ক্যাটাগরি খাবারের গুনাগুন

  • শসা খোসাসহ খাবেন? নাকি ছাড়িয়ে

    শসা খোসাসহ খাবেন? নাকি ছাড়িয়ে

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

     

    ওজন কমাতে বা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে শসা অনেকেরই প্রিয় খাবার। তবে শসা খাওয়ার একটি সাধারণ অভ্যাস খোসা ছাড়িয়ে ফেলা। কিন্তু আসলে তা কতটা সঠিক, এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। অনেকেই ভাবেন খোসা বাদ দিলে শসা বেশি নিরাপদ বা সুস্বাদু হয়, কিন্তু এতে কি পুষ্টিগুণ কমে যায়?

    সম্প্রতি এক পুষ্টিবিদ জানিয়েছেন, শসার প্রকৃত উপকারিতা পেতে হলে এটি খোসাসহ খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তার মতে, শসার খোসাতেই থাকে এর গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানের বড় অংশ যেমন ফাইবার, সিলিকা, ভিটামিন কে এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। খোসা ছাড়িয়ে ফেললে এই পুষ্টিগুলো অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়, ফলে শসা মূলত পানিসমৃদ্ধ একটি খাদ্যে পরিণত হয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শসার খোসায় থাকা ইনসলিউবল ফাইবার হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

    তবে খোসাসহ শসা খাওয়ার আগে একটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে গরম পানি ও ব্রাশ ব্যবহার করে পরিষ্কার করা যেতে পারে। সম্ভব হলে ভালো শসা বেছে নেওয়াই উত্তম।

    পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, শসা খাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো খোসাসহ খাওয়া। এর সঙ্গে সামান্য লবণ যোগ করলে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা বিশেষ করে গরমে শরীরকে সতেজ ও হাইড্রেটেড রাখতে উপকারী।

    বি/ এ

  • এক পাঙাস সাড়ে ২৩ হাজারে বিক্রি

    এক পাঙাস সাড়ে ২৩ হাজারে বিক্রি

    ডেস্ক নিউজ:

    বরগুনার পাথরঘাটায় জেলের বরশিতে ধরা পড়েছে সাড়ে ২৩ কেজি ওজনের একটি পাঙাস মাছ। শুক্রবার  বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কালমেঘা বাজারের স্লুইসগেট এলাকায় রিয়াজ হোসেন নামের এক জেলের বরশিতে এ মাছটি ধরা পড়ে।

    জেলে রিয়াজ হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেই স্লুইসগেটে বরশি পেতে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর হঠাৎ বরশিতে শক্ত টান অনুভব করলে বড় কোনো মাছ আটকে পড়েছে বুঝতে পারেন। বরশি টেনে তুলতেই দেখা যায় বিশালাকৃতির এ পাঙাস মাছটি।

    পরে দুপুর ১২টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য স্থানীয় কালমেঘা বাজারে নিয়ে গেলে মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রাজু মিয়া কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকা দরে মোট ২৩ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন।

    ব্যবসায়ী রাজু মিয়া বলেন, পাঙাসটির গুণগত মান ভালো হওয়ায় ঢাকায় দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি সম্ভব বলে আশা করছি। দুপুরেই মাছটি পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

  • নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    জেলা প্রতিনিধ, চুয়াডাঙ্গা :

     

    কৃষিেত পরিবেশসম্মত ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুইষ্ঠত হয়েছে।  ২৬ নভেম্বর বুধবার দুপুরে  দামুড়হুদার কোষাঘাটার গো গ্রীন সেন্টার ট্রেনিং রুমে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    ‘পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন পদ্ধতি সম্প্রসারণকল্পে এগ্রো ইকোলজিকাল লার্নিং সেন্টার প্রতীষ্ঠা শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ প্রকল্প’-এর আওতায় এই কর্মশালাটি আয়োজিত হয়।

    কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আল-সাবা।

     অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কৃষি পণ্য উৎপাদনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।  এবং কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণে সহায়তার আশ্বাস দেন।
     অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক  এবং অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও কৃষকদেরকে অবহিত করা হয়। অতিরিক্ত টিএসপি সার ব্যবহারের ফলে মাটিতে পিএইচ এর মাত্রা কমে যাচ্ছে বলে কৃষকদেরকে সতর্ক করেন  এই কর্মকর্তা। এসময় কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।
    কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ। প্রধান সমন্বয়কারী এগ্রো ইকোলজিকাল প্রকল্পশাখাওয়াত হোসেন, চুয়াডাঙ্গা এগ্রো-এর উদ্যোক্তা ইরফান বিশ্বাস এবং মর্ডান এগ্রো এর সেলিম রেজা।
    কর্মশালায় উপস্থিত কৃষকদের পরিবেশসম্মত কৃষি পদ্ধতির গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয় এবং তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়।
    বি/এ
  • শীতের রোগ মোকাবিলায় পালংশাক

