ক্যাটাগরি খবর

  • ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ইসলামী ব্যাংক সমূহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা।ইসলামী ব্যাংক সমূহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা।বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সহস্রাধিক শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহক অংশগ্রহণ করেন।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক যথাক্রমে অধ্যাপক নুর নবী মানিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোতাছিম বিল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু ইউসুফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান পলাশ প্রমুখ।

    বক্তরা বলেন, ব্যাংক লুটেরাদের পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ দিতে যে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬’ করা হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে ইসলামী তুলে দেয়া যাবে না। ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও সকল শীর্ষ লুটেরাকে গ্রেফতার এবং দেশীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে একই সাথে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে বক্তরা সরকারের কাছে দাবি জানান।

    এ সময় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা ‘ইসলামী ব্যাংক দখলের পায়তারা বন্ধ করো’, ‘ব্যাংক দখলের কালো আইন বাতিল করো’, ‘এস আলম নো মোর’ – সহ বিভিন্ন ব্যানার প্রদর্শন করেন।

    মানববন্ধন শেষে, ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষে এক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।স্মারকলিপিতে ‘এস আলম ও তার সহযোগী অপরাধী গোষ্ঠীর পুনঃপ্রবেশ প্রতিরোধ’, ‘পাচারকৃত ও আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধার’, ‘ব্যাংক লুটেরাদের দৃষ্টাস্তমূলক ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ’, ‘ন্যায্য ও বৈধ মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা’, এবং বিতর্কিত আইনগত সুবিধা বাতিল’- করার ৫ দফা দাবি জানানো হয়।

    এ,আর

  • আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল ভয়াবহ সেই জলোচ্ছ্বাসে উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি

    আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল ভয়াবহ সেই জলোচ্ছ্বাসে উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    আজ থেকে ৩৫ বছর পূর্বে ‘৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ইতিহাসের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা লাণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।আজ থেকে ৩৫ বছর পূর্বে ‘৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ইতিহাসের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা লাণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। সে সময় হাজার হাজার ঘরবাড়ি, গবাদি পশু সহ কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আজও সে দুঃসহ স্মৃতি ও স্বজন হারানোর বেদনা এখনো উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি।বুধবার (২৯ এপ্রিল) কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলবাসী তাদের স্মরণে মসজিদে দোয়া মাহফিল, খতমে কোরআন সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে তাদের স্মরণ করছে স্বজনেরা।

    ইতিহাসের এ ভয়াবহ প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিল কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চল। সে সময়ে নর-নারী, শিশুসহ অসংখ্য গবাদী পশু এ দুর্যোগে প্রাণ হারান। মানুষের লাশের সাথে পশুর মৃতদেহ একাকার হয়ে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায়। এ সময় উপকূলীয় বেড়ীবাঁধ, চিংড়ীঘের সহ বসতবাড়ি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল।

    ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রয়লঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস মধ্যে রাতে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে আঘাত আনে। সে সময়ে সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটারেরও উপরে এবং ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রায় ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসের ঢেউ উঠেছিল।

    আজ তিন দশক পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকার স্মৃতি কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। সে দিনকে স্মরণ করে প্রতি বছর স্বজন হারানোর কান্নার আওয়াজে এখনো ভারী হয়ে উঠে চারদিকের পরিবেশ ।

    কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, পতেঙ্গা, সন্দ্বীপ, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, হাতিয়া ও কক্সবাজার জেলার সদর, চকরিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, রামুসহ পুরো উপূলজুড়ে নির্মিত হয়নি টেকসই বেড়ীবাঁধ গুলো। এ সময় অধিকাংশ বেড়ীবাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। এ উপকূলীয় এলাকা বেড়ীবাঁধগুলো স্থানীয়ভাবে নির্মাণ না করায় এখনো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। যার ফলে সমন্বয় ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাস হলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    এ,আর

  • ৫ টাকায় ১২০ কিলোমিটার চলে রতনের মোটরসাইকেল

    ৫ টাকায় ১২০ কিলোমিটার চলে রতনের মোটরসাইকেল

    ডেস্ক নিউজঃ

    জ্বালানি তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি আর ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তিতে যখন নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের, ঠিক সেই সময়েই সম্ভাবনার এক ভিন্ন দিগন্ত দেখাচ্ছেন রাণীশংকৈল উপজেলার এক তরুণ উদ্ভাবক। স্বল্প খরচে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে রতন মহন্ত তৈরি করেছেন ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল, যা ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    রাণীশংকৈল পৌর শহরের মহলবাড়ী এলাকার বাসিন্দা সুরেন মহন্তের ছেলে রতন মহন্ত পেশায় একজন অটোভ্যান মেকানিক। সাইকেল-ভ্যান মেরামতের আয়েই চলে তার সংসার। তবে সীমিত আয়ের মধ্যেও তার উদ্ভাবনী চিন্তা থেমে থাকেনি।

