ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ

    সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ৩৬টি মনোনয়নপত্রই বৈধ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে শুরু হয় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। পরে বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

    এ সময় স্বতন্ত্র জোট মনোনীত সুলতানা জেসমিনের মনোনয়নপত্রও প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করে কমিশন। তবে স্বতন্ত্রভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা তিনজন মাহবুবা রহমান, শারমিন আক্তার এবং মেহেরুন নেছার মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।

    যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা ২৬ এপ্রিলের মধ্যে আপিল করতে পারবেন বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    এদিকে বুধবার এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনকে প্রয়োজনীয় নথি প্রদানের জন্য আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত সোমবার (২০ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

    তারা হলেন-সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুন রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, মোছা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার (ঠাকুর), শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মার্মা, সেলিনা সুলতানা এবং রেজেকা সুলতানা।

    ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ২১ এপ্রিল এবং ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাই। ২৬ এপ্রিল বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিষয়ে আপিল করা শুরু হয়ে এর নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

    ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    এআর/এনআর

  • জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে কমিটির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে কমিটির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের সমস্যার সমাধানের সুপারিশ করতে সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই মধ্যে তিনি জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে সভাপতি করে সরকারি দলের পাঁচ সদস্যের নামের কথা জানিয়েছেন। বিরোধী দলকে পাঁচ সদস্যের নাম দিতে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় কমিটি গঠনের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    গতকাল বুধবার জ্বালানি সংকট নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি দল এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সকলে আলোচনা করে একমত হয়েছিলাম বা একটি বিষয়ে আমরা উপনীত হয়েছিলাম এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, সারা বিশ্বেই এই সমস্যার তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা উনার বক্তব্যে বাংলাদেশের যে উদ্বেগ সেটি জানিয়েছেন এবং উনারা প্রস্তাব দিয়েছেন, উনাদের কাছে কিছু পরামর্শ আছে, সরকারি দল এবং বিরোধী দল একসঙ্গে সেই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে পারি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সব সময় দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো আলোচনা, যে কারও সঙ্গে করতে প্রস্তুত রয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, আমাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। আমি বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিরোধী দলকে অনুরোধ করব, উনারাও যদি পাঁচজনের নাম দেন, তাহলে এই ১০ জন ব্যক্তি বসে এই বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা করতে পারে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো পরামর্শ থাকলে এই কমিটির মাধ্যমে সেটি সরকারের কাছেও আসল এবং সেটার মধ্যে কোনো বাস্তবতা থাকলে অবশ্যই সেটি কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’

    কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকবেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। অন্য চার সদস্য হলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), মঈনুল ইসলাম খান এবং মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

    প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বলেন, ‘আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে অনুরোধ করব উনাদের পক্ষ থেকে নামগুলো যদি দ্রুত আমাদের কাছে দেন, তাহলে কমিটি দ্রুত কাজ শুরু করতে পারবে।’

    পরে বিরোধীদলীয় নেতাকে ফ্লোর দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। আমরা আশা করি, এই সংসদ জাতীয় সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে ইনশা আল্লাহ এবং আমরা মনে করি, এই সংসদের জন্য এটি একটি নবযাত্রা। এটাকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং আমরা শিগগিরই ইনশা আল্লাহ নাম প্রদান করব।’

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আশা করি অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিরোধী দলের নেতা পাঁচজন সদস্যের নাম দেবেন। কারণ, এই সংসদ (অধিবেশন) এ মাসের শেষেই শেষ হবে। আপনাদের এই বক্তব্যের ফলে জনগণের মনে অনেক আশা সঞ্চার হয়েছে। সরকার এবং বিরোধী দল এইভাবে যদি সহযোগিতার মাধ্যমে অগ্রসর হয়, তবে দেশের কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।’

    এআর/এমআর

  • ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান অব্যাহত, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে : মন্ত্রী

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান অব্যাহত, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে : মন্ত্রী

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় চর্চা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার এসব অনুদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় সেবাদানকারীদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

