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ মাওলানা আব্দুল লতিফ, পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল খালেক, সাবেক কাউন্সিলর মহিউদ্দীন, আব্দুর রহমান, হাসানুজ্জামানসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষসহ ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সোহরাওয়াার্দী উদ্যানে সমাবেশে যোগ দিয়ে সমাবেশকে সফল করার আহ্বান জানান। সেই সাথে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।

  • গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে যশোরে সড়ক অবরোধ, আল্টিমেটাম

    গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে যশোরে সড়ক অবরোধ, আল্টিমেটাম

    যশোর প্রতিনিধি
    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে যশোরের চাঁচড়া মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।
    বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে দলের নেতাকর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল বলেন, আমাদের তিন দফা দাবি
    অবিলম্বে মানতে হবে। গোপালগঞ্জসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে হবে, পুলিশি ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে এবং গোপালগঞ্জের ডিসি ও এসপিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
    প্রত্যাহার করতে হবে।
    তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ। জুলাই আন্দোলনের সহযোদ্ধা আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর প্রতিবাদে আমরা রাজপথে নেমেছি, প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই, যদি আমাদের ভাইদের কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে আমরা পুরো দেশ অচল করে দেবো। তাঁরা আহত নেতাকর্মীদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারেরও দাবি জানান।
    সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা সংগঠক নুরুজ্জামান, আল মামুন লিখন, বায়োজিত হোসেন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন সাকিব হোসেন, মোহাম্মদ ইবনে সাহাদ, ওসমান গণি, সাইদ সান, সোহানুর রহমান, মিনহাজ, সুলতানা খাতুন জান্নাত, ফারহিন আহমেদ, আসমা ইসলাম, রুবাইয়াসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া নেতৃবৃন্দ।

  • চৌগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

    চৌগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মুসাব্বির হোসেন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মেহেদী হাসানের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রকৌশলী তাসমিন জাহান, চৌগাছা  উপজেলা জামায়াতের আমীর  মাওলানা গোলাম মোরশেদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের উপজেলা আমীর মাওলানা আনিছুর রহমান, চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতা বি এম রাশেদুল ইসলাম রিতম, এ বি পার্টির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক রিপন মাহমুদ, প্রেসক্লাব চৌগাছার সেক্রেটারি আজিজুর রহমান প্রমুখ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষক মন্ডলী,উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুধীমন্ডলী। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবস টি পালন করা হয়। ২০২৪ সালে ১৬ জুলাই তারিখে জুলাই বিপ্লবের অন্যতম শহীদ রংপুর রোকেয়া বিশ্বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

  • মেহেরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    মেহেরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    মেহেরপুর প্রতিনিধি
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর-১ ও ২ আসনের নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষন কর্মশালা মেহেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেনের পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মেহেরপুর জেলা আমীর মাওঃ তাজউদ্দীন খান। প্রধান প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য ডঃ আলমগীর বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও চুয়াডঙ্গা জেলা আমীর এ্যাডঃ রুহুল আমিন। আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর  জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওঃ মাহাবুবু-উল আলম, মেহেরপুর জেলা নির্বাচন পরিচালক জারজিস হুসাইন, মেহেরপুর-২ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নাজমুল হুদা, মেহেরপুর-১ আসন নির্বাচনী কমিটির সদস্য সচিব খাইরুল বাসার, জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারী কাজী রুহুল আমীন, শ্রমিকল্যান ফেডারেশন মেহেরপুর জেলা সভাপতি আব্দুর রউফ মুকুল, মেহেরপুর সদর জামায়াত আমীর মাও, সোহেল রানা, মুজিবনগর উপজেলা আমীর মাও, খানজাহান আলী,মেহেরপুর পৌর জামায়াত আমীর সোহেল রানা ডলার, গাংনী উপজেলা জামায়াত আমীর ডাঃ রবিউল ইসলাম, গাংনী পৌর জামায়াতের আমীর আহসান উল্লাহ প্রমুখ।
  • চৌগাছায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবাদ মিছিল