    জানা যায়, ২০১৯ সালে একটি পুরোনো ১০০ সিসির সুজুকি মোটরসাইকেল কেনার পর থেকেই নানা যান্ত্রিক জটিলতায় পড়েন রতন। বারবার মেরামত করেও স্থায়ী সমাধান না পেয়ে এবং জ্বালানি খরচের চাপ বাড়তে থাকায় তিনি নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। একপর্যায়ে সাহসী সিদ্ধান্ত নেন প্রচলিত ইঞ্জিন সরিয়ে মোটরসাইকেলটিকে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় রূপান্তর করবেন। মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন খুলে সেখানে বসান ১২ ভোল্টের চারটি ব্যাটারি এবং একটি অটোরিকশার মোটর।

    তার এই উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার ফল একটি কার্যকর ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল, যা এখন অনায়াসেই সড়কে চলাচল করছে। একবার চার্জে তার তৈরি এই বাইক প্রায় ১২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে, যেখানে বিদ্যুৎ খরচ হয় মাত্র ৫ টাকা। বিপরীতে একই দূরত্বে একটি সাধারণ মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচ প্রায় ৪০০ টাকার মতো, যা খরচের দিক থেকে এক বিশাল পার্থক্য তৈরি করেছে।

    রতন মহন্ত বলেন, শুরুর দিকে অনেকেই আমার কাজ নিয়ে হাসাহাসি করেছে। কেউ বিশ্বাসই করতে চায়নি যে এই বাইক চলতে পারে। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। এখন যখন তেলের জন্য মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে, তখন তারাই এসে আমার কাজের প্রশংসা করছে।

    তার এই সাফল্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমছে তার বাড়িতে। অনেক মোটরসাইকেল চালক ইতোমধ্যেই নিজেদের বাইক ব্যাটারিচালিত ব্যবস্থায় রূপান্তরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এটি একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবেই দেখছেন অনেকে।

    রতনের প্রতিবেশী আবু হানিফ বলেন, তেল কিনতে আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অথচ রতন খুব সহজেই চলাফেরা করছে, খরচও অনেক কম। আমিও এখন আমার বাইক ব্যাটারিতে রূপান্তরের কথা ভাবছি।

    স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর, নাজমুল ও আক্তার বলেন, বর্তমানে তেলের সংকট আমাদের জন্য বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবুও নিশ্চয়তা থাকে না তেল পাব কি না। এতে করে দৈনন্দিন কাজকর্ম, বিশেষ করে যাদের চলাফেরার জন্য মোটরসাইকেলের ওপর নির্ভর করতে হয়, তাদের অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রতনের এই ব্যাটারিচালিত বাইক আমাদের কাছে নতুন আশার মতো মনে হয়েছে। খুব কম খরচে যদি ১০০-১২০ কিলোমিটার চলা যায়, এটা সত্যিই বড় একটা সুবিধা। এতে যেমন খরচ কমবে, তেমনি তেলের জন্য ভোগান্তিও কমে আসবে।

    তারা আরও বলেন, আমরা নিজের চোখে বাইকটা চলতে দেখেছি, যা আমাদের আরও বেশি আগ্রহী করে তুলেছে। ভবিষ্যতে যদি এই প্রযুক্তি আরও উন্নত করা যায় এবং সহজভাবে সবাই ব্যবহার করতে পারে, তাহলে এটি সাধারণ মানুষের জন্য একটি কার্যকর বিকল্প হয়ে উঠবে। আমরা আশা করি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন উদ্ভাবনকে সহযোগিতা করবে। যাতে রতনের মতো আরও তরুণ সামনে এগিয়ে আসতে পারে।

    এ বিষয়ে রাণীশংকৈল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. মিঠুন বলেন, রতনের এই কাজটা সত্যি অনেক ভালো লাগছে। এত কম খরচে যদি একটা বাইক চলে, তাহলে এটা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য অনেক উপকারে আসবে। এখন তেলের জন্য যে ভোগান্তি, সেটা কমাতে এই ধরনের উদ্যোগ খুব দরকার। আমি মনে করি তাকে যদি একটু সহযোগিতা করা হয়, তাহলে সে আরও ভালো কিছু করতে পারবে এবং এলাকায় এমন নতুন কিছু করার আগ্রহও বাড়বে।

