ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও নুরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর হাফেজ আমিন উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা আমির মুফতি আনিছুর রহমান, সেক্রেটারি মুফতি শিহাব উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির মাও আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, জগদিসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুর রহমান, ফুলসারা ইউনিয়নের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল আলিম, পাশাপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুল কাদের, হাকিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সভাপতি মাও. আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি হাফেজ আবু সাঈদ প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবু জাতির জন্য জীবন দিতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেননি। এখন তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব দেশবাসীকে বিশেষ করে সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে ভিক্ষা চান না। তাঁরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চান।
    তিনি আরো বলেন, আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একশ শয্যা কার্যক্রম আগামি এক মাসের মধ্যে চালু হবে।
    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, কারো পিছনে না লেগে চৌগাছা- ঝিকরগাছা উন্নয়নে ভোটের আগে ও পরে সকলেই এক সাথে কাজ করতে হবে।
    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

     

  • শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাবেক তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার

    শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাবেক তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান পান্থ (১৮) হত্যা মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (৪ আগস্ট) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন। এদিন তাদের কেরানীগঞ্জে বিশেষ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরিফ হোসাইন গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।  আদালত এটি মঞ্জুর  ফের তাদের করে ফের কারাগারে পাঠায়।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় তোলারাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাহাদী হাসান পান্থ আন্দোলনে অংশ নেন। ঘটনার দিন বিকেল ৪টায় আসামিদের ছোড়া গুলি তার মুখের সামনের অংশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ৮ নভেম্বর কদমতলী থানায় মামলা হয়। এ মামলায় রাশেদ ৭, ইনু ৮ ও পলক ৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

    গত বছরের ১৪ আগস্ট রাতে পলককে গ্রেপ্তার করা হয়। ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ২৬ আগস্ট হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর অর্ধশতাধিকের বেশি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

     

  • জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিহত করতে হবে: ডা. তাহের

    জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিহত করতে হবে: ডা. তাহের

    নিউজ ডেস্ক:

    জুলাইয়ের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, জুলাইয়ের ফসল ভোগকারীদের মাঝে বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এই বিশ্বাসঘাতকদেরকে চিনে প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে হবে। ক্ষমতার মসনদ থেকে তাদেরকে চিহ্নিত করে বের করে দিতে হবে।

    রোববার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান–২০২৪’ শীর্ষক স্মৃতি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. তাহের বলেন, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা, সুষ্ঠু রাজনৈতিক কালচার তৈরি, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন করার জন্য যা কিছু সংস্কার করার প্রয়োজন এ সরকারকে করতে হবে। না হলে জনগণ ও শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে ইতিহাস তাদেরকে চিহ্নিত করবে।

    তিনি বলেন, যারা সংস্কারে বাধা দিচ্ছে তারা সংস্কারকে গ্রহণ করতে চায় না, যারা সংস্কারের আইনি ভিত্তি অনুভব করে না, তারাই নির্বাচন বিরোধী। তারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। তারা যেনতেন নির্বাচন করে বাংলাদেশকে আবার পিছিয়ে সেই ১৫ বছরের জঞ্জালে নিয়ে যেতে চায়।

    সরকারকে বলব, যেখানে যেখানে সংস্কার প্রয়োজন-নির্দ্বিধায় করতে হবে। কোন দল মানে আর কোন দল মানে না-বাংলার জনগণ এটা শুনতে চায় না। একথা বাংলাদেশের মানুষ মানে না।

    তিনি বলেন, আমরা বড় ধরনের চক্রান্তের কথা শুনছি। আমাদের চেতনাকে আবার মুছে ফেলার জন্য, রাষ্ট্র কাঠামোকে আবার পূর্ণভাবে উল্টে ফেলার জন্য এবং জুলাইয়ের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্ত হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় ছিল, থাকবে। এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান করব, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে ষড়যন্ত্রকারী নয়, বিশ্বাসঘাতকদের নিয়ে একটু আতঙ্কিত হই। কারণ কাজের মানুষ বিশ্বাসঘাতকতা করলে তা মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে যায়।