    শীতের রোগ মোকাবিলায় পালংশাক

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    বাজারে এখন শীতের নানারকম শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে। এই সময় বিভিন্ন রকম রোগের প্রকোপও বাড়ে। শীতে সুস্থ থাকতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। সেক্ষেত্রে ডায়েটে রাখতে পারেন পালং শাক। নিয়মিত এই শাক খেলে নানা ধরনের উপকারিতা মেলে। যেমন-

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: পালং শাকের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং এ রয়েছে। এর ফলে সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকা সম্ভব। পালং শাকের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট দেহের প্রদাহ মোকাবিলায় বিশেষ উপকারী।

    হজমশক্তি বাড়ায়: পালং শাকের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকায় তা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া পালংয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ় এবং উদ্ভিজ্জ এনজ়াইম থাকায় খাবার সহজেই হজম হয়।

    ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: পালং শাকে থাকা ভিটামিন ই এবং আয়রন ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এই শাকে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে। পালং শাকে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন চোখের নীচের ফোলা ভাব কমায়। সেই সঙ্গে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর করতে সাহায্য করে।

    ক্লান্তি দূর করে: পালং শাকে থাকা আয়রন, ফোলেট এবং ম্যাগনেশিয়াম দেহে শক্তি বাড়ায়। এর ফলে ক্লান্তি দূর হয়।

    ওজন নিয়ন্ত্রণ করে : শীতের সময়ে বিভিন্ন নিমন্ত্রণ- অনুষ্ঠানে খাওয়াদাওয়া বেশি হতে পারে। এতে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। সে ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে পালং শাক। কম ক্যালোরি এবং ফাইবারে পূর্ণ হওয়ায় এই শাক ওজন বৃদ্ধি করে না।

  • কৈ মাছ যশোরের জিআই পণ্যের  স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হবে

    কৈ মাছ যশোরের জিআই পণ্যের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হবে

    ডেস্ক নিউজ:

    দেশ থেকে এখন দেশি কৈ মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। এ মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেই সাথে জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম মামুন।

    যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট সভা কক্ষ অমিত্রাক্ষরে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ৯৭ দশমিক ৩০ শতাংশ টাইফয়েডের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

    ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন সাফায়াত বলেন- হাসপাতালে কুকুরে, বিড়ালে কামড়ানো ভ্যাকসিন যথাযথ পাওয়া যাচ্ছে না। যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে তাই দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বাকি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রফিকুল হাসান বলেন মশা বেড়েছে। এটি নিধনের কাজ শুরু করা হয়েছে। পৌরসভা থেকে যদি কোন দপ্তরের সেবার প্রয়োজন হয়। আমাদের কর্মকর্তাদের হটসঅ্যাপে জানালে সেবা দেয়া হবে।

    এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহাবুবুর রহমান বলেন ব্রিজ নির্মাণের আগে প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হবে। তারা তালিকা সংশোধন করে দিলে মন্ত্রণালয়ে পাঠিনো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন হয়ে আসলে কাজ শুরু করা হবে। কিন্তু এখনো সেই তালিকা পায়নি।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া বলেন, পৌরসভার আওতাধীন নীলগঞ্জ তাঁতী পাড়ার রাস্তা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে আসলে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু করা হবে পালবাড়ী থেকে মনিহার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের কাজ। যশোর খুলনা মহাসড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে। এজন্য হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, ২০২৬ সালের বই চলে এসেছে। ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির বই প্রাপ্তির হার ৫ লাখ ৮১ হাজার ২৫৬। প্রাকপ্রাথমিকের প্রাপ্তি বইয়ের সংখ্যা ৩৯ হাজার ২০৯। সব বই উপজেলাগুলোতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

    সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বলেন, যেখানে যেভাবে কাজ করি না কেন সেখানকার মানুষের ভালবাসা অর্জন করা বড় কথা। ভালবাসা দিলে বাকিগুলি খুশি হয়ে নেয়া যায়। আমরা যখন কাজ করি, জনগণের কথা চিন্তা করে করা উচিৎ। বিভিন্ন সংকটের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হয়। যশোরে কাজ করতে এসে সকল কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পেয়েছি।

    আরো বক্তবক্য রাখেন পুলিশ সুপার রওনক জাহান, কৃষি জেলা কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।

    পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার।

    সভায় গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আসলাম হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মানিকুজ্জামানকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।
    বি/এ

  • কালীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, জরিমানা

    কালীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, জরিমানা

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    কালীগঞ্জে মাংস বিক্রির দোকানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে বুধবার সকালে পৌরসভার হাটচাঁদনী ও খাদ্য অফিসের সামনে মাংসের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহিন আলম।

    এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরু ও ছাগলের মাংস বিক্রি করার অপরাধে ২ মাংস ব্যবসায়ীকে দেড় হাজার টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়াও নলডাঙ্গা রোডে পচা মাংস বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ীর মাংস মাটিতে পুতে ফেলা হয়।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম জানান, স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে মাংস বিক্রি করতে হবে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থায় জেল জরিমানা হতে পারে।

    অভিযানকালে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জিল্লু রাইন, পৌর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেনসহ কালিগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।