ক্যাটাগরি ছবি

  • দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

    দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে দায়িত্ব পালনকালে মিজানুর রহমান (৫৮) নামে এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। রোববার  সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

     

    ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হক বলেন, ঘোড়াঘাট থানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ডাক বিলির জন্য হাকিমপুর সার্কেল অফিসে রওনা করেন মিজানুর রহমান। একপর্যায়ে উপজেলার ডুগডুগি বাজার এলাকায় পৌঁছলে সেখানে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় থানা পুলিশের জরুরি মোবাইল পার্টি খবর পেয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে রংপুরে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এ/আর

  • খালেদা জিয়ার শৈশব-কৈশোর কাটানো বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শোক ব্যানার

    খালেদা জিয়ার শৈশব-কৈশোর কাটানো বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শোক ব্যানার

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    যে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে কেটেছে শৈশব ও কৈশোরের মধুময় দিনগুলো, স্কুলড্রেস পরে বই-খাতা হাতে  নিয়ে যে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে প্রতিদিন উচ্ছ্বাসে যাওয়া আসা করতেন খালেদা জিয়া, সেই দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এখন ঝুলছে ওই বিদ্যালয়ের সাবেক কৃতী ছাত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোক ব্যানার।

    শোক ব্যানারে লেখা আছে- ‘দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক কৃতী শিক্ষার্থী তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত’।

    দিনাজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা নাজমা ইয়াসমিন বলেন, দিনাজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ১৯৫৪ সালে চতুর্থ শ্রেণিতে খালেদা জিয়া ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৬০ সালে এই বিদ্যালয় থেকেই তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। পরবর্তীতে ভর্তি হন দিনাজপুর সরকারি কলেজে (পূর্বের নাম সুরেন্দ্রনাথ কলেজ)।

    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক নাজমা ইয়াসমিন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আমাদের গর্ব। আমরা গর্ব করে বলি-এই মহীয়সী নারী এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। তিনি প্রথম নারী হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এই দেশের তিনবার সফলতার সঙ্গে  প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শুধু এই বিদ্যালয়ের নয়, দেশের গর্ব। দেশ একজন অভিভাবককে  হারাল। এই সময়ে দেশের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে অনেক বেশি প্রয়োজন ছিল। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে তিনিসহ ওই স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী সবাই শোকাহত বলে জানান তিনি। আজকে (বুধবার) সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও প্রায় সব শিক্ষক-শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে এসেছেন, শোক প্রকাশ করেছেন।

    বেগম খালেদা জিয়ার স্কুলে পড়াশোনাকালে বান্ধবী দিনাজপুর শহরের মিশন রোডের সুরেন্দ্রনাথ শীলের কন্যা ঊষারাণী শীল (৮০) বলেন, আমি এবং বেগম খালেদা জিয়া দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে একসঙ্গে ছোটবেলা থেকে পড়াশোনা করেছি। স্কুলজীবন থেকেই খালেদা জিয়া একজন ভালো মনের মানুষ ছিলেন। তার কোনো অহংকার ছিল না। তিনি স্কুলে সবার সঙ্গে হাসিখুশি মনে কথাবার্তা বলতেন এবং সবসময় হাসি-খুশি থাকতেন।

    তিনি বলেন, সেই সময় দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সবচেয়ে সুন্দরী একজন স্কুলছাত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

    এদিকে শুধু দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নয়, দিনাজপুরের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শহরের দোকানপাটগুলোতে টাঙানো হয়েছে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক ব্যানার, উত্তোলন করা হয়েছে কালো পতাকা। শুধুমাত্র ব্যানার টাঙিয়ে নয়, আন্তরিকভাবেই শোকে মুহ্যমান দিনাজপুরবাসী। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার দিনাজপুর শহরের প্রায় সব দোকানপাট দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিল।

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দ্বিতীয় দিনও বুধবার দিনাজপুর শহরের জেল রোডের জেলা বিএনপি কার্যালয় এবং শহরের বালুবাড়ীর বেগম খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়ি তৈয়বা ভিলায় (বেগম খালেদা জিয়ার মাতা তৈয়বা মজুমদার) চলে কুরআনখানি।

    এ /আর

  • নদীতে ভাসছিল অজ্ঞাত দুই যুবকের লাশ

     

    বিডিডেস্ক নিউজ

    দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার কাঁকড়া নদী থেকে অজ্ঞাত দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার  দুপুরে চিরিরবন্দর উপজেলার ৯নং ভিয়াইল ইউনিয়নের কাঁকড়া নদীর লক্ষ্মীতলা ব্রিজের বানিয়াখাড়ি এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় পুলিশ ওই দুটি লাশ উদ্ধার করে।

     

     