    চৌগাছায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবাদ মিছিল

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে যশোরের চৌগাছায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রতিবাদ মিছিল করেছে।

    ১৬ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় চৌগাছা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতা রাশেদুল ইসলাম রিতম এর নেতৃতে চৌগাছা প্রেসক্লাব মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    মিছিলে অংশগ্রহণ করেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের চৌগাছা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি শিহাব উদ্দিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হুরাইরা বিন লাম, মাহিন, সাকিনুর রহমান শুভ, ফজলুর রহমান রাব্বি, ইসরাত হামদা কুয়াশা, রিফাত আহমেদ, নিহাল আহমেদ, সম্রাট শাকিল হোসেন, সাগর আহমেদ, আজিজুর রহমান, মাহাফুজ আলম, ইয়াসিন আরাফাতসহ সাধারণ ছাত্ররা।

    মিছিল শেষে প্রেসক্লাব মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, গোপালগঞ্জে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

    উল্লেখ্য সারা দেশে পথযাত্রার অংশ হিসেবে ১৬ জুলাই দুপুরে গোপালগঞ্জ থেকে মাদারীপুরে রওয়ানা দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে তাঁদের ওপর হামলা চালায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। বেলা ৩টায় মাদারীপুরে এনসিপির সমাবেশের কথা থাকলেও হামলার কারণে তাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়নি।

  • চৌগাছায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ আলামিনের পরিবারের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চৌগাছায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ আলামিনের পরিবারের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় জুলাই আন্দোলনের শহীদ আলামিনের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন যশোর জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকালে সাক্ষাৎ শেষে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সাথে নিয়ে আলামিনের কবর জিয়ারত করেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

    জানাযায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদ আলামিনের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন যশোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল। এসময় উপস্থিত ছিলেন,
    শহীদ আলামিনের গর্বিত পিতা আনোয়ার হোসেন বাবু, যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হোসেন, অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস, চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও. গোলাম মোরশেদ, সেক্রেটারি মাও নুরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, শুরা সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান মাও আব্দুল লতিফ, ফুলসারা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম,সেক্রেটারি মাষ্টার এনামুল হক, সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য তোফাজ্জেল হোসেন জামায়াত নেতা মাসুদ, মাসুম,হাবিবুর রহমান,মাও ফকরুল ইসলাম, ফয়সাল আহমেদ, মোহাম্মদ আলী, আলমগীর কামাল, সাইফুল ইসলামসহ আলামিনের পরিবারে সদস্য ও স্থানীয়রা।

    উল্লেখ্য, চৌগাছার ফুলসারা ইউনিয়নের আফরা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বাবুর ছেলে আল আমিন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দাবি আদায়ে বরিশালের রাজপথে তিনিও ছিলেন সরব। ১৮ জুলাই রাতে আল আমিনের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় দূবত্তিরা। আগুনে ঝলসে মারাত্মক আহত হন তিনি। স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল মেডিকেল এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন। অবশেষে ১৫ আগস্ট মৃত্যু বরণ করেন।

  • সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেছনে রেখে পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, পাকিস্তান শুধু ভারতের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে ব্যর্থই হয়নি, যদি তাদের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভাষণ। তিনি চার দিনের অভিযানে নয়টি ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ধ্বংস এবং পাকিস্তানের আটটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানায় সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রায় ২৭ মিনিট দীর্ঘ ওই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় ও বিস্ময়কর।’ তাঁর এই বক্তব্যে কার্যত সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া মোদির ভাষণের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তবে মোদির এই ভাষণের তাৎপর্য অনেক। ভাষণটি পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে দেওয়া হয়। এটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থাসহ ঘাঁটিটি ধ্বংস করেছে। ভারত এসব দাবি সরাসরি উড়িয়ে দেয়।

    নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুর এখন পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট ‘লক্ষ্মণরেখা (চূড়ান্তসীমা)’ টেনে দিয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ভোরে তিনি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান এবং ইউনিফর্মে থাকা বিমানবাহিনীর সেনাদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেনারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন।

    সেনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেন। এ সময় পেছনে দৃশ্যমান ছিল এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আর তাঁর মাথায় ছিল ‘ত্রিশূল’ চিহ্ন–সংবলিত দেশটির বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের টুপি।

    সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন বুঝে গেছে, ভারতের দিকে দৃষ্টি দেওয়া মানেই তাদের নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।’

    উল্লেখ্য, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি। এখানে রাফাল ও মিগ-২৯ স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) ভবন ও ডাক বিভাগের সাবেক প্রধান কার্যালয়কে পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত উল্লেখ করে তা সচিবালয়ের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তার প্রতিবাদ করেছেন বিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি এই প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    সম্প্রতি বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ও ডাক বিভাগের (ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকা) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আতিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ‘জিপিও ভবন পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত’ দাবি করে তা সচিবালয়ের এক্সটেনশন হিসেবে সচিবালয়ের মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্তি ও হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    এ প্রস্তাবে উল্লিখিত তথ্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, জিপিও কম্পাউন্ড সরকারঘোষিত একটি কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। এখানে ডাক বিভাগের ১৪টি অপারেশনাল অফিস সক্রিয়ভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখান থেকে ডাকসেবা গ্রহণ করছে। ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার এই কেন্দ্র কখনোই পরিত্যক্ত ছিল না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ডাক ভবনে স্থানান্তরিত হলেও অন্যান্য অপারেশনাল অফিস আগের মতো জিপিও কম্পাউন্ডেই চলমান।

    ডাক বিভাগের মতামত ছাড়াই এ ধরনের চিঠি দেওয়া এবং তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করায় নিন্দা জানিয়ে বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, জিপিও ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি ডাক বিভাগের প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাণের জায়গা, তাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ভবন কেড়ে নেওয়ার যেকোনো উদ্যোগকে তারা সরাসরি দেশের ডাকসেবার ওপর আঘাত হিসেবেই বিবেচনা করে।

  • সাবেক সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের পৃথক মামলা

    সাবেক সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের পৃথক মামলা

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই অভিযোগে তাঁর স্বামী মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের উপপরিচালক রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।

    রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরা নিজের নামে ১ কোটি ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৪৪ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন, যার বৈধ কোনো উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাঁর নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাবে ১৩৯ কোটি ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৯৬৪ টাকা জমা এবং ১৩৯ কোটি ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬৮ টাকা উত্তোলন করেছেন তিনি। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

    দুদক জানায়, এসব লেনদেন সন্দেহজনক এবং তা মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।

    একই ধরনের অভিযোগে সৈয়দা রুবিনা আক্তারের স্বামী মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও একটি মামলা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তিনি নিজের নামে ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর নামে থাকা তিনটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ১৮৪ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ৪০৪ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ১৮২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৮ টাকা। এ হিসাবে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৬৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

    এ মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন। মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ত্রী রুবিনা আক্তারের সহায়তায় তিনি এসব করেছেন।

  • টক দইয়ের অম্বলের রেসিপি

    টক দইয়ের অম্বলের রেসিপি

    উপকরণ

    টক দই ২ কাপ, ডুমা ডুমা করে কাটা বেগুন ১ কাপ, শর্ষে অল্প পরিমাণ, পেঁয়াজবাটা ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ টেবিল চামচ, শর্ষের তেল অল্প পরিমাণ।

    প্রণালি

    ডুমা ডুমা করে কাটা বেগুন ভেজে তুলে রাখুন। দই অল্প পানিতে মসৃণভাবে গুলে নিতে হবে। কোনো রকম দানা দানা ভাব থাকতে পারবে না। শর্ষে ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজবাটা হালকা করে ভেজে নিতে পারেন। গোলানো দই ঢেলে দিন। লবণ ও চিনি দিন। ফুটে উঠলে ভাজা বেগুনগুলো দিয়ে নামিয়ে নিন। দই বেশি ফুটতে থাকলে ফেটে গিয়ে ছানা কেটে যাবে। সেদিকে লক্ষ রাখুন।

    আরও পড়ুন