    আজ বুধবার সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, দেশের মসজিদসমূহে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের যথাক্রমে পাঁচ হাজার, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান, হিন্দু মন্দির, শ্মশান, বৌদ্ধ মন্দির ও শ্মশান, খ্রিস্টান গির্জা ও সেমিট্রিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    মন্ত্রী জানান, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে বর্তমান অর্থবছরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চার কোটি ৫০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হবে। এছাড়া বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রতিবছর বৌদ্ধ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ বিহার ও উপাসনালয়ে বিশেষ অনুদান বিতরণ করা হয়। এ অনুদান প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বরাদ্দের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। একই সাথে ট্রাস্টের নিজস্ব তহবিল থেকেও বিহার, উপাসনালয় ও শ্মশানের সংস্কার ও মেরামতে সহায়তা দেয়া হয়।

    তিনি জানান, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমেও দেশের চার্চ, গির্জা, উপাসনালয় ও তীর্থস্থানগুলোতে প্রতিবছর উৎসবভিত্তিক অনুদান দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ বরাদ্দের ভিত্তিতে এ অনুদান বিতরণ করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি ট্রাস্টের নিজস্ব তহবিল থেকে চার্চ, গির্জা, উপাসনালয় ও কবরস্থানের সংস্কার ও মেরামতের জন্যও অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

    মন্ত্রী বলেন, সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় চর্চা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার এসব অনুদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    এ/আর

  • আইন প্রয়োগহীনতার কারণে দেশে অপরাধ বেড়েই চলছে,মাওলানা ইউনুস আহমদ

    আইন প্রয়োগহীনতার কারণে দেশে অপরাধ বেড়েই চলছে,মাওলানা ইউনুস আহমদ

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    অধ্যক্ষ ই্উনুস আহমদ বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিচারব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। অপরাধীর দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরো দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

    দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির তথ্য উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেছেন, গত তিন মাসে সারাদেশে ৮৫৪টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। গড়ে প্রতিমাসে খুনের ঘটনা ২৮৪টি এবং প্রতিদিন ৯টার বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। গণঅভ্যুত্থানের পরের বছর ২০২৫ সালে এবং তার আগের বছরও তুলনামূলক কম খুন হয়েছে। চলতি বছরের তিন মাসে ডাকাতি হয়েছে ১৩৩টি, ছিনতাই ৪৩৯টি ও চুরির ঘটনা ২ হাজার ৩১৮টি। নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৯৪৭টি। তিন মাসে পুলিশের ওপরে হামলার ঘটনা ঘটেছে ১৪৭ বার। এই মাত্রার অপরাধ আসলেই উদ্বেগজনক। এই তিন মাসের দেড়মাস নির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ পরিচালিত হয়েছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরে আশা করা হয়েছিলো, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু আশাব্যাঞ্জক কিছু চোখে পড়ছে না। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশে বিভিন্ন থানা ও পুলিশের স্থাপনা থেকে পাঁচ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ছয় লাখ ৫২ হাজার আট রাউন্ড গুলি লুট হয়েছে। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৩২৩টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। গুলি উদ্ধার হয়নি দুই লাখ ৫৭ হাজার ১৪৪ রাউন্ড। এসব অস্ত্র অপরাধে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সার্বিকভাবে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। জনমনে আশঙ্কা বিরাজ করছে।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, আইনের দুর্বলতা অপরাধ প্রবণতার পেছনে প্রধান কারণ । অপরাধ যত বড়ই হোক না কেন, ছয় মাসের মধ্যে জামিনে বের হওয়া যায়। আর কোনো অপরাধীর চূড়ান্ত বিচার এবং তা কার্যকর করার হার এতো কম যে, শাস্তির ভয় অপরাধীদের মনে স্থানই পায় না। ফলে অপরাধ করতে অপরাধীরা দ্বিতীয়বার ভাবছে না। এর সাথে রয়েছে আইনের প্রয়োগহীনতা। অপরাধীদের পাকড়াও করতে প্রশাসনের অনীহা, পাকড়াও করলেও নানাভাবে মামলার ইজহার দুর্বল দেখানো, সাক্ষী উপস্থাপন না করা ইত্যাদি কারণে অপরাধীদের প্রকৃত বিচার হয়-ই না। ফলে দেশে খুন, গুম, ছিনতাই, ডাকাতি বেড়েই চলছে।