    এ ব্যাপারে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম বলেন, রতন মহন্তের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি যে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার পরিচয় দিয়েছেন তা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠতে পারে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে তার এই ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এমন উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব।

    এম কে

  • ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা নেই : প্রধানমন্ত্রী

    ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা নেই : প্রধানমন্ত্রী

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। অন্য সেবার সাথেও সাংঘর্ষিক হবে না।ফ্যামিলি কার্ডকে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না। এতে বরং মূল্যস্ফীতি কমবে। স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

    সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। অন্য সেবার সাথেও সাংঘর্ষিক হবে না।

    ফ্যামিলি কার্ডকে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না। এতে বরং মূল্যস্ফীতি কমবে। স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

    আজ বুধবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সবমিলিয়ে এক লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক খরচ হবে। কৃষক কার্ডে সাত হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এটা অর্থনীতিকে কতটা সমৃদ্ধ করবে আর মূল্যস্ফীতি ঘটার সম্ভাবনা আছে কি না হাসনাত আবদুল্লাহর এ প্রশ্নেরউত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রথমেই হাসনাতের উদ্দেশে হাসির ছলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি নিজেও সাক্ষী। আপনার নির্বাচনী এলাকায় নারীরা ঘিরে ধরেছিল ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার জন্য। আপনি উত্তরে বলেছেন, চেষ্টা করবেন তাদের ফ্যামিলি কার্ড দিতে।’

    প্রধানমন্ত্রীর এমন কথায় পরক্ষণেই হেসে ফেলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

    পরে ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।’

    তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যতগুলো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু আছে, তার মধ্যে অর্থের পরিমাণে ফ্যামিলি কার্ডে টাকার পরিমাণ বেশি। আমরা গবেষণা করে দেখেছি কয়েকটি সুবিধা একই ব্যক্তি পাচ্ছেন। সেগুলোকে আমরা কাটডাউন করব। সবগুলোকে কাটডাউন করব না। যেগুলোতে রিপিটেশন আছে সেটা কেবল কাটডাউন করব। এভাবে করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাব।’ এসব সুবিধার কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি হবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা টাকা ছাপিয়ে দেবো না। বরং এতে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের কেউ বলছেন জামা-কাপড় কিনবে, কেউ বলছে বাচ্চাদের জন্য বই কিনবে। যে মানুষগুলো পাচ্ছে তারা ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করে না। তারা প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করে। তাদের ব্যবহার করা জিনিসপত্র দেশে উৎপাদিত হয়। ফলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকাটা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যবহার হবে। স্থানীয় শিল্পায়নে যাবে।

    তারেক রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড রাষ্ট্রের একটা বিনিয়োগ। যার মাধ্যমে ধীরে ধীরে স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। তাই আমাদের হিসাব বলছে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না, বরং কমবে। এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিনআহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

    এ,আর

  • চার ইটভাটায় ২০ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও ২টি

    চার ইটভাটায় ২০ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও ২টি

    ডেস্ক নিউজঃ

    পরিবেশ রক্ষা ও আইন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত এক অভিযানে একাধিক অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং দুটি ইটভাটা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম (সিনিয়র সহকারী সচিব)। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. তামিম হাসান।

    জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছিল। এতে আশপাশের কৃষিজমি, গাছপালা ও জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তর এ অভিযান পরিচালনা করে।

    সহকারী পরিচালক মো. তামিম হাসান জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী এম বি বি ব্রিকস এবং মেসার্স ডি স্টার ব্রিকস নামের দুটি অবৈধ ইটভাটা সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এছাড়া এম বি বি ব্রিকস, মেসার্স ডি স্টার ব্রিকস, এস বি এস ব্রিকস এবং মেসার্স এম বি এস ব্রিকস এই চারটি ইটভাটার প্রতিটির বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, এসব ইটভাটা অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কেটে ব্যবহার করছিল, যা কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই সঙ্গে ইট পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ক্ষতিকর গ্যাস বায়ুদূষণ বাড়িয়ে তুলছিল, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    অভিযান চলাকালে দুটি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলার দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ দূষণের শিকার হওয়া এলাকাবাসী এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানান।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশের ক্ষতি করে এমন যেকোনো অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    অভিযানে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তাদের সহযোগিতায় পুরো অভিযান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