    পুলিশ জানায়, কাঁকড়া নদীতে ভাসমান অবস্থায় দুটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরনে জ্যাকেট, মাফলার ও টুপি রয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত চিরিরবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিব বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

    এ বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার ওসি মাহমুদুনবী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই থেকে তিন দিন আগে লাশ দুটি নদীতে ভাসছে।

    তিনি আরও জানান, থানা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিচয় শনাক্তের কাজ শুরু করেছে। লাশ দুটি উদ্ধার শেষে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    এ/আর

     সম্পর্কিত খবর

  • ময়মনসিংহে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৪ বস্তা চাল জব্দ

    ময়মনসিংহে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৪ বস্তা চাল জব্দ

    ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজি দরের ১৪ বস্তা চাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের জয়পুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব চাল উদ্ধার করা হয়।

    ডেস্ক নিউজঃ

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি সিলমোহরযুক্ত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করা হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা ইছাক মিয়ার ছেলে জুবায়ের (২২) এর বসতঘর ও দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে ৩০ কেজি ওজনের ১৪ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা চালের মোট পরিমাণ ৪২০ কেজি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ হাজার টাকা।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক খলিলুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, সরকারের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুত বা বিক্রির চেষ্টা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এমন অনিয়ম প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান চলমান থাকবে।

    তিনি আরও জানান, জব্দ করা চাল বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আগামী সোমবার এসব চাল গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

    এম কে

  • সুগন্ধি ও ব্লাস্ট প্রতিরোধী নতুন দুই আমন জাত উদ্ভাবন

    সুগন্ধি ও ব্লাস্ট প্রতিরোধী নতুন দুই আমন জাত উদ্ভাবন

    বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) দীর্ঘ গবেষণায় কৃষিবিজ্ঞানে যুক্ত হলো নতুন এক পালক। উচ্চফলন, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং উচ্চ পুষ্টিগুণের সমন্বয়ে উদ্ভাবিত হয়েছে আমন ধানের দুটি নতুন জাত— ‘বিনা ধান ২৭’ ও ‘বিনা ধান ২৮’। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় জাত দুটি সারাদেশে চাষাবাদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে বিনার উদ্ভাবিত ধানের মোট জাতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি। বিনার উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষক দল এই দুটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেন।

    ডেস্ক নিউজঃ

    ফসলের বড় শত্রু ব্লাস্ট রোগ। এ রোগ মোকাবিলায় ‘বিনা ধান ২৭’ দেশের প্রথম ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী উচ্চফলনশীল আমন ধান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। উদ্ভিদ প্রজননবিদরা এতে পিআই নাইন  ও পিশ নামক দুটি কার্যকর প্রতিরোধী জিন সংযোজন করেছেন, যা ব্লাস্ট রোগের ক্ষতি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে।

    বিনার উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রধান ড. ফাহমিনা ইয়াসমীন বিনা ধান ২৭ সম্পর্কে জানান, ১২০ থেকে ১২৫ দিনের জীবনকাল সম্পন্ন এই জাতটির গাছের উচ্চতা ৯৫ থেকে ১০০ সেন্টিমিটার, ফলে ঝড়ো হাওয়ায় সহজে হেলে পড়ে না। প্রতিকূলতা জয় করে হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৬ থেকে ৬ দশমিক ৫ টন এবং অনুকূল পরিবেশে তা ৭ টন পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব। প্রচলিত জাতের তুলনায় এটি হেক্টরপ্রতি প্রায় এক থেকে আড়াই টন বেশি উৎপাদন দিতে সক্ষম। এছাড়া নিয়মিত ভাতভিত্তিক খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টির ঘাটতি পূরণেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

    অন্যদিকে বিনা ধান ২৮ সম্পর্কে ড. ফাহমিদা জানান, আমন মৌসুমে চাষাবাদের জন্য সুগন্ধি ও মাঝারি চিকন চালের নতুন জাত ‘বিনা ধান ২৮’ কৃষকের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলতে পারে। মার্কার অ্যাসিস্টেড ব্যাকক্রসিং পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত এই ধানের প্রতি কেজিতে জিংকের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৮৩ মিলিগ্রাম। শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও গর্ভবতী নারীদের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে এই জিংকসমৃদ্ধ চাল হতে পারে আশীর্বাদ।’

    ওই বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহমুদুল হাসান বিনা ধান ২৮ সম্পর্কে জানান, বিনা ধান ২৮ উন্নত সংকরায়ন ও মার্কার এসিস্টেড ব্যাকক্রসিং পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল, সুগন্ধি ও মাঝারি চিকন চালবিশিষ্ট আমন ধানের জাত। আমরা বিশ্বাস করি, এটি কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় করে তুলবে এবং দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