    অধ্যক্ষ ই্উনুস আহমদ বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিচারব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। অপরাধীর দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরো দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

    এ/ আর

  • জিও জারি  উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ আমার দেশ অনলাইন

    জিও জারি উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ আমার দেশ অনলাইন

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    > জাতীয়

    জিও জারি

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    আমার দেশ অনলাইন

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ
    ছবি: সংগৃহীত

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    বিজ্ঞাপন

    তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রীর পরামর্শক্রমে ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বরাবর জারি করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন বা পুরাতন ভবনে যেখানে যে অবস্থা আছে, সেখানেই এটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্যদের বসার জন্য একটি কক্ষ রেডি করে দেওয়া হবে। বিধিমালা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নামে সরাসরি কক্ষ বরাদ্দের সুযোগ না থাকায় এই কক্ষটির নাম হবে ‘পরিদর্শন কক্ষ’। এখানে বসে এমপিরা তাদের প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় ব্যয় করার সুযোগ পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় যদি একাধিক উপজেলা থাকে, তবে প্রতিটি উপজেলাতেই তার জন্য এমন অফিস বা পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সব সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

    আজ থেকেই জিও জারি হওয়ায় সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্ষটি প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য জানান

  • সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৫ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিএনপির

    সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৫ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিএনপির

    ডেস্ক নিউজ:

     

    সংরক্ষিত নারী ৩৫ আসনের পার্টি তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। সোমবার দুপুরে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ তালিকা প্রকাশ করেন।

    সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীরা হলেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান।

    মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা, রেজেকা সুলতানা।

  • পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

    পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    ‘বিশ্ব আজ নানা সঙ্কট ও সঙ্ঘাতে বিপর্যস্ত। এ প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরো জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি-এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।’

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

    আগামীকাল ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেয়া এক বাণীতে তিনি পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের সাথে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তার ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।’

    তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, বৈশাখী শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদেরকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

    তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হলো কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এ কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সঙ্কট ও সঙ্ঘাতে বিপর্যস্ত। এ প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরো জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি-এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে তিনি আবারো আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

    এ/আর

  • যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

    যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
    বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন

    যশোর প্রতিনিধি: যশোরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় যশোর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ শিবির আয়োজন করা হয়। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা জামায়াতের আমির ও যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল। এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস ও বেলাল হুসাইন।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, আহসান কবীর, জেলা প্রচার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস ও শিহাব উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবারক হুসাইন বলেন, জামায়াতে ইসলামী সংসদে এবং সংসদের বাইরে ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে জামায়াত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলের নেতৃবৃন্দ অতীতে জীবন দিয়ে শহীদ হয়েছেন, তবুও তারা কখনো দেশবিরোধী শক্তির কাছে মাথা নত করেননি।

    শিক্ষা শিবিরে যশোর জেলার ১১টি সাংগঠনিক শাখা থেকে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

    আর আই খান
  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

    ঢাকা অফিস: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। মনোনয়ন ফরম বিক্রির উদ্বোধন করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
    শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    এদিন রুহুল কবির রিজভী জানান, আওয়ামী লীগের শাসনামলে যারা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলে থাকার কারণে বিএনপির নারী নেত্রীদের কারাবরণসহ নানা ধরনের নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তাই দলীয় মনোনয়ন বোর্ড সবদিক বিবেচনা করে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করবে—এটাই সবার প্রত্যাশা।

    মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান রিজভী। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় সংসদে কার্যকরভাবে কথা বলার সক্ষমতা। আগামী ১২ মে ভোটের দিন রেখে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল।

    আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। এর মধ্যে বিএনপির জন্য ৩৬টি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য একটি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

    আর আই খান

  • ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    ডেস্ক নিউজ:

    খুলনা-৫ আসনের ফুলতলায় এক জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরটিতে আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মশিয়ালী গ্রামের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা শোকর আকুঞ্জির বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। সকলে মিলে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে শোকর আকুঞ্জির একটি কাঠের জ্বালানি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

    খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ হাসান মাহামুদ টিটো বলেন, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকার দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তারাই মূলত এই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল খুলনা-৫ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার  ঘটনাস্থলে যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খানজাহান আলী থানার এসআই রুবেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।