    এম কে

  • ঠাকুরগাঁওয়ে চড়ক মেলায় বাঁশ-কাগজের শিল্পে প্রাণ ফিরল গ্রামীণ ঐতিহ্যে

    ঠাকুরগাঁওয়ে চড়ক মেলায় বাঁশ-কাগজের শিল্পে প্রাণ ফিরল গ্রামীণ ঐতিহ্যে

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের ফারাবাড়ি গ্রামের শিব মন্দির প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী চড়ক মেলা ও হস্তকারুশিল্প প্রদর্শনী। বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসব গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির প্রাণ ফিরে এনে পুরো এলাকাকে রূপ দেয় এক উৎসবমুখর জনসমুদ্রে।

    সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে শুরু হয়ে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ফারাবাড়ি এলাকা। মেলার মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় গ্রামীণ শিল্পীদের হাতে তৈরি কাগজ ও বাশের নান্দনিক শিল্পকর্ম। হাতি, হেলিকপ্টার, নৌকা, পালকি, গরু, জিরাফ, মাছসহ বিভিন্ন জীবজন্তু ও যানবাহনের প্রতিরূপে সাজানো এসব শিল্পকর্ম দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। শুধু প্রদর্শনীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এসব শিল্পকর্ম অনেক ক্ষেত্রে হাতে চালিয়ে প্রদর্শন করায় দর্শনার্থীরা পান এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা, যা মেলার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

    শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক বিশাল উৎসবে। দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ এসে অংশ নেন এই চড়ক মেলায়।

    দর্শনার্থী মানষ চন্দ্র বলেন, এই মেলায় এসে আমি সত্যিই অভিভূত ও আনন্দিত। এখানে এত মানুষের সমাগম আর কাগজ-বাঁশ দিয়ে তৈরি অসাধারণ সব হস্তশিল্প দেখে মন ভরে গেছে। গ্রামবাংলার এমন ঐতিহ্যবাহী আয়োজন যে এখনো এত সুন্দরভাবে টিকে আছে, তা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। প্রতিটি শিল্পকর্মে রয়েছে শিল্পীদের পরিশ্রম, সৃজনশীলতা আর ভালোবাসার ছাপ। পরিবার-পরিজনসহ এমন একটি উৎসবমুখর পরিবেশে সময় কাটাতে পেরে আমি খুবই খুশি।

    প্রিয়াঙ্কা রায় বলেন, এটি সত্যিই একটি ব্যতিক্রমধর্মী মেলা। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার এমন উদ্যোগ খুব কমই দেখা যায়। কাগজ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি নানান ধরনের শিল্পকর্ম হাতি, নৌকা, পালকি, জীবজন্তু ও যানবাহনের প্রতিরূপ সবকিছুই অত্যন্ত নিখুঁত ও সৃজনশীলভাবে তৈরি করা হয়েছে। এসব হাতে তৈরি শিল্পকর্ম দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। পুরো মেলা জুড়ে যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    জেলা বিএনপির সদস্য মীর জাহিদ বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকেই এই চড়ক পূজার মেলা দেখে আসছি। এটি আমাদের এলাকার একটি পুরোনো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বিস্তৃত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে ছুটে আসে শুধু এই মেলার টানেই। বিশেষ করে কাগজ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি নানান ধরনের প্রতিকৃতি হাতি, নৌকা, পালকি, গরু, বিভিন্ন জীবজন্তু ও যানবাহনের রূপ দেখতে পুরো এলাকা তখন এক জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এমন উৎসবমুখর পরিবেশ গ্রামীণ জীবনে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য সন্তোষ রায় বালু বলেন, এটি শুধু একটি মেলা নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। এখানে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, ধর্মীয় ভাবধারা এবং লোকজ শিল্প একসঙ্গে মিশে গেছে। কাগজ ও বাশ দিয়ে তৈরি নানা ধরনের শিল্পকর্ম এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। এমন আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

    মেলা কমিটির সভাপতি বাবু চন্দ্র বর্মণ বলেন, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রতি বছর এই চড়ক পূজা ও হস্তকারুশিল্প মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এটি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী একটি আয়োজন, যার মাধ্যমে গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সংমিশ্রণ তুলে ধরা হয়। এবারের আয়োজন ছিল ১০৫তম আসর।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা এবং তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য একটি উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে সবাই মিলেমিশে সংস্কৃতি উপভোগ করতে পারে।