    ডা. তাহের বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে তিনটি কথা বলেছিলাম। সংস্কার ও খুনি-দোষীদের দৃশ্যমান বিচার সুস্পষ্টভাবে অর্জনের পর নির্বাচনের কথা বলেছিলাম। আমরা নির্বাচন চাই। কিন্তু যেনতেন নির্বাচন চাই না। আমরা হাসিনা মার্কা লুটপাট, কেন্দ্র দখলের নির্বাচন চাই না। দিনের নির্বাচন রাতে অনুষ্ঠিত হওয়া চাই না। তিনি শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সরকারসহ সকল পক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্দোলনে ত্যাগ ও অবদান রাখা সকল শ্রেণির মানুষ যাতে বৈষম্যহীনভাবে যেন যার যার প্রাপ্যতা সঠিকভাবে পেতে পারে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাইকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধারণ করতে হবে। কেউ যেন এটাকে বিকৃত করতে না পারে। তিনি একবছরের গণহত্যার বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিচারে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। বিচার দ্রুত করতে হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে রাষ্ট্রকে যেভাবে পরিচালনার দরকার ছিল তা দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলোতে জুলাইয়ের চেতনা ধারণে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে শিবির সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, শহিদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। এসময় জুলাই স্মৃতি লেখা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

  • ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটন না করে ঘরে ফিরতে পারিনা:  নাহিদ ইসলাম

    ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটন না করে ঘরে ফিরতে পারিনা: নাহিদ ইসলাম

    নিউজ ডেস্ক:

    আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে এক দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তির দিনে সেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে দেশে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটনের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। গত বছর ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদই শেখ হাসিনার সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা করেছিলেন।

    ৩ আগষ্ট রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম অভ্যুত্থানের পরে তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গড়ে তোলার পেছনে যে আকাঙ্ক্ষা কাজ করেছে, সেটি তুলে ধরেছেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের এক দফা দাবি ছিল, আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করতে চাই। কেবল এক ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা হটিয়ে, আরেক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা উত্থানের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখে আমরা নিশ্চিন্তে ঘরে ফিরতে পারি নাই। বরং রাষ্ট্র ও সমাজে দীর্ঘদিন জেঁকে বসা এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উটপাটনে আপনাদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে আমরা আপনাদের ছাত্র–শ্রমিক–জনতা ও রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠন করেছি।’

    সমাবেশ থেকে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ শিরোনামে ২৪ দফা ঘোষণা করেন নাহিদ ইসলাম। এতে সংবিধান সংশোধনসহ রাষ্ট্র ও জনগণের উন্নতির লক্ষ্যে বিভিন্ন দাবি, এনসিপির ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণ–অভ্যুত্থানের এক বছর পরে বাংলাদেশে এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরা আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের দ্বিতীয় রিপাবলিকের ২৪ দফা ইশতিহার ঘোষণা করছি।’

    জাতীয় নাগরিক পার্টির এই ২৪ দফার মধ্যে রয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি ও বিচার; নতুন সংবিধান ও সেকেন্ড রিপাবলিক; গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার; ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা ও আইন সংস্কার; সেবামুখী প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন; ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার; টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষানীতি; সর্বজনীন স্বাস্থ্য; ধর্ম, সম্প্রদায় ও জাতিসত্তার মর্যাদা; কল্যাণমুখী অর্থনীতি; জনবান্ধব পুলিশ; নারীর নিরাপত্তা, অধিকার ও ক্ষমতায়ন; গবেষণা, উদ্ভাবন ও তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লব; তারুণ্য ও কর্মসংস্থান; বহুমুখী বাণিজ্য ও শিল্পায়ন নীতি; টেকসই কৃষি ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব; স্বাধীন গণমাধ্যম ও শক্তিশালী নাগরিক সমাজ; শ্রমিক-কৃষকের অধিকার; জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নগরায়ণ, পরিবহন ও আবাসন পরিকল্পনা; জলবায়ু সহনশীলতা ও নদী-সমুদ্র রক্ষা; প্রবাসী বাংলাদেশির মর্যাদা ও অধিকার; বাংলাদেশপন্থী পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল।

    সমাবেশে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি হলো সমস্যা সমাধানের রাজনীতি। আমরা দেশব্যাপী ঘুরে মানুষের সকল সমস্যা শুনেছি। মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করব।’

    তাসনিম জারা আরও বলেন, ‘আমরা এমন রাজনীতি করব, যাতে দেশের প্রতিটা মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারে। সকল দলমতের মানুষ রাজনীতি করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করব। এমন রাজনীতি করব, যাতে প্রবাসী ভাইয়েরা ভোট দিতে পারেন। যাতে সকল নাগরিকের অধিকার থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এমন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলব, যাতে দেশের সকল নাগরিকের স্বাস্থ্যের তথ্য ডেটাবেজ থাকবে। এতে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট করা ও ভুল চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ হবে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসাকে শক্তিশালী করব। যাতে মানুষ প্রতিটি এলাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পায়।’

    এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাহাত্তরের সংবিধান একটা দলের ছিল, যে সংবিধান আরেকটা দেশ থেকে পাস হয়ে এসেছে। এই মুজিববাদী সংবিধান আর বাংলাদেশে থাকতে দিতে পারি না। আমরা আজ এই মঞ্চে মুজিববাদী সংবিধান ভেঙেচুরে শেষ করে দিয়ে নতুন সংবিধান চাইতে এসেছি।’

    সারজিস আরও বলেন, ‘এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে যারা ছিল, তাদের অনেকে আজ শহীদ। তাদের পরিবার এখানে আছেন। আমরা এই শহীদ ভাইদের হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। আমরা এই সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চেয়েছি। আমরা শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন চাইতে এসেছি। আমরা আহত যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিতে এখানে এসেছি।’

  • মুজিববাদী সংবিধান রাখতে চাইনা: সারজিস আলম

    মুজিববাদী সংবিধান রাখতে চাইনা: সারজিস আলম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাহাত্তরের সংবিধান একটা দলের ছিল। যে সংবিধান আরেকটা দেশ থেকে পাস হয়ে এসেছে। এই মুজিববাদী সংবিধান আর বাংলাদেশে থাকতে দিতে পারি না। আমরা আজ এই মঞ্চে মুজিববাদী সংবিধান ভেঙে চুরে শেষ করে দিয়ে নতুন সংবিধান চাইতে এসেছি।

    রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, ২৩ বছরে পাকিস্তান শাসনে ছিলাম, অধিকার পাইনি। ৫৪ বছরেও দেশেও অধিকার পাইনি। আজ থেকে এক বছর আগে আমরা এই শহীদ মিনার ছিলাম। এদিন হাসিনার পতনের ডাক এসেছিল। এক বছর হয়ে গেছে আজও আমাদের অধিকার পাইনি। আমরা আর হতাশার কথা শুনতে চাই না।

    সারজিস আলম বলেন, এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে যারা ছিল, তাদের অনেকে আজ শহীদ। তাদের পরিবার এখানে আছে। আমরা এই শহীদ ভাইদের হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। আমরা এই সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চেয়েছি। শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহত যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এখানে এসেছি।

    এনসিপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের লড়াই ২৪ এর নয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে, ১৩ সালে শাপলা চত্বরে যারা নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের বিচার চাইতে এসেছি। এই বাংলাদেশে যেমন জঙ্গিবাদ মেনে নেব না, তেমনি জঙ্গি নাটকও মেনে নেব না। এই বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটি নামে সব দালালকে আর মেনে নেব না।

  • ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ ইসলাম

    ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ ইসলাম

    ডেস্ক নিউজ:

    হৃদযন্ত্রের ব্লক সারাতে বাইপাস সার্জারির জন্য রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র আহ্বায়ক সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি গুলশানের ইউনাইডেট হাসপাতালে যান। সেখানে আমীরের কেবিনে তারা একান্তে কথা বলেন। এ সময় নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ছিলেন- এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। আমীরে জামায়াতের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মানবজমিনকে রাতে এ তথ্য জানান। সেই সঙ্গে তিনি এ সংক্রান্ত একটি ছবিও শেয়ার করেন।

    পিএস  বলেন, বাইপাস সার্জারির জন্য আমীরে জামায়াতের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যেটুকু রেজাল্ট হাতে পেয়েছেন তাতে তিনি শারীরিকভাবে ফিট আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী শনিবার তার অপারেশন হবে।

  • চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহীদ মুকুলের পরিবারে জামায়াতের ২ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান

    চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহীদ মুকুলের পরিবারে জামায়াতের ২ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় জুলাই বিপ্লবে শহীদ মাসুদ রানা মুকুলের পরিবারের হাতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আমীর ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রুহুল আমিন।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টায় শহীদের স্ত্রী ও শিশু কন্যা আরবীর হাতে তিনি এই নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় তিনি পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে যে কোন প্রয়োজনে পাশে থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি জুলাই বিপ্লবে সরাসরি অংশ গ্রহণকারী এই বীরের আত্মত্যাগ গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, জেলা সহকারী সেক্রেটারী ও সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদের, জেলা বায়তুল সেক্রেটারী মোঃ কামাল উদ্দীন, দর্শনা থানা আমির মাওলানা রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা থানা আমীর নায়েব আলী, দর্শনা পৌর আমীর সাহিকুল আলম অপু, নায়েবে আমীর গোলজার হোসেন, পৌর সেক্রেটারী শাহরিয়ার আলম দবির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর হোসাইন, সাবেক সভাপতি হাফেজ এমদাদুল্লাহ জামেন প্রমুখ।