    তিনি আরও বলেন, এই ধানের জীবনকাল ১২০-১২৫ দিন এবং গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৬ দশমিক ৫ টন। চালের অ্যামাইলোজ ২৭ দশমিক ৪২ শতাংশ হওয়ায় ভাত ঝরঝরে ও সুস্বাদু হয়। সুগন্ধি হলেও এই জাত চাষে বাড়তি কোনো ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন নেই, যা উৎপাদন খরচ কমাবে। বাজারে এই জাতের চাল ‘গরিবের পোলাও’ হিসেবে জনপ্রিয়তা পেতে পারে।

    বিনার মহাপরিচালক ড. মো. শরিফুল হক ভূঞা বলেন, বিনা ধান ২৮ দেশের সর্বোচ্চ উচ্চফলনশীল সুগন্ধি আমন জাত হিসেবে কৃষি খাতে একটি যুগান্তকারী সংযোজন। আলোক অসংবেদনশীলতা, উচ্চ ফলন, পুষ্টিগুণ ও সুগন্ধ—সব মিলিয়ে এটি কৃষকের আয় বৃদ্ধি, ভোক্তার পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং সুগন্ধি চালের বাজারে ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • মাছ ধরতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলল দুই বস্তা সরকারি ওষুধ

    মাছ ধরতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলল দুই বস্তা সরকারি ওষুধ

    ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় জেলেরা নদীতে মাছ ধরার সময় বস্তাগুলো দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশকে এগুলো উদ্ধার করে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বুধবার (১১ মার্চ) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার তেঁতুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মসজিদ এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় জেলেরা। এ সময় জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাঁধা দুটি বড় পাটের বস্তা তাদের চোখে পড়ে।

    বস্তার ভেতরে মরদেহ থাকতে পারে এমন আশঙ্কায় স্থানীয়রা গফরগাঁও থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাগুলোর মুখ খুলে দেখে, ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে। এরপর পুলিশ বস্তাভর্তি ওষুধ থানায় নিয়ে যায়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলো ২০২৩ সালের। সে সময় কেউ হয়তো বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়। বস্তায় ভরা থাকায় এবং ওষুধের প্যাকেট সহজে নষ্ট না হওয়ায় সেগুলো নদীর তলদেশে এতদিন রয়ে গেছে।

    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

    গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • ইউটিউবই ছিল শিক্ষক, বিটরুট চাষে সফল আজিজুল

    ইউটিউবই ছিল শিক্ষক, বিটরুট চাষে সফল আজিজুল

    ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সহনাটি ইউনিয়নের পোল্ট্রিপাড়া গ্রামের কৃষক আজিজুল হক প্রতি বছর নিজের জমিতে নানা ধরনের সবজি চাষ করেন। তবে সম্প্রতি ইউটিউবের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে বিটরুট চাষের খবর দেখে তিনি এ বিষয়ে আগ্রহী হন। স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথমবারের মতো নিজের জমিতে বিটরুট চাষ করে তিনি লাভের মুখ দেখেছেন। এখন তার এই সাফল্য দেখে এলাকায় আরও অনেক কৃষক এই সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

    ডেস্ক নিউজঃ

    উপজেলা ও স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিটরুট একটি বিদেশি সবজি। এটি সালাদ, সবজি ও জুসের জন্য অভিজাত হোটেলগুলোতে চাহিদাসম্পন্ন। বিভিন্ন ওষুধি গুণসম্পন্ন এই সবজিটিকে সুপারফুড হিসেবে পরিচিতি আছে। যদিও শীতকালে উৎপাদন বেশি হয়, এখন প্রায় সব সময়ই বাজারে এই সবজি পাওয়া যায়। ডিসেম্বর মাস বিটরুট চাষের জন্য উপযুক্ত সময়। রোপণের পর প্রায় ৭৫-৮০ দিন সময় লাগে বাজারজাত করার জন্য।

    গত বছর উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে আজিজুল হক তার জমির ৫ শতাংশে বিটরুট চাষ করেছিলেন। এতে খরচ হয়েছিল ১ হাজার ৪৬০ টাকা, আর বিক্রি থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৩০ হাজার টাকা। প্রথমবারের সফলতায় উৎসাহিত হয়ে চলতি বছর তিনি ১৭ শতাংশ জমিতে বিটরুট চাষ করেছেন। এর মধ্যে ২ শতাংশ জমির উৎপাদিত বিটরুট বিক্রি হয়েছে ১৮ হাজার টাকায়। বাকি ১৫ শতাংশ জমির বিটরুট বিক্রি করে তিনি প্রায় ২ লাখ টাকার আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

    কৃষক আজিজুল হক বলেন, ইউটিউবে বিটরুটের চাষাবাদ দেখে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে এই সবজি চাষ করি। ভিনদেশি এই সবজির চাষাবাদের খবর শোনে প্রথম দিকে অনেকেই হাসাহাসি করেছে। পরে সফলতা ও চাহিদা দেখে এখন অনেক কৃষক এই সবজি চাষাবাদের জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করছে।

    উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, বিটরুটে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কপারসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রথমদিকে এই সবজি কেউ করতে আগ্রহী ছিল না। আজিজুল হকের সাফল্যে এখন এলাকার কৃষকদেরও মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। তার অনুপ্রেরণায় আশেপাশের অনেক গ্রামের কৃষকও বিটরুট চাষ শুরু করেছেন।

    ধোপাজাঙ্গালিয়ার কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিটরুট চাষ অত্যন্ত সহজ এবং খরচও কম। অনেক লাভ হয়। আগে কৃষকরা এটি জানতো না। এখন অনেকেই এই ফসল চাষে আগ্রহী।

    উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন জলি বলেন, এ উপজেলায় প্রথম বিটরুট আবাদ করে বাজিমাত করেছেন কৃষক আজিজুল হক। তার সাফল্য চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ফসল অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। আমরাও নিয়মিত তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছি।

    এম কে

  • ময়মনসিংহে পাম্পে নেই জ্বালানি, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

    ময়মনসিংহে পাম্পে নেই জ্বালানি, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

    ঈদের ছুটিতে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ময়মনসিংহের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক পাম্প বন্ধ রয়েছে, আর যেগুলো খোলা আছে সেগুলোর সামনে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেককে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। অনেক পাম্পের সামনে “স্টক শেষ” বা “তেল নেই” সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখতেও দেখা গেছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ময়মনসিংহ শহরের পুলিশ লাইন, বাইপাস মোড়সহ নান্দাইল, মুক্তাগাছা, ফুলবাড়িয়া, ত্রিশাল ও ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে নতুন করে তেল সংগ্রহ করতে না পারায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের আগে আনা তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক স্টেশন বন্ধ রাখতে হয়েছে। ইতোমধ্যে নতুন করে তেল আনতে গাড়ি ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। সরবরাহ পেলেই পুনরায় বিক্রি শুরু হবে।

    তেল সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেলসহ সাধারণ চালকরা। হাজারীবাগ এলাকার ট্রাকচালক রিয়াজ বলেন, পটুয়াখালী থেকে তরমুজ নিয়ে ভালুকা আসছি, প্রায় ৩৫টি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। কোথাও পাওয়া গেলেও ৫ লিটারের বেশি দিচ্ছে না।

    ভালুকার মেদুয়ারী এলাকার মোখলেস নামে একজন বলেন, পাম্পে তেল না থাকায় খোলা বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সেখানে প্রতি লিটার পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।

    ত্রিশালের আমিরাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রমজান বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের প্রায় সব পাম্প ঘুরেও তেল পাওয়া যায়নি। এ সংকট নিরসনে দ্রুত সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।

    একই চিত্র তুলে ধরে ময়মনসিংহ সদর এলাকার রায়হান হাবিব বলেন, তারাকান্দা থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত কোথাও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না, তবে খোলা বাজারে মিলছে।ভালুকার একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী মোস্তফা বলেন, গ্যাস ও ডিজেল পাওয়া গেলেও অকটেন নেই। সহকারী অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার শাওন বলেন, সরবরাহ না থাকায় গ্রাহকদের অকটেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

    এম কে

  • শেরপুরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

    শেরপুরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

    শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে মো. জাহিদুল হক মনির নামের এক ইউপি সদস্য ও সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোববার (১৫ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে ঝিনাইগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং–৭১৪) করেছেন তিনি।

    ডেস্ক নিউজঃ

    মনির ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতির লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।

    জিডি সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৭টা ৫২ মিনিটের দিকে তার ব্যবহৃত ০১৭৭৮৯১৯০০০ নম্বরে ০৯৬১০৯৭৩০২৮ নম্বর থেকে একটি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় লেখা ছিল, ‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও মনির। তুমি খুব তাড়াতাড়ি খুন হবা।’ এ ধরনের হুমকি পাওয়ার পর তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

    ভুক্তভোগী মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থমূলক বিষয় নিয়ে কাজ করার কারণে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করছে। অজ্ঞাত নম্বর থেকে আমাকে এ ধরনের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে থানায় জিডি করেছি।’

    ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, হুমকির ঘটনায় সাংবাদিক ও ইউপি সদস্য থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এম কে

  • শেরপুরে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    শেরপুরে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    শেরপুরে একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে পৌর শহরের মোবারকপুর কইন্যাপাড়া এলাকার একটি কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত থাকলেও, কোমরের নিচের অংশ কাটা ছিল।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে লোকজন কলাবাগানে গেলে নারীর খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহটির কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। বাকি অংশ সেখানে ছিল না। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

    এম কে