    এম কে

  • ভুট্টাখেতে ‘পুলিশের পোশাক’, পাশেই পড়ে ছিল ছুরি

    ভুট্টাখেতে ‘পুলিশের পোশাক’, পাশেই পড়ে ছিল ছুরি

    ডেস্ক নিউজঃ

    নীলফামারীর ডিমলায় একটি ভুট্টাখেত থেকে পুলিশের ইউনিফর্মসদৃশ পোশাক, ধারালো ছুরিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ভুট্টাখেতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশের সরঞ্জাম পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় কৃষকেরা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে পুলিশের পোশাক, সিমকার্ড ও ধারালো ছুরি।

    নির্জন স্থানে পুলিশের পোশাক ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, কোনো অপরাধী চক্র বড় ধরনের অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে বা অপরাধ শেষে এসব সরঞ্জাম এখানে ফেলে গেছে।

    ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এই সরঞ্জামগুলো কোথা থেকে এল বা কারা এখানে ফেলে গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় তদন্ত চলছে।

    এম কে

  • লালমনিরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    লালমনিরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাট জেলা পর্যায়ের বালক-বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করা হয়েছে।

    আজ জেলা স্টেডিয়াম মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহ: রাশেদুল হক প্রধান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীত দাস, জেলা প্রাথমিক  শিক্ষা অফিসার মমিনুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।

    উদ্বোধনী খেলায় কালিগঞ্জ এবং পাটগ্রাম উপজেলা বালক দল ০ গোলের ড্র করে, পরে ট্রাইবেকারে পাটগ্রাম উপজেলা ৪-২ গোলে কালিগঞ্জে উপজেলা কে পরাজিত করে ।

    টুর্নামেন্টে জেলার পাঁচটি উপজেলার বালক ও বালিকা মোট দশটি দল অংশগ্রহণ করবেন। আগামী দুই মে ফাইনাল খেলার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ হবে।

    এম কে

  • সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৭৭৯২ বাংলাদেশী হজযাত্রী

    সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৭৭৯২ বাংলাদেশী হজযাত্রী

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার পাঁচ শ’ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত ৯৪টি ফ্লাইটে মোট ৩৭ হাজার ৭৯২ জন বাংলাদেশী হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো: লোকমান হোসেন জানান, আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে জেদ্দায় ৯৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার পাঁচ শ’ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। হজ কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় ৩০টি প্রধান অ্যাজেন্সি এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারীসহ মোট ৬৬০টি অ্যাজেন্সি কাজ করছে।

    এয়ারলাইনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪১টি ফ্লাইটে ১৬ হাজার ৮৬৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৩৫টি ফ্লাইটে ১৩ হাজার ৬৮১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৮টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ১৪২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

    বাংলাদেশী বাকি ৪০ হাজার ৫০৫ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সৌদি আরবে পৌঁছাবেন বলে জানান পরিচালক।

    হজ অফিস জানায়, এ বছর দেশ থেকে চার হাজার ৫৬৫ জন হজযাত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

    ঢাকায় সৌদি দূতাবাস গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৭৮ হাজার ২৯৭ জনের ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৪১৯টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৮৭৮টি। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এ, আর

  • কুলাউড়ায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত

    কুলাউড়ায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ.

    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গাজিপুর নামক স্থানে গোগালীছড়া ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গাজিপুর নামক স্থানে গোগালীছড়া ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গভীর রাতে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে ফসল রক্ষা বাঁধে এ ভাঙন দেখা দেয়।

    এ সময় পাহাড়ী ঢলে গোগালীছড়ার বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করায় সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা, হাসনপুর, শ্রীপুর, করেরগ্রাম, মিনারমহল, সৈয়দপুর, গাজিপুর, পুরন্দপুর, হরিপুর, বড়কাপন গ্রামে প্রায় ১০০ বিঘা আউশক্ষেত, বোরো ধান, আউশের বীজ তলাসহ শতাধিক ফিশারি তলিয়ে যায়

    সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নাদিম মাহমুদ রাজু জানান, বাঁধ ভেঙে সদর ইউনিয়নের গাজিপুরসহ ১৫ গ্রামের বোরো ধান নষ্ট হয়েছে।

    ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুশ শহীদ জানান, বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রামের ফসল ও মৎস্য খামারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মহিউদ্দিন জানান, কুলাউড়া ও জয়চণ্ডি ইউনিয়নে পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছি। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করছে।

    এ,আর