    এ সময় শহীদ মাসুদ রানার শ্বশুর দর্শনা আজমপুরের অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মচারী বাবুল মিয়া আগত নেতৃবৃেন্দর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    শহীদ মাসুদ রানার মাগফিরাত কামনা, তার একমাত্র কন্যা ও বিধবা স্ত্রীর মঙ্গল কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আজিজুর রহমান।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগের দিন ৪ আগস্ট সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে উত্তাল ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের কাছে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন মাসুদ রানা মুকুল (৩৫)। মাসুদ রানা মুকুল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের স্কুল পাড়ার আব্দুর রায়হান ও জাহানারা খাতুনের ছোট ছেলে। আব্দুর রায়হান ও জাহানারা দম্পতির তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা মুকুল ঢাকার একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের লিফট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকুরী সুত্রে মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় সনি সিনেমা হলের পেছনের দিকে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের নিরলসভাবে সহযোগিতা করেছেন শহীদ মাসুদ রানা মুকুল।

    বিডি/ এআর

  • জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না দিলে মামলা করবে জামায়াত

    জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না দিলে মামলা করবে জামায়াত

    নিউজ ডেস্ক:

    জুলাই সনদের বিষয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি বলছে, জুলাই সনদের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কিন্তু আমরা মনে করি, শুধু প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করলে হবে না। আইনি ভিত্তি না থাকলে এই চার্টার মূল্যহীন হয়ে পড়বে। সে জন্য আমরা কমিশন এবং সরকারের বিরুদ্ধে কমপেনসেট (ক্ষতিপূরণ) মামলা করব। আইনগত ভিত্তি ছাড়া জুলাই সনদে জামায়াত স্বাক্ষর করবে না বলেও জানান তিনি।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে চলমান সংলাপের বিরতির সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন তিনি।

    নায়েবে আমির আরও বলেন, গত ৫৪ বছরের নির্বাচনী পদ্ধতিতে বাংলাদেশে দলীয়করণ, দখল, দূষণ, ভুয়া নির্বাচন, ভোটারবিহীন ঘোষণা ও রাতের নির্বাচনসহ নানা অপসংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ফলে আমরা মনে করি, এখন সারা বিশ্বে প্রায় ৯০টি দেশে যেভাবে পিয়ার পদ্ধতি আছে, বাংলাদেশেও তা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, পিয়ার পদ্ধতি এখন আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া প্রতিটি মহাদেশেই আছে। গরিব-ধনী বা কালো-সাদার ভেদে নয়, এটি একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা। এমনকি অনেক দেশ প্রতি বছর নতুনভাবে এই পদ্ধতি গ্রহণ করছে।

    ডা. তাহের বলেন, গত ২৩ দিনে আমরা যে সংখ্যক ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেখেছি, তা আগের ২২ দিনে দেখিনি। তবুও এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। একজন ‘না’ বলতেই পারেন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ পক্ষে থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্যতা পায়। আইনি ভিত্তি দেওয়া এখনই সম্ভব। অলটারনেটিভ আছে, উদাহরণ আছে। যারা বলছেন এটা এখন দেওয়া যাবে না, তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন।

    তাহের বলেন, আইনি ভিত্তি না দিলে আমরা এই সংস্কার প্রক্রিয়াকে অসমাপ্ত মনে করব। সই করলেই যদি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে এটা এক ধরনের প্রহসন। সুতরাং আমরা সরকার ও কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি — তারা যেন নিজেদের ওয়াদা বাস্তবায়নের জন্য এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, আমরা জাতির সঙ্গে আর কোনো তামাশা হতে দেব না।

  • তিন বাহিনী প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ রাষ্ট্রপতির অধীন

    তিন বাহিনী প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ রাষ্ট্রপতির অধীন

    নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইমস ডট কম

    তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) মহাপরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এ প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা হয়।

    এর আগে বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিয়ে একটি ধারণাপত্র তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়েছেন।

    বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে ঐকমত্য কমিশন আরও কিছু নিয়োগে রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে।

    তিন বাহিনীর প্রধান ও দুই গোয়েন্দাপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতার বিষয়টির পাশাপাশি আরও ৯টি নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ঐকমত্য কমিশন। অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য।

    ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, এসব প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচনার জন্য দেওয়া হয়েছে।

    বিডি/আরআই

  • ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন দলের নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

    বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বুধবার অসুস্থ হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন। এই মুহূর্তে দেশ ও জাতির সার্বিক পরিস্থিতিতে তার অবদান খুবই প্রয়োজন।

    তিনি আরো বলেন, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করার জন্য আমরা দেশের সকল নাগরিক, সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি এবং দেশে-বিদেশে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আল্লাহ তাআলা যেন জামায়াত আমিরকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার তাওফিক দান করেন, আমীন।